আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের শুভেচ্ছা
বাংলা ভাষার জন্য আত্মত্যাগকারী
সকল মহান ভাষা শহীদগণের প্রতি,
এবং ভাষা আন্দোলনের সাথে সম্পৃক্ত
সকল ভাষা সৈনিক
ও বীর বাঙ্গালীদের জানাই অশেষ শ্রদ্ধাঞ্জলী,
সেইসাথে সকলকে জানাই
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের শুভেচ্ছা।
বিষয় সূচী
APNAKE SHAGOTOM
সকলকে বাংলা নতুন বছরের শুভেচ্ছা
অথচ একদিন আমরা বাঙ্গালী জাতি একতাবদ্ধ হয়ে রাষ্ট্রীয় ভাষা উর্দুকে ত্যাগ করে নিজেদের মাতৃভাষা বাংলাকে রাষ্ট্রীয় ভাষা তথা বাংলা ভাষাকে সর্বত্র প্রচলন করতে প্রাণ দিতে বাধ্য হয়েছিলাম ! ফলে বিজাতীয় ভাষা উর্দূকে অপসারন করে নিজেদের মাতৃভাষায় কথা বলার স্বাধীনতা অর্জন করে বাংলা ভাষাকে ধারন করেছিলাম । যখন আমরা বাংলার সর্বত্র বাংলা ভাষায় কথা বলা শুরু করেছিলাম ,তখন কিন্তু বিশ্বায়নের যুগটা অনুপস্থিত ছিল তা নয় , বিশ্বায়নের যুগটা তখনও ছিল বিধায় আমরা ইংরেজী শিক্ষায় তখনও বাধ্য ছিলাম । অর্থাৎ যে জন্যে আজ আমরা ইংরেজী শিখছি সেইজন্যে তখনও ইংরেজী শিক্ষার প্রচলন ছিল । ছিল ইংরেজী শিক্ষার প্রয়োজনীয়তাও । তাই বলে সে সময় বর্তমান সময়ের মত মাতৃভাষা বাংলাকে অবমাননা করা হয়নি । মানুষ সে সময় বাংলায়ই কথা বলেছিল । শুধুমাত্র প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রেই সে সময় ইংরেজী ব্যাবহার করেছিল বাঙ্গালী জাতি ।
conduit-banners
Powered by Conduit |
সোমবার, ১৯ নভেম্বর, ২০১২
হে মুসলীম ! ঘুমাইওনা আর
রবিবার, ১৮ নভেম্বর, ২০১২
এক বৎসরের গ্যারন্টিযুক্ত কমদামী কম্পিউটার
বন্ধুরা কেন এ লেখা লিখতে গেলাম হঠাৎ তা ভাবছেন তাই না ? তার একটা কারণ রয়েছে। বাংলাদেশের একটা বিজ্ঞাপণ দেখলাম আজ। এক বৎসরের গ্যারান্টিযুক্ত অল্প দামে কম্পিউটার বিক্রি হচ্ছে। মনে মনে কতক্ষণ হাসলাম। সেই মেইড ইন জিনজিরার হবে হয়তো। অজান্তে বিষ খাওয়ার মতো হয়তো কিনে নেবে কেউ। যখন বিষক্রিয়া আরম্ভ হবে তখন তো খবর হবেই।
আমি বর্তমানে যে কম্পিউটারটা ব্যবহার করছি তাতে খরচ হয়েছে ২৬০০ সাউদি রিয়াল। তিন বৎসর আগে দেশ থেকে আসার পর পরই কেনা হয়েছিল। আর একই কম্পিউটার রেডিমেড পাওয়া যেত তখন ৮০০ সাউদি রিয়াল। যাতে কিডনী দুইটার জায়গায় একটা , রক্তনালী লম্বার যায়গায় বাইটা, নাকের ছিদ্র দুইটা থাকলেও একটাতে নাসা জন্মাবার কারণে সর্বদাই বন্ধ। কান দুইটা থাকলেও এক কানে শ্রবণশক্তি নেই। সামনের দাঁতগুলো মুক্তার মত উজ্জল দেখালেও ভিতরের বড়দাঁতগুলো পোকাক্রান্ত। চোখ দুইটা থাকলেও একটাতে দৃষ্টিশক্তি নেই বললেই চলে। হাত দুইটা থাকলেও মানুষ মারতে গেলে এক হাতের জন্য যুদ্ধে পরাজিত হতে হয়। পাও দুইটা থাকলেও এক পা রড লাগিয়ে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে কাপড় দিয়ে ঢেকে। মানুষের মূল্য যেমন এভাবেই কমে যায়, তেমনি কম্পিউটারের মূল্যও। বন্ধুরা , ভাবুন তো ! আপনি কম্পিউটার কিনলে বেশ দামে কিনবেন , নাকি কমদামী ? যদি কমদামে কিন্তে চান আমার কাছে আসলে একলক্ষ টাকা দামের কম্পিউটারের মতোই দেখতে একটা কম্পিউটার কিনে দেব মাত্র দশ হাজার টাকায়। মনে রাখবেন - এক বৎসরের গ্যারন্টি প্রদান করা হবে।
সোমবার, ১২ নভেম্বর, ২০১২
তাঁর স্মরণে, যিনি সকলের মালিক
শুক্রবার, ৯ নভেম্বর, ২০১২
মাথা ঘুরানীর ঔষধ
যা হোক, আজ জোহরের পর ঝালমুরি কিনতে একটা মুদি দোকানে গেলাম আমি। যখন ক্যাশ কাউন্টারে টাকা দিতে গেলাম , তখন একটা লোক এসে ক্যাশিয়ারকে তার বাসায় যেতে বলল। ক্যাশিয়ার বলল তার মাথা ঘুরাচ্ছে যেতে পারবেনা। তখন লোকটি বলল - অসুবিধা নেই তার বাসায় মাথা ঘুরানীর ঔষধ আছে।
এদিকে গত দু'দিন ধরে আমিও ভীষন মাথার সমস্যায় ভুগছি। তাই কৌতুহল হলাম লোকটার কথায়। ভাবলাম ফার্মেসীর বাইরে সেক্সুয়াল ঔষধ বিক্রির এজেন্টেদের মত এরাও একটা ঔষধ কোম্পানীর এজেন্ট হতে পারে, যারা কাষ্টমার ফোন করলেই তাদেরকে ঔষধ সরবরাহ করে। এ ভাবনায় জিজ্ঞেস করলাম লোকটাকে - আমিও কি মাথা ঘুরানীর ঔষধ পেতে পারি ? সে বলল অবশ্যই পেতে পারেন। বিভিন্ন ধরণের মাথা ঘুরানীর ঔষধ আমাদের কাছে আছে। আরও কৌতুহল হয়ে জানতে চাইলাম - দাম কত পড়বে ? সে বলল - ৫০ থেকে ৩০০ রিয়ালের মধ্যে মাথা ঘুরানীর ঔষধ দেয়া যাবে। বললাম - তবে তো আপনার সথে যেতেই হয়। সে বলল - ঠিক আছে চলুন।
তার বাসায় গিয়েই দেখি সাদা-কালো-বেগুনী-লাল সহ বিভিন্ন ধরণের মেয়ে বসে আছে সেখানে। এ ধরণের বাসায় এসব মেয়ে ! আশ্চর্যাম্বিত হলাম আমি। তখন অন্য রুম থেকে একজন উচ্ছস্বরে বলতে লাগল - হাবিব, রেইট বলেছিস ? কোন রেইট এ কতক্ষণ থাকতে পারবে বলেছিস তো ?
বুঝতে আর বাকি রইলনা মাথা ঘুরানীর ঔষধ কি ? অন্যরুম থেকে যে কথা বলছিল সে বেরিয়ে এল রুম থেকে। আমাকে দেখেই লোকটির চোখ ছানাবড়া। ভয় ও পেল মনে হয়। এই লোকটাকে আমি অনেকদিন থেকে চিনি। পরিচিত লোক। বিশেষ অনুরোধের কারণে পূর্ণ পরিচয় দেয়া থেকে বিরত থাকলাম। যা হোক ভয়ের চাপ তার চোখে মুখে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে। ভয় পাওয়ারই কথা। গত পাঁচ বছর আগে ঠিক এ ধরণের অপকর্মের কারণেই এ গ্রুপের একজনকে ধরিয়ে দিয়েছিলাম পুলিশের হাতে। তখন তার অপরাধের মাত্রা এত বেড়ে গিয়েছিল যে যদি সে ৪৫ জন মেয়ে ও ১০০ এর উপর খদ্দের সহ পুলিশের হাতে ধরা খেত তবে বাংলাদেশের অবস্থান নরকের শেষ স্তরে পৌঁছে যেত। অবশ্য তখন সে একটি মেয়েসহ আমার কথায় ধরা দিতে বাধ্য হয়েছিল। তিনমাস জেলখাটিয়ে আবার আমিই তাকে শেষবারের মত জেল থেকে দেশে ফেরত পাঠানোর কাজে সহযোগিতা করেছিলাম। সে সময় আজকের এ লোকটিও জড়িত ছিল। সেদিন সে পালিয়ে গিয়ে বেঁচে যায়।
সেদিন বেঁচে গেলেও মনে করেছিলাম সে এ কাজ ছেড়ে দিবে কিন্তু আজ আবার তাকে দেখে বুঝলাম সে ঐ অপকর্ম ছাড়েনি। মেয়েগুলোর দিকে ইশারা করে ওদের দুজনকে জিজ্ঞেস করলাম- এগুলোই কি আপনাদের মাথা ঘুরানীর ঔষধ ? আবার শুরু করেছেন আপনারা ? পাঁচ বৎসর আগের কথা কি ভুলে গেছেন ?
তাদের মুখ যেন আটকে দিল কেউ, কথা না বলে নীচের দিকে চেয়ে থাকল। আজ ছেড়ে দিয়ে তাদের সংশোধনের একটা সুযোগ দেয়ার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করলাম। বললাম- আপনি তো আমাকে চিনেন । আমি কি করতে পারি তাও জানেন। দয়া করে এ পবিত্র স্থানে এসব বন্ধ করেন। টাকা কামানোর অনেক রাস্তা আছে ,সে পথগুলো অনুসরন করেন। এই ধরণের অপকর্ম করে দেশ ও দশের ক্ষতি করবেননা। যদি না শুনে এই কাজ করে যেতে থাকেন তবে পাঁচ বৎসর আগের একই ঘটনা ঘটাতে আমি বাধ্য হব।
তারা বলল- ঠিক আছে ভাই আমরা দুদিনেই এদেরকে সেটেল করে দিচ্ছে। দুদিনের মধ্যে কিছু করবেননা দয়া করে। আজকের মত চলে এলাম ঐ লোকদের সংশোধন হবার সময় দিয়ে।
উল্লেখ্য যে, এ লোকগুলো এ অপকর্মের সংগঠন করে খরিদ্দারদের পতি জনের কাছ থেকে পায় ৫০% আর বাকী ৫০% পায় মেয়েগুলো।
একদিন খুঁজবে আমায়
বৃহস্পতিবার, ৮ নভেম্বর, ২০১২
আমি এক ভীনগ্রহের আগন্তুক
বুধবার, ৭ নভেম্বর, ২০১২
রোগ বাড়ানোর ডাক্তার নয়, চাই রোগ তাড়ানোর ডাক্তার
সে সময়ের ডাক্তারগণের লক্ষ্য থাকতো রোগীর রোগ কিভাবে নির্মূল করা যায় সেদিকে। আর এখনকার ডাক্তারগণের লক্ষ্য থাকে কিভাবে রোগীদের রোগ দীর্ঘস্থায়ী করা যায় সেদিকে। সেসময়ের ডাক্তারগণের লক্ষ্য ছিল জনসেবা দিয়ে নিজের পেঠে অন্নদান। আর এখনকার ডাক্তারগণের লক্ষ্য হলো মানুষ বলি দিয়ে নিজেদের বিত্তশালী করনের ধ্যান।
বন্ধুরা ! ভাবছেন নিশ্চয় - কেন আমি ডাক্তারদের নিয়ে আজ লাগলাম ? তার একটাই কারণ - ডাক্তার যদি রোগী দেখে রোগই ধরতে না পারেন , তবে তিনি ডাক্তার সার্টিফিকেট নিলেন কিভাবে ? যদি ডাক্তার অনুমানের উপর ভর করে শুধুই ঔষধ দিয়ে যান আর রোগী সেই ঔষধ খেয়ে কোন উপকারই না পান তবে সে ডাক্তারকে কিভাবে ডাক্তার বলা যায় ? আগেকার কম শিক্ষিত ও উপাধীহীন ডাক্তারগণ কোন প্রকার ঠেস (টেস্ট) ছাড়াই ঔষধ দিয়ে রোগ সারাতেন। আর এখনকার উন্নত শিক্ষিত ও বড় বড় ডিগ্রীধারী ডাক্তারগণ শত শত ঠেস (টেস্ট) দিয়েও রোগ সারাতে পারছেননা, কেন ?
মূলতঃ বর্তমান ডাক্তারগণ এতই বাণিজ্যিক হয়ে গেছেন যে,রোগীদের রোগ সারানোর চেয়ে তারা রোগ বাড়াতেই রয়েছেন তৎপর, যাতে তারা রোগীদের শুয়ে রেখে তাদের রক্ত চুষতে পারে দীর্ঘমেয়াদী। তাদের কাছে ডাক্তারের মহৎ পেশাটি হয়ে গেছে একমাত্র টাকা উপার্জনের মাধ্যম , তাদের কাছে ডাক্তারের সেবা মুলক পেশাটি এখন আর সেবা হিসাবে গণ্য নয় । এখনকার ডাক্তারগণ তাই সেবক নন, হয়ে গেছেন তারা পেষক।
ডাক্তারদের এই বাণিজ্যিক ভাবনা থেকে বেরিয়ে এসে সেবামন নিয়ে ডাক্তারী পেশাকে ধারণ করা জরুরী। রোগীদের রোগ সারানোর ব্যবস্থা না করে দীর্ঘমেয়াদী রক্তচোষা তাদের কাছ থেকে কাম্য নয়। জরুরী ছাড়া যেন কোন রোগীকে ডায়াগনিস সেন্টারে পাঠানো না হয় সেরূপ পর্যবেক্ষণের চোখ থাকা প্রতিটি ডাক্তারের একান্ত প্রয়োজন। রোগ বাড়ানোর ডাক্তার নয়, চাই রোগ তাড়ানোর ডাক্তার। নামকরা ডিগ্রীধারী মানুষ মারার ডাক্তার চাইনা, চাই মানুষ বাঁচাবার প্রকৃত ডাক্তার।
সোমবার, ৫ নভেম্বর, ২০১২
শুনেছিলে সেদিন হৃদয়ের কথন
বৃহস্পতিবার, ১ নভেম্বর, ২০১২
একটা প্রশ্নের উত্তর জানতে চাই ?
আর " স্বনির্ভরতা অর্জনে আমরা বিদেশী পণ্য বর্জন করব " এই মহামূল্যবান সুত্র দিয়েই ইন্ডিয়া আজ তার প্রতিটি ক্ষেত্রে স্বনির্ভরতাসম্পন্ন এবং তা অর্জনে স্বচেষ্ঠ। আজও দেখতে পাই তাদের সেই দেশপ্রেম এই প্রবাসে বসে। ইন্ডিয়ানরা দেশে যাবার সময় প্রবাস থেকে তেমন কোন মার্কেটিং করেনা, কোন প্রকার বস্ত্র তো নয়-ই । এই হলো ইন্ডিয়ানদের দেশপ্রেম আর দেশের স্বনির্ভরতা অর্জনের জন্য তাদের প্রচেষ্ঠা।
আর আমরা দেশপ্রেমের পরিচয় দিই দেশের কলকারখানায় উৎপাদিত পণ্য বসিয়ে রেখে এবং পঁচিয়ে ফেলে বিদেশ থেকে পণ্য আমদানী করে বাজারজাত করার মাধ্যমে। এই ঈদের চ্যানেল আইয়ের কৃষকের ঈদ আনন্দ অনুষ্টানে সচিত্রে দেখানো হলো তারই একটা প্রমাণ। দেশে উৎপাদিত কোটি কোটি টাকার চিনি কারখানার গুদামে বসিয়ে রেখে বিদেশ থেকে চিনি আমদানী করে দেশের চিনি শিল্পকে কিভাবে ধ্বংস করা হচ্ছে। দেশীয় চিনিকল ধ্বংস করে দেখানো হচ্ছে দেশপ্রেমের প্রদর্শনী। হায়রে দেশপ্রেমিক !
আমাদের নেতারা বিদেশ থেকে আমদানী করা সার্ট প্যান্ট গায়ে না জড়ালে তারা নেতা রূপে পরিচিতি পান না । আর ইন্ডিয়ার মহাত্মা গান্ধীর মত নেতারা উলঙ্গ পায়ে হেঁটে এক জোড়া সেলাইবিন কাপড় গায়ে দিয়েও পরিচিতি পান বিশ্বনেতা রূপে ! কি দারুন নেতাদের দেশপ্রেমের নমুনা !
ইন্ডিয়া আমাদের চ্যানেলগুলো সে দেশে প্রদর্শনে বন্ধ রেখেছে , আর আমাদের দেশ ইন্ডিয়ার চ্যানেলগুলো অবাধে খুলে দিয়েছে , দেশপ্রেমের নমুনা স্বরূপ ! আর বেশী কিছু তুলে ধরতে মন চাইছেনা ,তাই এখানেই ক্ষান্ত দিলাম। তবে শেষ করার আগে একটা প্রশ্নের উত্তর জানতে চাই - দেশপ্রেম কি ও কেন ?
সোমবার, ২২ অক্টোবর, ২০১২
বাংলাদেশের মুসলীম পরিচিতি
সুন্নী মুসলীম , ওহাবী মুসলীম , মিলাদুন্নবী মুসলীম , সীরাতুন্নবী মুসলীম , দোয়াল্লীন মুসলীম , জোয়াল্লীন মুসলীম ,সেনা মুসলীম , শিবির মুসলীম , জামাতী মুসলীম , দরবারী মুসলীম, নিরপেক্ষ মুসলীম, কট্টর মুসলীম, কাঠমোল্লা মুসলীম , মৌলবাদী মুসলীম , শিয়া মুসলীম , আহলে হাদীস মুসলীম , সালাফী মুসলীম , দেওয়ানবাগী মুসলীম , কওমী মুসলীম , আলীয়া মুসলীম , আহলুসসুন্নাহ মুসলীম , আহলে বায়েত মুসলীম , মাইজভান্ডারী মুসলীম , সাঈদাবাদী মুসলীম , চরমোনাই মুসলীম , শর্ষীনাই মুসলীম , আটরশী মুসলীম , বাঈয়ীনাত মুসলীম , দেওবন্দী মুসলীম , সুফী মুসলীম , মাজার পূঁজারী মুসলীম , দিশেহারা মুসলীম , উগ্রপন্থী মুসলীম , জঙ্গী মুসলীম , উদারপন্থী মুসলীম , সাধারণ মুসলীম , সুবিধাবাদী মুসলীম , নও মুসলীম , ধর্মত্যাগী মুসলীম , বন্ধু মুসলীম , চিশ্তিয়া মুসলীম , কাদেরীয়া মুসলীম , নক্শবন্দীয়া মুসলীম , আহমদিয়া মুসলীম , সুদখোর মুসলীম , ঘুষখোর মুসলীম , ধর্ষক মুসলীম , দর্শক মুসলীম , বক্তা মুসলীম , স্রোতা মুসলীম , ফতোয়াবাজ মুসলীম , দূর্নীতিবাজ মুসলীম , পাকিস্তানী তৈয়বী মুসলীম , সৌদী আবদুল ওয়াহাব নজদী মুসলীম , মডার্ণ মুসলীম , গোঁড়া মুসলীম , ঘুমন্ত মুসলীম , জাগ্রত মুসলীম , অত্যাচারী মুসলীম , স্বৈরাচারী মুসলীম , যুক্তিবাদী মুসলীম , অন্ধ মুসলীম , গোস্ত খাইয়্যা মুসলীম , খাটি মুসলীম , ভন্ড মুসলীম , ধূর্ত মুসলীম , ধনী মুসলীম , দরিদ্র মুসলীম , শিক্ষিত মুসলীম , অশিক্ষিত মুসলীম , কুশিক্ষিত মুসলীম , সুশিক্ষিত মুসলীম , দূর্বল মুসলীম , সবল মুসলীম , নামাজী মুসলীম , বেনামাজী মুসলীম , নামধারী মুসলীম , ছলনাকারী মুসলীম , হানাফী মুসলীম , হাম্বলী মুসলীম , শাফেয়ী মুসলীম , মালেকী মুসলীম !
শনিবার, ২০ অক্টোবর, ২০১২
দেশের জন্য জরুরী
শনিবার, ১৩ অক্টোবর, ২০১২
স্বপ্নজগতের সন্ধানে
![]() |
স্বপ্নজগতের সন্ধানে
মুহাম্মদ জাকারিয়া শাহনগরী
|
বুধবার, ১০ অক্টোবর, ২০১২
আমি কি মানুষ নই ?
মঙ্গলবার, ৯ অক্টোবর, ২০১২
Hello Today | ফটিছড়িতে সড়ক দূর্ঘটনায় স্কুলছাত্রী আহত
আহত মেয়েটির জন্য দোয়া কামনা করছি
গ্রামীণ জনপদে প্রশাসনিক নিয়ম না থাকায় এভাবে চালকরা বেপরোয়া ভাবে গাড়ী চালিয়ে বিভিন্ন দূর্ঘটনা ঘটায়। যারা এ সমস্ত গাড়ী চালায় তাদের অনেকেরই নেই ড্রাইভিং লাইসেন্স। কোন মতে ড্রাইভিং শিখে তারা লাইসেন্স ছাড়াই গাড়ী চালানো শুরু করে। যা দেখার জন্য প্রশাসনের কোন লোক নেই এইসব জনপদে। ফলে এক্সিডেন্ট করেই তারা পার পেয়ে যায়।
সোমবার, ৮ অক্টোবর, ২০১২
দূর্ঘটনায় আমার মেয়ে সামিরা : দোয়া কামনা
আমার একমাত্র মেয়েটি গতকাল গাড়ী এক্সিডেন্টে ভীষণ ভাবে আহত হয়েছে। মুখে সেলাই করা হয়েছে ৫/৬ টা। এখনও কথা বলতে ও কিছু খেতে পারছেনা। খুবই কষ্টে তরল জাতীয় খাদ্য দেয়ার চেষ্ঠা করা হচ্ছে। তার সুস্থতার জন্য সকলের কাছে দোয়ার আবেদন রইল।
রবিবার, ৭ অক্টোবর, ২০১২
এটা নাকি শান্তির দেশ !
শনিবার, ৬ অক্টোবর, ২০১২
চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি পৌরসভার প্রথম পৌর নির্বাচন অনুষ্ঠিত
গতকাল শনিবার চট্টগ্রামের নবগঠিত ফটিকছড়ি পৌরসভার প্রথম নির্বাচন অনুষ্টিত হয়। নির্বাচনে প্রথমবারের মতো মেয়র নির্বাচিত হন আওয়ামীলীগ সমর্থক প্রার্থী হাজি মোহাম্মদ ইসমাইল হোসেন। তিনি ফটিকছড়ি পৌরসভার প্রথম মেয়র হিসাবে নিজেকে দাঁড় করার গৌরব অর্জন করেছেন। পৌরসভা গঠনের এক বছর পর চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার এ প্রথম পৌরসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ১৭টি ভোটকেন্দ্রে একটানা এ ভোটগ্রহণ চলে। অপ্রীতিকর কোন ঘটনা ছাড়াই চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার এ প্রথম পৌরসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
নবগঠিত উক্ত পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে ৫ জন,সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে ১১ জন ও সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৫৯ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ২৫ হাজার ৪৪০ জন ভোটার প্রথম পৌর মেয়র ও কাউন্সিলর নির্বাচনে ভোট দানে অংশ নেন । এর মধ্যে পুরুষ ১১ হাজার ৯৪৯ জন ও নারী ভোটার ১৩ হাজার ৪৯১ জন । নির্বাচনে উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য হাজি মোহাম্মদ ইসমাইল হোসেন চশমা প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে পেয়েছেন ৭ হাজার ৮৬৮ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি উপজেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা এম সিরাজুল ইসলাম তালা প্রতীকে নিয়ে পেয়েছেন ৫ হাজার ৭০১ ভোট।
এ নির্বাচনের অন্য মেয়র প্রার্থীরা ছিলেন বিএনপি সমর্থিত মোবারক হোসেন কাঞ্চন (দোয়াত-কলম) ও মো. ইদ্রিস রায়হান (আনারস) ও নাগরিক কমিটি থেকে আসা মো. করিম উল্লাহ চৌধুরী (দেয়ালঘড়ি)।
ভোট গ্রহণ উপলক্ষে পৌর এলাকায় বিশেষ নিরাপত্তা বেষ্টনী গড়ে তোলা হয়। মোতায়েন করা হয় অতিরিক্ত পুলিশ । এছাড়া র্যাব-পুলিশ-বিজিবি’র সমন্বয়ে স্পেশাল ব্রাঞ্চ গঠন করা হয়। ১৭ টি ভোট কেন্দ্রে ১৩ জন নির্বাহী ম্যাজিষ্টেড এর নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত কাজ করে। সুষ্ঠুভাবে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন করার জন্য প্রতি কেন্দ্রে ১১ জন পুলিশ, ১৪ জন আনসার মোতায়ন করা হয়। এ ছাড়া নির্বাচনী এলাকায় ১১ জন ম্যাজিস্ট্রেট, ৫টি পুলিশের ভ্রাম্যমাণ দল, দুই প্লাটুন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটেলিয়ান (র্যাব) সার্বক্ষণিক টহলে থাকে।
ভোটগ্রহণ নিয়ে কোন ধরনের অভিযোগ না থাকলেও দুপুরে পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডে কে এম টেক সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে জাল ভোট দেয়ার চেষ্টা করায় দু`জনকে আটক করে পুলিশের হাতে সোপর্দ্দ করেন প্রিজাইডিং কর্মকর্তা আকরাম হোসেন।
উল্লেখ্য যে, ২০১১ সালের ৩১ মার্চ ঘোষিত এ পৌরসভার প্রথম নির্বাচনী তফশিল গত ১৩ আগষ্ট নির্বাচন কমিশন ঘোষনা করে। ২০ সেপ্টেম্বর নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ভোটার তালিকা হালনাগাদ হয়নি উল্লেখ করে হাইকোর্টে রীট আবেদন করায় ১৭ আগষ্ট স্থগিত হয়ে যায় নির্বাচন। পরে সুপ্রীম কোট হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করলে নতুন নির্বাচনের তারিখ ৬ অক্টোবর শনিবার ঘোষণা করা হয়। এ ঘোষনা অনুষারে গতকাল শনিবার এ নির্বাচন অনুষ্টিত হয়।
মনহীন এক মানুষ তুমি
মঙ্গলবার, ২ অক্টোবর, ২০১২
চলো ফিরে যাই
রবিবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০১২
রূপালী জ্যোৎস্নায় একদিন
- এত জায়গা থাকতে রাতবিহারে এ স্থানটি বাচাই করলে কেন ?
- কেন, তোমার খারাপ লাগছে ?
- খারাপ লাগছেনা , জানার কৌতুহল।
- রূপালী জ্যোৎস্না নদীর ধারে যতটুকু সুন্দর লাগে অন্য কোনখানে তত সুন্দর লাগেনা। তাই তোমার আজকের আগমনকে স্মৃতিতে ধরে রাখার জন্য এই বিশেষ স্থান নির্ধারণ।
- সত্যিই তাই, খুবই সুন্দর লাগছে। এমন সুন্দর জ্যোৎস্না আর কখনো দেখা হয়নি। অনেক অনেক ধন্যবাদ এই বিশেষ স্থানে নিয়ে আসার জন্য।
- হাঁটতে হাটতে অনুভব হলো একটি মিষ্টি সুঘ্রান যেন আমোদিত করছে। তোমারও লাগছে নাকি ?
- লাগছে মানে ! আমি তো এই সুঘ্রানের জন্যই এখানে আসি বার বার। তুমি কি এখন খেয়াল করছ সেটা ?
- না , যখন ডানে মোড় নিয়ে যাত্রা শুরু করলাম তখন থেকেই।
- ও তাই, তুমি কি জান কতটি চম্পা ফুলের গাছ পেরিয়ে এলাম ?
- তা আমি কিভাবে জানব ? আমি তো গাছের দিকে তাকাই-ইনি।
- তবে কোন দিকে তাকিয়েছিলে ?
- তাকিয়েছিলাম রূপালী চাঁদ, রূপালী নদ আর জ্যোৎস্নামাখা তোমার রূপালী মুখের দিকে। গাছ দেখার সময় কি আর পেলাম ?
- বাহ্ ! কবি হয়ে গেলে দেখছি !
- কবি হয়েছি কিনা জানিনা, তবে এমন মধুর ক্ষণে কবিতা না লিখতে পারলেও কবি হতে কার না ইচ্ছে করে ? যা হোক, বললে নাতো কয়টা চম্পা গাছ পেরিয়ে এলাম ?
- দশটা । আমার নিজেরই আছে ছয়টা।
- তবে তো এটা চম্পা ফুলের একটা বাগান। কিন্তু তোমার ছয়টা মানে বুঝলামনা। তুমি কি এখানে চম্পা ফুলের গাছ লাগিয়েছ নাকি ?
- হ্যা , এটাকে চম্পা ফুলের বাগানই ধরে নিতে পার। সব মিলিয়ে পঁচিশটা গাছ হলে তো একটা বাগানই। আমি জানিনা আমি গাছ লাগিয়েছি কিনা। তবে বাবা বলেছে আমার বয়স যখন তিন বৎসর তখন আমাকে এখানে নিয়ে এসে আমার হাত দিয়ে দশটা গাছ লাগানো হয়েছিল। দশটা গাছের মধ্যে বেঁচে আছে ছয়টা। তাই ওগুলো আমার গাছ হিসাবেই মনে করি যদিও মালিকানা স্বত্ব দবী করিনা।
- দারুন তো ! তোমার গাছগুলো দেখতে হবে।
- ঠিক আছে ফিরতি পথে দেখিয়ে নেব।
- আমরা আর কতদূর যাব ?
- চম্পা গাছ যতদূর পর্যন্ত আছে ততদূর , তারপর ফিরব।
- আর কতক্ষন হাঁটতে হবে ?
- হিসাব কর , আরও পনেরোটা গাছ অতিক্রম করতে হবে।
- গাছ হিসাব করলে তোমার আার হিসাব কখন করব ?
- মানে ?
- জ্যোৎস্না রাতের প্রেমের হিসাব !
- বুঝলামনা। সেটা কি রকম ?
- কচি খুকী, সব বুঝাতে হবে।
- না বুঝলে বুঝাতে হবেনা ?
- বুঝানোর কাম নেই , গাছ গুণতে এসেছি যখন গাছই গুণে যাই।
- রাগ করছ কেন , তোমার কি করার ইচ্ছা তাই বল।
- তুমি গাছ গুণতে বলে কেন ?
- মনে কর একটা অঙ্ক করতে দিলাম।
- এই ধরণের অঙ্ক এ সময় ভাল লাগেনা।
- কোন ধরণের অঙ্ক ভাল লাগে ?
- রোমান্টিক সময় রোমান্টিক অঙ্ক ?
- রোমান্টিক অঙ্ক ! সেটা কি রকম ?
- এই যেমন ধর , আই লাভ ইউ কতবার বলা হলো ? আগামী দিনের ডেটিং সময় কবে হবে ? এই ধরণের আর কি ?
- বাহ্ ! বেশ রোমান্টিক হয়ে গেলে মনে হচ্ছে ?
- রোমান্টিক হতে পারলাম আর কই ?
- পারলেনা কেন ?
- গাছ গুণতে দিলে কি আর রোমান্টিক হওয়া যায় ?
- কি করতে দিলে রোমান্টিক হওয়া যায় ?
- তা কি শিখাতে হবে ?
- বা রে , আমি কি জানি নাকি , রোমান্টিক কিভাবে হয় ?
- না জানলে থাক, অন্যদিন প্রাক্টিক্যাললি শিখিয়ে দেব।
- ঠিক আছে। আমাদের এখানেই শেষ , চল একটু বসি।
- হ্যাঁ , একটু বসলেই ভাল হয়। পাও ধরে গেছে।
- দেখ দেখ পানির ঢেউ কিভাবে আঁচড়ে পড়ছে !
- তুমি ঢেউ দেখছ ? আমি অন্য কিছু দেখেছি।
- কি ?
- রূপালী ইলিশ !
- কোথায় ?
- পানির সাথে একটা গর্তে ডুকেছে দেখেছি।
- এখানে তো তেমন কিছু দেখছিনা , তোমার ওড়নাটা দাওতো !
- আমার ওড়না দিয়ে কি করবে ?
- দেখই না কি করি ?
দেরী না করে ওড়নাটা নিয়ে খাদে নেমে গেলাম আমি । দৃষ্টি সরাইনি আমার। মাছটি রয়ে গেছে সেখানে এখনো। ওড়নাটা মেলে গর্তে হাত দিয়ে চেপে ধরলাম। যা ভেবেছি তাই । মাছটা ছুটে যেতে প্রাণপণ চেষ্টা করল। পারলনা পালাতে। ধরাশায়ী হলো দুটি হাতের কাছে । ওড়নাটা দিয়ে ভাবে পেঁচিয়ে নিলাম। তুলে আনলাম উপরে। প্রিয়া তার ওড়নার দিকে অপলক দৃষ্টিতে চেয়ে থাকল। বলল :
- এ কি করেছ তুমি ?
- কি করেছি মানে ! দেখছনা রূপালী জ্যোৎস্নার রূপালী ইলিশ ধরে এনেছি।
- তুমি কি পাগল ?
- এই জ্যোৎস্নায় একটু পাগল না হলে কি মানায় ?
- তাই বলে তুমি আমার ওড়না দিয়ে মাছ ধরবে ?
- আরে তুমি ওড়নার চিন্তা করছ , লাভ কি করেছি সেটা তুমি দেখছনা ?
- দিলে তো আমার ওড়নাটা শেষ করে।
- একটা ইলিশের দাম কত জান ? তোমার ওড়নার তিনগুণ।
- ওড়না শেষ হয়েছে তো কি হয়েছে ? স্মৃতিটার ভিত্তি তো মজবুত হয়েছে। এই স্মৃতি কি ভুলতে পারবে ?
- ঠিক আছে , ওড়নার কথা বাদ দিলাম। কোন সাহসে খাদে নেমেছ ? যদি পীচলে গিয়ে পানিতে চলে যেতে কি হত ভেবে দেখেছ ?
- কেন , তুমি আমাকে বাঁচাতে নামতেনা ?
- নামলে কি হত ? দু'জনেই মরতাম।
- মরণকে ভয় করছ কেন ?
- কেন তুমি ভয় করনা ?
- আমি ভয় করলে কি আজ এই রূপালী ইলিশ ধরতে পারতাম ?
- তোমার সাহস দেখে আমি অবাক না হয়ে পারছিনা।
- আর অবাক হবার দরকার নেই। চল , দেরী করার সময় নেই।
- চল , বাড়ি গিয়ে দেখো বাবা কি বলছে। প্রস্তুত থাক গালি শুনার জন্য।
- এই রূপালী ইলিশের কাছে হাজারো গালি কিছুই না।
- তুমি না একটা বদ্ধ উন্মাদ।
- তাই সই।
- তুমি একটা গাদা ।
- তাও মানতে রাজি।
- পাগল।
- পাগল হয়েই তো করতে পেরেছি মাছটা দখল। এবার তোমার গাছ দেখাও।
- ওই তো , ওখান থেকে আমার গাছগুলোর শুরু।
- বেশ বড় হয়েছে দেখছি।
- বড় হবে না ? চৌদ্দ বছর হয়ে গেছে বয়স ।
- দেখি লাইটা জ্বালাওতো মোবাইলের।
- কেন ?
- গাছগুলোতে কিছু একটা লেখা দেখা যাচ্ছে মনে হয় !
- এ দেখি সব আমার নাম লেখা। ব্যাপার কি ?
- আমি যতবারই আসি তোমার নামটা এসব গাছে লিখে দিই।
- কেন ?
- তোমাকে একদিন এই গাছগুলো দেখাব বলে।
- যদি আমি কখনো না আসতাম ?
- আমার ধারণা ছিল , তুমি একদিন আসবেই।
- এমন বিশ্বাস কেন হয়েছিল ?
- জানিনা।
- এ গাছটিতেই শুধু দেখলাম - "Z" IS MY LOVE. কার উদ্দেশ্যে এ লেখাটি ?
- এটাই তোমার জন্য আজকর শেষ অঙ্ক।
- মাছটা একটু ধর।
- কেন ?
- আমিও একটা কিছু লেখতে চাই।
ছুরি দিয়ে সামান্য জায়গার ছাল পরিস্কার করে খোদাই করে লিখে দিলাম প্রিয়ার সেই চম্পা গাছে - " আজকের এই রূপালী জ্যোৎস্নার রাতে রূপালী চাঁদের আলোয় আমাদের এই রাতবিহারের স্মৃতি অমলিন থাকবে - I LOVE YOU PRIYA."
============
শুক্রবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০১২
বাংলাদেশের খেলাটি দেখুন টাইগারদের উৎসাহ দিন
http://www.liveonbd.net/live-cricket.html
আজ বাংলাদেশ সময় বিকেল ৪টায় বাংলাদেশের টাইগারদের খেলাটি আজ এ লিংকে দেখা যাবে আশা করি। বাংলাদেশের খেলাটি দেখুন টাইগারদের উৎসাহ দিন ।

















