আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের শুভেচ্ছা

বাংলা ভাষার জন্য আত্মত্যাগকারী

সকল মহান ভাষা শহীদগণের প্রতি,
এবং ভাষা আন্দোলনের সাথে সম্পৃক্ত

সকল ভাষা সৈনিক
ও বীর বাঙ্গালীদের জানাই অশেষ শ্রদ্ধাঞ্জলী,
সেইসাথে সকলকে জানাই

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের শুভেচ্ছা।

বিষয় সূচী

সাহিত্য (60) অন্যান্য কবিতা (53) ভালোবাসার পদবিন্যাস ( প্রেম সম্পর্কিত রচনা বিশেষ ) (53) আমার লেখা প্রবন্ধ-নিবন্ধ (37) কবিতা (35) দেশ নিয়ে ভাবনা (33) ফিচার (33) বাংলাদেশ (29) সমসাময়িক (28) খন্ড কাব্য (26) হারানো প্রেম (22) সংবাদ (18) কাল্পনিক প্রেম (16) ইতিহাস (15) প্রতিবাদ (15) সুপ্রভাত প্রবাসী বাংলাদেশ (15) Online Money Making Links (14) দেশাত্মবোধক কবিতা (13) আমার জীবনের দিনপঞ্জী (12) ধর্ম (12) প্রেমের কবিতা (11) ব্যক্তিত্ব (11) রাজনীতি (11) ধর্মীয় আন্দোলন (10) প্রবাসের কবিতা (10) খন্ড গল্প (9) জীবন গঠন (9) বর্ণমালার রুবাঈ (9) ইসলাম (8) প্রগতি (8) মানুষ ও মানবতা (8) হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ (8) VIDEOS (7) আমার লেখালেখির অন্তরালে (7) ইসলামী জাগরণ (7) মানব মন (7) ট্র্যাজেডি (6) শোক সংবাদ (6) সম্প্রীতি (6) নারী স্বাধীনতা (5) প্রেমের গল্প (5) বিজয় দিবসের ভাবনা (5) মৃত্যুপথ যাত্রী (5) সংবাদ মাধ্যম (5) স্মৃতিকথা (5) ঈদ শুভেচ্ছা (4) প্রবাস তথ্য (4) রমজান (4) শুভেচ্ছা (4) Computer Programer (3) আমার ছবিগুলো (3) আমার রাইটিং নেটওয়ার্ক লিংক (3) পর্দা (3) ফটিকছড়ি (3) বাংলাদেশের সংবিধান (3) বিশ্ব ভালবসা দিবস (3) শিক্ষা (3) শিক্ষার্থী (3) স্লাইড শো (3) News (2) VERIETIES POEMS OF VERIOUS POETS (2) আষাঢ় মাসের কবিতা (2) আষাঢ়ের কবিতা (2) ইসলামী রেনেসাঁ (2) ছাত্র-ছাত্রী (2) থার্টি ফাস্ট নাইট (2) নারী কল্যান (2) নারী প্রগতি (2) নির্বাচন (2) বর্ষার কবিতা (2) মহাসমাবেশ (2) শবেবরাত (2) শরৎকাল (2) শাহনগর (2) শ্রদ্ধাঞ্জলী (2) সত্য ঘটনা (2) সত্য-মিথ্যার দ্বন্ধ (2) সফলতার পথে বাংলাদেশ (2) Bannersআমার ছবিগুলো (1) DXN (1) For Life Time Income (1) For Make Money (1) Knowledge (1) Student (1) অদ্ভুত সব স্বপ্নের মাঝে আমার নিদ্রাবাস (1) আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস (1) আহলে সুন্নাহ ওয়াল জামা'আত(সুন্নী) (1) উপন্যাস (1) কবি কাজী নজরুল ইসলাম (1) কোরআন - হাদিসের কাহিনী (1) গল্প (1) চট্টগ্রাম (1) চিকিৎসা ও চিকিৎসক (1) জমজম (1) জাকাত (1) তরুন ও তারুণ্য (1) নারী জাগরণ (1) পরকিয়ার বিষফল (1) ফটিকছড়ি পৌরসভা (1) বন্ধুদিবস (1) বাংলাদেশের প্রখ্যাত আলেম (1) বিবেক ও বিবেকবান (1) বিশ্ব বাবা দিবস (1) বিশ্ব মা দিবস (1) ভ্রমণ (1) মন্তব্য (1) মাহফুজ খানের লেখালেখি (1) রবি এ্যাড (1) রমজানুল মোবারক (1) রেজাল্ট (1) রোগ-পথ্য (1) লংমার্চ (1) শহীদ দিবস (1) শুভ বাংলা নববর্ষ (1) শৈশবের দিনগুলো (1) সমবায় (1) সস্তার তিন অবস্থা (1) সাভার ট্র্যাজেডি (1) সিটি নির্বাচন (1) স্বপ্ন পথের পথিক (1) স্বাধীনতা (1) হ্যালো প্রধানমন্ত্রী (1) ২১ ফেব্রোয়ারী (1)

APNAKE SHAGOTOM

ZAKARIA SHAHNAGARIS WRITING

সকলকে বাংলা নতুন বছরের শুভেচ্ছা

বর্তমান বিশ্বায়নের যুগে আমরা আর বাংলা ভাষায় কথা বলতে চাইনা । নিজের মাতৃভাষাকে যখন-তখন যেখানে সেখানে অবমাননা করে তৎপরিবর্তে ইংরেজী ভাষা ব্যবহার করতে অভ্যাস্থ হয়ে যাচ্ছি বা হয়ে গেছি ।
আরও একটু এগিয়ে গেলে বলতে হয় - আমরা আজ বাঙ্গালী হয়ে বাঙ্গালী জাতিসত্বা ভুলে গিয়ে ইংরেজী জাতিসত্বায় রক্তের ন্যায় মিশে গেছি !

অথচ একদিন আমরা বাঙ্গালী জাতি একতাবদ্ধ হয়ে রাষ্ট্রীয় ভাষা উর্দুকে ত্যাগ করে নিজেদের মাতৃভাষা বাংলাকে রাষ্ট্রীয় ভাষা তথা বাংলা ভাষাকে সর্বত্র প্রচলন করতে প্রাণ দিতে বাধ্য হয়েছিলাম ! ফলে বিজাতীয় ভাষা উর্দূকে অপসারন করে নিজেদের মাতৃভাষায় কথা বলার স্বাধীনতা অর্জন করে বাংলা ভাষাকে ধারন করেছিলাম । যখন আমরা বাংলার সর্বত্র বাংলা ভাষায় কথা বলা শুরু করেছিলাম ,তখন কিন্তু বিশ্বায়নের যুগটা অনুপস্থিত ছিল তা নয় , বিশ্বায়নের যুগটা তখনও ছিল বিধায় আমরা ইংরেজী শিক্ষায় তখনও বাধ্য ছিলাম । অর্থাৎ যে জন্যে আজ আমরা ইংরেজী শিখছি সেইজন্যে তখনও ইংরেজী শিক্ষার প্রচলন ছিল । ছিল ইংরেজী শিক্ষার প্রয়োজনীয়তাও । তাই বলে সে সময় বর্তমান সময়ের মত মাতৃভাষা বাংলাকে অবমাননা করা হয়নি । মানুষ সে সময় বাংলায়ই কথা বলেছিল । শুধুমাত্র প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রেই সে সময় ইংরেজী ব্যাবহার করেছিল বাঙ্গালী জাতি

conduit-banners

Powered by Conduit

ফ্লাগ কাউন্টার

free counters

MZS.ONLINE MONEY MAKING WAY

PLEASE CLICK ON MY BANNERS. VISIT MY AFFILIATE SITE "MZS.ONLINE MONEY MAKING WAY ( অনলাইনে অর্থোপার্জনের একটা মাধ্যম )" I HOPE IT WILL BE HELPFUL FOR YOU. Create your own banner at mybannermaker.com!
সাহিত্য লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
সাহিত্য লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

মঙ্গলবার, ৭ জুন, ২০১৬

লোক দেখানো মোহাব্বাত

লোক দেখানো মোহাব্বাত

মুহাম্মদ জাকারিয়া শাহনগরী

জীবন থাকিতে খোঁজ নাওনি তোমরা যার

এসেছ কেন আজ তার মরণ দিনে,

লোক দেখানো মোহাব্বাত আর কত দেখাবে তোমরা

তোমাদের তো সে কবেই নিয়েছে চিনে !

রবিবার, ২২ মে, ২০১৬

পেশাদার প্রেমের কবিতা লেখক এবং অপেশাদার প্রেমের কবিতা লেখক দু'জনেই জীবনের বাঁচার তাগিদে প্রেমের কবিতা লিখে

একদা ভালবাসার বাগান তৈরী করে মনে 
যখন ফুটিয়েছি জুঁইফুল, 
মুখ ফিরিয়ে নিয়েছ তুমি
ভেঙ্গে দিয়েছ আমার মনের দুইকুল।
-------------------------------------

-:মুখবন্ধ :- 
বেশ অনেকদিন পর আবারও প্রেমের কবিতা লিখতে মন চাইল তাই চার লাইনের এ লেখা। আমার ছেলেদের মা যেদিন কহিল- "এখন বাচ্ছারা বড় হয়েছে, এসব লেখা দেখে বাচ্ছারা লজ্জা পায়"। সেদিন থেকেই আর প্রেমের কবিতা লেখবনা বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। কিন্তু আজ কেন যেন একটা প্রশ্ন মনের মাঝে ঘুরপাক খেতে থাকে - যে সব কবি প্রেমের কবিতা লেখে তাদের সন্তানরাও কি তাদের বাবার প্রেমের কবিতা দেখে লজ্জা পায় ? যদি সেসব প্রেমের কবিদের সন্তানরা তাদের বাবার লেখা প্রেমের কবিতার জন্য লজ্জা না পায় তবে আমার সন্তানরা কেন আমার লেখা প্রেমের কবিতার জন্য লজ্জা পাচ্ছে ? তবে কি আমি প্রফেশনাল লেখক নই বলে ?
আমি তো মনে করি, একজন প্রফেশনাল প্রেমের কবিতা লেখক যেমন প্রেমের কবিতা লিখে জীবনে বেঁচে থাকার তাগিদে অর্থ উপার্জন করে তেমনি আমি অপেশাদার লেখক হিসাবে প্রেমের কবিতা লিখি বেঁচে থাকার তাগিদে মনের সুখ উপার্জনের জন্য। সুতরাং পেশাদার প্রেমের কবিতা লেখক এবং অপেশাদার প্রেমের কবিতা লেখকদের মধ্যে আমি অমিল খুঁজে পাইনা এ কারণেই যে, দুজনেই জীবনের বাঁচার তাগিদে প্রেমের কবিতা লিখে। তবে কেন .... ?

বৃহস্পতিবার, ১৪ এপ্রিল, ২০১৬

শুভ বাংলা নববর্ষ


শুভ বাংলা নববর্ষ 


HAPPY BANGLA NEW YEAR

সকলকে বাংলা নতুন বছরের শুভেচ্ছা। 

আর বিবেকহীন মানুষদের জন্য নববর্ষের গজবীয় শুভেচ্ছা
**************************** 
নতুন বছরের যাত্রালগ্নে সকলের জীবনযাত্রা সূচীত হোক নতুন ধারায় সুখ-শান্তির আয়োজনে। ভরে উঠুক সকলের জীবন আনন্দের সমারোহে।
এই নতুন বৎসরের প্রথম দিনে সূচিত হোক সবার জীবনে সুন্দরের যাত্রা। আর সকলের ভবিষ্যত জীবন হোক কল্যান, শান্তি ও মানবতার আলোয় আলোকিত এবং ভবিষ্যত জীবনের চলার পথ হোক মসৃণ ও উন্নত। সকলের চিন্তা ও মননে উদ্ভাসিত হোক মানবিক কল্যান। মানবতার তরে নব বলে বলিয়ান হয়ে নতুন রূপে ধরা দিক সকলের আপন বিবেক। সকলের হৃদয় পরিণত হোক দেশপ্রেমের ভান্ডারে। ভরপুর হোক সকলের মন সকলের প্রতি ভালোবাসায়।

বৈশাখ এসেছে আজ
খুশির বারতা নিয়ে পান্তা-ইলিশ খাওয়ানোর লাগি
ধনীর সন্তানদের ঘরে,
অভুক্ত পথসন্তানদের কাছে এসেছে বৈশাখ
পান্তা-ইলিশ দেখে আসা মুখের লালায়
জটর জ্বালা নিবারণের তরে।
হে জীর্ণ কায়ার পথশিশু !
দশহাজার টাকার একটা ইলিশ কিনে অপচয় করতে জাত যায়না, কিন্তু দশ হাজার টাকা সাহায্য দানের মাধ্যমে একটা জীবন বাঁচাতে জাত চলে যায়। তাই ...
তোমাদের শরীর গঠন ও জীবন বাঁচাতে তোমাদের তারা এক টাকা দিতে পারবেনা। কিন্তু তারা চল্লিশ হাজার টাকায় ইলিশ কিনে স্ফূর্তিতে উন্মাদ হয়ে নাচতে পারবে।
তাই তোমরা একটা কাজ করতে পার এসব অপচয়কারীদের অর্থ চিন্তাই করে ছিনিয়ে নিয়ে তোমাদের অভাব পুরণ কর। এতে আইনের দিক দিয়ে অপরাধ হলে ও মানবিক দিক দিয়ে হবে উত্তম।
যারা তোমাদের মৃতপ্রায় শরীর দেখেও না দেখান ভান করে চল্লিশ হাজার টাকায় ইলিশ কিনে স্ফূর্তিতে মত্ত হয়, তাদের কাছ থেকে ধন-সম্পদ কেড়ে নিতে মানবিক আইনে কোন বাধা নেই।
তারাই ১লা বৈশাখে হাজার টাকার ইলিশ কিনে খায় ও খাইতে পারে, নীরন্ন-বুভুক্ষ শিশুদের ক্ষুধার চোটে আসা চোখের জল দেখেও যাদের চোখে জল ঝরেনা। এইসব জরাজীর্ণ দেহের শিশুদের দেখেও যাদের অন্তর তোলপাড় দিয়ে উঠেনা। যাদের হাত দিয়ে ঝরে পড়ে হাজার হাজার টাকার নষ্ট খাদ্য তাদের হাত দিয়ে কিভাবে বের হবে এদের বেঁচে থাকার জন্য একমুঠো অন্যের জন্য সামান্য টাকা ?
কোন এক ভিক্ষুক বলেছিলেন - আপনারা যখন চল্লিশ হাজার টাকা দিয়ে ইলিশ কিনতে যান তখন আমরা ভিক্ষুকরা নির্বাক চেয়ে থাকি। মুখে পড়ে লালা। আহ যদি এই ইলিশটি একদিন আমি খেতে পারতাম। এই ইচ্ছার বশঃবর্তী হয়ে আপনাদের পিছু নিই। নির্জন স্থানে গিয়ে কাগজ কুড়ানো ঝুড়ি থেকে জং ধরা ছুরিটা নিয়ে যখন আপনাদের পিঠে ঠেকাই তখন আপনারা অসহায় হয়ে পড়েন। আর ঠিক তখনি আপনারা মনে করেন এ কোন গজব আপতিত হলো আমার উপর ? এভাবেই শুর হয় আপনার আর আমার দুটি মানুষের দুইভাবে বর্ষবরণ। কি সুন্দর বিবেক বর্ষবরণীয় আপনাদের মত মানুষদের !
বিবেকহীন মানুষ পশুর সমতুল্য।

বিজাতি ও নাস্তিক্যবাদী সংস্কৃতির আড়ালে হারিয়ে গেছে স্বদেশী সংস্কৃতি ও সভ্যতা।
পহেলা বৈশাখ পালনের নামে আমরা আজ যা করছি তা বিজাতীয় সংস্কৃতিকে আমদানী করে আমাদের জাতীয় সংস্কৃতিকে ধ্বংস করারই নামান্তর। যা সম্পূর্ণরূপে আমাদের বিবেকহীনতার পরিচয়।

তাই এই নববর্ষে বিজাতীয় সংস্কৃতিকে আমদানী না করে দেশীয় সংস্কৃতির মাধ্যমে নববর্ষ উদযাপন করব, এই হোক আমাদের অঙ্গীকার –
এ প্রত্যাশায় আবারও সকলকে শুভেচ্ছা।
**************************

বিবেকহীন মানুষদের জন্য নববর্ষের গজবীয় শুভেচ্ছা
******************

অশুভ নববর্ষ !
সকলকে অমঙ্গল প্রদীপের শুভেচ্ছা।
এখন আসুন জানিয়ে দেই - কেন আমি এমন ব্যাঙ্গাত্বক শুভেচ্ছা জানালাম ?
কারণ হলো - প্রতিবছর আমরা শুভ নববর্ষ বলে মঙ্গল প্রদীপের শুভেচ্ছা জানাই। কিন্তু তার ফলে আমরা প্রতিবছরই দেখি বছরটা উল্টাভাবে আমাদের সামনে ধরা দিতে, যেমন প্রতিটি নতুন বছর অশুভ সব কর্ম দিয়ে আমাদেরকে পরিচালিত করে। ফলে আমাদের কোন মঙ্গল তো হয় ই না, অমঙ্গল সব কর্মে আমাদের জাতীয় জীবনকে করে তোলে বিষাক্ত।
যেমন ইলিশ দিয়ে পান্তা ভাত খাওয়ার কথাই ধরুণ- সেদিন খবরে দেখলাম দেড় কেজী ওজনের এক হালী ইলিশের দাম মাত্র চল্লিশ হাজার টাকা। একটা ইলিশ কিন্তে গেলে দশ হাজার টাকা বিক্রেতাকে দিতে হবে। এখন বলুন তো এই টাকা কিভাবে দিবেন ? চুরি করে, ঘুষ খেয়ে, চিন্তাই করে,ডাকাতি করে, রাহাজানী করে, পকেট কেটে, খুন করে ছাড়া এতটাকা কিভাবে আসবে ? একজন চাকরীজীবি কি পারবে দশ হাজার টাকায় ইলিশ কিনে পান্তাভাত খেতে ? হ্যা পারবে তারাই যারা উপরোক্ত অপরাধ গুলো করে টাকা উপার্জন করতে পারবে। একজন সৎ ব্যবসায়ীও কিন্তু দশ হাজার টাকায় ইলিশ কিনে পান্তা ভাত খেতে পারবেনা। পথশিশুদের কথা নাই বা বললাম। এই হলো গজবীয় শুভেচ্ছার আমার আজকের বাণী।
তাই আমার পক্ষ থেকে বিবেকহীন সকলের জন্য এই গজবীয় শুভেচ্ছার বানী। যাতে বিপরীতমুখী হয়ে অর্থাৎ শুভ সব কর্ম ও সকল প্রকার মঙ্গল নিয়ে নতুন বছরটি আমাদের কাছে ধরা দেয়।
তাই সবাই বলুন,
জয় বাংলা !
শুভ নববর্ষকে অশুভ শুভেচ্ছা দিয়ে কররে সবাই হামলা।
জয় বাংলা !
নববর্ষের গজবীয় শুভেচ্ছা সামলা।






শুক্রবার, ৬ মার্চ, ২০১৫

আসছে ফাগুনে দেখা হবে...

আসছে ফাগুনে দেখা হবে...
**************

ছবি : ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত

 
বসন্তের ঝিরি ঝিরি মাতাল সমীরণের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে
তুমি আর আমি
সেই যে একদিন শিম্পাঞ্জীর খাঁচার কাছে
হাতে ছিল চারটে চিনে বাদাম
একটা ছিলে তুমি খেলে
আর একটা ছিলে শিম্পাঞ্জীর দিকে ছুঁড়ে দিলে!
তারপর অপলক নেত্রে তাকিয়ে রইলে
শিম্পাঞ্জীর মুখের দিকে!
বললাম-
এবার একটু আমার দিকে তাকাও।
তুমি বললে -
আসছে ফাগুনে দেখা হবে ভাল করে!
একবছর পেরিয়ে আবার যখন দু'জনেই একই স্থানে
বসন্তের নগ্ন ছোঁয়ায় অবগাহন করছি
ঠিক তখনই চারটে চিনে বাদাম তুমি হাতে নিলে।
একটা ছিলে তুমি আমার মুখের ভিতরে ডুকিয়ে দিলে
আর একটা ছিলে আমার হাতে দিয়ে বললে -
আমাকে খাইয়ে দাও!
তথাস্থ বলেই মুখে পুরে দিলাম দু'টি বাদামের দানা।
সেই যে চোখে চোখ রাখলে
অপলক চাহনীতে ঝলসে যেতে লাগল আমার সর্বাঙ্গ।
বললে -
মনে আছে গত বৎসর ঠিক এই দিনে কি বলেছিলাম ?
আমি কিন্তু কথা দিয়ে কথা রেখেছি,এবার তোমার পালা।
বললাম -
বুঝলামনা ?
তুমি বললে-
মনে নেই কি বলেছিলে ?
আমি বললাম -
সত্যিই মনে নেই।
সেই যে তোমার রাগ -
বুঝেছি এই তোমার ভালবাসা?
আর থামলেনা তুমি।
চলেই গেলে।
তারপরের দিন বললাম -
আসছে ফাগুনে দেখা হবে।

প্রেমকাব্যে অনীহা


প্রেমকাব্যে অনীহা
**********
ছবি :ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত


অনেকেই বলে প্রেমের কবিতা লিখোনা। 
কি করে যে বলি - 
প্রেমের লেখা ছাড়া আর কিছু যে মাথায়ই আসেনা।
যদিও কখনো আমি পাইনি প্রেমের দেখা
তবুও লিখে যাই যত প্রেমের লিখা। 
যারা প্রেমের কাব্য লিখে নিত্যদিন 
তারা কি আমারই মত ?
সারাজীবন জ্বলে পুড়ে হয় ছারখার
যে জীবন নিয়ে সে বেঁচে থাকে 
তার জীবন যেন মূল্যহীন।

মিথ্যার মাঝে মানুষ সারা জীবন বসবাস করতে পারেনা


মিথ্যার মাঝে মানুষ সারা জীবন বসবাস করতে পারেনা

****************************
ছবি : ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত

অনেকেই বাস্তবতাকে অস্বীকার করতে চায়।
কিন্তু সেই বাস্তবতাকে তারা হাজার চেষ্ঠা করেও 
লুকিয়ে রাখতে পারেনা।
মিথ্যার মাঝে মানুষ সারা জীবন বসবাস করতে পারেনা।
তাই মিথ্যার বেশাতী ছেড়ে 

সকল মানুষেরই জীবনের সত্যতা নিয়ে লোক সমাজে বিচরণ করা উচিত।

যেদিন জীবন প্রদীপ নিভে যাবে


যেদিন জীবন প্রদীপ নিভে যাবে
- মুহাম্মদ জাকারিয়া শাহনগরী
*******************

যেদিন জীবন প্রদীপ নিভে যাবে
সাঙ্গ হবে জীবনের মেলা,
আমার শিয়রে বসে আপনা সকল
চোখের জলে দেখাবে মিথ্যা মায়ার খেলা।


বলবে যত দূরের মানুষ -
ঐ দেখ তার আপনজন
মায়ার বাঁধন কারে কয়,
চোখ ফুলিয়ে ফেলছে সবে
মায়ার বাঁধন ছিন্ন হবার নয়।

বুঝেনা সে সব দূরের মানুষ -
এ নহে তাদের মায়াকান্না
এ তো শুধুই তাদের অভিনয়,
সারা জীবন যারা জ্বালিয়েছে তারে
আজ তার বিদায় কালীন
কান্না তাদের কখনোই মায়াকান্না নয়।

ধুঁকে ধুঁকে মরেছে যেজন
সারা জনম ধরি,
কোন্ সে আপনজন তার আজ
এসেছে কাছে মায়ার রথে চড়ি ?
ছিল না তার আপন কেহ
পুরা জনম ভর,
ধুঁকে ধুঁকে মরেছে যে সে তাই
অভিমানী ছিল তার মনেরই ঘর।
==============
ছবি : ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত

বুধবার, ২৯ মে, ২০১৩

শান্তি-সুখের সংবিধান : মহাগ্রন্থ আল কোরআন (আল কোরআন বাংলাদেশের ভবিষ্যত সংবিধান)

শান্তি-সুখের সংবিধান
মহাগ্রন্থ আল কোরআন
(আল কোরআন বাংলাদেশের ভবিষ্যত সংবিধান)
- মুহাম্মদ জাকারিয়া শাহনগরী
---------------------

মসজিদেরই মিনার হতে
আজান আসে ঐ,
মুসলীম আছে সবখানেতে
মুসল্লীরা কই ??

মসজিদ আছে খালি পড়ে
মুসল্লীরা নাই !
মুসল্লীরা কোথায় গেল ?
খুঁজিয়া না পাই !!
নামে মুসলীম সবাই আছে
কর্মে মুসলীম নাই,
ইসলামেরই রূপ কোথায়
তারে খুঁজে কোথা পাই ?

মুসলীম বলে পরিচয় দিই
ইসলামের কোন রূপটি লই ?
মুসলীম আছে বিশ্বজুড়ে
ইসলাম গেল কই ??

কোরআন আছে সবার ঘরে
কোরআন পড়িনা,
ইসলামেরই আইন আছে
সে আইন ধরিনা !
মানুষ গড়া সংবিধানে
চলছে সকল দেশ,
সে আইনে দেশ চালিয়ে
হচ্ছে ক্ষতি করছে দেশকে শেষ।
কোরআন মেনে দেখ তোমরা
মানো স্রষ্টারই বিধান,
দেশের কল্যান তাতেই আছে
সে যে স্রষ্টা দেয়া দান !
কোরআন হলো শান্তি-সুখের
আসল সংবিধান,
মানবগোষ্ঠীর কল্যানে তা
স্রষ্টা সেরা দান।।

ইসলামেরই বিধান মানো
দেখ শান্তি-সুখের সংবিধান যে ঐ,
সুখের রাজ্যে করো রে বাস
স্রষ্টার বিধান লই।।
==============

ইসলামী আইন ও নীতি অনুস্মরণ কর।
আল কোরআন ও আল হাদীসকে সংবিধান রূপে গ্রহণ কর।
তবেই তুমি সবকিছুতে পেতে পার শান্তি এবং সুখ।
***************************

FOLLOW ISLAMIC LAW , RULES AND MORALS. 

ACCEPT AL QURAN AND AL HADITH AS A CONSTITUTION.

SO, YOU CAN GET PEACE AND HAPPINESS AT ALL THINGS. 


PLEASE ACCEPT THE ISLAMIC LAW, RULES AND MORALS. 

AL QURAN IS THE LAST AND FINAL REVELATION OF ALLAH. 

AL QURAN IS THE SOLUTION OF THE PROBLEM OF MANKIND. 

AL QURAN IS FUTURE CONSTITUTION OF BANGLADESH 
=======================================

শনিবার, ২৫ মে, ২০১৩

কবির জন্মদিনে জানাই অশেষ শ্রদ্ধাঞ্জলী - মুহাম্মদ জাকারিয়া শাহনগরী

কবির জন্মদিনে জানাই অশেষ শ্রদ্ধাঞ্জলী
মুহাম্মদ জাকারিয়া শাহনগরী
-----------------------
আজ জাতীয় কবি, সাম্য, দ্রোহ ও প্রেমের কবি 
কাজী নজরুল ইসলামের ১১৪তম জন্মবার্ষিকী। 
কবির জন্ম দিনে জানাই অশেষ শ্রদ্ধাঞ্জলী। 
*************************

জাগরণী
কাজী নজরুল ইসলাম
-----------------

জাগো রে তরুণ জাগো রে ছাত্রদল
স্বতঃ উৎসারিত ঝর্ণাধারায় প্রায় জাগো প্রাণ-চঞ্চল
ভেদ-বিভেদের গ্লানির কারা-প্রাচীর
ধুলিসাৎ করি জাগো উন্নত শির
জবাকুসুম-সঙ্কাশ জাগে বীর,
বিধি নিষেধের ভাঙ্গো ভাঙ্গো অর্গল।
ধর্ম বর্ণ জাতির ঊর্ধ্বে জাগো রে নবীন প্রাণ
তোমার অভ্যুদয়ে হোক সব বিরোধের অবসান
সঙ্কীর্ণতা ক্ষুদ্রতা ভোলো ভোলো
সকল মানুষে ঊর্ধ্বে ধরিয়া তোলো
তোমাদের চাহে আজ নিখিল জনসমাজ
আনো জ্ঞানদীপ এই তিমিরের মাঝ,
বিধাতার সম জাগো প্রেম প্রোজ্জ্বল।
===============

ছাত্রদলের গান
কাজী নজরুল ইসলাম
------------------

আমরা শক্তি আমরা বল
আমরা ছাত্রদল।
মোদের পায়ের তলায় মূর্ছে তুফান
ঊর্ধ্বে বিমান ঝড়-বাদল।
আমরা ছাত্রদল।।

মোদের আঁধার রাতে বাধার পথে
যাত্রা নাঙ্গা পায়,
আমরা শক্ত মাটী রক্তে রাঙাই
বিষম চলার ঘাস।
যুগে যুগে রক্তে মোদের
সিক্ত হ’ল পৃথ্বীতল।
আমরা ছাত্রদল।।

মোদের কক্ষচ্যুত-ধূমকেতু– প্রায়
লক্ষ্যহারা প্রাণ
আমরা ভাগ্যদেবীর যজ্ঞবেদীর
নিত্য বলিদান।
যখন লক্ষ্মীদেবী স্বর্গে উঠেন
আমরা পশি নীল অতল!
আমরা ছাত্রদল।।

আমরা ধরি মৃত্যু রাজার
যজ্ঞ-ঘোড়ার রাশ,
মোদের মৃত্যু লেখে মোদের
জীবন–ইতিহাস!
হাসির দেশে আমরা আনি
সর্বনাশী চোখের জল
আমরা ছাত্রদল।।

সবাই যখন বুদ্ধি যোগায়
আমরা করি ভুল!
সাবধানীরা বাঁধ বাঁধে সব,
আমরা ভাঙি কূল।
দারুণ-রাতে আমরা তরুণ
রক্তে করি পথ পিছল!
আমরা ছাত্রদল।।

মোদের চক্ষে জ্বলে জ্ঞানের মশাল,
বক্ষে ভরা বাক্,
কন্ঠে মোদের কুন্ঠাবিহীন
নিত্য কালের ডাক।
আমরা তাজা খুনে লাল ক’রেছি
সরস্বতীর শ্বেত কমল।
আমরা ছাত্রদল।।

ঐ দারুণ উপপ্লবের দিনে
আমরা দানি শির,
মোদের মাঝে মুক্তি কাঁদে
বিংশ শতাব্দীর!
মোরা গৌরবেরি কান্না দিয়ে
ভ’রেছি মা’র শ্যাম-আঁচল।
আমরা ছাত্রদল।

আমরা রচি ভালোবাসার
আশার ভবিষ্যৎ,
মোদের স্বর্গ-পথের অভাস দেখায়
আকাশ-ছায়াপথ!
মোদের চোখে বিশ্ববাসীর
স্বপ্ন দেখা হোক সফল।
আমরা ছাত্রদল।।
=========

বিদ্রোহী
কাজী নজরুল ইসলাম
-----------------

বল বীর -
বল উন্নত মম শির!
শির নেহারি আমারি, নত-শির ওই শিখর হিমাদ্রীর!
বল বীর -
বল মহাবিশ্বের মহাকাশ ফাড়ি’
চন্দ্র সূর্য্য গ্রহ তারা ছাড়ি’
ভূলোক দ্যুলোক গোলক ভেদিয়া,
খোদার আসন “আরশ” ছেদিয়া
উঠিয়াছি চির-বিস্ময় আমি বিশ্ব-বিধাত্রীর!
মম ললাটে রুদ্র-ভগবান জ্বলে রাজ-রাজটীকা দীপ্ত জয়শ্রীর!
বল বীর -
আমি চির-উন্নত শির!

আমি চিরদুর্দ্দম, দুর্বিনীত, নৃশংস,
মহা- প্রলয়ের আমি নটরাজ, আমি সাইক্লোন, আমি ধ্বংস,
আমি মহাভয়, আমি অভিশাপ পৃথ্বীর!
আমি দুর্ব্বার,
আমি ভেঙে করি সব চুরমার!
আমি অনিয়ম উচ্ছৃঙ্খল,
আমি দ’লে যাই যত বন্ধন, যত নিয়ম কানুন শৃংখল!
আমি মানি নাকো কোনো আইন,
আমি ভরা-তরী করি ভরা-ডুবি, আমি টর্পেডো, আমি ভীম,
ভাসমান মাইন!
আমি ধূর্জ্জটী, আমি এলোকেশে ঝড় অকাল-বৈশাখীর!
আমি বিদ্রোহী আমি বিদ্রোহী-সূত বিশ্ব-বিধাত্রীর!
বল বীর -
চির উন্নত মম শির!

আমি ঝঞ্ঝা, আমি ঘূর্ণী,
আমি পথ-সম্মুখে যাহা পাই যাই চূর্ণী!
আমি নৃত্য-পাগল ছন্দ,
আমি আপনার তালে নেচে যাই, আমি মুক্ত জীবনানন্দ।
আমি হাম্বীর, আমি ছায়ানট, আমি হিন্দোল,
আমি চল-চঞ্চল, ঠুমকি’ ছমকি’
পথে যেতে যেতে চকিতে চমকি’
ফিং দিয়া দিই তিন দোল্!
আমি চপলা-চপল হিন্দোল!

আমি তাই করি ভাই যখন চাহে এ মন যা’,
করি শত্রুর সাথে গলাগলি, ধরি মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা,
আমি উদ্দাম, আমি ঝঞ্ঝা!
আমি মহামারী, আমি ভীতি এ ধরিত্রীর।
আমি শাসন-ত্রাসন, সংহার আমি উষ্ণ চির-অধীর।
বল বীর -
আমি চির-উন্নত শির!

আমি চির-দুরন্ত-দুর্ম্মদ,
আমি দুর্দ্দম, মম প্রাণের পেয়ালা হর্দ্দম্ হ্যায়্ হর্দ্দম্
ভরপুর মদ।
আমি হোম-শিখা, আমি সাগ্নিক, জমদগ্নি,
আমি যজ্ঞ, আমি পুরোহিত, আমি অগ্নি!
আমি সৃষ্টি, আমি ধ্বংস, আমি লোকালয়, আমি শ্মশান,
আমি অবসান, নিশাবসান।
আমি ইন্দ্রাণি-সূত হাতে চাঁদ ভালে সূর্য্য,
মম এক হাতে-বাঁকা বাঁশের বাঁশরী, আর হাতে রণ-তূর্য্য।
আমি কৃষ্ণ-কন্ঠ, মন্থন-বিষ পিয়া ব্যথা বারিধির।
আমি ব্যোমকেশ, ধরি বন্ধন-হারা ধারা গঙ্গোত্রীর।
বল বীর -
চির উন্নত মম শির।

আমি সন্ন্যাসী, সুর-সৈনিক
আমি যুবরাজ, মম রাজবেশ ম্লান গৈরিক!
আমি বেদুঈন, আমি চেঙ্গিস,
আমি আপনা ছাড়া করি না কাহারে কুর্ণিশ!
আমি বজ্র, আমি ঈশান-বিষাণে ওঙ্কার,
আমি ইস্ত্রাফিলের শিঙ্গার মহা-হুঙ্কার,
আমি পিনাক-পাণির ডমরু-ত্রিশূল, ধর্ম্মরাজের দন্ড,
আমি চক্র ও মহাশঙ্খ, আমি প্রণব-নাদ-প্রচন্ড!
আমি ক্ষ্যাপা দুর্বাসা-বিশ্বামিত্র-শিষ্য,
আমি দাবানল-দাহ, দাহন করিব বিশ্ব!
আমি প্রাণ-খোলা-হাসি উল্লাস, – আমি সৃষ্টি-বৈরী মহাত্রাস,
আমি মহা-প্রলয়ের দ্বাদশ রবির রাহু-গ্রাস!
আমি কভু প্রশান্ত, – কভু অশান্ত দারুণ স্বেচ্ছাচারী,
আমি অরুণ খুনের তরুণ, আমি বিধির দর্প-হারী!
আমি প্রভঞ্জনের উচ্ছাস, আমি বারিধির মহাকল্লোল,
আমি উজ্জ্বল আমি প্রোজ্জ্বল,
আমি উচ্ছল জল-ছল-ছল, চল-ঊর্মির হিন্দোল্ দোল!

আমি বন্ধন-হারা কুমারীর বেণী, তন্বী-নয়নে বহ্নি,
আমি ষোড়শীর হৃদি-সরসিজ প্রেম-উদ্দাম, আমি ধন্যি।
আমি উন্মন মন উদাসীর,
আমি বিধাতার বুকে ক্রন্দন-শ্বাস, হা-হুতাশ আমি হুতাশীর!
আমি বঞ্চিত ব্যথা পথবাসী চির-গৃহহারা যত পথিকের,
আমি অবমানিতের মরম-বেদনা, বিষ-জ্বালা, প্রিয়-লাঞ্ছিত
বুকে গতি ফের!
আমি অভিমানী চির-ক্ষুব্ধ হিয়ার কাতরতা, ব্যথা সুনিবিড়,
চিত- চুম্বন-চোর-কম্পন আমি থর-থর-থর প্রথম পরশ কুমারীর!
আমি গোপন প্রিয়ার চকিত চাহনি, ছল ক’রে দেখা অনুখন,
আমি চপল মেয়ের ভালোবাসা, তা’র কাঁকন-চুড়ির কন্-কন্।
আমি চির-শিশু, চির-কিশোর,
আমি যৌবন-ভীতু পল্লীবালার আঁচর কাঁচলি নিচোর!
আমি উত্তর-বায়ু, মলয়-অনিল, উদাসী পূরবী হাওয়া,
আমি পথিক-কবির গভীর রাগিণী, বেণু-বীনে গান গাওয়া!
আমি আকুল নিদাঘ-তিয়াসা, আমি রৌদ্র রবি,
আমি মরু-নির্ঝর ঝর-ঝর, আমি শ্যামলিমা ছায়া-ছবি! -
আমি তুরিয়ানন্দে ছুটে চলি এ কি উন্মাদ, আমি উন্মাদ!
আমি সহসা আমারে চিনেছি, আমার খুলিয়া গিয়াছে
সব বাঁধ!

আমি উত্থান, আমি পতন, আমি অচেতন-চিতে চেতন,
আমি বিশ্ব-তোরণে বৈজয়ন্তী, মানব বিজয় কেতন!
ছুটি ঝড়ের মতন করতালি দিয়া
স্বর্গ-মর্ত্ত্য করতলে,
তাজি বোরবাক্ আর উচ্চৈস্রবা বাহন আমার
হিম্মত-হ্রেস্বা হেঁকে চলে!
আমি বসুধা-বক্ষে আগ্নেয়াদ্রি, বাড়ব-বহ্নি, কালানল,
আমি পাতালে মাতাল অগ্নি-পাথর-কলরোল-কল-কোলাহল!
আমি তড়িতে চড়িয়া উড়ে চলি জোর তুড়ি দিয়া, দিয়া লম্ফ,
আণি ত্রাস সঞ্চারি ভুবনে সহসা, সঞ্চরি’ ভূমি-কম্প!
ধরি বাসুকির ফনা জাপটি’, -
ধরি স্বর্গীয় দূত জিব্রাইলের আগুনের পাখা সাপটি’!
আমি দেব-শিশু, আমি চঞ্চল,
আমি ধৃষ্ট আমি দাঁত দিয়া ছিঁড়ি বিশ্ব-মায়ের অঞ্চল!

আমি অর্ফিয়াসের বাঁশরী,
মহা- সিন্ধু উতলা ঘুম্-ঘুম্
ঘুম্ চুমু দিয়ে করি নিখিল বিশ্বে নিঝ্ঝুম্
মম বাঁশরী তানে পাশরি’
আমি শ্যামের হাতের বাঁশরী।
আমি রুষে উঠে’ যবে ছুটি মহাকাশ ছাপিয়া,
ভয়ে সপ্ত নরক হারিয়া দোজখ নিভে নিভে যায় কাঁপিয়া!
আমি বিদ্রোহ-বাহী নিখিল অখিল ব্যাপিয়া!

আমি প্লাবন-বন্যা,
কভু ধরণীরে করি বরণিয়া, কভু বিপুল ধ্বংস-ধন্যা -
আমি ছিনিয়া আনিব বিষ্ণু-বক্ষ হইতে যুগল কন্যা!
আমি অন্যায়, আমি উল্কা, আমি শনি,
আমি ধূমকেতু-জ্বালা, বিষধর কাল-ফণি!
আমি ছিন্নমস্তা চন্ডী, আমি রণদা সর্বনাশী,
আমি জাহান্নামের আগুনে বসিয়া হাসি পুষ্পের হাসি!

আমি মৃণ্ময়, আমি চিন্ময়,
আমি অজর অমর অক্ষয়, আমি অব্যয়!
আমি মানব দানব দেবতার ভয়,
বিশ্বের আমি চির দুর্জ্জয়,
জগদীশ্বর-ঈশ্বর আমি পুরুষোত্তম সত্য,
আমি তাথিয়া তাথিয়া মথিয়া ফিরি এ স্বর্গ-পাতাল-মর্ত্ত্য
আমি উন্মাদ, আমি উন্মাদ!!
আমি চিনেছি আমারে, আজিকে আমার খুলিয়া গিয়াছে
সব বাঁধ!!
আমি পরশুরামের কঠোর কুঠার,
নিঃক্ষত্রিয় করিব বিশ্ব, আনিব শান্তি শান্ত উদার!
আমি হল বলরাম স্কন্ধে,
আমি উপাড়ি’ ফেলিব অধীন বিশ্ব অবহেলে নব সৃষ্টির মহানন্দে।

মহা- বিদ্রোহী রণ-ক্লান্ত
আমি সেই দিন হব শান্ত,
যবে উৎপীড়িতের ক্রন্দন-রোল, আকাশে বাতাসে ধ্বনিবে না,
অত্যাচারীর খড়গ কৃপাণ ভীম রণ-ভূমে রণিবে না -
বিদ্রোহী রণ-ক্লান্ত
আমি আমি সেই দিন হব শান্ত!
আমি বিদ্রোহী ভৃগু, ভগবান বুকে এঁকে দিই পদ-চিহ্ন,
আমি স্রষ্টা-সূদন, শোক-তাপ-হানা খেয়ালী বিধির বক্ষ করিব-ভিন্ন!
আমি বিদ্রোহী ভৃগু, ভগবান বুকে এঁকে দেবো পদ-চিহ্ন!
আমি খেয়ালী বিধির বক্ষ করিব ভিন্ন!

আমি চির-বিদ্রোহী বীর -
আমি বিশ্ব ছাড়ায়ে উঠিয়াছি একা চির-উন্নত শির!
=====================

বুধবার, ২২ মে, ২০১৩

এতটুকুই ভুল - মুহাম্মদ জাকারিয়া শাহনগরী


গতকাল একজনে একটা প্রেমের কবিতা লিখতে বলেছিল। কিন্তু প্রেমের কবিতা লিখতে এখন আর তেমন মন চায়না। যখন সে প্লীজ প্লীজ শুরু করল আমি আর তাকে ফিরাতে পারলামনা। বললাম ঠিক আছে লিখব। তবে প্রেম ট্রেম বুঝিনা। চিন্তায় যা আসে তাই লিখব। আবার বলতে পারবেনা আমি প্রেমের কবিতা লিখিনি। সে বলল ঠিক আছে, যা পার তাই লিখ। তাই লিখলাম এ লেখাটি -
**************
এতটুকুই ভুল
মুহাম্মদ জাকারিয়া শাহনগরী
----------------------
এতটুকুই ছিল মোর ভুল,
যে ভুলে হারিয়েছি তোমায়
হয়ে গেছে সব ভন্ডুল।।
তুমি একদিন যেতে বলেছিলে
সেদিন আমি যেতে পারিনি,
পত্র লিখেই তা জানাতে চেয়েছি
সে পত্র লিখেও ভুলে আর ছাড়িনি।
এই-ই ছিল মোর ভুল,
আমার উপরে রাগ করেছ তুমি
গ্রহণ করনি আমার পাঠানো ফুল।।
কতবার কতভাবে ডেকেছি তোমায়,
মনে হল চলে গেছ সেই তুমি কোমায়।
জাগাতে চেয়েছি জাগনি তুমি,
বুঝাতে চেয়েছি বুঝনিও তুমি।
কোন লাভ হয়নি সেদিন তোমার কাছে গিয়ে -
তারপর আর হয়নি যাওয়া,
হয়নি আর তোমারই খোঁজ নেওয়া,
রইছি পড়ে আজও তোমার স্মৃতি নিয়ে।
জানতে চাইনি আর তোমার মনোভাব,
যদিও ছিল মোর জীবনে তোমার অভাব।
এই-ই ছিল মোর ভুল,
মুখ ফিরিয়ে নিয়েছ তুমি
ভেঙ্গে দিয়েছ মনের দুইকুল।।
=============

মঙ্গলবার, ৩০ এপ্রিল, ২০১৩

চলো চলো ঢাকায় চলো...

চলো চলো ঢাকায় চলো...
মুহাম্মদ জাকারিয়া শাহনগরী
(দয়া করে ৫ই মে পর্যন্ত এ ছবিটি শেয়ার করুন)
-----------------------------------

চলো চলো ঢাকায় চলো ৫ই মে ঘনিয়ে এলো,
৬ই এপ্রিলের শক্তি নিয়ে যাত্রা পথে কদম ফেলো।

আল্লাহ দ্রোহী - রাসূল (সঃ) দ্রোহী
এক কাতারেই হয় যদি সব,
ভয় নেই ওরে ভয় নেই 
আল্লাহ শব্দে বন্ধ হবে বাতিল কলরব।

আল্লাহ আল্লাহ জিকির চলবে সবার মুখে যত,
আল্লাহ দ্রোহী উড়ে যাবে তুলা উড়ার মত।

লা শারীক আল্লাহ
আমরা যদি মানি,
নাস্তিক্যবাদ ধ্বংসে এবার
এসো সবে ঈমানী আঘাত হানি।

ধর্মদ্রোহী যত আছে হবেরে খতম,
নাস্তিকেরা আঘাত পেয়ে করবে রে মাতম।

শক্তি যতই দেখাক তারা সবই হবে বিকল,
চিরতরে বন্ধী হবে পরবে তারা নরকেরই শিকল।

ঢাকা অবরোধ সফল করতে
চলো চলো ঢাকায় চলো -
দ্বীন প্রতিষ্ঠার শপথ নিয়ে ঢাকায় যাবার পথটা ধরো,
নাস্তিক্যবাদ ধ্বংস হবে
সবার মুখে আওয়াজ তোলো ;
ধর্মদ্রোহী কর্মরোধে ঢাকা অবরোধ সফল করো।

ঐ দেখো ভাই কাঁপে নাস্তিক
হেফাজতের মিছিল দেখে !
গর্জে উঠো মুসলীমেরা
মদদ মাঙ্গো আল্লাহ থেকে।
দেখে নিও ধ্বংস হবে
নাস্তিকদের আস্তানা,
ইসলামেরই রাজপথ এই
নাস্তিকদের রাস্তা না।
=========

বুধবার, ১৭ এপ্রিল, ২০১৩

জীবনের আয়োজন

জীবনের আয়োজন
মুহাম্মদ জাকারিয়া শাহনগরী
---------------------


জীবনের আয়োজনে ছিলনা বিশেষ কিছু ,
কষ্টেরা ছাড়েনি পীঁছু।
সদা ভয় সদা লাজে
জীবনটা হয়েছিল নীচু।
জীবনের চাওয়া ছিলনা বেশী কিছু –
চেয়েছি জীবনকে সুন্দর করে সাজাতে ,
তাই সুউচ্চ মস্তক করিনি কোথাও নীচু ;
চাইনি কখনো মান-সম্মান সব হারাতে।
সম্পদের পাহাড় চাইনি গড়তে –
তাই ছুটিনি কখনো অর্থের পীঁছু ,
চেয়েছি সকল কিছুর মাঝে থাকতে ;
ভাবিনি কখনো হারাতে হবে সকল কিছু।
এই জীবনের পাওয়া হয়নি কিছু –
সুখ-শান্তির খোঁজে হয়েছে জীবনসময় ক্ষয়,
একটুখানি ভালবাসার তরে ছুটেছি সকলের পীঁছু ;
পাইনি ভালবাসা, করে গেছি সুখ-শান্তি প্রাপ্তির অভিনয়।
অভিনয়ে অভিনয়ে গেল যে জীবন,
ঘনিয়েছে যাত্রাসময় হবে যে মরণ।
অঙ্গে দেখা দিবে সফেদ আবরনে নতুন সাজ,
জীবনের সব আয়োজন যেন ফুরিয়েছে আজ।
===================

মঙ্গলবার, ১৬ এপ্রিল, ২০১৩

থমকে যাওয়া জীবন

থমকে যাওয়া জীবন
মুহাম্মদ জাকারিয়া শাহনগরী
----------------------

জীবন আমার চলছেনা আর
ঘনিয়েছে চারিদিকে শুধুই আঁধার-
পাইনা খুঁজে পথটা চলার
দিক হারিয়ে ফেলি বারবার।।
আলো নেই, নেই বায়ুবেগ
চলার পথ দেখিনা আমি-
থমকে যাওয়া জীবন আমার
হারিয়েছে ক্ষমতা পথচলার,
বায়ুবেগ নেই বলে
দোলেনা এই জীবনখানি।
চলতে চেয়েছি কতবার
দিক হারিয়েছি বারবার,
চলার গতি ফিরে পেতে
আলো জ্বেলেছি যতবার,
সেই আলো নিবে গেছে বারবার।।
জীবন পথে আর মোর হয়না চলা,
মনের মাঝে ভাসে হতাশার মেঘের ভেলা।
যেদিকেই যেতে চাই
হয়না যাওয়া,
সেদিকেই বাধা আসে
হয়না চলার পথটা পাওয়া।
এভাবেই আজ জীবন আমার
থমকে গেছে চলেনা আর,
যতই আমি ঠেলেঠুলে চালাতে চাই
চলেনা তাহা থেমে যায় শুধু বারবার।।
================

সোমবার, ১৫ এপ্রিল, ২০১৩

এতটুকু ...

এতটুকু ...
মুহাম্মদ জাকারিয়া শাহনগরী
----------------------

এতটুকু আশা কি আমি করতে পারি,
বন্ধু বলেই ভাববে তুমি আমাকে ?
এতটুকু কি আমি ভাবতে পারি,
বন্ধু রূপেই কাছে পাব তোমাকে ?
এতটুকু কি আমি জানতে পারি,
আমায় নিয়ে কখনো কি ভাব তুমি ?
এতটুকু কি আমি বলতে পারি,
বন্ধু রূপেই তোমায় একটুখানি পেতে চাই আমি ?
এতটুকু কি আমি শুনতে পারি,
কখনো আমায় বন্ধু বলে ডাকছ তুমি ?
এতটুকু কি আমি গুণতে পারি,
দৈনিক কতবার তোমারই নাম জপি আমি ?
এতটুকু কি আমি যেতে পারি,
দূর থেকেই আমি তোমায় দেখে আসতে পারি ?
এতটুকু কি আমি পেতে পারি,
মাঝে মাঝে তুমি আসবে আমার বাড়ি ?
এতটুকু কি আমি কাঁশতে পারি,
জানিয়ে দিতে আমি তোমারই কাছে ?
এতটুকু কি আমি হাসতে পারি,
যদি কখনো দেখি তাল হারা তোমার নাচে ?
এতটুকু কি আমি চাইতে পারি,
তোমার মনটা পেতে চাই দিবে কি তুমি ?
এতটুকু কি আমি গাইতে পারি,
তুমি ভালবাস আর নাইবা বাস ভালবাসি তোমায় আমি ?
=======================

মঙ্গলবার, ৯ এপ্রিল, ২০১৩

কবি ও কবিতায় আমি

কবি ও কবিতায় আমি
মুহাম্মদ জাকারিয়া শাহনগরী
-----------------------

সবাই আমায় কবি ডাকে
কবি আমি না,
কাব্য রূপে লেখা লিখি
কাব্য লিখিনা।
কবিতাকে ভালবেসে
কবির ভুবন ঘুরি,
কবির মত লিখতে গিয়ে
শব্দে শব্দ জুড়ি।
কেমন করে লিখে কবি
কবিতা সকল ?
তাদের কাব্য পড়েই আমি
নিতে যে চাই কাব্যজগত দখল !
লিখে যাই তাই কবির মত
অকবি এই আমি,
কাব্য লিখা হয় কিনা মোর
জানেন অন্তর্যামী।
বাক্য গঠন করিই শুধু
কবির মত করে,
কবিতা কি হয় তাহা
প্রশ্ন সবার তরে ?
========

বৃহস্পতিবার, ৪ এপ্রিল, ২০১৩

লংমার্চ - জিহাদের ডাক

লংমার্চ - জিহাদের ডাক
মুহাম্মদ জাকারিয়া শাহনগরী
----------------------

জিহাদেরই ডাক এসেছে
জাগরে মুসলমান ,
নও জামানার নতুন নকিব
করছে আহবান।।
পুরুষ মুসলীম বাইরে এসো
লংমার্চে যোগ দাও,
নারী মসলীম ঘরে বসে
আল্লাহর কাছে দু’হাত তুলে দাও।
নারায়ে তাকবীর আল্লাহু আকবার
সমস্বরে এই ধ্বনিতে লংমার্চে যোগ দাও,
নাস্তিকেরা নিপাত যাবে
আল্লাহরই নাম লও।
ইসলামেরই দুষমনেরা
যতই বাধা দিক,
আল্লাহরই দল জয়ী হবে
দুষমনেরা পথ হারিয়ে ছুঠবে দিক-বিদিক।
অপশাসন চালায় যারা
দেশ আসনে বসে,
আর বেশীদিন নাইরে তারা
পড়বে তাদের সেই আসনটি ধসে।
আল্লাহদ্রোহী – ধর্মদ্রোহী
নাস্তিক এই সরকার,
আল্লাহরই এই রাজ্যে তাদের
নেই কোন দরকার।
তাসবিহ জপ আল্লাহ আল্লাহ
লংমার্চের দলে,
ধর্মদ্রোহীর বিচার করো
আল্লাহরই আইন বলে।
আল্লাহরই দল ভয় করেনা
তাগুতেরই কাছে,
আল্লাহ নামের শক্ত সে যে
তাদের কাছেই আছে।
আল্লাহদ্রোহী যতই করুক
তালবাহানা আজ,
আল্লাহরই সব সৈনিকেরা
করবে আল্লাহর কাজ।
আল্লাহদ্রোহী – ধর্মদ্রোহী
ধ্বংস হবে একদিন,
আল্লাহরই এই রাজ্যে তারা
হবেই হবে নাম-নিশানাহীন।
ইসলামরই ঝান্ডা ধরে
হওরে আগোয়ান,
বাতিলেরই মোকাবেলায়
দিতে যদি হয় দাওরে জীবন বলিদান।
তিনশ’ তের শহীদী দল
হলো আগোয়ান,
তাদের সাথেই এসো সবে
করো লংমার্চে যোগদান।
নাস্তিক সব এক হয়েছে
ধর্ম নির্মূলে,
এসো মুসলীম ঈমান নিয়ে
নাস্তিক নির্মূলে।
নব্য এজিদগং দেশ শাসনে
চায় যে তারা ইসলামেরই ধ্বংস,
এসো মুসলীম খতম করি
সেই এজিদগং বংশ।
লও মুখে আল্লাহরই নাম
শুনবে সবে ইসলামী জয়গান,
জিহাদেরই ডাক এসেছে
জাগরে মুসলমান।।
আল্লাহু আল্লাহু
জপছে দেখো সবে ,
নাস্তিক্যবাদ ধ্বংস হবে
ইসলাম শুধুই রবে।
ভয় পেওনা, হে মুসলীম !
বাতিল শক্তি দেখে,
যোগ দাও আজ লংমার্চে
ঈমানী শক্তি তোমার অঙ্গে মেখে।
জিকির মুখে তাসবিহ হাতে
হওরে আগোয়ান,
নও জামানার নতুন নকিব
করছে আহবান।
=======

বৃহস্পতিবার, ২৮ মার্চ, ২০১৩

প্রেম হয়ে গেছে

প্রেম হয়ে গেছে
মুহাম্মদ জাকারিয়া শাহগরী
---------------------

হয়ে গেছে ! হয়ে গেছে !!
তারই সাথে প্রেম আমার হয়ে গেছে।।

আজ এতদিন পর
বড়শীতে টান লেগে গেছে।
অনেক চেষ্ঠায় মনেতে মোর
খুশির জোয়ার আজ এসেছে।
গুমরা মুখে হাসির রেখা আজ ফুটেছে।
হয়ে গেছে ! হয়ে গেছে !!
অনেক চাওয়ার পাওয়ার যে আজ হয়ে গেছে।।

আজ বহুদিন পর
অপেক্ষার দিন শেষ হয়েছে।
যার অপেক্ষায় ছিলাম আমি
সেই যে আজ এসে গেছে।
অপেক্ষার সেই কষ্টরা সব চলে গেছে।
হয়ে গেছে ! হয়ে গেছে !!
অনেক চাওয়ার পাওয়ার যে আজ হয়ে গেছে।।

আজ কতদিন পর
সাজানো মোর ফুল বাগানে ফুল ফুটেছে।
আজ কতদিন পর
মনের ঘরে ঘুন ঘুনিয়ে সূর উঠেছে।
শুকনো নদে কল কল কল শব্দে যে আজ পানি ফুটেছে।
হয়ে গেছে ! হয়ে গেছে !!
অনেক চাওয়ার পাওয়ার যে আজ হয়ে গেছে।।
===================