আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের শুভেচ্ছা

বাংলা ভাষার জন্য আত্মত্যাগকারী

সকল মহান ভাষা শহীদগণের প্রতি,
এবং ভাষা আন্দোলনের সাথে সম্পৃক্ত

সকল ভাষা সৈনিক
ও বীর বাঙ্গালীদের জানাই অশেষ শ্রদ্ধাঞ্জলী,
সেইসাথে সকলকে জানাই

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের শুভেচ্ছা।

বিষয় সূচী

সাহিত্য (60) অন্যান্য কবিতা (53) ভালোবাসার পদবিন্যাস ( প্রেম সম্পর্কিত রচনা বিশেষ ) (53) আমার লেখা প্রবন্ধ-নিবন্ধ (37) কবিতা (35) দেশ নিয়ে ভাবনা (33) ফিচার (33) বাংলাদেশ (29) সমসাময়িক (28) খন্ড কাব্য (26) হারানো প্রেম (22) সংবাদ (18) কাল্পনিক প্রেম (16) ইতিহাস (15) প্রতিবাদ (15) সুপ্রভাত প্রবাসী বাংলাদেশ (15) Online Money Making Links (14) দেশাত্মবোধক কবিতা (13) আমার জীবনের দিনপঞ্জী (12) ধর্ম (12) প্রেমের কবিতা (11) ব্যক্তিত্ব (11) রাজনীতি (11) ধর্মীয় আন্দোলন (10) প্রবাসের কবিতা (10) খন্ড গল্প (9) জীবন গঠন (9) বর্ণমালার রুবাঈ (9) ইসলাম (8) প্রগতি (8) মানুষ ও মানবতা (8) হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ (8) VIDEOS (7) আমার লেখালেখির অন্তরালে (7) ইসলামী জাগরণ (7) মানব মন (7) ট্র্যাজেডি (6) শোক সংবাদ (6) সম্প্রীতি (6) নারী স্বাধীনতা (5) প্রেমের গল্প (5) বিজয় দিবসের ভাবনা (5) মৃত্যুপথ যাত্রী (5) সংবাদ মাধ্যম (5) স্মৃতিকথা (5) ঈদ শুভেচ্ছা (4) প্রবাস তথ্য (4) রমজান (4) শুভেচ্ছা (4) Computer Programer (3) আমার ছবিগুলো (3) আমার রাইটিং নেটওয়ার্ক লিংক (3) পর্দা (3) ফটিকছড়ি (3) বাংলাদেশের সংবিধান (3) বিশ্ব ভালবসা দিবস (3) শিক্ষা (3) শিক্ষার্থী (3) স্লাইড শো (3) News (2) VERIETIES POEMS OF VERIOUS POETS (2) আষাঢ় মাসের কবিতা (2) আষাঢ়ের কবিতা (2) ইসলামী রেনেসাঁ (2) ছাত্র-ছাত্রী (2) থার্টি ফাস্ট নাইট (2) নারী কল্যান (2) নারী প্রগতি (2) নির্বাচন (2) বর্ষার কবিতা (2) মহাসমাবেশ (2) শবেবরাত (2) শরৎকাল (2) শাহনগর (2) শ্রদ্ধাঞ্জলী (2) সত্য ঘটনা (2) সত্য-মিথ্যার দ্বন্ধ (2) সফলতার পথে বাংলাদেশ (2) Bannersআমার ছবিগুলো (1) DXN (1) For Life Time Income (1) For Make Money (1) Knowledge (1) Student (1) অদ্ভুত সব স্বপ্নের মাঝে আমার নিদ্রাবাস (1) আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস (1) আহলে সুন্নাহ ওয়াল জামা'আত(সুন্নী) (1) উপন্যাস (1) কবি কাজী নজরুল ইসলাম (1) কোরআন - হাদিসের কাহিনী (1) গল্প (1) চট্টগ্রাম (1) চিকিৎসা ও চিকিৎসক (1) জমজম (1) জাকাত (1) তরুন ও তারুণ্য (1) নারী জাগরণ (1) পরকিয়ার বিষফল (1) ফটিকছড়ি পৌরসভা (1) বন্ধুদিবস (1) বাংলাদেশের প্রখ্যাত আলেম (1) বিবেক ও বিবেকবান (1) বিশ্ব বাবা দিবস (1) বিশ্ব মা দিবস (1) ভ্রমণ (1) মন্তব্য (1) মাহফুজ খানের লেখালেখি (1) রবি এ্যাড (1) রমজানুল মোবারক (1) রেজাল্ট (1) রোগ-পথ্য (1) লংমার্চ (1) শহীদ দিবস (1) শুভ বাংলা নববর্ষ (1) শৈশবের দিনগুলো (1) সমবায় (1) সস্তার তিন অবস্থা (1) সাভার ট্র্যাজেডি (1) সিটি নির্বাচন (1) স্বপ্ন পথের পথিক (1) স্বাধীনতা (1) হ্যালো প্রধানমন্ত্রী (1) ২১ ফেব্রোয়ারী (1)

APNAKE SHAGOTOM

ZAKARIA SHAHNAGARIS WRITING

সকলকে বাংলা নতুন বছরের শুভেচ্ছা

বর্তমান বিশ্বায়নের যুগে আমরা আর বাংলা ভাষায় কথা বলতে চাইনা । নিজের মাতৃভাষাকে যখন-তখন যেখানে সেখানে অবমাননা করে তৎপরিবর্তে ইংরেজী ভাষা ব্যবহার করতে অভ্যাস্থ হয়ে যাচ্ছি বা হয়ে গেছি ।
আরও একটু এগিয়ে গেলে বলতে হয় - আমরা আজ বাঙ্গালী হয়ে বাঙ্গালী জাতিসত্বা ভুলে গিয়ে ইংরেজী জাতিসত্বায় রক্তের ন্যায় মিশে গেছি !

অথচ একদিন আমরা বাঙ্গালী জাতি একতাবদ্ধ হয়ে রাষ্ট্রীয় ভাষা উর্দুকে ত্যাগ করে নিজেদের মাতৃভাষা বাংলাকে রাষ্ট্রীয় ভাষা তথা বাংলা ভাষাকে সর্বত্র প্রচলন করতে প্রাণ দিতে বাধ্য হয়েছিলাম ! ফলে বিজাতীয় ভাষা উর্দূকে অপসারন করে নিজেদের মাতৃভাষায় কথা বলার স্বাধীনতা অর্জন করে বাংলা ভাষাকে ধারন করেছিলাম । যখন আমরা বাংলার সর্বত্র বাংলা ভাষায় কথা বলা শুরু করেছিলাম ,তখন কিন্তু বিশ্বায়নের যুগটা অনুপস্থিত ছিল তা নয় , বিশ্বায়নের যুগটা তখনও ছিল বিধায় আমরা ইংরেজী শিক্ষায় তখনও বাধ্য ছিলাম । অর্থাৎ যে জন্যে আজ আমরা ইংরেজী শিখছি সেইজন্যে তখনও ইংরেজী শিক্ষার প্রচলন ছিল । ছিল ইংরেজী শিক্ষার প্রয়োজনীয়তাও । তাই বলে সে সময় বর্তমান সময়ের মত মাতৃভাষা বাংলাকে অবমাননা করা হয়নি । মানুষ সে সময় বাংলায়ই কথা বলেছিল । শুধুমাত্র প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রেই সে সময় ইংরেজী ব্যাবহার করেছিল বাঙ্গালী জাতি

conduit-banners

Powered by Conduit

ফ্লাগ কাউন্টার

free counters

MZS.ONLINE MONEY MAKING WAY

PLEASE CLICK ON MY BANNERS. VISIT MY AFFILIATE SITE "MZS.ONLINE MONEY MAKING WAY ( অনলাইনে অর্থোপার্জনের একটা মাধ্যম )" I HOPE IT WILL BE HELPFUL FOR YOU. Create your own banner at mybannermaker.com!
প্রতিবাদ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
প্রতিবাদ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

মঙ্গলবার, ৭ জুন, ২০১৬

লোক দেখানো মোহাব্বাত

লোক দেখানো মোহাব্বাত

মুহাম্মদ জাকারিয়া শাহনগরী

জীবন থাকিতে খোঁজ নাওনি তোমরা যার

এসেছ কেন আজ তার মরণ দিনে,

লোক দেখানো মোহাব্বাত আর কত দেখাবে তোমরা

তোমাদের তো সে কবেই নিয়েছে চিনে !

বুধবার, ১ জুন, ২০১৬

কষ্ট রাতের নষ্ট জীবন - মুহাম্মদ জাকারিয়া শাহনগরী

কষ্ট রাতের নষ্ট জীবন
**************
যেই কষ্ট ধরে আছি আজো 
এ অবাঞ্চিত জীবন বাহনে ...
নির্ঘুম রাত কাটে আজো 
সেই কষ্টরাতের আবাহনে।
যে কষ্ট আজো দিয়ে যায় কাঁটার আঘাত 
কিভাবে ভুলা যায় সেই কষ্ট ... 
সরল মানুষের সরল জীবন 
যে কষ্টে নিমিষেই হয়ে যায় নষ্ট।

--------মুহাম্মদ জাকারিয়া শাহনগরী

শনিবার, ৭ মে, ২০১৬

ছাত্রীর শরীরের সবকাপড় খুলে নিল ছাত্রলীগের দুইকর্মী

ছাত্রীর শরীরের সবকাপড় খুলে নিল ছাত্রলীগের দুইকর্মী

আমার মন্তব্য
********

অধ্যক্ষ যখন বল্লেন,"এটি একটি সামান্য ঘটনা",তখন তাঁর মেয়ে,বোন কিংবা স্ত্রীকেও অনুরূপ ভাবে উলঙ্গ করে ভিডিও করা হোক, তখন তিনি ভালভাবে বুঝতে পারবেন বিষয়টি সামান্য নাকি অসামান্য। যে শিক্ষক এমন ধরনের মন্তব্যের মধ্য দিয়ে অপরাধীকে নিরাপরাদ বলে সমাজে সুপুরুষের স্থান করে দেন, তাকে অন্তত শিক্ষক বলা যায়না, তার পরিচয়ও ঐসব নরপশুদের মত। আমরা ঐ শিক্ষকের বিরুদ্ধেও যথাযত ব্যবস্থা নিতে আবেদন জানাচ্ছি।

মঙ্গলবার, ২৬ এপ্রিল, ২০১৬

আমরা অনেক নিরাপদ আছি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আমরা অনেক নিরাপদ আছি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী | 
জনাব সুবিধাপ্রাপ্ত মন্ত্রী !
আপনাদের ছয় দিক (উপর, নীচ, ডান, বাম, সম্মুখ, পীছন) এর নিরাপত্তা বেষ্টনী উঠিয়ে নিয়ে আপনারা সুবিধা বঞ্চিত সাধারণ জনগণ হিসাবে চলাফেরা শুরু করুন, তারপর দেখুন আপনারা কতটা নিরাপদ ?
বিস্তারিত দেখতে ক্লিক করুন ... 

বুধবার, ৩ জুন, ২০১৫

পরীক্ষায় A+ না পেয়ে আত্মহত্যাকারী আরাফাত শাওন এর সুইসাইড নোটের চুম্বকীয় অংশ (এ সমাজের মানুষগুলোর জন্য, সন্তানদের মা-বাবাগুলোর জন্য, রাজনীতিবিদদের জন্য এবং শিক্ষা ব্যবস্থাপকদের জন্য একটা গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা)



পরীক্ষায় A+ না পেয়ে আত্মহত্যাকারী 
আরাফাত শাওন এর 
সুইসাইড নোটের চুম্বকীয় অংশ
(এ সমাজের মানুষগুলোর জন্য, সন্তানদের মা-বাবাগুলোর জন্য, রাজনীতিবিদদের জন্য এবং শিক্ষা ব্যবস্থাপকদের জন্য একটা গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা)
_____________________

"আমার মা-বাবা ও আত্মীয়-স্বজন আমার 4.83 প্রাপ্ত রেজাল্টের উপর খুশি না। তাদের কথা - আমাকে A+ পেতেই হবে। A+ কি গাছে ধরে যে আমি পেড়ে আনবো ?
আমাদের ছাত্রদের কি দোষ বলুন, আমরা তো আমাদের মতো চেষ্ঠা করে যাই। তবে - 
আমাদের দেশের রাজনৈতিক কর্মকান্ডগুলোর কারণে আমাদের দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার এমন হাল। এর আগের বছর সরকার তার নিজের স্বার্থের জন্য শিক্ষার হার বাড়িয়ে দিয়েছে। আর এবার হরতাল - অবরোধ দেয়ার ফলে বর্তমান সরকার বিরোধী দলীয় সরকারকে জনগণ গালি দেওয়ার জন্য পাশের হার কমিয়ে দিয়েছে। যাতে ফেলের হার বেড়েছে। বলুন আমরা আর কিভাবেভাল রেজাল্ট করতে পারি ? আমাদের মা-বাবা চায় আমরা ভাল রেজাল্ট করি। কিন্তু দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার দিকেও তো দেখতে হবে 
- আরাফাত শাওন"
********************
বিস্তারিত (প্রমাণসহ) দেখুন -http://www.campuslive24.com/campus.127718.live24/

বুধবার, ২৪ ডিসেম্বর, ২০১৪

অবৈধ - সন্ত্রাসী - স্বৈরশাসক আওয়ামী সরকার বিরোধী আন্দোলনে সফল হতে বিএনপির প্রতি ১০টি প্রয়োজনীয় টিপস।

অবৈধ - সন্ত্রাসী - স্বৈরশাসক 

আওয়ামী সরকার বিরোধী 
আন্দোলনে সফল হতে 
বিএনপির প্রতি ১০টি প্রয়োজনীয় টিপস। 
**********************

টিপস -০১: 
পাবনার ব্যবসায়ীদের মত লাঠি-বাঁশিকে অস্ত্র হিসাবে সঙ্গে রাখুন।

টিপস -০২: 
যে কোন স্থানে যে কোন কর্মসুচী সফল করতে কর্মীদের একত্র করনে শুধুমাত্র মোবাইল নেটওয়ার্ককে ব্যবহার করুন।

টিপস -০৩:
দেশের প্রত্যেকটি থানা ও পুলিশ ক্যাম্প অতর্কিতভাবে ঘেরাউ করে পুলিশ ও আইনশৃন্খলা রক্ষাকারীরূপী আওয়ামী ক্যাডারদের নিরস্ত্র করে দিন।

টিপস -০৪: 

ছাত্রলীগের পিঠানী খাওয়া থেকে বাঁচতে মোবাইল নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে কর্মীদের একত্র করে লাঠি-বাঁশী প্রয়োগ করে তাদের শায়েস্তা করতে বিশেষ ব্যবস্থা নিন।

টিপস -০৫: 
সেনাবাহিনী-বিমান বাহিনী-নৌবাহিনী রূপী বাংলাদেশ রক্ষার নামে আওয়ামীলীগ রক্ষার (বিশেষ বাহিনী) প্রহরীদের নিজেদের আওতায় আনতে বিশেষ ব্যবস্থা নিন।

টিপস -০৬:
জনগণকে নিজেদের আওতায় আনতে তৃণমূল থেকেই ব্যবস্থা নিন। মসজিদ-মন্দির-গীর্জা-উপাসনালয়কে কেন্দ্রবিন্দু করে জনগণকে আপনাদের আন্দোলনের সৎ উদ্দেশ্য তুলে ধরুন।

টিপস -০৭:
শুধু ক্ষমতায় আরোহন নয়, দেশ ও জনগণের কল্যানের সৎ উদ্দেশ্যেই দেশের শাসনভার হস্তগত করার আন্দোলনের শপথ নিন জনগণকে নিয়েই।

টিপস -০৮:
ধর্মীয় অনুশাসনে শাসিত মানুষদের উপদেশকে প্রাধান্য দিয়ে তাদের নিয়েই আন্দোলন চালাতে সিদ্ধান্ত নিন।

টিপস -০৯: 
সৎ বিবেক দিয়ে সভ্য সমাজ বিনির্মানের লক্ষ্যে "সত্যাগ্রহ আন্দোলন" এর সুচনা করুন।

টিপস -১০: 
সৃষ্টিকর্তার অনুশাসনকেই আপনাদের যাত্রাপথের পাথেয় হিসাবে ধারণ করুন।
=======

শনিবার, ২৭ এপ্রিল, ২০১৩

"বার বার ঘুঘু তুমি খেয়ে যাও ধান" এমনই চলছে শ্রমিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দের আন্দোলন

          "বার বার ঘুঘু তুমি খেয়ে যাও ধান"
এমনই চলছে শ্রমিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দের আন্দোলন
-------------------------



আপনি কি মালিক পক্ষীয় এসব নেতা ও শ্রমিক নেতাদের কথা এখনও বিশ্বাস করতে চাইছেন ? আপনি চাইলেও আমি বিশ্বাস করতে অপারগ।

কারণ ,যখনই কারখানাগুলোতে কোন দূর্ঘটনা ঘটে তখনই তারা সাংবাদিক সমাবেশ করে, বিভিন্ন টক শোর মাধ্যমে বিভিন্ন মন ভুলানো বাহারী কথায় শ্রমিকদের অসন্তোষকে সন্তোষজনক অবস্থায় নিয়ে আসে। দূর্ঘটনার কিছুদিনের মধ্যেই সব অসন্তোষ সন্তোষে রূপান্তর হয়ে যায় এসব নেতাদের নিস্ক্রীয়তায়।

শুনা যাচ্ছে রানা প্লাজা ট্র্যাজেডির মাধ্যমে শত শত শ্রমিক হত্যার মূলে ছিল সরকারের কালো ছায়া। সেদিন ছুটি থাকা সত্যেও শ্রমিকদের জোর করে সেই ভবনে ডুকানো হয়েছিল বিরোধী দলের হরতাল বিরোধী মিছিলে অংশগ্রহণ করানোর জন্য। এ তথ্যটি ফেলনার মত নয়। কারণ সব সময় ক্ষমতাসীনরা নীরিহ শ্রমিকদের দাবার গুঁটি হিসাবে ব্যবহার করে এসেছে। এর ফলে দূর্ঘটনায় যে সব শ্রমিক মৃত্যুবরণ করে তাদের পরিবার ও সকল প্রকার সমস্যা দূরীকরনে হাত করা হয় শ্রমিক সংগঠনের নেতাদের। কারণ মৃত্যুবরণকারী শ্রমিকদের পক্ষে মুখ খুলবে এ সব নেতারাই। তাই ক্ষমতাসীনরা সেসব নেতাদের চড়া দামে কিনে তাদের মুখে কলুপ এটে দেয়। ফলে তাদের মুখ বন্ধ হয়ে যায়।

আসলে এসব নেতারা বিক্রি হয়ে যায় সরকারের কাছে। ফলে শ্রমিকদের আর্তি ধামাচাপা পড়ে সবসময়। এবার ও তার ব্যতিক্রম হবেনা। কয়েকদিন তারা সরগরম থাকবে। তারপর সরকারের সাথে হাত মিলিয়ে তারা মুখ বন্ধ করে ফেলবে। এমনই দেখা যাচ্ছে অবস্থাদৃষ্টে। সরকারী কর্মকর্তা, এমপি ও মন্ত্রীদের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে শুরু করেছে সাংবাদিক সম্মেলন, টক শো মালিক পক্ষের সংগঠনের নেতারা। কয়দিন পর শ্রমিক নেতারা তাদের সাথে যোগ দিবে।
এভাবেই প্রতিবারের ন্যায় ধামাচাপা পড়বে রানা প্লাজা ট্র্যাজেডিতে মৃত্যুবরণকারী শত শত মানুষের আর্তি, পরাজিত হবে মানবতার কান্না অসৎ মানুষের লোভের কাছে।

















বৃহস্পতিবার, ১১ এপ্রিল, ২০১৩

মজলুম - নিপীড়িত মানুষদের প্রাণপুরুষ আমার দেশ পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহমুদুর রহমান গ্রেফতার

মজলুম - নিপীড়িত মানুষদের প্রাণপুরুষ
আমার দেশ পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক
মাহমুদুর রহমান গ্রেফতার
--------------------

ইসলামের পক্ষে অবস্থান নেয়া এবং নাস্তিকবাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে মুসলমান ও ইসলামের মুখপত্র হিসেবে নিজেকে দাঁড় করানোর অপরাধে আমার দেশ পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক, সময়ের সাহসী সাংবাদিক, নির্ভীক কলম যোদ্ধা , মুসলমান ও ইসলামের একনিষ্ট বন্ধু , নাস্তিক্যবাদ ও দূর্নিতিবাজদের আতঙ্ক, মজলুম - নিপীড়িত মানুষদের প্রাণপুরুষ মাহমুদুর রহমানকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

তাঁর বিরুদ্ধে দায়েরকৃত ৩টি মামলায় ১৩ দিনের রিম্যান্ড চেয়েছে পুলিশ পরিচয়ের স্বৈরাচারী - লুঠেরা-সন্ত্রাসী সরকারের লাঠিয়াল বাহিনী। 
এই মাত্র মাহমুদুর রহমানকে সিএমএম আদালতে নেয়া হয়েছে। শুরু হয়েছে শুনানী।

বিক্ষুব্ধ সমগ্র বাংলাদেশ। সর্বত্র বিক্ষুব্ধ জনতার প্রতিবাদ। প্রতিবাদে সোচ্ছার সাংবাদিক সমাজ। ইসলাম বিদ্ধেষী নাস্তিক্যবাদী সরকার কর্তৃক সাংবাদিক মাহমুদুর রহমানকে গ্রেফতার করে সরকারের ইসলাম বিরোধী কর্মের আয়োজনের বিরুদ্ধে সমগ্র দেশব্যাপী প্রতিবাদের দূর্গ গড়ে তুলুন।






















ইসলামের পক্ষে অবস্থান নেয়া এবং নাস্তিকবাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে মুসলমান ও ইসলামের মুখপত্র হিসেবে নিজেকে দাঁড় করানোর অপরাধে আমার দেশ পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক, সময়ের সাহসী সাংবাদিক, নির্ভীক কলম যোদ্ধা , মুসলমান ও ইসলামের একনিষ্ট বন্ধু , নাস্তিক্যবাদ ও দূর্নিতিবাজদের আতঙ্ক, মজলুম - নিপীড়িত মানুষদের প্রাণপুরুষ মাহমুদুর রহমানকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

তাঁর বিরুদ্ধে দায়েরকৃত ৩টি মামলায় ১৩ দিনের রিম্যান্ড চেয়েছে পুলিশ পরিচয়ের স্বৈরাচারী - লুঠেরা-সন্ত্রাসী সরকারের লাঠিয়াল বাহিনী।
এই মাত্র মাহমুদুর রহমানকে সিএমএম আদালতে নেয়া হয়েছে। শুরু হয়েছে শুনানী।

বিক্ষুব্ধ সমগ্র বাংলাদেশ। সর্বত্র বিক্ষুব্ধ জনতার প্রতিবাদ। প্রতিবাদে সোচ্ছার সাংবাদিক সমাজ। ইসলাম বিদ্ধেষী নাস্তিক্যবাদী সরকার কর্তৃক সাংবাদিক মাহমুদুর রহমানকে গ্রেফতার করে সরকারের ইসলাম বিরোধী কর্মের আয়োজনের বিরুদ্ধে সমগ্র দেশব্যাপী প্রতিবাদের দূর্গ গড়ে তুলুন।
======================

বৃহস্পতিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৩

মুসলমানরা শিক্ষা নাও কিভাবে গঠন করতে হয় সকল মুসলীমদের একটা ঐক্যমঞ্চ

মুসলমানরা শিক্ষা নাও কিভাবে গঠন করতে হয়
সকল মুসলীমদের একটা ঐক্যমঞ্চ
- মুহাম্মদ জাকারিয়া শাহনগরী
-----------------------
সংগৃহীত ছবি

হে মুসলীম !
তোমরা যারা আল্লাহ ও রাসূল (সঃ) এর নির্দেশীত পথকে মানবজাতির জন্য একটা সুশৃন্খল পথ মনে কর, তবে তোমরা এক হও। গণনা করে দেখ নাস্তিক ও ধর্মবিরোধী কতজন আর তোমরা কতজন। তবেই বুঝতে পারবে নাস্তিক ও ধর্মবিরোধীদের পাল্লা ভারী নাকি মুসলীমদের পাল্লা ভারী।

শিখে নাও
কিভাবে সমমনা মানুষদের নিয়ে ঐক্য গড়ে তুলতে হয়, তোমাদের মুসলমানদের মধ্যে যদি সে জ্ঞান না থাকে তবে নাস্তিকদের কাছ থেকে সে জ্ঞান অর্জন করে নাও। কারণ . তারা ক্ষুদ্র সমষ্টি হলেও ঐক্যের কারণে মুসলমানদের চেয়ে আজ তারা শক্তিশালী। তাদের এই শক্তি দিয়ে আজ ৯০ শতাংশ মুসলীম অধ্যুষিত বাংলাদেশ থেকে মুসলীম বিতাড়ন তথা ইসলামী সংস্কৃতি-তাহযীব-তামাদ্দুন ধ্বংসের ডাক দিয়েছে ! যদি এদেশের মুসলীমরা আজ একতাবদ্ধ থাকত, তবে কি করে পারত এইসব নাস্তিকরা বাংলাদেশ থেকে সকল ধর্মীয় রাজনীতি তথা সকল ধর্মীয় দল নিষিদ্ধের নির্দেশ দিতে ? কিন্তু তারা সেই ডাক দিয়েছে।

তারা চায় না
কোন ধর্মীয় রাজনীতি। তারা চায় না এদেশের মুসলমানরা রাষ্ট্রীয় কর্মে জড়িত হোক। তারা চায় , মুসলমানদের নতশীর। তারা চায় এদেশের সভ্য সংস্কতি ধ্বংস করে অসভ্যতার লালন করে এদেশকে উলঙ্গ করে পতিতালয় বানাতে। তারা চায় এদেশের মুসলীমদের ঈমান হরণ করে বেঈমান বানিয়ে স্রস্টার বিরোধী বানাতে। তারা চায় এদেশের পর্দানশী নারীদের পর্দা হটিয়ে রাস্তায় বের করে তাদের ভোগ বিলাসের সামগ্রী বানাতে।

তাই,
যদি এদেশের মুসলীমরা দেশকে নাস্তিকপূর্ণ উলঙ্গ পতিতালয় রূপে দেখতে চায়,দেখতে চায় নিজেদের নাস্তিক রূপে , দেখতে চায় নাস্তিকদের কাছে তাদের নতশীর, তবে মুসলীমরা ঘরের কোনে বসে ব্যাঙের মত ডাক দিয়ে যাক।

আর যদি
মুসলীমরা তা ন চায়, তবে তারা ঘর থেকে বের হয়ে যাক বাংলাদেশ থেকে নাস্তিক নিধনের আন্দোলনে , দেশের সভ্যতা রক্ষার আন্দোলনে, দেশের আপামর জনতার সুখ-শান্তি রক্ষার আন্দোলনে, দেশের সার্বিক কল্যান আনায়নের আন্দোলনে সর্বোপরী ধর্ম রক্ষার আন্দোলনে। তারা সকল মুসলীম একই মঞ্চে এক আল্লাহ ও রাসূল(সঃ) এর নির্দেশীত একই পথে ঐক্যের ভিত্তিতে সম্মিলিত হোক।
=============

বৃহস্পতিবার, ২০ ডিসেম্বর, ২০১২

দাবী আদায়ের জন্য "হরতাল" বর্তমান ডিজিটাল যুগে অকার্যকর একটি পদ্ধতি


দাবী আদায়ের জন্য "হরতাল"
বর্তমান ডিজিটাল যুগে অকার্যকর একটি পদ্ধতি
মুহাম্মদ জাকারিয়া শাহনগরী
----------------------

দাবী আদায়ের পদ্ধতি মান্দাতা আমলের হরতালকে এই ডিজিটাল যুগে মানায়না। তাতে মনে হয় আমরা সেই প্রাচীন যুগেই রয়ে গেছি। ঢাল তলোয়ার দিয়ে যুদ্ধের সময় পেরিয়ে সেই তিনশ’ বছর বা তারও আগে। এখন মিশাইল দিয়ে এক রাষ্ট্রে বসে হাজার হাজার মাইল দূরের অন্য রাষ্ট্রকে ধ্বংস করার যুগ।

বর্তমান ডিজিটাল যুগে হরতাল যেন দোলনার শিশুদের মুখে ফিডার লাগিয়ে দোলনায় লাগানো বেলুন নিয়ে খেলনার মত একটা বিষয়। তাই হরতাল দিয়ে যারা দেশোন্নতির চিন্তা করে , তাদের কাছ থেকে দেশোন্নতির আশা বোকামীই বটে।

তাই মান্দাতা আমলের হরতালকে ডিঙ্গিয়ে দাবী আদায়ের ডিজিটাল পদ্ধতি ব্যবহারের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে। যাতে জনগণের কোন ক্ষতি হবেনা দাবীও আদায় হবে।

এক সময় ছিল যখন হরতাল আহবান করা হলে সর্বসাধারণ সেই হরতালের আহবানে সাড়া দিয়ে দাবী আদায়কারীদের সহযোগী হত। সে সময়কার হরতালে জানমালের কোন ক্ষতি হতো না। রোডঘাটে জনাধারণের চলাচল বন্ধ থাকতো। অফিস আদালতে কোন কাজ চলতোনা। আর সে সময়কার হরতালে নিশ্চিতভাবেই দাবী আদায় করা যেত।

কিন্তু এখন সেই হরতাল যুগোপযোগী নয়। মানুষ যেমন পরিবর্তন হয়েছে তেমনি পরিবর্তন হয়েছে মানুষদের চিন্তা চেতনা। আর মানুষদের এই চিন্তা চেতনার কাছে দাবী আদায়ের সর্বশেষ মহৌষধ রূপে খ্যাত এক সময়ের হরতাল নামক শক্তিশালী অস্ত্রটি এখন অকার্যকর। যেমন অকার্যকর মিশাইল মারণাস্ত্রের কাছে এক সময়ের শক্তিশালী যুদ্ধাস্ত্র ঢাল - তলোয়ার।

মিশাইলের কাছে যেমন ঢাল তলোয়ার দিয়ে যুদ্ধ করতে গেলে সেই অস্ত্র ও সৈনিক অকর্যকর হয়ে ধ্বংস প্রাপ্ত হবে , তেমনি হরতাল দিয়ে দাবী আদায় করতে গেলে হরতাল ও হরতালকারী অকার্যকর হয়ে ধ্বংসের পাটাতনে গিয়ে দাঁড়াবে। আর এটাই স্বাভাবিক, হচ্ছেও তাই।

এ কারণে অকার্যকর হরতাল নামক প্রাচীণ অস্ত্রটি দিয়ে ডিজিটাল যুগে দাবী আদায়ের যুদ্ধে নামাটা বোকামীর নামান্তর। তাই দাবী আদায়ের লক্ষ্যে প্রাচীন অস্ত্র হরতাল বাদ দিয়ে ডিজিটাল চিন্তাভাবনায় নতুন একটি ডিজিটাল অস্ত্র প্রয়োগ একান্ত জরুরী।
================

সোমবার, ১৭ ডিসেম্বর, ২০১২

১৯৭১ এর পূর্বাবস্থায় ফিরে এল বাংলাদেশ ! প্রয়োজন নতুন একটা মুক্তির যুদ্ধ …


১৯৭১ এর পূর্বাবস্থায় ফিরে এল বাংলাদেশ !
প্রয়োজন নতুন একটা মুক্তির যুদ্ধ …
মুহা্ম্মদ জাকারিয়া শাহনগরী
----------------------

সংবাদে দেখলাম বেশ কিছু পর্দানশীন মেয়েদের পুলিশ ক্যাম্পে ধরে নিয়ে গেছে। এ যেন সে ১৯৭১ এর এই জনপদের পূর্বাবস্থায় ফিরে আসা। পাকিস্তানীরা এভাবেই ঘর থেকে নারীদের ধরে নিয়ে অত্যাচার চালাতো। যে অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে বাংলাদেশের মানুষ অস্ত্র হাতে তুলে নিয়ে মুক্তিযুদ্ধ শুরু করেছিল।

সেই মুক্তিযুদ্ধের ৪১ বছর পর আবারও সেই পাকিস্তানীদের দোষরদের হাতে বাংলাদেশের ঘরে ঘরে নারীদের উপর অত্যাচার চালানো হচ্ছে। যারা করছে তারাই নাকি মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের একমাত্র দাবিদার। মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের একমাত্র দাবিদারের মুখোশ পড়ে পাকিস্তানীদের এইসব চরেরা বাংলার জনপদকে ১৯৭১ এর পুর্বাবস্থায় ফিরিয়ে এনেছে। এমন কোন ঘর বাদ যাচ্ছেনা যেখানে তাদের হাতে নারীরা লাঞ্চিত হচ্ছেনা।

পাকিস্তানীরা যে কারনে এদেশ থেকে বিতাড়িত হয়েছে, ঠিক একই ঘটনা সমুহ ঘটিয়ে যাচ্ছে এইসব মুখোশধারী দেশপ্রেমিকরা। তারা এমন কিছুই কম করছেনা , যেগুলো পাকিস্তানীরা করেছে তার হুবহু সবকিছুই করে যাচ্ছে। আর তারাই মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের একমাত্র দাবিদার রূপে বাংলাদেশের মানষদের ধুকা দিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশের ঘুমন্ত মানুষ নাক ডেকে ঘুমাচ্ছে। এই সুযোগ নিয়ে পাকিস্তানীদের দোষর এইসব মুনাফিক গুপ্তচরেরা বাংলাদেশের ঘুমন্ত মানুষদের উপর অত্যাচারের খড়ক নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ছে।

সময় এসেছে এসব হায়েনাদের উপর ১৯৭১ এর মত বাংলাদেশের মানুষদের ঝাঁপিয়ে পড়ার। সময় এসেছে আবাল- বৃদ্ধ - বণিতার আরও একটি যুদ্ধে উপনিত হবার। সময় এসেছে এদেশ থেকে এদের মুল উৎপাটন করে বিতাড়িত করার। এ লক্ষ্যে বাংলাদেশের সকল মানুষ এক হোক, গর্জে উঠুক আর একবার - এই হোক কামনা।
============

সোমবার, ১৯ নভেম্বর, ২০১২

হে মুসলীম ! ঘুমাইওনা আর


হে মুসলীম ! ঘুমাইওনা আর
মুহাম্মদ জাকারিয়া শাহনগরী
----------------------

হে মুসলীম !
আর কত ঘুমাবে তোমারা নেশায় বুদ হয়ে ?
আর কত থাকবে চুপ তোমাদের ভ্রাতার মৃত্যু দেখে ?
আর কত থাকবে বিভোর মদ - নারী নিয়ে স্ফুর্তিতে ?
আর কত করবে তোমরা ইহুদী জাতির এজেন্টগিরি ?
আর কত জ্ঞান হারাবে ইহুদীদের প্রলোভনে ?

হে মুসলীম !
কেন করেছ গঠন তোমরা ওআইসি সংগঠন ?
মুসলমানদের মৃত্যু দেখেও কেন তোমাদের এই নির্লিপ্ততা ?
কোথায় তোমাদের সেই বিদ্রোহ বিবেক ?

হে মুসলীম !
ইতিহাস ঘেঁটে দেখ ,কিভাবে হয়েছিল ইসলামের প্রচার প্রসার ?
শুধু মসজিদে বসে দু'হাত তুলেই দোয়ার মাধ্যমে আসেনি ইসলামের বিজয়।
রাত্রের নির্জনে ইসলাম প্রতিষ্ঠার আশায় আল্লাহকে সিজদা ,
আর দিনে বাতিলের বিরুদ্ধে সসস্ত্র সংগ্রামই ছিল ইসলাম বিজয়ের মুল সোপান।
নারীদেহ আর মদ-শরাব নিয়ে স্ফুর্তির মাধ্যমে অর্জিত হয়নি ইসলামের বিজয় কেতন,
ইসলামের বিজয় কেতন পত পত করে উড়েছিল জীবন দেয়া ও নেয়ার মাধ্যমেই।
মুসলীমের জীবন শুধু দেয়ার জন্যই নয় , বাতিলবাদীদের জীবন নেয়ার জন্যও।

হে মুসলীম !
তাকিয়ে দেখো , চতুর্দিকে হরণ হচ্ছে তোমাদের জান-মাল-ইজ্জত।
ইহুদীদের গুলিতে পাখির মত উড়ে উড়ে হাওয়া মিলিয়ে যাচ্ছে
তোমাদেরই সব শিশু সন্তান,
ফিলিস্তিনের আকাশ-বাতাসে উড়ছে উড়িয়ে দেয়া মুসলমানদের মৃতদেহ।
মুসলমানদের রক্তে রঞ্জিত ফিলিস্তিনের মাটি হারিয়েছে রক্ত চুষে নেবার ক্ষমতা,
ফিলিস্তিনের মাটি যায়না দেখা আর চারিদিকে বয়ে চলছে মুসলমানদের রক্তস্রোত।
শুধু ফিলিস্তিনই নয় , সুযোগ নিচ্ছে ইহুদী জাত পৃথিবীর সর্বত্র
মায়নামারের দিকে চেয়ে দেখো ,
শান্তির জন্য যেখানে ইহুদীরা দিয়েছে নোবেল প্রাইজ !
আর শান্তি মিশনের নামে সেখানে চলছে মুসলীম নিধনের প্রতিযোগীতা
চলছে সেথায় মুসলীম পুড়িয়ে মহাউল্লাস।

হে মুসলীম !
তোমরা না হযরত উমর - বীর সালাহউদ্দিনদের বংশধর ?
তোমরা না সেই বীর মুসলীম জাতির বিজয় পতাকাধারী ?
তোমরা না সেই বীর মুসলীমদের উত্তরাধিকারী,
যারা দিয়েছিল ইসলামের জন্য দেহদান ?
তোমরা না সেই বিরত্বগাঁথার ইতিহাসধারী ,
যারা মুসলীম ভাইদের রক্ষার জন্য করেছিল সসস্ত্র সংগ্রাম ?
তোমরা না সেই আলীর বংশধর ,
যার দ্বারা হয়েছিল খায়বারের ইহুদীদের দূর্গ পতন ?
তোমরা কি সেই মুসলীমদের অনুসারী নও ,
যাদের দ্বারা এসেছিল খন্দকযুদ্ধে বিজয় ?

হে মুসলীম !
তবে তোমরা কোন মুসলীম ,
ইসলামের ধ্বংস দেখেও তোমরা রয়েছ বধির -মুখহীন ?
তবে তোমরা কোন ইমানী আত্মীয় ,
আত্মীয়দের নিধনযজ্ঞ দেখেও তোমরা রয়েছ ঘুমে, গায়ে গণ্ডারের চামড়া জড়িয়ে ?
তবে কি তোমাদের ঈমানী বিবেক ,
মুসলীম নিধন দেখেও জাগেনা তোমাদের ঈমানী বিবেক শক্তি ?

হে মুসলীম !
জাগো , ঘুমাইওনা আর ,
সময় হয়েছে বিবেককে জাগাবার ,
জাগো , জাগো , জাগাও তোমাদের ঈমানী শক্তি,
গা নাড়া দিয়ে উঠো , করিওনা আর ইহুদীদের ভক্তি।
পেপসী - সেভেন আপ - কোকা কোলা -ফানটা
যা আছে ইহুদীদের তৈরী ব্রাণ্ড, ছাড়ো সেসব
ধ্বংস করো তাদের উৎপাদিত পণ্যের সকল প্রতিষ্টান।
ধ্বংস করো তাদের অর্থযোগানের সকল পথ ,
ভেঙ্গে ইহুদীদের যত অত্যাচারী হাত,
উড়িয়ে দাও তাদের যত উৎপাদিত পণ্য সরবরাহের রাস্তাঘাট,
ধ্বংস করো ইহুদীদের মুসলীম নিধনে ব্যবহৃত অস্ত্র সংগ্রহের সকল দিক,
বন্ধ করো তাদের যত গমনাগমন পথ।
যোগ দাও ইহুদী নিধনে ফিলিস্তিনীদের সাথে ,
যোগ দাও মুসলীম রক্ষায় সকল জনপদে নির্যাতিত মুসলীমদের সাথে।
=============

বৃহস্পতিবার, ৮ নভেম্বর, ২০১২

আমি এক ভীনগ্রহের আগন্তুক


আমি এক ভীনগ্রহের আগন্তুক
মুহাম্মদ জাকারিয়া শাহনগরী
----------------------

যখন সকলের সাথে মানিয়ে চলার চেষ্টা করলাম
সবাই ভাবতে লাগলো আমি ব্যক্তিত্বহীন !
যখন সহজ সরল ভাবে চলতে লাগলাম
সবাই ভাবতে লাগল আমি ভীতুর ডিম !
যখন সৎভাবে উপার্জন করে বাঁচতে চাইলাম
তখন সবাই ভাবতে লাগল আমার অর্থোপার্জনের ক্ষমতা নেই !
যখন মারামারি থেকে বেঁচে থাকতে চাইলাম
তখন সবাই ভাবতে লাগল আমার গায়ে শক্তি নেই !
যখন লাম্পট্য থেকে নিজেকে সরাতে চাইলাম
তখন সবাই ভাবতে লাগল আমি কাপুরুষ !
যখন সবার সাথে বিনয়ের সাথে কথা বলতে শুরু করলাম
তখন সবাই ভাবতে লাগল আমি তাদের ভয় করি !
যখন সকলকে সম্মান দিতে শুরু করলাম
তখন সবাই ভাবতে লাগল আমি নীচু দরজার একজন মানুষ !
যখন মেয়েদের শরীর ছোঁয়া থেকে বিরত হলাম
মেয়েরা বলতে লাগল আমি পুরুষত্বহীন !
যখন সিগারেট-মদ পান বন্ধ করলাম
তখন সবাই বলতে লাগল আমাকে পুরুষের মত লাগেনা !

এভাবেই বর্তমান তথাকথিত সভ্য সমাজের কাছে হয়ে গেছি বেমানান।
হারিয়ে ফেলেছি এই সভ্য সমাজে (?) বাস করার যোগ্যতা।
হয়ে গেছি যেন আমি এক ভীনগ্রহের আগন্তুক।
===================

বুধবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১২

অস্ত্রমিছিল


অস্ত্রমিছিল
মুহাম্মদ জাকারিয়া শাহনগরী
---------------------

সাবধান ভাই সাবধান
আসছে ধেয়ে ছাত্রলীগ,
অস্ত্রমিছিল করছে তারা
অবস্থা যে বেগতিক।
ওরে তোরা যাসনে এখন
ঘরের বাহির হইসনা ,
রামদাওয়ের কোপে তোদের
জীবনটাকে দিসনা।
ক্ষমতারই দাপট তাদের
কিছুই তাদের হবেনা,
মারলে তোদের অস্ত্রাঘাতে
জেলে তারা যাবেনা।
গাড়ি পোড়াক মানুষ মারুক
এই নীতিতেই তাদের বাস ,
যতই করুক দেশের ক্ষতি
সেটাই তাদের সোনার চাষ।
সোনার ছেলের সোনার কর্ম
রামদাও আর পিস্তলে ,
দেখতে যাসনে কর্ম তাদের
লুকা মাটির নীচ তলে।
==========

সোমবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০১২

জমজমের পানি গ্যাষ্ট্রিক রোগের মহৌষধ হিসাবে প্রমাণিত


জমজমের পানি গ্যাষ্ট্রিক রোগের মহৌষধ হিসাবে প্রমাণিত
মুহাম্মদ জাকারিয়া শাহনগরী
----------------------

আমি সৌদি আরবের মদিনায় আসি ১৬/১২/২০০০ ইং সালে। তখন আমার শরীরে একটি মাত্রই রোগ ছিল - গ্যাস্ট্রিক। যার জন্য আমাকে খেতে হতো দৈনিক তিনটা নিউসেফটিন আর অথবা নিউট্যাক। সৌদিতে আসার পর যখন মসজিদে নববীতে গেলাম, দেখলাম বিশেষ বিশেষ স্থানে সাজিয়ে রাখা আছে জমজমের পানি পানের আয়োজন। মসজিদের ভিতর থেকে তেমন পানি বাইরে নিতে দেয়া হয়না। জিজ্ঞেস করলাম বাহিরে পাওয়া যায় কিনা ? জানতে পারলাম লোকজনের চাহিদা মোতাবেক জমজমের পানি মসজিদে নববীর বাহিরে বাউন্ডারীর ভিতরেই উত্তর-পশ্চিম কোণে এক নিদ্রিষ্ট স্থান থেকে সরবরাহ করা হয়।
তারপর দিন থেকেই সপ্তাহে দুইবার উক্ত স্থান থেকে ২০ লিটারের গ্যালনে করে নিয়ে আসতে থাকি জমজম। তারপর সিদ্ধান্ত নিলাম। জমজমই যেহেতু সর্বরোগের মহৌষধ , আমার গ্যাষ্ট্রিক রোগ নির্মূলে এ জমজমে বিশ্বাস করেই দেখি। সৌদিতে আসার পাঁচদিন পর থেকেই জমজমের পানিকে ঔষধ হিসাবে পান করতে থাকি। যেদিন থেকে ঔষধের নিয়তে দৈনিক তিনবার জমজম পান শুরু করি , সেদিন থেকে যত কষ্টই হতো দেশ থেকে নিয়ে আসা নিউট্যাক ট্যাবলেট মুখে তুলিনি। এইভাবে তিনমাস ঔষধ হিসাবে পান করি শুধুমাত্র জমজম, মাঝখানে অন্য কোন ঔষধ খাইনি। দুই মাস পর অনুভব করলাম আমার রোগ কষ্ট তেমন অনুভব হচ্ছেনা। তবুও ভাবলাম মনে মনে ধরে নেয়া তিন মাসের কোর্সটি আর এক মাসের জন বাদ দিব কেন ? তাই কোর্সটি শেষ করলাম। তিনমাস শেষে আমি দূরারোগ্য রোগ গ্যাস্ট্রিক থেকে সমপূর্ণ মুক্ত হলাম । সেই থেকে এই পর্যন্ত ১২ টি বৎসর আর কখনো গ্যাষ্ট্রিক আমার কাছে আসেনি। আলহামদুলিল্লাহ। এই অমিয় সুধা নাকি হাজিদের বাংলাদেশে পরিবহনে বাধা দিচ্ছে বাংলাদেশ বিমান !

যুগ যুগ ধরে চলে আসা নিয়ম ভঙ্গ করে বাংলাদেশ বিমানের হাজিদের জমজমের পানি পরিবহনে বাধাদান প্রমাণ করে বর্তমান সরকারের আমলে মুসলীমদের ধর্মীয় বিশ্বাস ও মনোভাবের উপর আরও একটা কুঠারাঘাত।
যুগ যুগ ধরে হাজিদের জমজমের পানি পরিবহনে বিমানগুলোর কোন অসুবিধা হয়নি বা সমস্যা সৃ্টি করেনি, কিন্তু হঠাৎ এখন কি এমন সমস্যা সৃষ্টি হয়ে গেলো যে হাজিরা হজ্জে গিয়ে জমজমের পানি আনতে পারবেনা ?
হজ্জে গিয়ে পরিবার পরিজনের জন্য হাজিরা সাধারণত প্রধান দুটি জিনিস আগেই সংগ্রহ করে রাখে। এক জমজমর পানি আর দ্বিতীয়টি হল খেজুর। আর কিছু হাজিরা দেশে আনুক না আনুক , কিন্তু এ দুটি জিনিস হাজিরা না আনলেই নয়। জমজমের পানি সর্বরোগের মহৌষধ , যা মুসলমানদের বিশ্বাস। তাই জমজমে পানি আনতে বাধাদান এ বিশ্বাসে বাধাদান।
অবশ্য বিমান বাংলাদেশ থেকেই হাজিদেরকে এই পানি সরবরাহ করবে বলে বলছে, কিন্তু তা যে খাটি জমজমের পানিই হবে তার নিশ্চয়তা কতটুকু বাংলাদেশের ভেজাল মানুষদের ভেজাল মনোভাবের আঙ্গিকে প্রশ্ন থেকে যায়। অথচ এই পানি হাজিরা সরাসরি নিজ হাতে নিলে কোন প্রকার সন্দেহ থাকতোনা। সর্বোপরি , জমজমের পানি নিতে বাধাদান একটা বিতর্ক বিষয়ের নামান্তর।
=============