তাই বলতে হয়, একটা সুশৃন্খল ও সুসভ্য জাতি গঠনে সুশিক্ষায় শিক্ষিত মানুষদের যতবেশী প্রয়োজন তার চেয়ে বেশী প্রয়োজন বিবেকবান মানুষের।
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের শুভেচ্ছা
বাংলা ভাষার জন্য আত্মত্যাগকারী
সকল মহান ভাষা শহীদগণের প্রতি,
এবং ভাষা আন্দোলনের সাথে সম্পৃক্ত
সকল ভাষা সৈনিক
ও বীর বাঙ্গালীদের জানাই অশেষ শ্রদ্ধাঞ্জলী,
সেইসাথে সকলকে জানাই
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের শুভেচ্ছা।
বিষয় সূচী
APNAKE SHAGOTOM
সকলকে বাংলা নতুন বছরের শুভেচ্ছা
অথচ একদিন আমরা বাঙ্গালী জাতি একতাবদ্ধ হয়ে রাষ্ট্রীয় ভাষা উর্দুকে ত্যাগ করে নিজেদের মাতৃভাষা বাংলাকে রাষ্ট্রীয় ভাষা তথা বাংলা ভাষাকে সর্বত্র প্রচলন করতে প্রাণ দিতে বাধ্য হয়েছিলাম ! ফলে বিজাতীয় ভাষা উর্দূকে অপসারন করে নিজেদের মাতৃভাষায় কথা বলার স্বাধীনতা অর্জন করে বাংলা ভাষাকে ধারন করেছিলাম । যখন আমরা বাংলার সর্বত্র বাংলা ভাষায় কথা বলা শুরু করেছিলাম ,তখন কিন্তু বিশ্বায়নের যুগটা অনুপস্থিত ছিল তা নয় , বিশ্বায়নের যুগটা তখনও ছিল বিধায় আমরা ইংরেজী শিক্ষায় তখনও বাধ্য ছিলাম । অর্থাৎ যে জন্যে আজ আমরা ইংরেজী শিখছি সেইজন্যে তখনও ইংরেজী শিক্ষার প্রচলন ছিল । ছিল ইংরেজী শিক্ষার প্রয়োজনীয়তাও । তাই বলে সে সময় বর্তমান সময়ের মত মাতৃভাষা বাংলাকে অবমাননা করা হয়নি । মানুষ সে সময় বাংলায়ই কথা বলেছিল । শুধুমাত্র প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রেই সে সময় ইংরেজী ব্যাবহার করেছিল বাঙ্গালী জাতি ।
conduit-banners
Powered by Conduit |
মঙ্গলবার, ৭ জুন, ২০১৬
একটা সুশৃন্খল ও সুসভ্য জাতি গঠনে সুশিক্ষায় শিক্ষিত মানুষদের যতবেশী প্রয়োজন তার চেয়ে বেশী প্রয়োজন বিবেকবান মানুষের।
তাই বলতে হয়, একটা সুশৃন্খল ও সুসভ্য জাতি গঠনে সুশিক্ষায় শিক্ষিত মানুষদের যতবেশী প্রয়োজন তার চেয়ে বেশী প্রয়োজন বিবেকবান মানুষের।
বৃহস্পতিবার, ৩০ মে, ২০১৩
শহীদ রাস্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৩২তম শাহাদাত বার্ষিকীতে তাঁর স্মৃতির প্রতি পরম শ্রদ্ধা ও তাঁর রূহের মাগফিরাত কামনা করে তাঁর প্রতি জানাচ্ছি অশেষ শ্রদ্ধাঞ্জলী
আজও বাংলাদেশের জনসাধারণ এই রাষ্ট্রনায়কের সফল সব কর্মসমুহ নিয়ে গর্বে কাতর। শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছে তাঁকে।
বাংলাদেশ জাতীয়বাদী দল (বিএনপি) এর প্রতিষ্ঠাতা, সাবেক রাস্ট্রপতি, স্বাধীনতার ঘোষক, বাংলাদেশের বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা, শ্রমিক-মেহনতি মানুষদের অকৃত্রিম বন্ধু, সফল সেনা ও রাষ্ট্রনায়ক, আদর্শবান সরকারী অফিসার, আধুনীক বাংলাদেশের রূপকার বা স্থপতি, দিশেহারা বাংলাদেশী জাতির দিশারী, বাকশক্তি-ব্যক্তি-সংবাদপত্রের স্বাধীনতা দানকারী, বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদের কালজয়ী দর্শনের প্রবক্তা, ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইল এলাকার বাংলাদেশের অতন্দ্র প্রহরী এবং অকুতোভয় বীর, মাতৃভূমিকে শকুনদের থাবা থেকে রক্ষাকারী লড়াকু সৈনিক, ক্ষুধা-দারিদ্র-শ্রেণীবৈষম্য ও নিরক্ষরতার বিরুদ্ধে অবস্থানকারী আমৃত্যু যোদ্ধা, বাংলাদেশী জাতীকে বিশ্বের বুকে মাথা তুলে দাঁড় করানোর স্বপ্নদ্রষ্টা, স্বনির্ভর বাংলাদেশের ভিত্তি রচনাকারক, সততা-কর্তব্যনিষ্টা-দেশপ্রেমের মহান ধারক, তেজোদীপ্ত ও প্রজ্ঞাবান সফল রাস্ট্রনায়ক, সার্কের স্বপ্নদ্রস্টা, আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে একটা টগবগে রাস্ট্র হিসাবে বাংলাদেশকে পরিণতকারী এই শহীদ প্রসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৩২তম শাহদাত বার্ষিকীতে জানাই বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলী।
-------------------------
***আমার এই শ্রদ্ধাঞ্জলী জানানোর কারণে যদি কেউ আমাকে জিয়ার আদর্শচ্যুত বর্তমান বাংলাদেশ জাতীয়বাদী দল (বিএনপি) এর সমর্থক মনে করেন , তবে তারা ভুল করবেন। কারণ , আমি জিয়ার আদর্শচ্যুত বর্তমান বাংলাদেশ জাতীয়বাদী দল (বিএনপি) কে সমর্থন করিনা। আমি সমর্থনকরি সেই জিয়ার সফল কর্মসমুহকে, আমি সমর্থনকরি জিয়ার সেই আদর্শ তার ১৯ দফার আন্দোলনকে।
রবিবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৩
দেখতে চাই তরুনদের সেই তারুণ্যের অগ্নিশিখা, যা রপান্তরিত হবে দেশের জন্য শান্তির সুবাতাস রূপে
" আজ আমরা শপথ নিলাম , আমরা সকল দূর্নীতি থেকে দেশকে বাঁচাতে আজ থেকে আমরা পদক্ষেপ গ্রহণ করলাম। দেশ লুন্ঠনকারীদের বিরুদ্ধে তাদের মূলোৎপাঠনে আমরা আজ থেকে যুদ্ধ ঘোষণা করলাম। সকল প্রকার অন্যায় - অনাচারের বিরুদ্ধে আমরা আজ থেকে রুখে দাঁড়ালাম। চুরি-ডাকাতি-রাহাজানি-সুদ-ঘুষ-খুন-গুম-অপহরণ-ধর্ষণ-নির্যাতন ইত্যাদি অনৈতিক কর্মের বিরুদ্ধে আজ আমরা অতন্দ্র প্রহরী হিসাবে নিজেদের নিয়োজিত করলাম। আজ আমরা এমন একটা পৃথিবী বিখ্যাত কর্ম ধারণ করলাম যা দিয়ে আমরা আমাদের দেশকে একটা পৃথিবী বিখ্যাত সভ্য দেশ হিসাবে চিহ্নিত করব। "
কিন্তু নাহ ! আমাদের তরুনদের মাথায় এ তারুণ্য শক্তি ডুকবেনা। কারণ আমাদের তরুনদের সেই তারুণ্য শক্তি ক্ষয়মান আমাদের দেশের নোংরা রাজনীতির ডাস্টবিনে পড়ে। আমাদের দেশের তরুনদের সেই তারুণ্য শক্তি ধ্বংসমান আমাদের দেশের অসৎ রাজনীতিবিদদের অসৎ মেধার করালগ্রাসে।
প্রশ্ন জাগে - আমাদের দেশে সেই তরুণ জাগবে কবে , যারা শুধুমাত্র দেশগঠনেই লড়বে ? আমাদের দেশের তরুণদের সেই তারুণ্য শক্তি উদগীরন হবে কবে , যেদিন তাদের তারুণ্য অগ্নিশিখা রূপান্তরিত হবে শান্তির সুবাতাস রূপে ?
বৃহস্পতিবার, ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৩
যেভাবে শুরু হয়েছে দেশকে যুদ্ধাপরাধী মুক্ত করণে দেশব্যাপী গণবিদ্রোহ , সেভাবেই শুরু হোক দেশ গঠনে দেশ লুন্টনকারী দলসমুহের বিরুদ্ধেও দেশব্যাপী গণবিদ্রোহ
গত দু’দিন ধরে দেশের মানুষ একটা ক্ষুদ্র স্বার্থে রাজাকারদের ক্ষুদ্র একটি দলকে পতন করতে বিদ্রোহী হয়ে উঠেছে। এভাবে কি দেশের মানুষ দেশ গঠনের বৃহত্তর স্বার্থে দেশ লুন্ঠনকারী বৃহৎ দলগুলোর পতনে বিদ্রোহী হয়ে উঠতে পারেনা ? দেশলুন্টনকারী বৃহৎ দলগুলোর পতনে যদি এসব বিদ্রোহীরা বিদ্রোহ সৃষ্টি করতে না চায় , তবে কি তারা মনে করে - যে দেশ গত বিয়াল্লিশ বছরে গঠিত হয়নি, সে দেশ রাজাকারদের নির্মূল হলেই গঠন হয়ে যাবে ? যদি এসব বিদ্রোহীরা এটা মনে না করে, তবে তাদের এই বিদ্রোহের মাধ্যমেই রাজাকারদের পতনের সথে সাথে দেশ লুন্ঠনকারী দলগুলোর পতনের লক্ষ্যেও তাদের বিদ্রোহ ঘোষনা করুক। যাতে ঝাঁপিয়ে পড়বে একাত্তরের মত দেশের অবশিষ্ঠ সর্বশ্রণীর-সর্বস্তরের জনগণ।
দেশ লুন্ঠনে ব্যস্ত যারা – আওয়ামী লীগ ও বিএনপি এবং তাদের অঙ্গসংঘটন সমুহ।
সন্ত্রাসের জনক যারা - আওয়ামী লীগ ও বিএনপি এবং তাদের অঙ্গসংঘটন সমুহ।
দেশ বন্টনে লিপ্ত যারা - আওয়ামী লীগ ও বিএনপি এবং তাদের অঙ্গসংঘটন সমুহ।
দেশদ্রোহী মানুষ যেথায় - আওয়ামী লীগ ও বিএনপি এবং তাদের অঙ্গসংঘটন সমুহে।
নাগরীকদের রক্তচোষায় লিপ্ত যারা - আওয়ামী লীগ ও বিএনপি এবং তাদের অঙ্গসংঘটন সমুহ।
রাজাকারদের দল যদি হয় – ইসলামী দল আর জামাত,
সুবিধাভোগী দল তবে – জাতীয় পার্টি আর অন্য সব দল।
তাই , দেশ গঠনের বৃহত্তর স্বার্থে এইসব দল পতনের লক্ষ্যে দেশের মানুষদের “রাজাকারের কবল থেকে বাংলাদেশকে মুক্ত করণে বিদ্রোহ”এর মতই বিদ্রোহ সৃষ্টি করা একান্ত আবশ্যক। দেশের মানুষদের বুঝে নিতে হবে যে, শুধুমাত্র দেশকে রাজাকারমুক্ত করলেই দেশে শান্তি আসবেনা, মুক্ত হবেনা দেশ হায়েনাদের কবল থেকে। তাতে লাভবান হবে দেশের লুন্ঠনকারীরা। রয়ে যাবে আসল হায়েনারা, যারা দেশ ও দেশের মানুষদের রক্ত চুষে খাচ্ছে।
অতএব, যেভাবে শুরু হয়েছে দেশকে যুদ্ধাপরাধী মুক্ত করণে যুদ্ধাপরাধীদের পতনে দেশব্যাপী গণবিদ্রোহ , সেভাবেই শুরু হোক দেশ গঠনে দেশ লুন্টনকারী দলসমুহের বিরুদ্ধেও দেশব্যাপী গণবিদ্রোহ।।
শনিবার, ১৯ জানুয়ারি, ২০১৩
রং নাম্বার যখন আইনী প্যাঁচে
আমাদের দেশে মোবাইল ব্যবহারকারীর অভাব নেই , তবে মোবাইল পরিচালনা জানা লোকের বড়ই অভাব। তাই মোবাইল ব্যবহার করতে গেলেই রং নাম্বারে কল চলে যায় সবসময় সর্বত্র।
যদি এই ভয়টা আমাদের দেশেও থাকে তবে কি আর কোন রং নাম্বারে কল যাবে ? কোন মেয়ের সাথে কোন পুরুষের রং নাম্বারে কথা বলে কি কখনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটবে ?
বুধবার, ৯ জানুয়ারি, ২০১৩
মানুষের গুণাবলী না হোক , কামনা হোক - অন্তত আমরা যেন পশুদের গুণাবলী ধারণ করতে পারি
এই অনুচ্ছদটা লেখা শেষ করার পর যোগ করতে মন চাইল সামান্য কথা , তাই পোষ্ট দেয়ার পরও আবার সংশোধন করলাম। যা বলতে চাইছি - আমার শেষ ঘটনা থেকে আমি দুটি শিক্ষা পাচ্ছি। তার একটা হলো একটা পশুর মালিকের হুকুম মানতে দ্বিধা না করা , আর দ্বিতীয়টা হল - অন্য পশুটির মালিকের হুকুম মানতে দ্বিধা করা। মানুষ যদি তার বিবেক দিয়ে ভাবে তবে দেখতে পাবে পশুদের মাঝেও রয়েছে বিবেক। কিন্ত স্রষ্টা তাদের বিবেক দেননি। এটাই সত্য কথা। যদি তাদের বিবেক জিনিসটি দিতেন তবে তারা পশু না হয়ে হয়ে যেত মানুষ। কারণ , স্রষ্টা মানুষের স্রেষ্টত্বের প্রমাণ হিসাবে দেখিয়েছেন মানুষের বিবেককে। যাই হোক, বলতে চাইছিলাম দু'টি শিক্ষা নিয়ে। প্রথম পশুটি তার মালিকের হুকুম মেনে নিয়েছে ঠিকই কিন্তু , কারো উপকার করে এক্সট্রা মার্ক অর্জন করতঃ তার শ্রেষ্টত্ব অর্জন করতে পারেনি। আর একটা পশু মালিকের হুকুম তো মেনেছেই সেই সাথে অন্যের উপকার করে এক্সট্রা মার্ক নিয়ে তার শ্রেষ্টত্বেরও প্রমাণ দিয়েছে, যাতে অর্জিত হয়েছে মালিকের সন্তুষ্ট এবং নিজের সাফল্যতা। অপর দিকে প্রথম পশুটি শুধুমাত্র মালিককে সন্ত্রুষ্টি করছে , তার নিজের জন্য জন্য কিছু অর্জিত হয়নি। আমাদের দেশে যারা সরকারের পদলেহন করে তারা শুধুমাত্র প্রথমোক্ত পশুটির ন্যায় সরকারের সন্তুষ্টি অর্জন করে যাচ্ছে। নিজেদেরকে শ্রেষ্টত্বের প্রমাণ দিয়ে জনতার প্রতিনিধি রূপে উপস্থাপন করতে তারা অপারগ। তাদের নিজেদের জন্য অর্জন তাদের কিছুই হচ্ছেনা। মানুষের বড় অর্জন তার সম্পদে নয় , মানুষের কাছে মহান রূপে প্রতিষ্ঠা করতে পারাই মানুষের বড় অর্জন।
রবিবার, ৩০ ডিসেম্বর, ২০১২
থার্টি ফাস্ট নাইট সভ্য মানুষ(?)দের অসভ্য কর্মের উৎসব
আমি গতবৎসর থার্টি ফাস্ট নাইট উপলক্ষ্যে এভাবেই লিখেছিলাম - " আজ ৩১/ ১২ / ২০১১ ইংরেজী । রাত ১২টার পর শুরু হবে নতুন বর্ষ । আর এ বর্ষবরণ শুরু হবে মদ খাওয়া মাতালদের উম্মত্ব উলঙ্গ নৃত্যের মাধ্যমে । পালন করা হবে অসভ্য মানুষদের সভ্যতার পরিপন্থি ( তথাকথিত সভ্য মানুষদের বিশ্ব বেহায়াপনার একটি উলঙ্গ প্রদর্শনীর প্রতীক - " থার্টি ফাস্ট নাইট '' !
বাংলাদেশে পালনোম্মুখ একটা বিদেশী কুরুচিপূর্ণ , বাংলার সভ্য রূপকে অসভ্যতার রূপ দিয়ে কলঙ্কিত করার বিদেশী পায়তারা । যাতে অংশ নেয় বাংলা মায়ের গর্ভ জন্ম নেয়া , নিজ মাতাকে অসম্মানকারী বিত্তশালীদের বিদেশী মদের নেশায় মাতাল সূর্যসন্তানরা । যার দেখাদেখি জড়িয়ে পড়ে বাংলা মায়ের সহজ সরল সন্তানরাও ।
আমি সকল নারীকে একই পাল্লায় তুলিনি , তাই ষ্ট্যাটাসে বলেছি " যে সকল মেয়ে " । নারীদের অশ্রদ্ধা করে নয় , নারীদের প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই তাদের সতর্ক করণে আমার এই ষ্ট্যাটাস। আশা করছি ভুল বুঝবেননা। বাস্তব অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে একটু অশোভন ভাবেই ষ্ট্যাটাসটি দিতে হলো।
আপনারা নারী হয়ে কোন অপরাধ করেননি। তবে নারী হয়ে আপনারা যে সম্মানটি প্রাপ্য , আপনাদের নিজেদের কারণেই সে সম্মান প্রাপ্তি থেকে আপনারা বঞ্চিত হচ্ছেন সেটাই বুঝাতে চাচ্ছি। বৃহদাংশ মেয়েদের উশৃন্খল জীবন যাপনের কারনে আজ আপনারা সমগ্র নারী জাতি অসম্মানীত। সেই সম্মান প্রাপ্তির পথে আপনাদের দৃষ্টি ফেরানোর লক্ষ্যে আমার এই ষ্ট্যাটাস। আপনাদেরকে অপমান করা আমার উদ্দেশ্য নয়।
আপনার কথাটা পুরাপুরি মানতে পারছিনা। ভবিষ্যত ওপেন সেক্সের নগরী ঢাকাতে এখনও অনেক ভাল ও ধর্মপরায়ন নারী আছেন , যাঁদের কারনে এখনো ঢাকা ওপেন সেক্সের নগরী হিসাবে খ্যাতি পেতে পারেনি। তবে ঢাকার উদ্যানগুলোর দিকে চোখ দিলে মনে হয় ঢাকা ওপেন সেক্সের নগরী হিসাবে খ্যাতি পেতে আর বেশী দেরী নেই।
এখনকার বেশীর ভাগ মা বাবাদের বানিজ্যিক ইচ্ছায়ই তাদের মেয়েরা খারাপ ও উশৃন্খল পথে পা বাড়াচ্ছে। বেশী দূরে যেতে চাইনা । শুধু এটুকু বলতে চাই মা বাবার অনুমতি ছাড়া কোন মেয়ে সুন্দরী প্রতিযোগীতায় অংশগ্রহণ করে নিজেদের বিশ্ববাজারে পণ্য রূপে প্রদর্শন করতে পারেননা।
মেয়েরা এ ক্ষেত্রে যতটুকু অপরাধী তার দ্বিগুন অপরাধী ছেলেরা , যারা মেয়ে দেখলেই লুলোপ দৃষ্টি হানে , পথে ঘাটে মেয়েদের উপর অহেতুক ভাবেই ছড়াও হয়। আমি এখানে সেসব উল্লেখ করতে চাইনি । আমি শুধু একটা বিশেষ দিনের সংঘটিত ঘটনার দিকে আলোকপাত করতে চেয়েছি। যাতে অধিকাংশ মেয়ে স্বেচ্ছায় অংশগ্রহণ করে নিজেদের উপর বিপদ ডেকে আনে। তার তিনটা জলজ্যান্ত উদাহরণও দেখিয়েছি উপরের মন্তব্যে। এ ধরণের ঘটনা যাতে মেয়েরা স্বেচ্ছায় বরণ করতে বেরিয়ে না পড়ে সেদিকেই ইঙ্গিত করতে চেয়েছি। যা আগামীকাল দিবাগত রাতে ঘটতে যাচ্ছে। যে রাতে অধিকাংশ মেয়ে স্বেচ্ছায় বরণ করে নিতে যাচ্ছে তাদের আগামী দিনের দুঃসহ যন্ত্রণার যাত্রাপথ।
এখানেই তথাকথিত প্রেমের প্রতি আমাদের যুদ্ধ। যে প্রেম সুন্দর করে মানুষকে বাঁচতে শেখায়না , যে প্রেম মানুষকে অন্ধকার গলিপথে ঠেলে দেয় , সে প্রেম কখনো প্রেম হতে পারেনা। সেটা ক্ষণিকের মোহে জড়িয়ে পড়া। একজন পুরুষ সঙ্গী যদি মেয়েসঙ্গীকে যত্রতত্র নিয়ে যেতে চায় , তবে সে মেয়েটির উচিত উক্ত পুরুষ সঙ্গীর সঙ্গ ত্যাগ করা । এটাই বুঝাতে চাচ্ছি। মেয়েদের যদি এতই নববর্ষ উদযাপনের প্রয়োজন হয় তবে তারা মেয়েদের সাথেই নববর্ষ উদযাপন করুক , তারা পুরুষদের মাঝে যাবে কেন ? এতো হবে কাঁটা নিয়ে খেলতে গিয়ে স্বেচ্ছায় কাঁটার আঘাত খাওয়ার মত ঘটনা , তাতে কাঁটার দোষ কি ?
গত পরশু আমি মদিনা মুনাওয়ারার একটা আবাসিক হোটেলের সভাকক্ষে ইংরেজী নববর্ষ উদযাপনের আয়োজনের উপর অনুষ্টিত "থার্টি ফাস্ট নাইট সভ্য মানুষদের অসভ্য কর্মের উৎসব" নামের একটা কনফারেন্সে যোগ দিয়েছিলাম। যাতে প্রায় ১৫০ জনের মত মানুষ উপস্থিত হন তম্মধ্যে নারীদের সংখ্যা ছিল প্রায় ৫০ এর উপরে। উক্ত অনুষ্টানে আমিও কিছু বলার সুযোগ পাই। অন্যান্যদের মত আমার বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতেও নারীদের পক্ষ থেকে আমাকে কিছু প্রশ্ন করা হয় , আমাকে তাদের সেসব প্রশ্নর উত্তরও দিতে হয় । আমার সেসব উত্তরের কিছু এখানে তুলে ধরলাম যাতে যে সকল বোন আমাকে ভুল বুঝছেন তাদের ভুল ভাঙ্গে। এসব উত্তরগুলো গতকাল আমি অন্য ষ্ট্যাটাসের উপর মন্তব্য রূপেও লিখেছিলাম। আজ এখানে এসে দেখলাম কয়েকজন বোন আমাকে ভুল বুঝে তাদের প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন, তাই তাঁদের সেই প্রতিক্রিয়ার পরিপ্রেক্ষিতে এই উত্তরগুলো তুলে ধরছি,অবশ্য কিছু উত্তর গতকাল এ স্ট্যাটাসের মন্তব্যের রিপ্লাই হিসাবে দিয়েছিলাম যা উপরে দেয়া আমার মন্তব্যগুলো দেখলেই বুঝা যাবে । যা হোক - আমার প্রথম উত্তরটি দিয়েছিলাম একটা কবিতা রূপে , আর সেটি হল -
আমার অন্যান্য উত্তরগুলোর মধ্যে -
" পুরুষ আর নারী দুই ভাগে বিভক্ত সেই মানব জন্মের শুরু থেকে তাই মানুষ দুই ভাগে বিভক্ত, এক ভাগে নারী অন্য ভাগে নর। এটাই স্রষ্টার নিয়ম। এখানে আমি কেন বিভক্ত করতে যাব ? স্রষ্টার নিয়মই বা আমি খন্ডাই কি করে ? আমি কি কখনো কোন নরকে নারী বা কোন নারীকে নর বানাতে পারব ? কখনোই না , সেটা স্রষ্টার হাতে।
বৃহস্পতিবার, ২০ ডিসেম্বর, ২০১২
দাবী আদায়ের জন্য "হরতাল" বর্তমান ডিজিটাল যুগে অকার্যকর একটি পদ্ধতি
সোমবার, ১৭ ডিসেম্বর, ২০১২
১৯৭১ এর পূর্বাবস্থায় ফিরে এল বাংলাদেশ ! প্রয়োজন নতুন একটা মুক্তির যুদ্ধ …
শনিবার, ১ ডিসেম্বর, ২০১২
চলতে হবে বিজয় ও স্বাধীনতার মূলপথে
গতকাল একটা প্রবাসী সংগঠনের আমন্ত্রিত অতিথি হিসাবে তাদের এক অনুষ্টানে যোগ দিয়েছিলাম। আমরা প্রায় ৮০/৯০ জন তাতে অংশগ্রহণ করি। অনুষ্টানটি মুলতঃ বিজয় মাসের বরণ উপলক্ষ্যে আহবান করা হয়েছিল। যদিও আমি ঐ সংগঠনের কেউনা। তবুও দাওয়াত পেয়ে বন্ধুত্ব রক্ষার তাগিদে যেতে হয়েছিল। অনেকে অনেক ভাবে বিজয় দিবস নিয়ে এবং যুদ্ধকালীন স্মৃতির উপর আলোচনা করেন। শেষে এক বন্ধু বলে উঠল - এখানে একজন ভাই আছেন যিনি লেখালেখির সাথে যুক্ত। যদিও তিনি আমাদের সংগঠনের কেউ নন। আমার মনে হয় ওনার মুখ থেকে কিছু না শুনলে আজকের অনুষ্টানটা পরিপূর্ণ হবেনা। বুঝতে পারলামনা ঐ লোকটা কে ? আমি তখন অন্য রুমে একজনের সাথে কথা বলছিলাম।
কি আর করা "যেখানে বাঘের ভয় সেখানেই রাত হয়" এ পরিস্থিতিতে নিজেকে কিভাবে উপস্থাপন করব ঠিক করে নিয়ে উঠে গেলাম মঞ্চে। শুরু করলাম ওয়াজের মত করে। দেখুন আমার ভাষনটা কেমন হলো -"
আম্মা বাদ- আউজু বিল্লাহিমিনাশশায়ত্বানির রাজীম। বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম। ক্বালাল্লাহ তাআলা -
আলিফ লাম মীম। যালিকাল কিতাবু লা রায়বা ফিহি হুদাল্লিল মুত্তাক্বীন। আল্লাজিনা ইউ'মিনুনা বিলগাইবি ওয়ুক্বিমুনাস্সালাতা ওয়ামিম্মা রাজাকনাহুম ইউনফিকুন। ওয়াল্লাজীনা ইউ'মিনুনা বিমা উনযিলা ইলায়কা ওয়মা উনযিলা মিন ক্বাবলিকা ওয়াবিল আখিরাতিহুম ইউক্বিনুন। উলায়িকা আলা হুদাম্মিররাব্বিহীম ওয়াউলায়িকা হুমুল মুফলিহুন।ওক্বালা রাসুলুল্লাহি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম - ইন্নামাল আম'মালু বিন্নিয়্যাত।
আমি প্রথমেই হামদ্ ও নাতের পর আলকোরান থেকে সুরা বাক্বারার পাঁচটি আয়াত এবং আল হাদীসের অগণিত হাদিস থেকে একটি হাদিস পাঠ করেছি। আপনারা হয়তো মনে মনে ভাববেন লোকটারে বলতে বললাম কি আর সে বলে কি ! তারে কইলাম বিজয় দিবসের আলোচনা করতে আর সে কিনা করে ওয়াজ ! আপনাদের মনের এই জল্পনা দূরী করণে প্রথমেই ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি। আসলে আমি কি বলতে কি বলছি মোটেই জানিনা। এ ধরণের বক্তব্য দানে আমি অভিজ্ঞ নই। তাই এই অবস্থা। আশা করছি আমাকে ক্ষমা করবেন। কিছু বলতে যখন এখানে উঠেছি, কিছু না বলে নেমে গেলে সেটা শোভনীয় হবেনা। তাই চেষ্টা করব অন্তত কিছু বলতে। তার আগে শ্রদ্ধা জানাই সেইসব শহীদ - বীর মুক্তিযোদ্বাদের, যাদের ত্যাগের বিনিময়ে আমরা আজ স্বাধীন (?)।
আমি যখন ইংরেজী শিক্ষা থেকে বের হয়ে তাবলীগে কিছুদিন সময় দিই, তখন আমাকে এক বিশেষ চিন্তার সাগরে ডুব দিতে হয়, যে চিন্তা আমাকে নিয়ে যায় মাদ্রাসা লাইনে। ভর্তি হই মাদ্রাসায়। তখন দারুন কোরান শামসুল উলুম মাদ্রাসা, চৌধুরী পাড়া, ঢাকায় হোষ্টেলে থেকেই শুরু করি আরবী পড়া। সেখানে উক্ত মাদ্রাসাসার মুহতামিম জনাব মাওলানা ইসহাক ফরিদী হজুরের তত্বাবদানে পরিচালিত হত বক্তৃতা শিক্ষার কোর্স। যাতে সকল ছাত্রকেই অংশ নিতে হত। সেই কোর্স থেকেই আমার বক্তৃতা শিক্ষা। আর তাই আমার আলোচনার শুরুটা ওয়াজের মত হয়ে গেল।
সে যাক, আমি উক্ত আয়াত ও হাদীসের আলোকে বিজয় দিবসের আলোচনাকে একটু ভিন্নতা দেয়ার চেষ্ঠা করছি। তাই বলে আমার এই আলোচনা ওয়াজ হিসেবে মনে করলে ভুল হবে। আমার পাঠকৃত আয়াত সমুহের বাংলা হলো - " আলিফ-লাম মীম। এই সেই কিতাব যাতে কোন সন্দেহ নাই, এ সাবধানীদের জন্য পথ নির্দেশক। (সাবধানী ওরাই ) যারা অদৃশ্যে বিশ্বাষ করে, সালাত কায়েম করে এবং তাদের যা দান করেছি তা থেকে তারা ব্যয় করে। এবং যারা তাতে বিশ্বাষ করে যা তোমার প্রতি অবতীর্ণ করা হয়েছে এবং তোমার পুর্বে যা অবতীর্ণ করা হয়েছে, আর পরকালের প্রতি যারা দৃঢ় আস্থা রাখে। তারাই তাদের প্রতিপালকের নির্দেশিত পথে রয়েছে এবং তারাই পূর্ণ সফলকাম।" আর হাদিসটির বাংলা হলো - "প্রত্যেক কর্মই নিয়তের উপর নির্ভর্শীল।"
এখন আসুন আমরা বিজয় দিবস নিয়ে কিছু আলাপ করার চেষ্ঠা করি। যদি আমরা বিজয় দিবসের আলোচনা করতে যাই তবে উঠে আসে আমাদের স্বাধীনতার কথা। বিজয় দিবস ও স্বাধীনতা দিবস দুটোই অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে না পড়লে আমরা বিজয় দিবস পেতামনা। তাই স্বাধীনতা ও বিজয় দিবস একসাথেই আমাদের আলোচনায় উঠে আসে। বিজয় দিবসের কথা বলতে গেলেই বলতে হয় স্বাধীনতার কথাও।
আমরা বাংলাদেশীরা স্বাধীন জাতি। রয়েছে আমাদের স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধ করে বিজয় অর্জনের গৌরব। আমরা একটা বৃহৎ শোষক গোষ্টির পরাধীন থেকে নির্যাতন-নীপীড়নের অসহনীয় জ্বালায় অতীষ্ট হয়ে তাদের শৃন্খল থেকে নিজেদের ক্ষুদ্র শক্তি দিয়ে যুদ্ধ করে জয়ী হয়ে স্বাধীন হয়েছি। এটা আমদের কম গৌরবের কথা নয়।
কিন্তু সেই বিজয়ের গৌরব সেই স্বাধীনতার স্বাদ আমরা ঠিক কতটুকু অর্জন করতে পেরেছি বা আদৌ অর্জন করতে পেরেছি কিনা তা আমাদের ভাববার বিষয়। যদি এই গৌরব ও স্বাদ অর্জন করতে না পারি, তবে কেন পারলামনা - তা একটা প্রশ্নাধীন বিষয় বৈকি। আজ আমরা যদি ভাবি স্বাধীনতার তেতাল্লিশ বছর পরও দেখতে পাব আমরা কখনো স্বাধীন ছিলামনা। আমরা যে স্বাধীনতা চেয়েছি তা আমরা পাইনি। আমরা বিজয়ের গৌরবে গৌরান্বিত হতে পারিনি। এক ভিনদেশী শোষক গোষ্টির নির্যাতন সেল থেকে আমরা পরিবর্তিত হয়ে স্বদেশী শোষক গোষ্টির নির্যাতন সেলে স্থানান্তর হয়েছি। সেটা স্বাধীনতা নয়। সেটা বিজয় নয়। সেটা এক জেল থেকে অন্য জেলে স্থানান্তরের মত ঘটনা মাত্র। অথবা এক কারারক্ষীর মৃত্যুর পর নতুন আসা কারারক্ষীর অধীন সেলের আমরা বন্ধী ।
সেদিন আমরা যে নিয়তে দেশ স্বাধিনের যুদ্ধে নেমেছিলাম। আমাদের সে নিয়ত ঠিক ছিলনা বিধায় আমরা আমরা স্বাধীনতার স্বাদ পাওয়া থেকে বঞ্চিত। যেহেতু রাসুলের হাদীস - "প্রত্যেক কর্মই নিয়তের উপর নির্ভর্শীল।" নিয়ত ঠিক থাকলে সেই স্বাদ পাওয়া থেকে আমরা বঞ্চিত থাকতামনা। সেই নিয়তটি মুলতঃ নির্যাতকদের নির্যাতনের নতুন একটা ফর্মূলা। দেশের মানুষদের মুক্তিদান সে সময়কার নেতৃত্বের বাহিরের খোলস ছিল, সেই নেতৃত্বের আভ্যন্তরে ছিল যুদ্বে পরাজিত শোষকদের ন্যায় সেইসব নেতাদের স্বার্থসিদ্ধির একটা ইচ্ছা বা নিয়ত। ফলে, আমরা আজও রয়ে গেছি সেই একই শ্রেনীর শোষকগোষ্টির পেষন যন্ত্রের বলি হয়ে।
তাছাড়া, আমরা স্বাধারণ মানুষ সেদিন আমরা ভুল পথে পা বাড়িয়েছিলাম। আজও আমরা সেই ভুলপথ ধরেই হাঁটছি। ফলে আমরা আমাদের অভিষ্ঠ্য লক্ষ্যে পৌঁছতে পারছিনা। আর যতদিন আমরা সেই ভুল পথ ধরে হাঁটবো, ততদিন সেই অভিষ্ঠ্য লক্ষ্যে পৌঁছা আমাদের দ্বারা সম্ভব হবেনা। কারন, মানবজাতির স্রষ্টার বিধান অমান্য করে কখনো সেই মানুষ নিদ্রিষ্ট লক্ষ্যস্থলে পৌঁছতে সফলকাম হবেনা। তাই স্রষ্টা তার মানবজাতি পরিচালনার বিধানগ্রন্থে স্পষ্ট ভাষায় বলে দিয়েছেন - "এই সেই কিতাব যাতে কোন সন্দেহ নাই, এ সাবধানীদের জন্য পথ নির্দেশক। (সাবধানী ওরাই) যারা অদৃশ্যে বিশ্বাষ করে, সালাত কায়েম করে এবং তাদের যা দান করেছি তা থেকে তারা ব্যয় করে। এবং যারা তাতে বিশ্বাস করে যা তোমার প্রতি অবতীর্ণ করা হয়েছে এবং তোমার পুর্বে যা অবতীর্ণ করা হয়েছে, আর পরকালের প্রতি যারা দৃঢ় আস্থা রাখে। তারাই তাদের প্রতিপালকের নির্দেশিত পথে রয়েছে এবং তারাই পূর্ণ সফলকাম।"
অতএব, আমাদেরকে চলতে হবে বিজয় ও স্বাধীনতার মূলপথে। খুঁজে নিতে হবে আমাদের সেই মুলপথ। মানতে হবে সেই মুল পথের দিক নির্দেশককে এবং স্রষ্টার সর্বশ্রষ্টে, সর্বত্র ও সার্বজনীন রূপে গ্রহণযোগ্য সেই বিধানকে। মহান আল্লাহ পাক আমাদের সকলকে দুনিয়ায় স্বাধীন থাকার মুল বিধানের আলোকে চলতে সহায়তা করুন। আমীন।
শুক্রবার, ৯ নভেম্বর, ২০১২
মাথা ঘুরানীর ঔষধ
যা হোক, আজ জোহরের পর ঝালমুরি কিনতে একটা মুদি দোকানে গেলাম আমি। যখন ক্যাশ কাউন্টারে টাকা দিতে গেলাম , তখন একটা লোক এসে ক্যাশিয়ারকে তার বাসায় যেতে বলল। ক্যাশিয়ার বলল তার মাথা ঘুরাচ্ছে যেতে পারবেনা। তখন লোকটি বলল - অসুবিধা নেই তার বাসায় মাথা ঘুরানীর ঔষধ আছে।
এদিকে গত দু'দিন ধরে আমিও ভীষন মাথার সমস্যায় ভুগছি। তাই কৌতুহল হলাম লোকটার কথায়। ভাবলাম ফার্মেসীর বাইরে সেক্সুয়াল ঔষধ বিক্রির এজেন্টেদের মত এরাও একটা ঔষধ কোম্পানীর এজেন্ট হতে পারে, যারা কাষ্টমার ফোন করলেই তাদেরকে ঔষধ সরবরাহ করে। এ ভাবনায় জিজ্ঞেস করলাম লোকটাকে - আমিও কি মাথা ঘুরানীর ঔষধ পেতে পারি ? সে বলল অবশ্যই পেতে পারেন। বিভিন্ন ধরণের মাথা ঘুরানীর ঔষধ আমাদের কাছে আছে। আরও কৌতুহল হয়ে জানতে চাইলাম - দাম কত পড়বে ? সে বলল - ৫০ থেকে ৩০০ রিয়ালের মধ্যে মাথা ঘুরানীর ঔষধ দেয়া যাবে। বললাম - তবে তো আপনার সথে যেতেই হয়। সে বলল - ঠিক আছে চলুন।
তার বাসায় গিয়েই দেখি সাদা-কালো-বেগুনী-লাল সহ বিভিন্ন ধরণের মেয়ে বসে আছে সেখানে। এ ধরণের বাসায় এসব মেয়ে ! আশ্চর্যাম্বিত হলাম আমি। তখন অন্য রুম থেকে একজন উচ্ছস্বরে বলতে লাগল - হাবিব, রেইট বলেছিস ? কোন রেইট এ কতক্ষণ থাকতে পারবে বলেছিস তো ?
বুঝতে আর বাকি রইলনা মাথা ঘুরানীর ঔষধ কি ? অন্যরুম থেকে যে কথা বলছিল সে বেরিয়ে এল রুম থেকে। আমাকে দেখেই লোকটির চোখ ছানাবড়া। ভয় ও পেল মনে হয়। এই লোকটাকে আমি অনেকদিন থেকে চিনি। পরিচিত লোক। বিশেষ অনুরোধের কারণে পূর্ণ পরিচয় দেয়া থেকে বিরত থাকলাম। যা হোক ভয়ের চাপ তার চোখে মুখে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে। ভয় পাওয়ারই কথা। গত পাঁচ বছর আগে ঠিক এ ধরণের অপকর্মের কারণেই এ গ্রুপের একজনকে ধরিয়ে দিয়েছিলাম পুলিশের হাতে। তখন তার অপরাধের মাত্রা এত বেড়ে গিয়েছিল যে যদি সে ৪৫ জন মেয়ে ও ১০০ এর উপর খদ্দের সহ পুলিশের হাতে ধরা খেত তবে বাংলাদেশের অবস্থান নরকের শেষ স্তরে পৌঁছে যেত। অবশ্য তখন সে একটি মেয়েসহ আমার কথায় ধরা দিতে বাধ্য হয়েছিল। তিনমাস জেলখাটিয়ে আবার আমিই তাকে শেষবারের মত জেল থেকে দেশে ফেরত পাঠানোর কাজে সহযোগিতা করেছিলাম। সে সময় আজকের এ লোকটিও জড়িত ছিল। সেদিন সে পালিয়ে গিয়ে বেঁচে যায়।
সেদিন বেঁচে গেলেও মনে করেছিলাম সে এ কাজ ছেড়ে দিবে কিন্তু আজ আবার তাকে দেখে বুঝলাম সে ঐ অপকর্ম ছাড়েনি। মেয়েগুলোর দিকে ইশারা করে ওদের দুজনকে জিজ্ঞেস করলাম- এগুলোই কি আপনাদের মাথা ঘুরানীর ঔষধ ? আবার শুরু করেছেন আপনারা ? পাঁচ বৎসর আগের কথা কি ভুলে গেছেন ?
তাদের মুখ যেন আটকে দিল কেউ, কথা না বলে নীচের দিকে চেয়ে থাকল। আজ ছেড়ে দিয়ে তাদের সংশোধনের একটা সুযোগ দেয়ার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করলাম। বললাম- আপনি তো আমাকে চিনেন । আমি কি করতে পারি তাও জানেন। দয়া করে এ পবিত্র স্থানে এসব বন্ধ করেন। টাকা কামানোর অনেক রাস্তা আছে ,সে পথগুলো অনুসরন করেন। এই ধরণের অপকর্ম করে দেশ ও দশের ক্ষতি করবেননা। যদি না শুনে এই কাজ করে যেতে থাকেন তবে পাঁচ বৎসর আগের একই ঘটনা ঘটাতে আমি বাধ্য হব।
তারা বলল- ঠিক আছে ভাই আমরা দুদিনেই এদেরকে সেটেল করে দিচ্ছে। দুদিনের মধ্যে কিছু করবেননা দয়া করে। আজকের মত চলে এলাম ঐ লোকদের সংশোধন হবার সময় দিয়ে।
উল্লেখ্য যে, এ লোকগুলো এ অপকর্মের সংগঠন করে খরিদ্দারদের পতি জনের কাছ থেকে পায় ৫০% আর বাকী ৫০% পায় মেয়েগুলো।
বুধবার, ৭ নভেম্বর, ২০১২
রোগ বাড়ানোর ডাক্তার নয়, চাই রোগ তাড়ানোর ডাক্তার
সে সময়ের ডাক্তারগণের লক্ষ্য থাকতো রোগীর রোগ কিভাবে নির্মূল করা যায় সেদিকে। আর এখনকার ডাক্তারগণের লক্ষ্য থাকে কিভাবে রোগীদের রোগ দীর্ঘস্থায়ী করা যায় সেদিকে। সেসময়ের ডাক্তারগণের লক্ষ্য ছিল জনসেবা দিয়ে নিজের পেঠে অন্নদান। আর এখনকার ডাক্তারগণের লক্ষ্য হলো মানুষ বলি দিয়ে নিজেদের বিত্তশালী করনের ধ্যান।
বন্ধুরা ! ভাবছেন নিশ্চয় - কেন আমি ডাক্তারদের নিয়ে আজ লাগলাম ? তার একটাই কারণ - ডাক্তার যদি রোগী দেখে রোগই ধরতে না পারেন , তবে তিনি ডাক্তার সার্টিফিকেট নিলেন কিভাবে ? যদি ডাক্তার অনুমানের উপর ভর করে শুধুই ঔষধ দিয়ে যান আর রোগী সেই ঔষধ খেয়ে কোন উপকারই না পান তবে সে ডাক্তারকে কিভাবে ডাক্তার বলা যায় ? আগেকার কম শিক্ষিত ও উপাধীহীন ডাক্তারগণ কোন প্রকার ঠেস (টেস্ট) ছাড়াই ঔষধ দিয়ে রোগ সারাতেন। আর এখনকার উন্নত শিক্ষিত ও বড় বড় ডিগ্রীধারী ডাক্তারগণ শত শত ঠেস (টেস্ট) দিয়েও রোগ সারাতে পারছেননা, কেন ?
মূলতঃ বর্তমান ডাক্তারগণ এতই বাণিজ্যিক হয়ে গেছেন যে,রোগীদের রোগ সারানোর চেয়ে তারা রোগ বাড়াতেই রয়েছেন তৎপর, যাতে তারা রোগীদের শুয়ে রেখে তাদের রক্ত চুষতে পারে দীর্ঘমেয়াদী। তাদের কাছে ডাক্তারের মহৎ পেশাটি হয়ে গেছে একমাত্র টাকা উপার্জনের মাধ্যম , তাদের কাছে ডাক্তারের সেবা মুলক পেশাটি এখন আর সেবা হিসাবে গণ্য নয় । এখনকার ডাক্তারগণ তাই সেবক নন, হয়ে গেছেন তারা পেষক।
ডাক্তারদের এই বাণিজ্যিক ভাবনা থেকে বেরিয়ে এসে সেবামন নিয়ে ডাক্তারী পেশাকে ধারণ করা জরুরী। রোগীদের রোগ সারানোর ব্যবস্থা না করে দীর্ঘমেয়াদী রক্তচোষা তাদের কাছ থেকে কাম্য নয়। জরুরী ছাড়া যেন কোন রোগীকে ডায়াগনিস সেন্টারে পাঠানো না হয় সেরূপ পর্যবেক্ষণের চোখ থাকা প্রতিটি ডাক্তারের একান্ত প্রয়োজন। রোগ বাড়ানোর ডাক্তার নয়, চাই রোগ তাড়ানোর ডাক্তার। নামকরা ডিগ্রীধারী মানুষ মারার ডাক্তার চাইনা, চাই মানুষ বাঁচাবার প্রকৃত ডাক্তার।
বৃহস্পতিবার, ১ নভেম্বর, ২০১২
একটা প্রশ্নের উত্তর জানতে চাই ?
আর " স্বনির্ভরতা অর্জনে আমরা বিদেশী পণ্য বর্জন করব " এই মহামূল্যবান সুত্র দিয়েই ইন্ডিয়া আজ তার প্রতিটি ক্ষেত্রে স্বনির্ভরতাসম্পন্ন এবং তা অর্জনে স্বচেষ্ঠ। আজও দেখতে পাই তাদের সেই দেশপ্রেম এই প্রবাসে বসে। ইন্ডিয়ানরা দেশে যাবার সময় প্রবাস থেকে তেমন কোন মার্কেটিং করেনা, কোন প্রকার বস্ত্র তো নয়-ই । এই হলো ইন্ডিয়ানদের দেশপ্রেম আর দেশের স্বনির্ভরতা অর্জনের জন্য তাদের প্রচেষ্ঠা।
আর আমরা দেশপ্রেমের পরিচয় দিই দেশের কলকারখানায় উৎপাদিত পণ্য বসিয়ে রেখে এবং পঁচিয়ে ফেলে বিদেশ থেকে পণ্য আমদানী করে বাজারজাত করার মাধ্যমে। এই ঈদের চ্যানেল আইয়ের কৃষকের ঈদ আনন্দ অনুষ্টানে সচিত্রে দেখানো হলো তারই একটা প্রমাণ। দেশে উৎপাদিত কোটি কোটি টাকার চিনি কারখানার গুদামে বসিয়ে রেখে বিদেশ থেকে চিনি আমদানী করে দেশের চিনি শিল্পকে কিভাবে ধ্বংস করা হচ্ছে। দেশীয় চিনিকল ধ্বংস করে দেখানো হচ্ছে দেশপ্রেমের প্রদর্শনী। হায়রে দেশপ্রেমিক !
আমাদের নেতারা বিদেশ থেকে আমদানী করা সার্ট প্যান্ট গায়ে না জড়ালে তারা নেতা রূপে পরিচিতি পান না । আর ইন্ডিয়ার মহাত্মা গান্ধীর মত নেতারা উলঙ্গ পায়ে হেঁটে এক জোড়া সেলাইবিন কাপড় গায়ে দিয়েও পরিচিতি পান বিশ্বনেতা রূপে ! কি দারুন নেতাদের দেশপ্রেমের নমুনা !
ইন্ডিয়া আমাদের চ্যানেলগুলো সে দেশে প্রদর্শনে বন্ধ রেখেছে , আর আমাদের দেশ ইন্ডিয়ার চ্যানেলগুলো অবাধে খুলে দিয়েছে , দেশপ্রেমের নমুনা স্বরূপ ! আর বেশী কিছু তুলে ধরতে মন চাইছেনা ,তাই এখানেই ক্ষান্ত দিলাম। তবে শেষ করার আগে একটা প্রশ্নের উত্তর জানতে চাই - দেশপ্রেম কি ও কেন ?
সোমবার, ২২ অক্টোবর, ২০১২
বাংলাদেশের মুসলীম পরিচিতি
সুন্নী মুসলীম , ওহাবী মুসলীম , মিলাদুন্নবী মুসলীম , সীরাতুন্নবী মুসলীম , দোয়াল্লীন মুসলীম , জোয়াল্লীন মুসলীম ,সেনা মুসলীম , শিবির মুসলীম , জামাতী মুসলীম , দরবারী মুসলীম, নিরপেক্ষ মুসলীম, কট্টর মুসলীম, কাঠমোল্লা মুসলীম , মৌলবাদী মুসলীম , শিয়া মুসলীম , আহলে হাদীস মুসলীম , সালাফী মুসলীম , দেওয়ানবাগী মুসলীম , কওমী মুসলীম , আলীয়া মুসলীম , আহলুসসুন্নাহ মুসলীম , আহলে বায়েত মুসলীম , মাইজভান্ডারী মুসলীম , সাঈদাবাদী মুসলীম , চরমোনাই মুসলীম , শর্ষীনাই মুসলীম , আটরশী মুসলীম , বাঈয়ীনাত মুসলীম , দেওবন্দী মুসলীম , সুফী মুসলীম , মাজার পূঁজারী মুসলীম , দিশেহারা মুসলীম , উগ্রপন্থী মুসলীম , জঙ্গী মুসলীম , উদারপন্থী মুসলীম , সাধারণ মুসলীম , সুবিধাবাদী মুসলীম , নও মুসলীম , ধর্মত্যাগী মুসলীম , বন্ধু মুসলীম , চিশ্তিয়া মুসলীম , কাদেরীয়া মুসলীম , নক্শবন্দীয়া মুসলীম , আহমদিয়া মুসলীম , সুদখোর মুসলীম , ঘুষখোর মুসলীম , ধর্ষক মুসলীম , দর্শক মুসলীম , বক্তা মুসলীম , স্রোতা মুসলীম , ফতোয়াবাজ মুসলীম , দূর্নীতিবাজ মুসলীম , পাকিস্তানী তৈয়বী মুসলীম , সৌদী আবদুল ওয়াহাব নজদী মুসলীম , মডার্ণ মুসলীম , গোঁড়া মুসলীম , ঘুমন্ত মুসলীম , জাগ্রত মুসলীম , অত্যাচারী মুসলীম , স্বৈরাচারী মুসলীম , যুক্তিবাদী মুসলীম , অন্ধ মুসলীম , গোস্ত খাইয়্যা মুসলীম , খাটি মুসলীম , ভন্ড মুসলীম , ধূর্ত মুসলীম , ধনী মুসলীম , দরিদ্র মুসলীম , শিক্ষিত মুসলীম , অশিক্ষিত মুসলীম , কুশিক্ষিত মুসলীম , সুশিক্ষিত মুসলীম , দূর্বল মুসলীম , সবল মুসলীম , নামাজী মুসলীম , বেনামাজী মুসলীম , নামধারী মুসলীম , ছলনাকারী মুসলীম , হানাফী মুসলীম , হাম্বলী মুসলীম , শাফেয়ী মুসলীম , মালেকী মুসলীম !
বৃহস্পতিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১২
বর্তমান মহাজোট সরকারের সফলতার খতিয়ান
কয়েক ঘন্টা আগে ফেইসবুকে একটা লিংক দেখেছিলাম। যাতে লেখা রয়েছে বর্তমান সরকার নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের মুল্য কমিয়ে সফলতা অর্জন করেছে । তাই এই সফলতার একটা খতিয়ান পেশ করার জন্য আমার এই আয়োজন। দেখুন দুই সরকারের একটা তুলনামুলক চিত্রে বর্তমান সরকারের সফলতার খতিয়ান।
(বর্তমান মহাজোট সরকার এবং বিগত চারদলীয় জোট সরকারের সময়কার নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যসামগ্রীর তুলনামুলক চিত্র)
০১। ইরি চাল প্রতি কেজি = ২০ টাকা।
০২। পাইজাম চাল প্রতি কেজি = ২৩ টাকা।
০৩। নাজিরশাইল চাল প্রতি কেজি = ২৮ টাকা।
০৪। মসুর ডাল প্রতি কেজি = ৫৬ টাকা।
০৫। সয়াবিন তেল প্রতি লিটার = ৬০ টাকা।
০৬। আটা প্রতি কেজি = ২০ টাকা।
০৭। লবণ প্রতি কেজি = ১৮ টাকা।
০৮। চিনি প্রতি কেজি = ৪২ টাকা।
০৯। গুঁড়ো দুধ প্রতি কেজি = ৩৪০ টাকা।
১০। পেঁয়াজ প্রতি কেজি = ৩২ টাকা।
১১। ডিম প্রতি হালি = ১৮ টাকা।
১২। আদা প্রতি কেজি = ১২০ টাকা।
১৩। গরুর মাংস প্রতি কেজি = ১২০ টাকা।
১৪। খাসির মাংস প্রতি কেজি = ২১০ টাকা।
১৫। বিদ্যুৎ প্রতি ইউনিট = ৩ টাকা।
১৬। পানি হাজার লিটার = ৫ টাকা।
১৭। গ্যাস = ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা।
১৮। ডিজেল প্রতি লিটার = ৩০ টাকা।
১৯। কেরোসিন প্রতি লিটার = ৩২ টাকা।
২০। পেট্রল প্রতি লিটার = ৪২ টাকা।
তথ্যসুত্র ঃ http://sonarbangladesh.com/
==============================
বর্তমানের (১৭/৯/২০১২ইং তারিখে) মহাজোট জোট সরকারের শাসনামলে নিত্য প্রয়োজনীয় উপরোক্ত ২০টি দ্রব্যসামগ্রীর মূল্য হলো -
০১। চাল (মোটা) / স্বর্ণা/ চায়না/ ইরি প্রতি কেজি = ২৭ থেকে ৩২টাকা ।
০২। পাইজাম/আতপ চাল প্রতি কেজি = ৩৪ থেকে ৩৮ টাকা।
০৩। নাজির(মিনিকেট সাধারণ মানের) প্রতি কেজি = ৩৪ থেকে ৪৮ টাকা।
০৪। মশুর ডাল প্রতি কেজি = ৭৫ থেকে ১২৮ টাকা।
০৫। সয়াবিন তেল প্রতি লিটার = ১২০ থেকে ১৩৫ টাকা ।
০৬। আটা প্রতি কেজি = ৩৩ থেকে ৩৮ টাকা।
০৭। লবণ প্রতি কেজি = ১৮ থেকে ৩০ টাকা।
০৮। চিনি প্রতি কেজি = ৫২ থেকে ৫৩ টাকা।
০৯। গুঁড়ো দুধ প্রতি কেজি = ৪৫০ থেকে ৫৮০ টাকা।
১০। পেঁয়াজ প্রতি কেজি = ২২ থেকে ৩২ টাকা।
১১। ডিম প্রতি হালি = ৪০ থেকে ৪২ টাকা।
১২। আদা প্রতি কেজি = ৪০ থেকে ৬০ টাকা।
১৩। গরুর মাংস প্রতি কেজি = ২৮০ থেকে ৩০০ টাকা।
১৪। খাসির মাংস প্রতি কেজি = ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা।
• ১৫। বিদ্যুৎ প্রতি ইউনিট =
• ১৬। পানি হাজার লিটার =
• ১৭। গ্যাস =
• ১৮। ডিজেল প্রতি লিটার =
• ১৯। কেরোসিন প্রতি লিটার =
• ২০। পেট্রল প্রতি লিটার =
বিঃদ্রঃ ১৫ থেকে ২০ নম্বরের বিষয়গুলোর তথ্য তথ্যসুত্রে পাওয়া যায়নি।
তথসুত্র ঃ ই-তথকোষ -
http://www.bangladesh.gov.bd/
==============================


.jpg)
.jpg)
.jpg)
.jpg)
.jpg)
.jpg)
.jpg)
.jpg)
.jpg)
.jpg)
.jpg)
.jpg)
.jpg)
.jpg)
.jpg)
.jpg)
.jpg)
.jpg)
.jpg)
.jpg)
.jpg)
.jpg)
.jpg)
.jpg)
.jpg)
.jpg)
.jpg)













