আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের শুভেচ্ছা

বাংলা ভাষার জন্য আত্মত্যাগকারী

সকল মহান ভাষা শহীদগণের প্রতি,
এবং ভাষা আন্দোলনের সাথে সম্পৃক্ত

সকল ভাষা সৈনিক
ও বীর বাঙ্গালীদের জানাই অশেষ শ্রদ্ধাঞ্জলী,
সেইসাথে সকলকে জানাই

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের শুভেচ্ছা।

বিষয় সূচী

সাহিত্য (60) অন্যান্য কবিতা (53) ভালোবাসার পদবিন্যাস ( প্রেম সম্পর্কিত রচনা বিশেষ ) (53) আমার লেখা প্রবন্ধ-নিবন্ধ (37) কবিতা (35) দেশ নিয়ে ভাবনা (33) ফিচার (33) বাংলাদেশ (29) সমসাময়িক (28) খন্ড কাব্য (26) হারানো প্রেম (22) সংবাদ (18) কাল্পনিক প্রেম (16) ইতিহাস (15) প্রতিবাদ (15) সুপ্রভাত প্রবাসী বাংলাদেশ (15) Online Money Making Links (14) দেশাত্মবোধক কবিতা (13) আমার জীবনের দিনপঞ্জী (12) ধর্ম (12) প্রেমের কবিতা (11) ব্যক্তিত্ব (11) রাজনীতি (11) ধর্মীয় আন্দোলন (10) প্রবাসের কবিতা (10) খন্ড গল্প (9) জীবন গঠন (9) বর্ণমালার রুবাঈ (9) ইসলাম (8) প্রগতি (8) মানুষ ও মানবতা (8) হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ (8) VIDEOS (7) আমার লেখালেখির অন্তরালে (7) ইসলামী জাগরণ (7) মানব মন (7) ট্র্যাজেডি (6) শোক সংবাদ (6) সম্প্রীতি (6) নারী স্বাধীনতা (5) প্রেমের গল্প (5) বিজয় দিবসের ভাবনা (5) মৃত্যুপথ যাত্রী (5) সংবাদ মাধ্যম (5) স্মৃতিকথা (5) ঈদ শুভেচ্ছা (4) প্রবাস তথ্য (4) রমজান (4) শুভেচ্ছা (4) Computer Programer (3) আমার ছবিগুলো (3) আমার রাইটিং নেটওয়ার্ক লিংক (3) পর্দা (3) ফটিকছড়ি (3) বাংলাদেশের সংবিধান (3) বিশ্ব ভালবসা দিবস (3) শিক্ষা (3) শিক্ষার্থী (3) স্লাইড শো (3) News (2) VERIETIES POEMS OF VERIOUS POETS (2) আষাঢ় মাসের কবিতা (2) আষাঢ়ের কবিতা (2) ইসলামী রেনেসাঁ (2) ছাত্র-ছাত্রী (2) থার্টি ফাস্ট নাইট (2) নারী কল্যান (2) নারী প্রগতি (2) নির্বাচন (2) বর্ষার কবিতা (2) মহাসমাবেশ (2) শবেবরাত (2) শরৎকাল (2) শাহনগর (2) শ্রদ্ধাঞ্জলী (2) সত্য ঘটনা (2) সত্য-মিথ্যার দ্বন্ধ (2) সফলতার পথে বাংলাদেশ (2) Bannersআমার ছবিগুলো (1) DXN (1) For Life Time Income (1) For Make Money (1) Knowledge (1) Student (1) অদ্ভুত সব স্বপ্নের মাঝে আমার নিদ্রাবাস (1) আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস (1) আহলে সুন্নাহ ওয়াল জামা'আত(সুন্নী) (1) উপন্যাস (1) কবি কাজী নজরুল ইসলাম (1) কোরআন - হাদিসের কাহিনী (1) গল্প (1) চট্টগ্রাম (1) চিকিৎসা ও চিকিৎসক (1) জমজম (1) জাকাত (1) তরুন ও তারুণ্য (1) নারী জাগরণ (1) পরকিয়ার বিষফল (1) ফটিকছড়ি পৌরসভা (1) বন্ধুদিবস (1) বাংলাদেশের প্রখ্যাত আলেম (1) বিবেক ও বিবেকবান (1) বিশ্ব বাবা দিবস (1) বিশ্ব মা দিবস (1) ভ্রমণ (1) মন্তব্য (1) মাহফুজ খানের লেখালেখি (1) রবি এ্যাড (1) রমজানুল মোবারক (1) রেজাল্ট (1) রোগ-পথ্য (1) লংমার্চ (1) শহীদ দিবস (1) শুভ বাংলা নববর্ষ (1) শৈশবের দিনগুলো (1) সমবায় (1) সস্তার তিন অবস্থা (1) সাভার ট্র্যাজেডি (1) সিটি নির্বাচন (1) স্বপ্ন পথের পথিক (1) স্বাধীনতা (1) হ্যালো প্রধানমন্ত্রী (1) ২১ ফেব্রোয়ারী (1)

APNAKE SHAGOTOM

ZAKARIA SHAHNAGARIS WRITING

সকলকে বাংলা নতুন বছরের শুভেচ্ছা

বর্তমান বিশ্বায়নের যুগে আমরা আর বাংলা ভাষায় কথা বলতে চাইনা । নিজের মাতৃভাষাকে যখন-তখন যেখানে সেখানে অবমাননা করে তৎপরিবর্তে ইংরেজী ভাষা ব্যবহার করতে অভ্যাস্থ হয়ে যাচ্ছি বা হয়ে গেছি ।
আরও একটু এগিয়ে গেলে বলতে হয় - আমরা আজ বাঙ্গালী হয়ে বাঙ্গালী জাতিসত্বা ভুলে গিয়ে ইংরেজী জাতিসত্বায় রক্তের ন্যায় মিশে গেছি !

অথচ একদিন আমরা বাঙ্গালী জাতি একতাবদ্ধ হয়ে রাষ্ট্রীয় ভাষা উর্দুকে ত্যাগ করে নিজেদের মাতৃভাষা বাংলাকে রাষ্ট্রীয় ভাষা তথা বাংলা ভাষাকে সর্বত্র প্রচলন করতে প্রাণ দিতে বাধ্য হয়েছিলাম ! ফলে বিজাতীয় ভাষা উর্দূকে অপসারন করে নিজেদের মাতৃভাষায় কথা বলার স্বাধীনতা অর্জন করে বাংলা ভাষাকে ধারন করেছিলাম । যখন আমরা বাংলার সর্বত্র বাংলা ভাষায় কথা বলা শুরু করেছিলাম ,তখন কিন্তু বিশ্বায়নের যুগটা অনুপস্থিত ছিল তা নয় , বিশ্বায়নের যুগটা তখনও ছিল বিধায় আমরা ইংরেজী শিক্ষায় তখনও বাধ্য ছিলাম । অর্থাৎ যে জন্যে আজ আমরা ইংরেজী শিখছি সেইজন্যে তখনও ইংরেজী শিক্ষার প্রচলন ছিল । ছিল ইংরেজী শিক্ষার প্রয়োজনীয়তাও । তাই বলে সে সময় বর্তমান সময়ের মত মাতৃভাষা বাংলাকে অবমাননা করা হয়নি । মানুষ সে সময় বাংলায়ই কথা বলেছিল । শুধুমাত্র প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রেই সে সময় ইংরেজী ব্যাবহার করেছিল বাঙ্গালী জাতি

conduit-banners

Powered by Conduit

ফ্লাগ কাউন্টার

free counters

MZS.ONLINE MONEY MAKING WAY

PLEASE CLICK ON MY BANNERS. VISIT MY AFFILIATE SITE "MZS.ONLINE MONEY MAKING WAY ( অনলাইনে অর্থোপার্জনের একটা মাধ্যম )" I HOPE IT WILL BE HELPFUL FOR YOU. Create your own banner at mybannermaker.com!
সংবাদ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
সংবাদ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বৃহস্পতিবার, ২৬ মে, ২০১৬

প্রবাসীদের মৃত্যু যেখানে হয় সেখানেই তাদের দাফন করা উচিত

প্রবাসীদের মৃত্যু যেখানে হয় 
সেখানেই তাদের দাফন করা উচিত
---------------------------------
প্রবাসী যখন তার জীবন-যৌবন প্রবাসেই শেষ করে নিজের সম্মান বজায় রেখে নিজে প্রবাসেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছে তখন তাকে চাঁদা তুলে অন্যের অনুগ্রহের পাত্র করে দেশে পাঠানোর মাধ্যমে শেষ কালে তাকে অসম্মান করার কোন যৌক্তিকতা দেখিনা।
তাই আমি মনে করি প্রবাসীরা যদি প্রবাসেই মৃত্যুবরণ করে তবে তাকে অন্যের অনুগ্রহের পাত্র না করে প্রবাসেই দাফন করা উচিত। আমিও একজন প্রবাসী তাই আমি আমার পকেটে (মানীব্যাগে) একটা চিরকুট ও দাফন করার মত ব্যায়ভার রেখেছি যাতে আমি যেখানেই মৃত্যুবরণ করি সেখানেই আমাকে আমার নিজস্ব খরছে দাফন করা হয়,
আমার সে চিরকুটটিতে লিখেছি -

Oh my dear brothers !
Attention please !
Assalamualaykum.
I am a Muslim and Bangladeshi, I have no - my family, any known and relative persons, neighbors friends now.So when and where i will die, please keep my dead body in the burial of a muslim burial-ground with the accordingly as a rule of islam and with this please my death news publish 1st pages of some prime news papers and tv channels of bangladesh.
All of my dead body's spent will be limited valuable of my a gold things which is saved in my money bag.
So please ! this gold sale for my all of spent of my dead body.


Thanks to all for everything
Mohammed Zakaria Shahnagari

বুধবার, ১১ মে, ২০১৬

দেশ হারালো একজন স্বনামধন্য ও দেশবরেন্য আলেম কে, আর আমরা হারালাম আমা‌দের স্বজন একজন প্রিয়জন‌কে

"শোক সংবাদ"
ঝরে গেল ইসলামী বিশ্বের আরো একটি নক্ষত্র, 
নিভে গেল ইলমে দ্বীনের আরেকটি জ্ঞানের মশাল,
দেশ হারালো একজন স্বনামধন্য ও দেশবরেন্য আলেম কে, 
আর আমরা হারালাম আমা‌দের স্বজন একজন প্রিয়জন‌কে। 
শোকের সাগরে ভাসল আরো একবার বাংলাদেশের মুসলীম জনতা।
************




চট্টগ্রাম আন্দরকিল্লা শাহী জামে মসজিদের সাবেক সিনিয়র পেশ ইমাম এবং ভারপ্রাপ্ত খতিব,ফটিকছড়ি উপজিলাধীন শাহনগর মদিনাতুল উলুম ইসলামীয়া মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক, জিরি, মুজাহিরুল উলুম, দারুল মাআরিফ,ও খুলনা দারুল উলুম সহ দেশের আরো অনেক সুখ্যাত জামেয়ার সাবেক সফল মুহাদ্দিস - আল্লামা মুফতি মুহাম্মদ মামুনুর রশীদ আল আযহারী গতরাত(১০/০৫/২০১৬ তারিখ) স্থানীয় সময় ৯.১০ মিনিটের সময় বার্ধক্যরোগ জনিত কারনে ইহকালের সকল সম্পর্ক ছিন্ন করে মহান প্রভুর সান্নিধ্যে চলে যান। ইন্না লিল্লাহি ওয়াইন্না ইলায়হি রাজ্বিঊন।


তাঁর এই চলে যাওয়াতে যেন রাহবারে দ্বীনের একটি নক্ষত্র খসে পড়ল। যেন দপ্ করে নিভে গেল ইলমে দ্বীনের এক আলোকিত মশাল।

দেশ হারালো একজন স্বনামধন্য ও দেশবরেন্য আলেম কে, আর আমরা হারালাম আমা‌দের স্বজন একজন প্রিয়জন‌কে। শোকের সাগরে ভাসল আরো একবার বাংলাদেশের মুসলীম জনতা।

হে আল্লাহ্ ! আপনি আপনার এই প্রিয় বান্দাকে জান্নাতুল ফিরদৌসের সুউচ্চ মকামে আসীন করুন।

আমি তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনা করছি এবং তাঁর শোক সন্তপ্ত পরিবার ও গুনগ্রাহী মহলের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করছি।

ব্যক্তিগত জীবনে তিনি ছিলেন ট্টগ্রামের প্রখ্যাত শাইখুল হাদীস আল্লামা হাফেজ হারুন শাহনগরীর ছোট ভাই। 
বহুমূখী যোগ্যতার অধীকারী এ মহান ব্যক্তিটি দীর্ঘ ২৭ বছর যাবত চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী আন্দেকিল্লা শাহী জামে মসজিদে সিনিয়র পেশ ইমাম হিসেবে নিয়োজিত ছিলেন।

নামাজে জানাযার স্থান ও সময় :
আজ ১১/০৫/২০১৬ বুধবার আছরের নামাযের পর (বিকেল পাঁচটায়) মরহুমের নিজ গ্রাম চট্টগ্রামের ফটিকছড়িস্থ লেলাং ইউনিয়নের শাহনগর কেন্দীয় ঈদগাহ ময়দানে আল্লামা মুফতি মামুনুর রশীদ আল আযহারী সাহেব এর নামাযে জানাজা অনুষ্টিত হবে।
================

মঙ্গলবার, ২৬ এপ্রিল, ২০১৬

আমরা অনেক নিরাপদ আছি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আমরা অনেক নিরাপদ আছি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী | 
জনাব সুবিধাপ্রাপ্ত মন্ত্রী !
আপনাদের ছয় দিক (উপর, নীচ, ডান, বাম, সম্মুখ, পীছন) এর নিরাপত্তা বেষ্টনী উঠিয়ে নিয়ে আপনারা সুবিধা বঞ্চিত সাধারণ জনগণ হিসাবে চলাফেরা শুরু করুন, তারপর দেখুন আপনারা কতটা নিরাপদ ?
বিস্তারিত দেখতে ক্লিক করুন ... 

রবিবার, ১৬ জুন, ২০১৩

"টক অব দ্য কান্ট্রি - যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বাধাগ্রস্থ করতে চার সিটি কর্পোরেশনের জনগণ নাস্তিক্যবাদী সরকারের বৃহৎ চার এজেন্টকে তাদের সিটি থেকে ঝেঁটিয়ে বিদায় করেছে !!"

"টক অব দ্য কান্ট্রি -
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বাধাগ্রস্থ করতে
চার সিটি কর্পোরেশনের জনগণ
নাস্তিক্যবাদী সরকারের বৃহৎ চার এজেন্টকে
তাদের সিটি থেকে ঝেঁটিয়ে বিদায় করেছে !!"
মুহাম্মদ জাকারিয়া শাহনগরী
--------------------

হ্যাঁ ! এই হলো আজকের টক অব দ্য কান্ট্রি বা "নাস্তিক্যবাদের বাংলদেশী এজেন্ট" বাংলদেশ আওয়ামী লীগের প্রধান আলোচ্য শিরোনাম। গতকালের নির্বাচনে চার সিটি কর্পোরেশনে "নাস্তিক্যবাদের বাংলদেশী এজেন্ট" আওয়ামী লীগের ভরাডুবির পর "টক অব দ্য কান্ট্রি" এই শিরোনামের ব্যানারে অনুষ্টিত হওয়া "নাস্তিক্যবাদের বাংলদেশী এজেন্ট"এর এক ঘরোয়া আলোচনা অনুষ্টানে প্রধান আলোচক হিসাবে শেখ হাসিনার পালক পুত্র নাস্তিক্যবাদের মহান দূত ডাঃ এইচ ইমরানের আলোচনায় এভাবেই ঝড়ে পড়ে তাদের হতাশার কান্না। আর তাই তাদের মনের - "যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বাধাগ্রস্থ করতে চার সিটি কর্পোরেশনের জনগণ নাস্তিক্যবাদী সরকারের বৃহৎ চার এজেন্টকে তাদের সিটি থেকে ঝেঁটিয়ে বিদায় করেছে"- এ কথাটিই হয়ে উঠে আজকের "টক অব দ্য কান্ট্রি"।

যা হোক, নাস্তিক্যবাদী বর্তমান সরকারের সেই "টক অব দ্য কান্ট্রি" নিয়ে দেশ-জনতার পড়ে থাকলে চলবেনা। তাদেরকে আগামী জাতীয় নির্বাচনে কিভাবে জবাব দেয়া হবে সেটা নিয়েই এদেশের ধর্মপ্রাণ মানুষদের ভাবতে হবে। আর এই ভাবাভাবি ঘুমিয়ে করলে হবেনা। জাগ্রত হয়েই এই ভাবাভাবি করতে হবে। কারণ, এই নির্বাচনে আওয়ামীলীগের ভরাডুবিতে দেশ-জনতার আনন্দোল্লাশে মত্ত হবার কোন বিষয় পরিলক্ষিত হয়নি। ভোট কালেকশানের ফিরিস্তি দেখে মনে হচ্ছে, বড় কিছু অর্জনের লক্ষ্যেই এ নির্বাচনে তাদের পরাজয় ছিল একটা লোক দেখানো আয়োজন। তারা দেশের বড় পদটি অর্জনের জন্য দেশের ছোট ছোট পদগুলো অন্যের জন্য ছেড়ে দিতেই পারে। এ যেন জামাতের ছোট ছোট নেতাগুলোকে লঘুদন্ড দিয়ে জামাত-শিবিরের উশৃন্খলতা প্রতিরোধ করে তাদের চুপ রেখে জামাতের বড় বড় নেতাদের ফাঁসির রায় ঘোষনা দেয়ার পথ পরিস্কার করার মতোই ঘটনা।

মনে হচ্ছে বর্তমান সরকারের চার সিটি কর্পোরেশন ছেড়ে দেবার মূলে তাদের রয়েছে জামাত-শিবিরকে ঘুমিয়ে দিয়ে তাদের বড় বড় নেতাদের ফাঁসির রায় দেয়ার মতোই একটা বৃহৎ পরিকল্পনা। যে পরিকল্পনায় তারা এগিয়ে যাচ্ছে দেশের সিংহাসন পুনর্বার অজর্নের লক্ষ্যে। গতকালকের নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হবার দোহায় দিয়ে, আগামী নির্বাচন তাদের দ্বারাই সম্পন্ন করার মধ্য দিয়ে দেশের সিংহাসন পুণঃদখল করার একটা বৃহৎ পরিকল্পনাই হচ্ছে চার সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে তাদের শান্তিপূর্ণ অবস্থান। নয়তো দেশের একমাত্র অশান্ত সৃষ্টিকারী দলের কাছ থেকে এমন শান্ত-নীরবতা কখনো আশা করা যায়না।

তাই গতকালকের শান্তিপূর্ণ নিরপেক্ষ নির্বাচনের টোপটি না গিলে দেশের জনকে আগামী নির্বাচনের পরিকল্পনা জাগ্রত হয়েই করতে হবে। নয়তো দেশের জনগণকে দেখতে হবে আগামী নির্বাচনের মাধ্যমে একটা বিশ্বকে চমকে দেয়া অনিরপেক্ষ ও অশান্তকর এবং ভীতিকর অবস্থায় নিপতিত একটা নতুন বাংলাদেশকে। যেখানে থাকবে শুধুই অস্ত্রের ঝনঝনানী, যেতে পারবেনা কেউ ভোটকেন্দ্রে, প্রয়োগ করতে পারবেনা কেউ তাদের ভোটাধিকার। যেভাবেই হোক তারা চাইবে দেশের সিংহাসন পূনর্বার তাদের করায়ত্ব করার। কারণ তারা বুঝেই গেছে যদি আগামী নির্বাচনে তারা জয়ী না হয়, তবে বাংলাদেশের রাজনীতিতে তাদের হবে রাজনৈতিক মৃত্যু। কারণ কোন স্বৈরশাসকই কখনো দ্বিতীয়বার শাসনকর্তৃত্বের অধিকারী হতে পারেনা। আর এ কারনেই তারা ছলে - বলে - কৌশলে শাসনভার অর্জনের লক্ষ্যে যে কোন প্রকার পদ্ধিত গ্রহণ করে শেষ চেষ্ঠা চালাবে।
তাই দেশের জনগণকে এখনই প্রস্তুতি নিয়ে কাজ শুরু করতে হবে কিভাবে তারা তাদের মঙ্গল আনায়নে কোন্ পদক্ষেপটি গ্রহণ করবে ?
















বৃহস্পতিবার, ১১ এপ্রিল, ২০১৩

মজলুম - নিপীড়িত মানুষদের প্রাণপুরুষ আমার দেশ পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহমুদুর রহমান গ্রেফতার

মজলুম - নিপীড়িত মানুষদের প্রাণপুরুষ
আমার দেশ পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক
মাহমুদুর রহমান গ্রেফতার
--------------------

ইসলামের পক্ষে অবস্থান নেয়া এবং নাস্তিকবাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে মুসলমান ও ইসলামের মুখপত্র হিসেবে নিজেকে দাঁড় করানোর অপরাধে আমার দেশ পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক, সময়ের সাহসী সাংবাদিক, নির্ভীক কলম যোদ্ধা , মুসলমান ও ইসলামের একনিষ্ট বন্ধু , নাস্তিক্যবাদ ও দূর্নিতিবাজদের আতঙ্ক, মজলুম - নিপীড়িত মানুষদের প্রাণপুরুষ মাহমুদুর রহমানকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

তাঁর বিরুদ্ধে দায়েরকৃত ৩টি মামলায় ১৩ দিনের রিম্যান্ড চেয়েছে পুলিশ পরিচয়ের স্বৈরাচারী - লুঠেরা-সন্ত্রাসী সরকারের লাঠিয়াল বাহিনী। 
এই মাত্র মাহমুদুর রহমানকে সিএমএম আদালতে নেয়া হয়েছে। শুরু হয়েছে শুনানী।

বিক্ষুব্ধ সমগ্র বাংলাদেশ। সর্বত্র বিক্ষুব্ধ জনতার প্রতিবাদ। প্রতিবাদে সোচ্ছার সাংবাদিক সমাজ। ইসলাম বিদ্ধেষী নাস্তিক্যবাদী সরকার কর্তৃক সাংবাদিক মাহমুদুর রহমানকে গ্রেফতার করে সরকারের ইসলাম বিরোধী কর্মের আয়োজনের বিরুদ্ধে সমগ্র দেশব্যাপী প্রতিবাদের দূর্গ গড়ে তুলুন।






















ইসলামের পক্ষে অবস্থান নেয়া এবং নাস্তিকবাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে মুসলমান ও ইসলামের মুখপত্র হিসেবে নিজেকে দাঁড় করানোর অপরাধে আমার দেশ পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক, সময়ের সাহসী সাংবাদিক, নির্ভীক কলম যোদ্ধা , মুসলমান ও ইসলামের একনিষ্ট বন্ধু , নাস্তিক্যবাদ ও দূর্নিতিবাজদের আতঙ্ক, মজলুম - নিপীড়িত মানুষদের প্রাণপুরুষ মাহমুদুর রহমানকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

তাঁর বিরুদ্ধে দায়েরকৃত ৩টি মামলায় ১৩ দিনের রিম্যান্ড চেয়েছে পুলিশ পরিচয়ের স্বৈরাচারী - লুঠেরা-সন্ত্রাসী সরকারের লাঠিয়াল বাহিনী।
এই মাত্র মাহমুদুর রহমানকে সিএমএম আদালতে নেয়া হয়েছে। শুরু হয়েছে শুনানী।

বিক্ষুব্ধ সমগ্র বাংলাদেশ। সর্বত্র বিক্ষুব্ধ জনতার প্রতিবাদ। প্রতিবাদে সোচ্ছার সাংবাদিক সমাজ। ইসলাম বিদ্ধেষী নাস্তিক্যবাদী সরকার কর্তৃক সাংবাদিক মাহমুদুর রহমানকে গ্রেফতার করে সরকারের ইসলাম বিরোধী কর্মের আয়োজনের বিরুদ্ধে সমগ্র দেশব্যাপী প্রতিবাদের দূর্গ গড়ে তুলুন।
======================

বৃহস্পতিবার, ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৩

যেভাবে শুরু হয়েছে দেশকে যুদ্ধাপরাধী মুক্ত করণে দেশব্যাপী গণবিদ্রোহ , সেভাবেই শুরু হোক দেশ গঠনে দেশ লুন্টনকারী দলসমুহের বিরুদ্ধেও দেশব্যাপী গণবিদ্রোহ

যেভাবে শুরু হয়েছে দেশকে যুদ্ধাপরাধী মুক্ত করণে দেশব্যাপী গণবিদ্রোহ , সেভাবেই শুরু হোক দেশ গঠনে দেশ লুন্টনকারী দলসমুহের বিরুদ্ধেও দেশব্যাপী গণবিদ্রোহ
মুহাম্মদ জাকারিয়া শাহনগরী
----------------------

রাজাকার ও যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসী দিয়ে রাজাকারমুক্ত বাংলাদেশের লক্ষ্যে যদি দেশের মানুষ একটা ক্ষুদ্র স্বার্থে জাগ্রত হয়ে সমগ্র দেশব্যাপী বিদ্রোহ সৃষ্টি করতে পারে, তবে দেশ গঠনের মত একটা বৃহৎ স্বার্থ অর্জনের লক্ষ্যে জাগ্রত হয়ে বিদ্রোহ সৃষ্টি করতে পারছেনা কেন ? যদি রাজাকারের কবল থেকে বাংলাদেশকে মুক্ত করণে বিদ্রোহ করতে কোন বাধা না থাকে, তবে দেশ লুন্ঠনকরীদের থেকে বাংলাদেশকে মুক্ত করণে বিদ্রোহ করতে বাধা কোথায় ? রাজাকার নিধনে বিদ্রোহী হয়ে উঠা মানুষরা কি পারেনা দেশলুন্ঠনকারীদের নিধনেও বিদ্রোহী হয়ে উঠতে ?

গত দু’দিন ধরে দেশের মানুষ একটা ক্ষুদ্র স্বার্থে রাজাকারদের ক্ষুদ্র একটি দলকে পতন করতে বিদ্রোহী হয়ে উঠেছে। এভাবে কি দেশের মানুষ দেশ গঠনের বৃহত্তর স্বার্থে দেশ লুন্ঠনকারী বৃহৎ দলগুলোর পতনে বিদ্রোহী হয়ে উঠতে পারেনা ? দেশলুন্টনকারী বৃহৎ দলগুলোর পতনে যদি এসব বিদ্রোহীরা বিদ্রোহ সৃষ্টি করতে না চায় , তবে কি তারা মনে করে - যে দেশ গত বিয়াল্লিশ বছরে গঠিত হয়নি, সে দেশ রাজাকারদের নির্মূল হলেই গঠন হয়ে যাবে ? যদি এসব বিদ্রোহীরা এটা মনে না করে, তবে তাদের এই বিদ্রোহের মাধ্যমেই রাজাকারদের পতনের সথে সাথে দেশ লুন্ঠনকারী দলগুলোর পতনের লক্ষ্যেও তাদের বিদ্রোহ ঘোষনা করুক। যাতে ঝাঁপিয়ে পড়বে একাত্তরের মত দেশের অবশিষ্ঠ সর্বশ্রণীর-সর্বস্তরের জনগণ।

দেশ লুন্ঠনে ব্যস্ত যারা – আওয়ামী লীগ ও বিএনপি এবং তাদের অঙ্গসংঘটন সমুহ।
সন্ত্রাসের জনক যারা - আওয়ামী লীগ ও বিএনপি এবং তাদের অঙ্গসংঘটন সমুহ।
দেশ বন্টনে লিপ্ত যারা - আওয়ামী লীগ ও বিএনপি এবং তাদের অঙ্গসংঘটন সমুহ।
দেশদ্রোহী মানুষ যেথায় - আওয়ামী লীগ ও বিএনপি এবং তাদের অঙ্গসংঘটন সমুহে।
নাগরীকদের রক্তচোষায় লিপ্ত যারা - আওয়ামী লীগ ও বিএনপি এবং তাদের অঙ্গসংঘটন সমুহ।
রাজাকারদের দল যদি হয় – ইসলামী দল আর জামাত,
সুবিধাভোগী দল তবে – জাতীয় পার্টি আর অন্য সব দল।

তাই , দেশ গঠনের বৃহত্তর স্বার্থে এইসব দল পতনের লক্ষ্যে দেশের মানুষদের “রাজাকারের কবল থেকে বাংলাদেশকে মুক্ত করণে বিদ্রোহ”এর মতই বিদ্রোহ সৃষ্টি করা একান্ত আবশ্যক। দেশের মানুষদের বুঝে নিতে হবে যে, শুধুমাত্র দেশকে রাজাকারমুক্ত করলেই দেশে শান্তি আসবেনা, মুক্ত হবেনা দেশ হায়েনাদের কবল থেকে। তাতে লাভবান হবে দেশের লুন্ঠনকারীরা। রয়ে যাবে আসল হায়েনারা, যারা দেশ ও দেশের মানুষদের রক্ত চুষে খাচ্ছে।

অতএব, যেভাবে শুরু হয়েছে দেশকে যুদ্ধাপরাধী মুক্ত করণে যুদ্ধাপরাধীদের পতনে দেশব্যাপী গণবিদ্রোহ , সেভাবেই শুরু হোক দেশ গঠনে দেশ লুন্টনকারী দলসমুহের বিরুদ্ধেও দেশব্যাপী গণবিদ্রোহ।।

বৃহস্পতিবার, ৩১ জানুয়ারি, ২০১৩

বিলুপ্তাধীন বাংলাদেশ : গর্জে উঠ দেশ-জনতা

বিলুপ্তাধীন বাংলাদেশ : গর্জে উঠ দেশ-জনতা
মুহাম্মদ জাকারিয়া শাহনগরী
-----------------------

শুরু হয়েছে যুদ্ধ। চারিদিকে চলছে গোলাগুলি , ফুটছে বোমা , জ্বলছে সর্বত্র ধাউ ধাউ করে আগুন, হচ্ছে স্বাধীন দেশের সবুজ রাজপথ রক্তরঞ্জিত,ঘটছে সর্বত্র ধর্ষণের ঘটনা, চলছে নারীদের উপর নির্যাতন অহরহ। এ যেন ১৯৭১ এর সেই যুদ্ধকালীন সময়েরই একটা পরিস্থিতি। বিরাজ করছে সর্বত্র নৈরাজ্য।
নাহ্ ! এ কোন পাকিস্তানী তাড়াতে এদেশের মানুষদের স্বাধীনতার যুদ্ধ নয়। এ যুদ্ধ গৃহযুদ্ধ। ঘরের মানুষদের সথে ঘরের মানুষদের যুদ্ধ। এ নৈরাজ্য সৃষ্টিকারীরা কোন পাকিস্তানী নয়, এদেশেরই মানুষ। এসব ধর্ষনকারী , নারীদের উপর অত্যাচারীরা কোন রাজাকার নয় এদেশেরই সোনার সন্তান নব্য রাজাকার। এ যুদ্ধ দমনকারী সরকার পক্ষ পাকিস্তানের সেই লুন্ঠনকারী সরকার নয়, এদেশের জনগণের স্বার্থ দেখার ম্যান্ডেট নিয়ে আসা ক্ষমতাধর জনগণের স্বার্থহরণকারী আর শান্তি বিনষ্টের মুল আয়োজক দেশপ্রেমের আড়ালে দেশ ধ্বংসী সরকার।
১৯৭১ এর যুদ্ধের দ্বিতীয় সংস্করনে সংঘটিত এই যুদ্ধে আস্তে আস্তে জড়িয়ে পড়ছে সমগ্র দেশের মানুষ । বিলুপ্ত হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ নামক এই ছোট্ট ভুখন্ডটি এই গৃহযুদ্ধের মাধ্যমে। যদি এই গৃহযুদ্ধের মাধ্যমে বিলুপ্তাধীন এদেশকে বাঁচানোর ইচ্ছা থাকে তবে জনগণকে নতুন ভাবনায় ঘুরে দাঁড়াত হবে এখনই। দেশের মানুষদেরই গর্জে উঠতে হবে বাংলাদেশকে দলীয় সরকারের আবহ থেকে মুক্ত করতে। দেশের মানুষকেই দেশের সব রক্তচোষা দল ধ্বংসে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে। দেশকে গৃহযুদ্ধ থেকে বাঁচানোর একটাই পথ - দেশকে রক্তচোষা সকল দল থেকে মুক্ত করতে নেমে পড়া।
=================

বৃহস্পতিবার, ২২ নভেম্বর, ২০১২

বাংলাদেশের টপ মডেল প্রধানমন্ত্রী শেখহাসিনা


বাংলাদেশের টপ মডেল প্রধানমন্ত্রী শেখহাসিনা
মুহাম্মদ জাকারিয়া শাহনগরী
----------------------

আমাদের মাননীয়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজেকে নতুন পরিচয়ে পরিচয় দিয়েছেন সংসদে, আর তা হলো তিনি বাংলাদেশের জামদানী শাড়ীর মডেল হিসেবে নিজেকে উপস্থাপন করেছেন। আর এই জামদানী শাড়ীকে বিশ্ব বাজারে তুলে ধরতে তিনি জামদানী শাড়ী পরেই বিদেশ সফরে যান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, "বেশিরভাগ সময়ই আমি জামদানি ব্যবহার করি। এর উদ্দেশ্য হচ্ছে দেশীয় এ পণ্যের ব্র্যান্ডিং করা। বিদেশে যখন যাই, তখনও বিশ্ববাসীর কাছে এ শাড়ি তুলে ধরতে আমি ব্যবহার করি। আমাদের লক্ষ্য জামদানি শিল্পের ব্যাপক উন্নয়ন করা।"
তিনি আরও বলেন, " ঢাকার জামদানি এরই মধ্যে বিশ্বের কাছে একটি ব্র্যান্ডিং হিসেবেই পরিচিতি পেয়েছে। তবে আইনগতভাবে এটা হওয়া দরকার। আমাদের এ পণ্যের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্থাত্ কপিরাইট আদায় করতে হবে। এজন্য আমরা পদক্ষেপ নিয়েছি। আমাদের প্রতিবেশী দেশও (ভারত) জামদানি শাড়িকে তাদের দেশের পণ্য হিসেবে পেটেম্লট অর্জনে আন্তর্জাতিকভাবে চেষ্টা চালাচ্ছে। তবে আমরাও প্রতিযোগিতায় তাদের চেয়ে পিছিয়ে নেই। আমরাও স্বীকৃতি অর্জনে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।"
প্রধানমন্ত্রী নিজে মডেল হয়ে দেশের একটি উৎপাদিত পণ্য বিশ্ববাজারে বাজারজাতকরণের এই প্রচেষ্টা সত্যিই এক মহৎ উদ্বেগ এবং দেশের জন্য কল্যানীয়। তাই প্রধানমন্ত্রীর মডেল হিসেবে উপস্থাপনে রইল শুভকামনা।
(আমার দেশের সৌজন্যে - http://www.amardeshonline.com/pages/details/2012/11/22/174628#.UK2dV-T5yQw)
======================

সোমবার, ৮ অক্টোবর, ২০১২

দূর্ঘটনায় আমার মেয়ে সামিরা : দোয়া কামনা

      দূর্ঘটনায় আমার মেয়ে সামিরা : দোয়া কামনা
মুহাম্মদ জাকারিয়া শাহনগরী
----------------------

আমার একমাত্র মেয়েটি গতকাল গাড়ী এক্সিডেন্টে ভীষণ ভাবে আহত হয়েছে। মুখে সেলাই করা হয়েছে ৫/৬ টা। এখনও কথা বলতে ও কিছু খেতে পারছেনা। খুবই কষ্টে তরল জাতীয় খাদ্য দেয়ার চেষ্ঠা করা হচ্ছে। তার সুস্থতার জন্য সকলের কাছে দোয়ার আবেদন রইল।

শনিবার, ৬ অক্টোবর, ২০১২

চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি পৌরসভার প্রথম পৌর নির্বাচন অনুষ্ঠিত


চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি পৌরসভার প্রথম পৌর নির্বাচন অনুষ্ঠিত
মুহাম্মদ জাকারিয়া শাহনগরী
-----------------------

গতকাল শনিবার চট্টগ্রামের নবগঠিত ফটিকছড়ি পৌরসভার প্রথম নির্বাচন অনুষ্টিত হয়। নির্বাচনে প্রথমবারের মতো মেয়র নির্বাচিত হন আওয়ামীলীগ সমর্থক প্রার্থী হাজি মোহাম্মদ ইসমাইল হোসেন। তিনি ফটিকছড়ি পৌরসভার প্রথম মেয়র হিসাবে নিজেকে দাঁড় করার গৌরব অর্জন করেছেন। পৌরসভা গঠনের এক বছর পর চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার এ প্রথম পৌরসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ১৭টি ভোটকেন্দ্রে একটানা এ ভোটগ্রহণ চলে। অপ্রীতিকর কোন ঘটনা ছাড়াই চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার এ প্রথম পৌরসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

নবগঠিত উক্ত পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে ৫ জন,সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে ১১ জন ও সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৫৯ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ২৫ হাজার ৪৪০ জন ভোটার প্রথম পৌর মেয়র ও কাউন্সিলর নির্বাচনে ভোট দানে অংশ নেন । এর মধ্যে পুরুষ ১১ হাজার ৯৪৯ জন ও নারী ভোটার ১৩ হাজার ৪৯১ জন । নির্বাচনে উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য হাজি মোহাম্মদ ইসমাইল হোসেন চশমা প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে পেয়েছেন ৭ হাজার ৮৬৮ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি উপজেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা এম সিরাজুল ইসলাম তালা প্রতীকে নিয়ে পেয়েছেন ৫ হাজার ৭০১ ভোট।

এ নির্বাচনের অন্য মেয়র প্রার্থীরা ছিলেন বিএনপি সমর্থিত মোবারক হোসেন কাঞ্চন (দোয়াত-কলম) ও মো. ইদ্রিস রায়হান (আনারস) ও নাগরিক কমিটি থেকে আসা মো. করিম উল্লাহ চৌধুরী (দেয়ালঘড়ি)।

ভোট গ্রহণ উপলক্ষে পৌর এলাকায় বিশেষ নিরাপত্তা বেষ্টনী গড়ে তোলা হয়। মোতায়েন করা হয় অতিরিক্ত পুলিশ । এছাড়া র‌্যাব-পুলিশ-বিজিবি’র সমন্বয়ে স্পেশাল ব্রাঞ্চ গঠন করা হয়। ১৭ টি ভোট কেন্দ্রে ১৩ জন নির্বাহী ম্যাজিষ্টেড এর নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত কাজ করে। সুষ্ঠুভাবে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন করার জন্য প্রতি কেন্দ্রে ১১ জন পুলিশ, ১৪ জন আনসার মোতায়ন করা হয়। এ ছাড়া নির্বাচনী এলাকায় ১১ জন ম্যাজিস্ট্রেট, ৫টি পুলিশের ভ্রাম্যমাণ দল, দুই প্লাটুন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটেলিয়ান (র‌্যাব) সার্বক্ষণিক টহলে থাকে।

ভোটগ্রহণ নিয়ে কোন ধরনের অভিযোগ না থাকলেও দুপুরে পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডে কে এম টেক সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে জাল ভোট দেয়ার চেষ্টা করায় দু`জনকে আটক করে পুলিশের হাতে সোপর্দ্দ করেন প্রিজাইডিং কর্মকর্তা আকরাম হোসেন।

উল্লেখ্য যে, ২০১১ সালের ৩১ মার্চ ঘোষিত এ পৌরসভার প্রথম নির্বাচনী তফশিল গত ১৩ আগষ্ট নির্বাচন কমিশন ঘোষনা করে। ২০ সেপ্টেম্বর নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ভোটার তালিকা হালনাগাদ হয়নি উল্লেখ করে হাইকোর্টে রীট আবেদন করায় ১৭ আগষ্ট স্থগিত হয়ে যায় নির্বাচন। পরে সুপ্রীম কোট হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করলে নতুন নির্বাচনের তারিখ ৬ অক্টোবর শনিবার ঘোষণা করা হয়। এ ঘোষনা অনুষারে গতকাল শনিবার এ নির্বাচন অনুষ্টিত হয়।

(তথ্যসুত্র ঃ ইন্টারনেট)

বৃহস্পতিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১২

বর্তমান মহাজোট সরকারের সফলতার খতিয়ান




বর্তমান মহাজোট সরকারের সফলতার খতিয়ান

মুহাম্মদ জাকারিয়া শাহনগরী

-----------------------

কয়েক ঘন্টা আগে ফেইসবুকে একটা লিংক দেখেছিলাম। যাতে লেখা রয়েছে বর্তমান সরকার নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের মুল্য কমিয়ে সফলতা অর্জন করেছে । তাই এই সফলতার একটা খতিয়ান পেশ করার জন্য আমার এই আয়োজন। দেখুন দুই সরকারের একটা তুলনামুলক চিত্রে বর্তমান সরকারের সফলতার খতিয়ান।

(বর্তমান মহাজোট সরকার এবং বিগত চারদলীয় জোট সরকারের সময়কার নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যসামগ্রীর তুলনামুলক চিত্র)


************************************
• ২০০৫ সালের অক্টোবরে অর্থাৎ চারদলীয় জোট সরকারের শেষ বছরে নিত্য প্রয়োজনীয় নিম্নোক্ত ২০টি দ্রব্যসামগ্রীর মূল্য ছিল –
০১। ইরি চাল প্রতি কেজি = ২০ টাকা।
০২। পাইজাম চাল প্রতি কেজি = ২৩ টাকা।
০৩। নাজিরশাইল চাল প্রতি কেজি = ২৮ টাকা।
০৪। মসুর ডাল প্রতি কেজি = ৫৬ টাকা।
০৫। সয়াবিন তেল প্রতি লিটার = ৬০ টাকা।
০৬। আটা প্রতি কেজি = ২০ টাকা।
০৭। লবণ প্রতি কেজি = ১৮ টাকা।
০৮। চিনি প্রতি কেজি = ৪২ টাকা।
০৯। গুঁড়ো দুধ প্রতি কেজি = ৩৪০ টাকা।
১০। পেঁয়াজ প্রতি কেজি = ৩২ টাকা।
১১। ডিম প্রতি হালি = ১৮ টাকা।
১২। আদা প্রতি কেজি = ১২০ টাকা।
১৩। গরুর মাংস প্রতি কেজি = ১২০ টাকা।
১৪। খাসির মাংস প্রতি কেজি = ২১০ টাকা।
১৫। বিদ্যুৎ প্রতি ইউনিট = ৩ টাকা।
১৬। পানি হাজার লিটার = ৫ টাকা।
১৭। গ্যাস = ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা।
১৮। ডিজেল প্রতি লিটার = ৩০ টাকা।
১৯। কেরোসিন প্রতি লিটার = ৩২ টাকা।
২০। পেট্রল প্রতি লিটার = ৪২ টাকা।
তথ্যসুত্র ঃ http://sonarbangladesh.com/blog/post/50801
================================

বর্তমানের (১৭/৯/২০১২ইং তারিখে) মহাজোট জোট সরকারের শাসনামলে নিত্য প্রয়োজনীয় উপরোক্ত ২০টি দ্রব্যসামগ্রীর মূল্য হলো -
০১। চাল (মোটা) / স্বর্ণা/ চায়না/ ইরি প্রতি কেজি = ২৭ থেকে ৩২টাকা ।
০২। পাইজাম/আতপ চাল প্রতি কেজি = ৩৪ থেকে ৩৮ টাকা।
০৩। নাজির(মিনিকেট সাধারণ মানের) প্রতি কেজি = ৩৪ থেকে ৪৮ টাকা।
০৪। মশুর ডাল প্রতি কেজি = ৭৫ থেকে ১২৮ টাকা।
০৫। সয়াবিন তেল প্রতি লিটার = ১২০ থেকে ১৩৫ টাকা ।
০৬। আটা প্রতি কেজি = ৩৩ থেকে ৩৮ টাকা।
০৭। লবণ প্রতি কেজি = ১৮ থেকে ৩০ টাকা।
০৮। চিনি প্রতি কেজি = ৫২ থেকে ৫৩ টাকা।
০৯। গুঁড়ো দুধ প্রতি কেজি = ৪৫০ থেকে ৫৮০ টাকা।
১০। পেঁয়াজ প্রতি কেজি = ২২ থেকে ৩২ টাকা।
১১। ডিম প্রতি হালি = ৪০ থেকে ৪২ টাকা।
১২। আদা প্রতি কেজি = ৪০ থেকে ৬০ টাকা।
১৩। গরুর মাংস প্রতি কেজি = ২৮০ থেকে ৩০০ টাকা।
১৪। খাসির মাংস প্রতি কেজি = ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা।
• ১৫। বিদ্যুৎ প্রতি ইউনিট =
• ১৬। পানি হাজার লিটার =
• ১৭। গ্যাস =
• ১৮। ডিজেল প্রতি লিটার =
• ১৯। কেরোসিন প্রতি লিটার =
• ২০। পেট্রল প্রতি লিটার =
বিঃদ্রঃ ১৫ থেকে ২০ নম্বরের বিষয়গুলোর তথ্য তথ্যসুত্রে পাওয়া যায়নি।
তথসুত্র ঃ ই-তথকোষ -
http://www.bangladesh.gov.bd/index.php?option=com_weblinks&task=view&catid=175&id=416
==============================

বুধবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১২

অস্ত্রমিছিল


অস্ত্রমিছিল
মুহাম্মদ জাকারিয়া শাহনগরী
---------------------

সাবধান ভাই সাবধান
আসছে ধেয়ে ছাত্রলীগ,
অস্ত্রমিছিল করছে তারা
অবস্থা যে বেগতিক।
ওরে তোরা যাসনে এখন
ঘরের বাহির হইসনা ,
রামদাওয়ের কোপে তোদের
জীবনটাকে দিসনা।
ক্ষমতারই দাপট তাদের
কিছুই তাদের হবেনা,
মারলে তোদের অস্ত্রাঘাতে
জেলে তারা যাবেনা।
গাড়ি পোড়াক মানুষ মারুক
এই নীতিতেই তাদের বাস ,
যতই করুক দেশের ক্ষতি
সেটাই তাদের সোনার চাষ।
সোনার ছেলের সোনার কর্ম
রামদাও আর পিস্তলে ,
দেখতে যাসনে কর্ম তাদের
লুকা মাটির নীচ তলে।
==========

শুক্রবার, ৬ জুলাই, ২০১২

অভিনন্দন মাননীয়া প্রধানমন্ত্রী


অভিনন্দন মাননীয়া প্রধানমন্ত্রী !
মুহাম্মদ জকারিয়া শাহনগরী
---------------------

অভিনন্দন মাননীয়া প্রধানমন্ত্রী !
অবশেষে আপনি জনতাকে আপনার দরবার পর্যন্ত গমনের সুযোগ দিলেন । দেশের নাগরিক পেল আপনার সাথে সরাসরি কথা বলার অধিকার। যে সুযোগ ইতিপূর্বে কোন সরকার প্রধানের কাছ থেকে দেশের জনগণ কখনো পায়নি, সুযোগটা আপনার কাছ থেকেই জনগণর প্রথম পাওয়া। গণতান্ত্রিক সরকারের একটা নমুনা দেখিয়ে দিলেন আপনি বিচক্ষণতার সহিত জনগণকে তাদের চাহিদা সরাসরি আপনাকে জানানোর জন্য নিজের মোবাইল নাম্বার ও ইমেইল ঠিকানা প্রদান করে । এটা দেশের নাগরিকদের জন্য দেশপ্রধানের কাছ থকে কম পাওয়া নয় । কিন্তু দেশের নাগরিকদের প্রকৃত পাওয়াটা সেদিনই হবে যেদিন নাগরিকদের আবেদনকৃত চাহিদা আপনার দ্বারা তড়িৎ গতিতে পুরণ হবে।

এভাবেই দেখেছিলাম ইন্ডিয়ান একটা ফিল্মে একজন নায়কের ২৪ ঘন্টা সময়ের মধ্যে একটা দেশের সকল অনিয়মকে নিয়মবদ্ধ করার এবং সকল দূর্নীতিকে উচ্ছেদ করে নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত করার এক দুরূহ অভিযানের সাফল্য।
কিন্তু আপনার হাতে ২৪ ঘন্টা নয়, রয়েছে মূল্যবান একটি বছরের উর্ধ্ব সময়। আর এই একবৎসর সময় খুব একটা কম সময় নয় একজন প্রকৃত দেশপ্রেমিক যোগ্য নেতার কাছে । এক্ষেত্রে একটা কথা মনে রাখতে হবে , নেতা কখনো অন্যের নির্দেশে চলেনা , নেতা সবসময় অন্যকে নির্দেশ দেয় । আপনার ঘরে যারা অবস্থান করছে তারা সবাই আপনার নয় , তাদের মাঝেই রয়েছে আপনাকে ধ্বংস করার ছদ্ধবেশধারী কিছু লোক , যারা আপনার সৎ নেতৃত্বকে দাবিয়ে রাখতে সবসময় কাজ করে যাচ্ছে । তাই একজন যোগ্য নেতার জন্য প্রয়োজন সবদিকে তীক্ন দৃষ্টি রাখা। আর সব দকের মধ্যে রয়েছে - সামনে-পীছে-ডান-বায়-চতু্কোণ-উর্ধ্ব-নিম্ন-গুপ্তাঙ্গ-জিহ্বা-কর্ণ-নাসিকা-চোখ ইত্যাদি। আশা করছি এই একবৎসরে নিজের যোগ্য নেতৃত্বের পরিচয় দিয়ে বাংলাদেশের ইতিহাসে দেশ গড়ার কারিগর রূপে নিজেকে দেশের একজন সফল নেতা হিসাবে প্রতিষ্টিত করে যেতে সক্ষম হবেন এবং এ সফলতার অভিযানে তীক্ষ্ন দৃষ্টি রেখে সম্পূর্ণ নিজ মনের মতামত নিয়ে এ সফলতার অভিযান পরিচালনা করবেন। আর এ সফলতার অভিযানে রইল আপনার জন্য শুভকামনা ।

যে সকল নাগরীক তাদের অভিযোগ সরাসরি দেশপ্রধানের কাছে জানাতে চান তারা এই নাম্বার ও ইমেইল ঠিকানায় জানাতে পারেন -
মোবাইল - গ্রামীণ নম্বর ০১৭১১৫২০০০০ এবং একটেল (বর্তমানে রবি) নম্বর ০১৮১৯২৬০৩৭১
ইমেইল ঠিকানা - Sheikhhasina@hotmail.com
==========================

বৃহস্পতিবার, ৫ জুলাই, ২০১২

ইতিহাসে ৫ জুলাই


ইতিহাসে ৫ জুলাই 
মুহাম্মদ জাকারিয়া শাহনগরী 
---------------------- 

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র রাজনীতির ইতিহাসে কলঙ্কজনক অধ্যায় রচিত : ২০১০ সালের এইদিনে - জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র রাজনীতির ইতিহাসে কলঙ্কজনক অধ্যায় রচিত হয়েছিল । জাবি ছাত্রলীগের ইতিহাসে যুক্ত হয়েছিল রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের এক নতুন মাত্রা। সেদিন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের নতুন কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের গ্রুপের মধ্যে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে অন্তত আটজন গুলিবিদ্ধসহ অর্ধশত মারাত্মক আহত হয়। প্রকাশ্যে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে মরণ যুদ্ধে লিপ্ত হয় দুই গ্রুপ। ধারালো অস্ত্র দিয়ে জখম করে এক পক্ষ অন্য পক্ষকে। গুলি করে হলের চার তলার ছাদ থেকে নিচে ফেলে দেওয়া হয় সাধারণ সম্পাদক গ্রুপের পাঁচ ছয় কর্মীকে । এদিন দেশবাসী হতবাক হয়ে পড়ে চার তলা থেকে নির্দয়ভাবে পিটিয়ে নিচে ফেলে দেয়ার লোমহর্ষক ঘটনা দেখে। অনেক ছাত্র জীবন বাঁচাতে ভয়ে লাফ দেন হলের ছাদ থেকে। এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগের সকল রাজনৈতিক কর্মকান্ড নিষিদ্ধ ঘোষণা করে।
ভারতীয় সম্প্রসারণবাদ প্রতিরোধ দিবস : ২০০৯ সালের এইদিনে - ভারত রাষ্ট্রের বৃহৎ রাষ্ট্রসূলভ দাম্ভিক আস্ফালনের ও তার অনুসৃত সম্প্রসারণবাদী নীতির বিরুদ্ধে ৭টি সুনির্দিষ্ট ইস্যুতে ‘ল্যাম্পপোস্ট’ ঢাকায় অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাসের সামনে বিক্ষোভ কর্মসূচী পালন করে। এই কর্মসূচী পালনকালে ভারতীয় দূতাবাসের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের প্রত্যক্ষ নির্দেশে দূতাবাসের নিজস্ব ভারতীয় পুলিশ ও বাংলাদেশের পুলিশ বাহিনী যৌথভাবে বিক্ষোভকারীদের উপর বর্বোরোচিত তাণ্ডব চালিয়েছিল। এ ঘটনার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ নামক বিদ্যমান রাষ্ট্রটির নতজানু ও সেবাদাসমূলক অবস্থান ও ভারত রাষ্ট্রের সম্প্রসারণবাদী চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য সুস্পষ্টভাবে প্রকাশিত হয়ে পড়ে এবং তার বিরুদ্ধে গণসচেতনতা ও গণপ্রতিরোধ গড়ে তোলার নৈতিক প্রত্যয়ে ল্যাম্পপোস্ট এইদিনকে “ভারতীয় সম্প্রসারণবাদ প্রতিরোধ দিবস” হিসেবে পালনের ঘোষণা দেয়।
পাকিস্তানের জেনারেল মোঃ জিয়াউল হকের এক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে দেশটির ক্ষমতা দখল : ১৯৭৭ সালের এইদিনে - পাকিস্তানের জেনারেল মোঃ জিয়াউল হক এক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে জুলফিকার আলী ভুট্টোর সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করে দেশটির ক্ষমতা দখল করেন। তিনি নিজেই একাধারে প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং ভুট্টোকে ফাঁসী দেন। তৃতীয়বারের মত পাকিস্তানে সামরিক শাসন জারি করেন, সংবিধান স্থগিত করেন এবং রাজনৈতিক দলগুলোর তৎপরতা নিষিদ্ধ করেন ও সংবাদপত্রগুলো বন্ধ করে দেন।
রাজনীতিবিদ মোহাম্মদ ফরহাদ : ১৯৩৮ সালের এইদিনে - রাজনীতিবিদ মোহাম্মদ ফরহাদ পঞ্চগড় জেলার বোদা উপজেলার জমাদারপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৪৮ সালের দিকে দিনাজপুরের তেভাগা আন্দোলন তাঁর রাজনৈতিক মতাদর্শ তৈরীতে প্রভাব রাখে। এই সময়ে মোহাম্মদ ফরহাদ রাজনীতিতে প্রভাবিত হয়ে পড়েন এবং ঐ সময় হতেই মোহাম্মদ ফরহাদ সমাজতন্ত্রের প্রতি আকর্ষিত হয়ে দিনাজপুর কমিউনিস্ট পার্টির সাথে সম্পৃক্ত হন। ১৯৫৮ সালে তিনি ছাত্র ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বে আসেন। তিনি ছিলেন ১৯৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলনের মূল নেতা । ১৯৬৮ সালে তিনি কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য নির্বাচিত হন। মুক্তিযুদ্ধে সরাসরি অংশ নিয়ে তিনি ন্যাপ-কমিউনিস্ট পার্টি, ছাত্র ইউনিয়নের বিশেষ গেরিলা বাহিনীর বিশেষ সংগঠক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৮৭ সালের ৯ই অক্টোবর তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
ভাষা সৈনিক শেখ আমান উল্লাহ : ১৯২৯ সালের এইদিনে - কলারোয়ার ঝাঁপাঘাট গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন ভাষা সৈনিক শেখ আমান উল্লাহ। ১৯৪৮ সালে যশোর এম এম কলেজে একাদশ শ্রেণীতে অধ্যয়নরত অবস্থায় তিনি ভাষা আন্দোলনে সক্রিয় অংশ গ্রহণ করেন। সে সময়ের ছাত্র আন্দোলনে সামনে থেকে তিনি নেতৃত্ব দেন। ৪৮ থেকে ৫২’র একুশে ফেব্র“য়ারি পর্যন্ত ভাষার দাবিতে সংঘটিত দক্ষিণ জনপদের সবগুলো আন্দোলন-সংগ্রামে শেখ আমান উল্লাহ অগ্রণী ভূমিকা রেখেছেন। তাঁর নামে কলারোয়ায় গড়ে ওঠা প্রতিষ্ঠান ‘শেখ আমান উল্লাহ ডিগ্রী কলেজ’ আজ দক্ষিণাঞ্চলের শীর্ষ কলেজগুলোর মধ্যে অন্যতম। ২০০৮ সালে উপজেলা প্রশাসন তাঁর নামে কলারোয়ার একটি প্রধান সড়কের নামকরণ করে।
প্রথম বাবা দিবস পালন : ১৯০৮ সালের এইদিনে - বাবা দিবস উদযাপনের প্রথম উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল । যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট ভার্জিনিয়ায় এইদিন মিসেস গ্রেস গোল্ডেন ক্লেইটনের উদ্যোগে এই দিবসটিকে প্রথম বাবা দিবস হিসাবে পালন করা হয়। ১৯৬৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট লিন্ডন বি জনসন জুন মাসের তৃতীয় রোববারকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাবা দিবস হিসেবে নির্ধারণ করেন। ১৯৭২ সালে প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সন প্রতি বছর বাবা দিবস পালনের রীতি চালু করেন। সেই থেকে প্রতিবছর জুন মাসের তৃতীয় রোববার পালিত হচ্ছে বাবা দিবস। বাবার প্রতি শ্রদ্ধা, ভালোবাসা, কৃতজ্ঞতা জানানোই এই দিবসের প্রাতিপাদ্য বিষয়। অনেক সন্তানই আছে, যারা বাবা-মায়ের দেখাশোনার প্রতি খুব একটা মনোযোগী নয়। মা দিবস বা বাবা দিবস তাদের চোখের সামনের পর্দাটি খুলে ফেলে বাবা-মায়ের প্রতি তার দায়িত্বের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। এ ক্ষেত্রে বলা যায়, পারিবারিক বন্ধন দৃঢ় করতে বাবা দিবসের আলাদা গুরুত্ব রয়েছে। আমাদের পরিবার তথা সমাজে বাবার যে গুরুত্ব তা আলাদাভাবে তুলে ধরাই বাবা দিবস পালনের মূল উদ্দেশ্য। ২০১০ সালের বাবা দিবসে কেবল যুক্তরাষ্ট্রেই ৯৫ মিলিয়ন শুভেচ্ছা কার্ড পেয়েছিলেন বাবারা।
ঢাকা জাতীয় জাদুঘরের ৩৮, ৩৯ এবং ৪০ নম্বর গ্যালারি বন্ধ : ২০০৯ সালের এইদিনে : জনকণ্ঠ পত্রিকার একটি প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকা জাতীয়জাদুঘরের ৩৮, ৩৯ এবং ৪০ নম্বর এই তিনটি গ্যালারি বন্ধ করে দেয়া হয়। ২০০৯ এর ৬ জুন জনকণ্ঠ পত্রিকায় উক্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছিল।
আলবের্তো জিলার্দিনো ("ইল গিলা") : ১৯৮২ সালের এইদিনে - ইটালীয় ফুটবলার আলবের্তো জিলার্দিনো ("ইল গিলা") জন্মগ্রহণ করেন। আলবের্তো জিলার্দিনো এ সি মিলান ও ইটালি জাতীয় দলের একজন স্ট্রাইকার। তিনি ২০০৬ ফিফা বিশ্বকাপে ইটালীয় দলের সদস্য ছিলেন।
আলজেরিয়ার স্বাধীনতা লাভ : ১৯৬২ সালের এইদিনে - ফরাসী দখলদারিত্ব থেকে উত্তর আফ্রিকার দেশ আলজেরিয়া স্বাধীনতা লাভ করে। আলজেরীয়দের স্বাধীনতা সংগ্রামে দশ লক্ষ মানুষ শাহাদত বরণ করেন। ফরাসী উপনিবেশবাদীরা ১৮৩০ সালে আলজেরিয়া দখলের জন্য হামলা চালায়, কিন্তু আলজেরীয় জনগণ তীব্র প্রতিরোধ গড়ে তোলে। আমীর আবদুল ক্বাদেরের নেতৃত্বে প্রতিরোধ যোদ্ধারা ফরাসীদের বেশ কয়েকবার পরাজিত করে। কিন্তু ১৭ বছর ধরে প্রতিরোধ গড়ে তোলার পর তিনি ফরাসীদের হাতে বন্দী হন। এর ফলে আলজেরিয়ার একটা বড় অংশ ফরাসী উপনিবেশবাদীদের দখলে চলে যায়। পরে ফরাসী উপনিবেশবাদীরা ধীরে ধীরে নৃশংস পন্থায় গোটা আলজেরিয়ায় উপনিবেশ কায়েম করে। দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের সময় আলজিয়ার্স শহর অস্থায়ী ফরাসী সরকারের রাজধানী ছিল। দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের পর পরই আলজেরীয় জনগণ স্বাধীনতা সংগ্রাম শুরু করলে তাদেরকে স্বায়ত্ত্বশাসন দেয়া হয়। কিন্তু স্বাধীনতা সংগ্রামীরা যুদ্ধ চালিয়ে গেলে অবশেষে ১৯৬২ সালের এ দিনে আলজেরিয়া পূর্ণ স্বাধীনতা লাভ করে।
ভেনিজুয়েলার স্বাধীনতা লাভ : ১৮১১ সালের এইদিনে - ল্যাটিন আমেরিকার দেশ ভেনিজুয়েলা স্বাধীনতা লাভ করে। ষোড়শ শতকের প্রথম দিক থেকে ভেনিজুয়েলা ছিল স্পেনের উপনিবেশ। স্পেনীয় উপনিবেশ বাদীদের শোষণ ও লুণ্ঠন ছাড়াও ভেনিজুয়েলার হাজার হাজার রেড ইন্ডিয়ান স্পেনীয় উপনিবেশবাদীদের হাতে নিহত হয় এবং তাদের সহায় সম্পদ বহিরাগত স্পেনীয়রা দখল করে। উনিশ শতকের প্রথম দিকে ফ্রান্সিসকো মিরান্ডার নেতৃত্বে ভেনিজুয়েলার জনগণ স্বাধীনতা আন্দোলন শুরু করে। মিরান্ডা ১৮০৬ সালে প্রথমবারের মতো দেশকে স্বাধীন করার উদ্যোগ নেন, কিন্তু ব্যর্থতার সম্মুখীন হন। পরবর্তী বছরগুলোতে তিনি দক্ষিণ আমেরিকার বিখ্যাত স্বাধীনতাকামী নেতা সাইমন বুলিভারের সহযোগীতায় সংগ্রাম অব্যাহত রাখেন এবং ১৮১১ সালে স্পেনীশ সেনাদের পরাজিত করে ভেনিজুয়েলার স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।
নিউটনের বিখ্যাত গ্রন্থ প্রকাশ : ১৬৮৭ সালের এইদিনে - নিউটনের বিখ্যাত গ্রন্থ 'ফিলোসফিয়া ন্যাচারালিস প্রিন্সিপিয়া ম্যাথামেটিকা' প্রকাশিত হয়। নিউটন মূলত মহাকর্ষ ও গতি সূত্রের আবিষ্কারের জন্যই বেশি পরিচিত। তাঁর পদার্থবিজ্ঞানের ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তিনটি বিষয় এতে আলোচিত হয়েছে। যথা_এক. নিউটনের গতিসূত্র, যা চিরায়ত বলবিজ্ঞানের ভিত্তি স্থাপন করে। দুই. সার্বজনীন মহাকর্ষ তত্ত্ব এবং তিন. কেপলারের গ্রহীয় গতি সম্পর্কিত সূত্রের প্রমাণ।
ভারতের স্বাধীনতা বিল অনুমোদিত : ১৯৪৭ সালের এইদিনে - ব্রিটিশ পার্লামেন্টে ভারতের স্বাধীনতা বিল অনুমোদিত হয়।
হার্বাট স্পেনসার : ১৮৯১ সালের এইদিনে - নোবেলজয়ী মার্কিন চিকিৎসক হার্বাট স্পেনসার জন্মগ্রহণ করেন।
জর্জ দ্য হেবিস : ১৯৬৬ সালের এইদিনে - নোবেলজয়ী হাঙ্গেরীয় রসায়নবিদ জর্জ দ্য হেবিস মৃত্যুবরণ করেন।
টমাস স্ট্যামফোর্ড র‌্যাফেলস : ১৮২৬ সালের এইদিনে - সিঙ্গাপুরের প্রতিষ্ঠাতা স্যার টমাস স্ট্যামফোর্ড র‌্যাফেলস মৃত্যুবরণ করেন।
ক্লোনিং পদ্ধতিতে প্রথম ভেড়ার শাবকের জন্ম : ১৯৯৬ সালের এইদিনে - বৃটেনের বিজ্ঞানী ডঃ উইলমুট উদ্ভাবিত ক্লোনিং পদ্ধতিতে প্রথম সাফল্য হিসেবে ভেড়ার শাবক জন্ম নেয়।
প্যালেস্তাইনের স্বায়ত্তশাসনের সূচনা : ১৯৯৪ সালের এইদিনে - প্যালেস্তাইনের স্বায়ত্তশাসনের সূচনা হয়।
================= 

বুধবার, ২৭ জুন, ২০১২

অন্যায়ের বিরুদ্ধে তরুনদের একটা স্বার্থক সংগ্রাম


অন্যায়ের বিরুদ্ধে তরুনদের একটা স্বার্থক সংগ্রাম
মুহাম্মদ জাকারিয়া শাহনগরী
------------------------------------


অনেকে অনেক সংগঠন করে , কিন্তু এমন কোন কার্যকর সংগঠন দেখিনা যেগুলো প্রকৃতই মানবকল্যানে কর্ম করে ।

আমাদেশের দেশের তরুনদের দ্বারা বিদেশ থেকে শিল্পী এনে তাদের ভর্তি পেঠ ভরানোর জন্য সংগঠন সৃষ্টি করতে দেখা যায় , কিন্তু সেই তরুনদের দ্বারা দেশের সর্বহারা , অভুক্ত মানুষদের আশ্রয়দান ও খাদ্যের জোগানে কোন সংগঠন সৃষ্টি করতে দেখা যায়না , যদিও কিছু কিছু তরুনদের দেখা যায় এমন সংগঠন সৃষ্টি করতে , কিন্তু তাদের মূল উদ্দেশ্য হিসাবে দেখা যায় , কিছু ফটোসেসন আর নিজেদের বড়ত্ব প্রকাশের লক্ষ্যে থাকে তাদের ওসব কর্মসুচী , প্রকৃত ভাবে তরুনরা মানবকল্যানে কোন কাজে নামেনা ।
অথচ তরুনদের কাছেই সেই সুবর্ণ সময় অফুরন্ত , যা দিয়ে তারা মানবকল্যানে কাজ করতে পারে । আপনাদের মাঝে যারা তরুন , টগবগে রক্ত শরীরে ফুটন্ত পানির মত টগবগ করে ফুটছে , তাঁরা দেখিয়ে দিন এমন একটা সংগঠন সৃষ্টি করে , যে সংগঠনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হবে একমাত্র মানবকল্যান , পিছিয়ে পড়া মানুষদের সম্মুখে যাত্রায় সহযোগীতা করন ।
ধনীদের দ্বারা কোন কাজ হবে না , তাদের একমাত্র উদ্দেশ্যই হলো সম্পদ আহরণ , সেই সম্পদ বিতরণ তাদের উদ্দেশ্য নয় । তাই লক্ষ লক্ষ ধনী দেশের অলিগলিতে বসবাস করলেও তাদের চোখে পড়েনা তাদের যাত্রাপথে পড়ে থাকা এইসব নিরন্ন - বুভুক্ষ - গৃহহীন মানুষদের । এদের দিকে যাদের চোখ পড়ে তারা হচ্ছে এদেরই মত মানুষদের ।
তাই ধনীদের আশা বাদ দিয়ে খালি হাতের তরুনদের মাধ্যমেই হতে পারে এইসব পথের মাঝে বসত করা বণিআদমদের কল্যান ।
যাঁদের নজর আজ এ দুটি শিশু দেখে থমকে গেছে - একমাত্র তারাই কিছু করতে পারে এদের জন্য , ধনীরা নয় । আজ যাঁরা এ শিশু দু'টি দেখে মনের মধ্যে ধাক্কা খেয়েছেন তারা অন্তত একটু চিন্তা করতে পারেন , তাদের নিজ নিজ সাথীদের নিয়ে এদের জন্য কি করা যায় ?
ধনীরা যতদিন এদের জন্য কিছু না করবে , ততদিন খালিহাতের তরুনরা ধনীদের কাছ থেকে ধন ছিনিয়ে নিয়ে এদের জন্য কিছু করতে পারে । এটা অন্যায় হবেনা , ধনীরা এদের জন্য কিছু না করে যে অন্যায় করে যাচ্ছে , খালি হাতের তরুনদের ধনীদের সম্পদ ছিনিয়ে নিয়ে এদের মাঝে বিতরণ করা হবে অন্যায়ের বিরুদ্ধে তরুনদের একটা স্বার্থক সংগ্রাম ।
================