আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের শুভেচ্ছা

বাংলা ভাষার জন্য আত্মত্যাগকারী

সকল মহান ভাষা শহীদগণের প্রতি,
এবং ভাষা আন্দোলনের সাথে সম্পৃক্ত

সকল ভাষা সৈনিক
ও বীর বাঙ্গালীদের জানাই অশেষ শ্রদ্ধাঞ্জলী,
সেইসাথে সকলকে জানাই

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের শুভেচ্ছা।

বিষয় সূচী

সাহিত্য (60) অন্যান্য কবিতা (53) ভালোবাসার পদবিন্যাস ( প্রেম সম্পর্কিত রচনা বিশেষ ) (53) আমার লেখা প্রবন্ধ-নিবন্ধ (37) কবিতা (35) দেশ নিয়ে ভাবনা (33) ফিচার (33) বাংলাদেশ (29) সমসাময়িক (28) খন্ড কাব্য (26) হারানো প্রেম (22) সংবাদ (18) কাল্পনিক প্রেম (16) ইতিহাস (15) প্রতিবাদ (15) সুপ্রভাত প্রবাসী বাংলাদেশ (15) Online Money Making Links (14) দেশাত্মবোধক কবিতা (13) আমার জীবনের দিনপঞ্জী (12) ধর্ম (12) প্রেমের কবিতা (11) ব্যক্তিত্ব (11) রাজনীতি (11) ধর্মীয় আন্দোলন (10) প্রবাসের কবিতা (10) খন্ড গল্প (9) জীবন গঠন (9) বর্ণমালার রুবাঈ (9) ইসলাম (8) প্রগতি (8) মানুষ ও মানবতা (8) হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ (8) VIDEOS (7) আমার লেখালেখির অন্তরালে (7) ইসলামী জাগরণ (7) মানব মন (7) ট্র্যাজেডি (6) শোক সংবাদ (6) সম্প্রীতি (6) নারী স্বাধীনতা (5) প্রেমের গল্প (5) বিজয় দিবসের ভাবনা (5) মৃত্যুপথ যাত্রী (5) সংবাদ মাধ্যম (5) স্মৃতিকথা (5) ঈদ শুভেচ্ছা (4) প্রবাস তথ্য (4) রমজান (4) শুভেচ্ছা (4) Computer Programer (3) আমার ছবিগুলো (3) আমার রাইটিং নেটওয়ার্ক লিংক (3) পর্দা (3) ফটিকছড়ি (3) বাংলাদেশের সংবিধান (3) বিশ্ব ভালবসা দিবস (3) শিক্ষা (3) শিক্ষার্থী (3) স্লাইড শো (3) News (2) VERIETIES POEMS OF VERIOUS POETS (2) আষাঢ় মাসের কবিতা (2) আষাঢ়ের কবিতা (2) ইসলামী রেনেসাঁ (2) ছাত্র-ছাত্রী (2) থার্টি ফাস্ট নাইট (2) নারী কল্যান (2) নারী প্রগতি (2) নির্বাচন (2) বর্ষার কবিতা (2) মহাসমাবেশ (2) শবেবরাত (2) শরৎকাল (2) শাহনগর (2) শ্রদ্ধাঞ্জলী (2) সত্য ঘটনা (2) সত্য-মিথ্যার দ্বন্ধ (2) সফলতার পথে বাংলাদেশ (2) Bannersআমার ছবিগুলো (1) DXN (1) For Life Time Income (1) For Make Money (1) Knowledge (1) Student (1) অদ্ভুত সব স্বপ্নের মাঝে আমার নিদ্রাবাস (1) আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস (1) আহলে সুন্নাহ ওয়াল জামা'আত(সুন্নী) (1) উপন্যাস (1) কবি কাজী নজরুল ইসলাম (1) কোরআন - হাদিসের কাহিনী (1) গল্প (1) চট্টগ্রাম (1) চিকিৎসা ও চিকিৎসক (1) জমজম (1) জাকাত (1) তরুন ও তারুণ্য (1) নারী জাগরণ (1) পরকিয়ার বিষফল (1) ফটিকছড়ি পৌরসভা (1) বন্ধুদিবস (1) বাংলাদেশের প্রখ্যাত আলেম (1) বিবেক ও বিবেকবান (1) বিশ্ব বাবা দিবস (1) বিশ্ব মা দিবস (1) ভ্রমণ (1) মন্তব্য (1) মাহফুজ খানের লেখালেখি (1) রবি এ্যাড (1) রমজানুল মোবারক (1) রেজাল্ট (1) রোগ-পথ্য (1) লংমার্চ (1) শহীদ দিবস (1) শুভ বাংলা নববর্ষ (1) শৈশবের দিনগুলো (1) সমবায় (1) সস্তার তিন অবস্থা (1) সাভার ট্র্যাজেডি (1) সিটি নির্বাচন (1) স্বপ্ন পথের পথিক (1) স্বাধীনতা (1) হ্যালো প্রধানমন্ত্রী (1) ২১ ফেব্রোয়ারী (1)

APNAKE SHAGOTOM

ZAKARIA SHAHNAGARIS WRITING

সকলকে বাংলা নতুন বছরের শুভেচ্ছা

বর্তমান বিশ্বায়নের যুগে আমরা আর বাংলা ভাষায় কথা বলতে চাইনা । নিজের মাতৃভাষাকে যখন-তখন যেখানে সেখানে অবমাননা করে তৎপরিবর্তে ইংরেজী ভাষা ব্যবহার করতে অভ্যাস্থ হয়ে যাচ্ছি বা হয়ে গেছি ।
আরও একটু এগিয়ে গেলে বলতে হয় - আমরা আজ বাঙ্গালী হয়ে বাঙ্গালী জাতিসত্বা ভুলে গিয়ে ইংরেজী জাতিসত্বায় রক্তের ন্যায় মিশে গেছি !

অথচ একদিন আমরা বাঙ্গালী জাতি একতাবদ্ধ হয়ে রাষ্ট্রীয় ভাষা উর্দুকে ত্যাগ করে নিজেদের মাতৃভাষা বাংলাকে রাষ্ট্রীয় ভাষা তথা বাংলা ভাষাকে সর্বত্র প্রচলন করতে প্রাণ দিতে বাধ্য হয়েছিলাম ! ফলে বিজাতীয় ভাষা উর্দূকে অপসারন করে নিজেদের মাতৃভাষায় কথা বলার স্বাধীনতা অর্জন করে বাংলা ভাষাকে ধারন করেছিলাম । যখন আমরা বাংলার সর্বত্র বাংলা ভাষায় কথা বলা শুরু করেছিলাম ,তখন কিন্তু বিশ্বায়নের যুগটা অনুপস্থিত ছিল তা নয় , বিশ্বায়নের যুগটা তখনও ছিল বিধায় আমরা ইংরেজী শিক্ষায় তখনও বাধ্য ছিলাম । অর্থাৎ যে জন্যে আজ আমরা ইংরেজী শিখছি সেইজন্যে তখনও ইংরেজী শিক্ষার প্রচলন ছিল । ছিল ইংরেজী শিক্ষার প্রয়োজনীয়তাও । তাই বলে সে সময় বর্তমান সময়ের মত মাতৃভাষা বাংলাকে অবমাননা করা হয়নি । মানুষ সে সময় বাংলায়ই কথা বলেছিল । শুধুমাত্র প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রেই সে সময় ইংরেজী ব্যাবহার করেছিল বাঙ্গালী জাতি

conduit-banners

Powered by Conduit

ফ্লাগ কাউন্টার

free counters

MZS.ONLINE MONEY MAKING WAY

PLEASE CLICK ON MY BANNERS. VISIT MY AFFILIATE SITE "MZS.ONLINE MONEY MAKING WAY ( অনলাইনে অর্থোপার্জনের একটা মাধ্যম )" I HOPE IT WILL BE HELPFUL FOR YOU. Create your own banner at mybannermaker.com!
প্রেমের গল্প লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
প্রেমের গল্প লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

রবিবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০১২

রূপালী জ্যোৎস্নায় একদিন


রূপালী জ্যোৎস্নায় একদিন
মুহাম্মদ জাকারিয়া শাহনগরী
----------------------

রূপালী জ্যোৎস্নায় একদিন চাঁদপুরের মেঘনার কোলঘেঁসে হাঁটছিলাম তীরভাঙ্গা ঢেউয়ের তালে দিলভাঙ্গা প্রেমের ঢেউ সঙ্গী করে প্রিয়ার হাত ধরে। মেঘনার পাড়ে মাতাল ঢেউয়ের আঁচড়ে পড়া পানির মত আমাদের প্রেমের ঢেউ যেন উপচে পড়ছিল হৃদয়ের তটে। বাকরুদ্ধ আমরা দু'জন। চারিদিকে সুনসান নীরবতা। শুধুই ভেসে আসছে কানে শোঁ শোঁ ধ্বণিতে পানির সাথে বাতাসের প্রেমদ্বন্ধ। নদীর পানিগুলো চিক চিক করছিলো রূপালী চাঁদের আলোয়। মাঝে মাঝে দূর দিয়ে ভেসে যাচ্ছে জোনাকীর মত আলো জ্বালিয়ে লঞ্চ-ষ্টিমার-বোটগুলো। নীরবতা ভেঙ্গে জিজ্ঞেস করলাম প্রিয়াকে :

- এত জায়গা থাকতে রাতবিহারে এ স্থানটি বাচাই করলে কেন ?
- কেন, তোমার খারাপ লাগছে ?
- খারাপ লাগছেনা , জানার কৌতুহল।
- রূপালী জ্যোৎস্না নদীর ধারে যতটুকু সুন্দর লাগে অন্য কোনখানে তত সুন্দর লাগেনা। তাই তোমার আজকের আগমনকে স্মৃতিতে ধরে রাখার জন্য এই বিশেষ স্থান নির্ধারণ।
- সত্যিই তাই, খুবই সুন্দর লাগছে। এমন সুন্দর জ্যোৎস্না আর কখনো দেখা হয়নি। অনেক অনেক ধন্যবাদ এই বিশেষ স্থানে নিয়ে আসার জন্য।
- হাঁটতে হাটতে অনুভব হলো একটি মিষ্টি সুঘ্রান যেন আমোদিত করছে। তোমারও লাগছে নাকি ?
- লাগছে মানে ! আমি তো এই সুঘ্রানের জন্যই এখানে আসি বার বার। তুমি কি এখন খেয়াল করছ সেটা ?
- না , যখন ডানে মোড় নিয়ে যাত্রা শুরু করলাম তখন থেকেই।
- ও তাই, তুমি কি জান কতটি চম্পা ফুলের গাছ পেরিয়ে এলাম ?
- তা আমি কিভাবে জানব ? আমি তো গাছের দিকে তাকাই-ইনি।
- তবে কোন দিকে তাকিয়েছিলে ?
- তাকিয়েছিলাম রূপালী চাঁদ, রূপালী নদ আর জ্যোৎস্নামাখা তোমার রূপালী মুখের দিকে। গাছ দেখার সময় কি আর পেলাম ?
- বাহ্ ! কবি হয়ে গেলে দেখছি !
- কবি হয়েছি কিনা জানিনা, তবে এমন মধুর ক্ষণে কবিতা না লিখতে পারলেও কবি হতে কার না ইচ্ছে করে ? যা হোক, বললে নাতো কয়টা চম্পা গাছ পেরিয়ে এলাম ?
- দশটা । আমার নিজেরই আছে ছয়টা।
- তবে তো এটা চম্পা ফুলের একটা বাগান। কিন্তু তোমার ছয়টা মানে বুঝলামনা। তুমি কি এখানে চম্পা ফুলের গাছ লাগিয়েছ নাকি ?
- হ্যা , এটাকে চম্পা ফুলের বাগানই ধরে নিতে পার। সব মিলিয়ে পঁচিশটা গাছ হলে তো একটা বাগানই। আমি জানিনা আমি গাছ লাগিয়েছি কিনা। তবে বাবা বলেছে আমার বয়স যখন তিন বৎসর তখন আমাকে এখানে নিয়ে এসে আমার হাত দিয়ে দশটা গাছ লাগানো হয়েছিল। দশটা গাছের মধ্যে বেঁচে আছে ছয়টা। তাই ওগুলো আমার গাছ হিসাবেই মনে করি যদিও মালিকানা স্বত্ব দবী করিনা।
- দারুন তো ! তোমার গাছগুলো দেখতে হবে।
- ঠিক আছে ফিরতি পথে দেখিয়ে নেব।
- আমরা আর কতদূর যাব ?
- চম্পা গাছ যতদূর পর্যন্ত আছে ততদূর , তারপর ফিরব।
- আর কতক্ষন হাঁটতে হবে ?
- হিসাব কর , আরও পনেরোটা গাছ অতিক্রম করতে হবে।
- গাছ হিসাব করলে তোমার আার হিসাব কখন করব ?
- মানে ?
- জ্যোৎস্না রাতের প্রেমের হিসাব !
- বুঝলামনা। সেটা কি রকম ?
- কচি খুকী, সব বুঝাতে হবে।
- না বুঝলে বুঝাতে হবেনা ?
- বুঝানোর কাম নেই , গাছ গুণতে এসেছি যখন গাছই গুণে যাই।
- রাগ করছ কেন , তোমার কি করার ইচ্ছা তাই বল।
- তুমি গাছ গুণতে বলে কেন ?
- মনে কর একটা অঙ্ক করতে দিলাম।
- এই ধরণের অঙ্ক এ সময় ভাল লাগেনা।
- কোন ধরণের অঙ্ক ভাল লাগে ?
- রোমান্টিক সময় রোমান্টিক অঙ্ক ?
- রোমান্টিক অঙ্ক ! সেটা কি রকম ?
- এই যেমন ধর , আই লাভ ইউ কতবার বলা হলো ? আগামী দিনের ডেটিং সময় কবে হবে ? এই ধরণের আর কি ?
- বাহ্ ! বেশ রোমান্টিক হয়ে গেলে মনে হচ্ছে ?
- রোমান্টিক হতে পারলাম আর কই ?
- পারলেনা কেন ?
- গাছ গুণতে দিলে কি আর রোমান্টিক হওয়া যায় ?
- কি করতে দিলে রোমান্টিক হওয়া যায় ?
- তা কি শিখাতে হবে ?
- বা রে , আমি কি জানি নাকি , রোমান্টিক কিভাবে হয় ?
- না জানলে থাক, অন্যদিন প্রাক্টিক্যাললি শিখিয়ে দেব।
- ঠিক আছে। আমাদের এখানেই শেষ , চল একটু বসি।
- হ্যাঁ , একটু বসলেই ভাল হয়। পাও ধরে গেছে।
- দেখ দেখ পানির ঢেউ কিভাবে আঁচড়ে পড়ছে !
- তুমি ঢেউ দেখছ ? আমি অন্য কিছু দেখেছি।
- কি ?
- রূপালী ইলিশ !
- কোথায় ?
- পানির সাথে একটা গর্তে ডুকেছে দেখেছি।
- এখানে তো তেমন কিছু দেখছিনা , তোমার ওড়নাটা দাওতো !
- আমার ওড়না দিয়ে কি করবে ?
- দেখই না কি করি ?

দেরী না করে ওড়নাটা নিয়ে খাদে নেমে গেলাম আমি । দৃষ্টি সরাইনি আমার। মাছটি রয়ে গেছে সেখানে এখনো। ওড়নাটা মেলে গর্তে হাত দিয়ে চেপে ধরলাম। যা ভেবেছি তাই । মাছটা ছুটে যেতে প্রাণপণ চেষ্টা করল। পারলনা পালাতে। ধরাশায়ী হলো দুটি হাতের কাছে । ওড়নাটা দিয়ে ভাবে পেঁচিয়ে নিলাম। তুলে আনলাম উপরে। প্রিয়া তার ওড়নার দিকে অপলক দৃষ্টিতে চেয়ে থাকল। বলল :
- এ কি করেছ তুমি ?
- কি করেছি মানে ! দেখছনা রূপালী জ্যোৎস্নার রূপালী ইলিশ ধরে এনেছি।
- তুমি কি পাগল ?
- এই জ্যোৎস্নায় একটু পাগল না হলে কি মানায় ?
- তাই বলে তুমি আমার ওড়না দিয়ে মাছ ধরবে ?
- আরে তুমি ওড়নার চিন্তা করছ , লাভ কি করেছি সেটা তুমি দেখছনা ?
- দিলে তো আমার ওড়নাটা শেষ করে।
- একটা ইলিশের দাম কত জান ? তোমার ওড়নার তিনগুণ।
- ওড়না শেষ হয়েছে তো কি হয়েছে ? স্মৃতিটার ভিত্তি তো মজবুত হয়েছে। এই স্মৃতি কি ভুলতে পারবে ?
- ঠিক আছে , ওড়নার কথা বাদ দিলাম। কোন সাহসে খাদে নেমেছ ? যদি পীচলে গিয়ে পানিতে চলে যেতে কি হত ভেবে দেখেছ ?
- কেন , তুমি আমাকে বাঁচাতে নামতেনা ?
- নামলে কি হত ? দু'জনেই মরতাম।
- মরণকে ভয় করছ কেন ?
- কেন তুমি ভয় করনা ?
- আমি ভয় করলে কি আজ এই রূপালী ইলিশ ধরতে পারতাম ?
- তোমার সাহস দেখে আমি অবাক না হয়ে পারছিনা।
- আর অবাক হবার দরকার নেই। চল , দেরী করার সময় নেই।
- চল , বাড়ি গিয়ে দেখো বাবা কি বলছে। প্রস্তুত থাক গালি শুনার জন্য।
- এই রূপালী ইলিশের কাছে হাজারো গালি কিছুই না।
- তুমি না একটা বদ্ধ উন্মাদ।
- তাই সই।
- তুমি একটা গাদা ।
- তাও মানতে রাজি।
- পাগল।
- পাগল হয়েই তো করতে পেরেছি মাছটা দখল। এবার তোমার গাছ দেখাও।
- ওই তো , ওখান থেকে আমার গাছগুলোর শুরু।
- বেশ বড় হয়েছে দেখছি।
- বড় হবে না ? চৌদ্দ বছর হয়ে গেছে বয়স ।
- দেখি লাইটা জ্বালাওতো মোবাইলের।
- কেন ?
- গাছগুলোতে কিছু একটা লেখা দেখা যাচ্ছে মনে হয় !
- এ দেখি সব আমার নাম লেখা। ব্যাপার কি ?
- আমি যতবারই আসি তোমার নামটা এসব গাছে লিখে দিই।
- কেন ?
- তোমাকে একদিন এই গাছগুলো দেখাব বলে।
- যদি আমি কখনো না আসতাম ?
- আমার ধারণা ছিল , তুমি একদিন আসবেই।
- এমন বিশ্বাস কেন হয়েছিল ?
- জানিনা।
- এ গাছটিতেই শুধু দেখলাম - "Z" IS MY LOVE. কার উদ্দেশ্যে এ লেখাটি ?
- এটাই তোমার জন্য আজকর শেষ অঙ্ক।
- মাছটা একটু ধর।
- কেন ?
- আমিও একটা কিছু লেখতে চাই।
ছুরি দিয়ে সামান্য জায়গার ছাল পরিস্কার করে খোদাই করে লিখে দিলাম প্রিয়ার সেই চম্পা গাছে - " আজকের এই রূপালী জ্যোৎস্নার রাতে রূপালী চাঁদের আলোয় আমাদের এই রাতবিহারের স্মৃতি অমলিন থাকবে - I LOVE YOU PRIYA."
============

বুধবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১২

এক গাধা আর এক গাধীর কথোপকথন


এক গাধা আর এক গাধীর কথোপকথন
মুহাম্মদ জাকারিয়া শাহনগরী
(গল্পের সাথে ছবির কোন সম্পৃক্ততা নেই। ছবিটি গল্পের সাদৃশ্যতার মিলন হিসাবে দেখানো হয়েছে।)
---------------------------------

গাধী : একটা ছবি দিও।

গাধা : কি করবে ছবি দিয়ে ?
গাধী : কি করব সেটা আমার ব্যাপার।
গাধা : কবে দিতে হবে ?
গাধী : রেডী থাকলে আজ দিও রেডী না থাকলে দুই/ তিনদিন পর দিলেও চলবে।
গাধা : কি ধরণের ছবি ?
গাধী : যে ধরণের ছবি তোমার পছন্দ।
গাধা : আমার পছন্দের ছবি তোমার পছন্দ হবে ?
গাধী : আমার পছন্দ হবে না কেন ? তুমি কি পঁচা ছবি দিবে নাকি ?
গাধা : তবুও তোমার রুচি আর আমার রুচি কি এক হবে ?
গাধী : আমাদের মন যেভাবে এক হয়েছে সেভাবে আমাদের রুচিও এক হবে।
গাধা : তবুও যদি বলতে আমার ছবি বাচাইয়ে সহজ হতো।
গাধী : বেশী বকবক করনাতো। ছবি দিতে বলেছি ভাল দেখে একটা ছবি দিলেই হবে।
গাধা : ঠিক আছে , কাল দিব।
গাধী : ঠিক আছে বলে , আবার বলোনা এসে ভুলে গেছ।
গাধা : আর বলতে হবেনা , তোমাকে তো আমি চিনিই।
গাধী : চিনই যখন এত কথা কিসের ? খালি প্যাঁচাল !
গাধা : তোমার সাথে প্যাঁচাল করলে যে আমার সুখ লাগে।
গাধী : ওকে , কাল ছবি না আনলে সুখ ভরিয়ে দিব।
গাধা : আর আনলে কি দেবে ?
গাধী : আদর।
গাধা : ঠিক আছে , কাল ছবি পেয়ে যাবে।

গাধা বাড়ি গিয়ে সারারাত জেগে একটা ছবি বাচাই করল। ন্যাংটা একটা সুন্দর মেয়ের ছবি ! পরদিন নিয়ে আসল সেটা গাধীর কাছে।

গাধা : এই নাও তোমার ছবি । সারারাত জেগে হাজারো ছবি থেকে বাচাই করে এই ছবিটাই আমার কাছে ভাল লাগল তাই নিয়ে এলাম।

গাধী ছবিটা হাতে নিয়ে দেখে তেলে বেগুনে জ্বলে উঠল। সেই সাথে খাট্টাস করে গাধার গালে একটা চড় লাগিয়ে দিল।

গাধী : এটা কার ছবি ? তোমার গার্ল ফ্রেন্ডের ?
গাধা : ছিঃ কি বলছ ? ওটা আমার গার্লফ্রেন্ড হতে যাবে কেন ? আমার গার্লফ্রেন্ড তো তুমিই।
গাধী : তবে এ ছবি আনলে কেন ?
গাধা : বা রে ! তুমিই তো বললে সুন্দর দেখে একটা ছবি আনতে !
গাধী : এই তোমার সুন্দর ! আর আমি কি অন্য মানুষের ছবি আনতে বলেছি ?
গাধা : তবে কার ছবি আনতে বলেছ ?
গাধী : তোমার নিজের ছবি। তুমি না একটা আস্ত গাধা !
গাধা : তুমি কি আমাকে বলেছিলে , আমার নিজের ছবি আনতে ? তুমিও না একটা গাধী।
====================

বৃহস্পতিবার, ২৩ আগস্ট, ২০১২

অভিমানী ঝগড়া


অভিমানী ঝগড়া
মুহাম্মদ জাকারিয়া শাহনগরী
----------------------
আজ এক মেয়ে বন্ধুর সাথে তুমুল ঝগড়া হলো । ঝগড়াটার একটা নাম দিলেই নয় । তাই নাম দিলাম " অভিমানী ঝগড়া " । ঝগড়াটা আর কিছুর জন্য নয় , নেটে এসে চ্যাটে ধরণা না দেয়ার শাস্তি ! তবে আর দেরী নয় , দেখুন আমাদের ঝগড়া।
আমি এক মিনিটের জন্য জরুরী প্রয়োজনে চ্যাট অপশনে অনলাইনে যখন আসি মেয়েটির ম্যাসেজ আসে :
- ম্যাসেজের রিপ্লায় না দিলে তোমার খবর আছে আজকে !
- এটা কোন ধরণের ম্যাসেজ ? আগে মানুষ সালাম দোয়া দেয় তারপর কিছু বলার থাকলে বলে । নেশা করে এসেছো নাকি ?
- তোমাকে সালাম দোয়া দিতাম আগে ! কাছে পাইলে চাবুক দিয়ে কসে মারতাম ।
- চাবুক কি ?
- পান্তা ভাতের ঘি ?
- বুঝেছি , আজ তুমি নশা করেই এসেছ । বড় লোকের বেটিরা এমনই হয়। নেশা চড়ে গেলে হুঁশ থাকেনা।
- হ্যাঁ আমি নেশা করেই এসেছি । তাতে তোমার কি ?
- আমার কি মানে ? তুমি আমাকে যা তা বলবে আর আমি শুনব ?
- শুনতে তো হবেই বাচাধন , শুনার মত কাজ যে কর তুমি !
- কি করেছি আমি ?
- ঈদ গেছে কয়দিন ?
- ঈদ কি ?
- তোমার মাথা ?
- আমার মাথা ঈদ হলো কেমনে ?
- কচি খোকা আমার ! সেটা বুঝনা দেখেই তো বুঝাতে চাইছি ।
- ঠিক আছে বুঝাও , আমার মাথা ঈদ হয় কেমনে ?
- প্রথমে একটা হেমার খুজে নাও ।
- তারপর ?
- তারপর হেমারটা দিয়ে তোমার মাথার উপরে জোরসে মার , বুঝবে তোমার মাথা কিভাবে ঈদ হল ।
- আমি তোমার মত নেশাখোর না, মাতাল হয়ে নিজেকে নিজেই শেষ করে দিতাম।
- ও তাই ! তবে ঈদ কি জিজ্ঞেস করলে কেন ?
- এর উত্তর দিতে গেলে তো তোমকে ভালভাবে বুঝাতে হবে ।
- ঠিক আছে বুঝাও ।
- আগে বল - অর্ধেক বুঝবে না কি পুরা বুঝবে ?
- যেটা ভাল হয় সেটা ।
- যদি তাই হয় , তোমাকে পুরাই বুঝাতে হবে ।
- ঠিক বুঝাও ।
- এভাবে কি বুঝানো যায় ?
- তবে কিভাবে বুঝানো যাবে ?
- তোমাকে আমার কাছে আসতে হবে , আমার সাথে খেতে হবে , আমার সাথে থাকতে হবে , আমার সাথে ঘুমাতে হবে । মোট কথা আমার সাথে ১২ বছর কাটাতে হবে আমার কাছে এসে ।
- ইয়ার্কী কর আমার সাথে ?
- ইয়ার্কী না সত্য বলছি ?
- তুমি না একটা ফাজিল।
- কি আমি ফাজল ? কি ফাজলামী করেছি তোমার সাথে ?
- এই যে , এগুলি যে বললে ফাজলামী ছাড়া আর কি ?
- সেটা ফাজলামী না , যা সত্য তাই বলছি । প্রবাসীদের কাছে ঈদ মূল্যহীন । তারা দেশ থেকে এসে প্রবাসী হয়ে ভুলে গেছে ঈদ কি ? আর কেন ভুলে গেছে সেটা বুঝতে হলে তোমাদের কে প্রবাসীদের সাথে জীবনযাপন করতে হবে । নয়তো বুঝবেনা। ঈদের দিনগুলোই তারা কত কষ্টে দিনযাপন করে তা তোমাদের বুঝে আসবেনা । তাই বলছিলাম - ঈদ কি ?
- সো সরি ! তোমাকে হার্ট করলাম ।
- না ঠিক আছে ।
- বল কি খবর , কেমন আছো ?
- আমরা তো ভালই , তোমার কথা শুনে মনটা খারাপ হয়ে গেলো এসেছিলাম তোমার সাথে ঝগড়া করতে । এখন তোমার মনখুশি কিভাবে করা যায় , সে চিন্তাই করছি।
- থাক আর আমাদের জন্য চিন্তা করতে হবে না । তোমরা যারা দেশে আছ সুখেই থাক । তোমাদের সুখের মধ্য দিয়েই হোক আমাদের জীবনের পথচলা।
- দেশে এসে ঘুরে যাও ।
- আর দেশে ! ভাবছি আর দেশেই যাবোনা ।
- এমন করে বলনাতো ।
- কেমন করে বলতাম ? তুমি কি জাননা আমার খবর ?
- জানি বলেই বলেই তো বলছি , কয়েকদিন দেশে এসে মনকে ঠিক করে যাও।
- না বন্ধু , যে পরিস্থিতি মনে হয় দেশে আসা হবেনা বেশ কয়েকবছর। তবে কোরবানের পর একটা সিদ্ধান্তে আসতে পারব। কোরবানের পর আমার ভিসা রেন্যুর তারিখ। ভিসা রেন্যু হলে দেশে আসার চিন্তাভাবনা করব। ভিসা রেন্যু না হলে স্পন্সর থেকে পালাতে হবে । তার পর বিশ ত্রিশ বছর যা থাকতে পারি , এখানে থেকে কিছু একটা করার চেষ্ঠা করতে হবে।
- আসলে তোমার জন্য খুব খারাপ লাগছে।
- খারাপ লেগে কি হবে ?
- তাও ঠিক , কি করতে পারব আমি , শুধুমাত্র তোমাকে শান্তনা দেয়া ছাড়া ।
- এটুকুই চাই , আর বেশী কিছু না ।
- ঠিক আছে , আমি আর থাকতে পারছিনা , নেটে আসলে ইনবক্সে ম্যাসেজ দিও। আর সম্ভব হলে ফোন করো।
- ওকে , ভাল থেকো।
- তুমিও ভাল থেকো ।
- ঈদ মুবারক ।
- ঈদ মুবারক ।
==========

শনিবার, ১৮ আগস্ট, ২০১২

অপরিচিতার ফোনকল


অপরিচিতার ফোনকল
মুহাম্মদ জাকারিয়া শাহনগরী
----------------------
আজ হঠাৎ করে বাংলাদেশ থেকে একটা অপরিচিত কল আসল দুপুরে। আমি সাধারণতঃ অপরিচিত নাম্বারের কল রিসিভ করিনা। যেসব বন্ধুবান্ধব আমার কাছে কল করেন তাদের সব নাম্বার এন্ট্রি করা আছে। আর যারা নতুন ভাবে কল করতে চান , তাদেরকে বলে দেয়া হয় আপনার নাম্বারটা আগেই বলে দিবেন যাতে কোন সময় কল করলে আমি সহজই রিসিভ করতে পারি। এ ছাড়া নতুন কোন কল আমি রিসিভ করিনা। আজকের কলটাও আমি প্রায় দশবার রিং করার পর রিসিভ করতে বাধ্য হই। রিসিভ করে তো আমি অবাক। মেয়েটি এমন ভাবে কথা বলতে শুরু করল যেন সে আমার খুব কাছের একজন চেনা জানা কেউ। পরে কথা বার্তা শেষ হলে পরিচয় পাই তার। বাড়ি সিলেট , ইন্টারমিডিয়েট সেকেন্ড ইয়ারের ছাত্রী। সিলেট টাউনেই বসবাস। দেখুন তার সাথে আলাপের খতিয়ান ।
- হ্যালো !
- তুমি কোথায় বলতো !
- আমি কোথায় মানে ! আপনি কে ?
- ন্যাকামী করোনা । তোমাকে ভাল করেই চিনি । মিথ্যা বলে পার পেতে পারবেনা !
- আচ্ছা ঠিক আছে , আগে আপনার পরিচয় দিন।
- আমার পরিচয় দিতে হবেনা । প্যাঁচাল বাদ দিয়ে ঈদ মোবারক জানাতে দেরী করছ কেন বলতো !
- আচ্ছা আপনি কি পাগল নাকি উন্মাদ বলেন তো ?
- জানি তো তুমি না চেনার ভান করে এভাবেই বলবে !
- আসলে সত্যিই আপনাকে আমি চিনতে পারছিনা।
- আর চিন্তে হবেনা। আচ্ছা তুমি কি আর পরিবর্তন হবেনা !
- আশ্চর্য তো ! আপনি আপনার পরিচয়টা দিচ্ছেননা কেন ? বললামনা আমি আপনাকে চিনতে পারছিনা। এভাবে আমাকে ডিস্টার্ব করবেননা তো। আপনি আমার পরিচিত কেউ হলে পরিচয়টা দেন নয়তো আমি কল অফ করছি।
- ঠিক আছে , কল অফ করবেননা প্লীজ ।
- তাহলে বলুন আপনি কে ?
- আমি আপনার একজন ফ্যান ভাবতে পারেন। ফেইসবুকে আপনার লেখা পড়ি । ভাল লাগে ।আর আপনার লেখা ভাল লাগতে লাগতে আপনাকেও ভাল লাগতে শুরু করল। যখন দেখলাম ফেইসবুকে আপনার ঈদ শুভেচ্ছা আসেনি । তখন একটু দুষ্টামী করলাম । মনে করেছিলাম ফেইসবুকে আপনার শুভেচ্ছায় আপনাকেও ঈদ শুভেচ্ছা জানাবো । কিন্তু তা না পেরে কল করে দেখলাম আপনাকে পাই কিনা ।
- ওহ সরি ! আপনার বাড়ি কোথায় জানতে পারি ?
- ঠিক আছে , সরি বলতে হবেনা , সরি তো আপনকেই বলতে হয় , আপনাকে অনেক্ষণ ডিষ্টার্ব করলাম। সো সরি, মনে কিছু নিবেননা প্লীজ। আমার বাড়ি সিলেট।
- ও তাই ! কি করেন আপনি ?
- আমি একজন কলেজ ছাত্রী ।
- কোন কলেজে পড়েন ?
- দুঃখিত এ উত্তরটি এখন দিতে পারছিনা।
- ঠিক আছে , কোন ইয়ারে ?
- ইন্টারমিডিয়েট সেকেন্ড ইয়ারে।
- নাইস ।
- থ্যান্কস। ওকে অনেক ডিস্টার্ব করলাম। এখন রাখি ।
- ঈদ মোবারক তো জানালেননা এখনও।
- ও তাইতো , ঈদ মোবারক।
- আপনাকেও।
- ভাল থাকবেন।
- আপনিও ভাল থাকবেন।
- আল্লাহ হাফেজ।
- আল্লাহ হাফেজ।
===========

সোমবার, ১৬ জুলাই, ২০১২

অখ্যাত এক প্রেমের গল্প (০১)


অখ্যাত এক প্রেমের গল্প (০১)
মুহাম্মদ জাকারিয়া শাহনগরী
----------------------

একদিন একটা ছেলে মদিনার এক জনাকীর্ণ স্থানে বসে পরিশ্রান্ত শরীর ও মনে শক্তি সঞ্চার করছিল। চারিদিকে চলছিল মানবযাত্রা। আর সে আনমনে বসে টিপছিল মোবাইল বটম। হঠাৎ এক মেয়ে এসে বললো -


**আপনাকে কোথাও দেখেছি ।
*দেখতেই পারেন , পুরুষ মানুষ তো সব সময় রাস্তা দিয়েই হেঁটে যায় কারনে , অকারনে।
** না , তা নয় । আপনাকে বিশেষ একটা স্থানে দেখেছি।
* আচ্ছা দেখেছেন ভাল কথা , এখন আপনি কি চান তাই বলুন ।
** আচ্ছা মানুষ তো আপনি ! বলার পরিবেশ করতে পারলেই তো বলব, নাকি ?
* তবে কি আপনি বলতে চান - এটা দুষিত পরিবেশ !
** দুষিত ছিলনা , আপনার ব্যবহারে দুষিত হয়ে যাচ্ছে !
*ও তাই ! আমি কি আপনাকে তেমন কিছু বলেছি যে , আপনার ইজ্জত হানি হতে যাচ্ছে !
** বড় বিচিত্র মানুষ তো আপনি !
* আপনি কি আমাকে চিড়িয়াখানার চিড়িয়া ভাবছেন নাকি !
** আপনাকে তাই যদি ভাবা যেতো তবু ভাল হতো।
* বুঝেছি আপনার সাথে প্রেমের আলাপ না করাতেই মনে হয় আপনার খারাপ লাগছে।
** এই তো রেল তার লাইনের উপরে উঠতে শুরু করেছে।
* সেটা আগে বলবেন তো , আমাকে কোথাও দেখার ভান করে আপনি প্রেম করতে চাইছেন ! তবেই তো আপনকে কোলে বসিয়ে প্রেমের আলাপ শুরু করতাম।
** আপনি না একটা সীজ !
* দেইখেন সীজ কে পছন্দ করে , আবার বুকে জড়িয়ে ফেলতে যাবেন না।
** জড়িয়ে ফেলতে পারলে তো ভালই হতো , এত কথা বলা লাগতোনা।
* তাই , তবে বাধা দিচ্ছে কে ? সাহস থাকলে ...
** সাহস দেখতে চান ?
* দেখতে চাইনা , তবে দেখাতে চাইলে কেউ কি বাধা দিয়ে রাখতে পারে ?
** বুঝেছি , আপনাকে সেজে দিলে আপনি মানাও করেন না।
*এতই যখন বুঝেন এত কথা কেন ?
** কোন কথা না বলে , কিছু দেয়াতে কি মজা আছে ?
* তবে তো আপনি মজাও করতে জানেন দেখছি।
** মজা আর দেখাতে দিলেন কই ?
* আমি কি আর দেওয়া লাগে ? এতক্ষণ সেজ সেজে যে মজা দেখালেন...
** চলুন না একটু নিরিবিলি স্থানে বসে আলাপ করি ।
* কেন আপনি আমার কে ? পুলিশে দেখলে সোজা মুতাওয়া অফিসে । জানেন তো ?
** না জানলে কি এতক্ষণ আপনার সাথে কথা বলতাম ?
* বুঝলাম না।
** এত বুঝার কাম নেই । যা বলছি তাই করেন ।
* আপনি কি আমার ঘরণী নাকি যে , আপনার কথায় আমি উঠব বসব ?
** এই তো বুঝে গেছেন পুলিশে জিজ্ঞেস করলে কি পরিচয় দিতে হবে !
* মানে ?
** আবার মানে ? আমরা স্বামী-স্ত্রী ! বিয়ে করে বেড়াতে এসেছি।
* ঠিক আছে , তাই বলবো । তবে এক বিছানায় থাকতে রাজি আছেন তো ?
** আপনি না বেশী কথা বলেন ।
* হাঁ , সব সুবিধা আপনি ভোগ করবেন , আর আমার সুবিধার কথা বললে আমি বেশী কথা বলি , তাই না ?
** আচ্ছা , সুবিধা - অসুবিধা চিনেন আপনি ?
* কেন আপনি এখনো বুঝতে পারেননি , বুঝিয়ে দিতে হবে ?
** বুঝিয়ে দেয়ার দরকার নেই , অনেক বুঝে ফেলেছি ।
* কি বুঝেছেন ?
** এই , আপনি সুবিধাভোগী , স্বার্থপর ।
* আমি যদি তাই হই , আপনি ?
** এভাবে কি শুধু প্রশ্নোত্তর পর্ব চলবে ?
* আর কি করতে চান আপনি ?
** সেটা দেখানোর জন্যই তো বলছি একটু নিরিবিলিতে চলুন।
* ঠিক আছে , চলুন । দেখি আপনি কি দেখাতে চান ।
** চলুন ।
বলেই সেই ছেলেটির হাত ধরে টেনে নিয়ে বসাল এমন এক স্থানে , যেখানে দু'জনকে কেউ দেখবেনা। ছেলেটি বসেই বললো -
* কি দেখাবেন দেখান ।
** দেখাচ্ছি ।
এই বলেই মেয়েটি ছেলেটিকে কাছে টেনে নিয়ে .....
। এখানেই মেয়েটির সাথে ছেলেটির প্রথম দিনের পরিচয় পর্ব শেষ । শুরু হয় তিনদিন পর দ্বিতীয় দিনের পরিচয় পর্ব।
==================