আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের শুভেচ্ছা
বাংলা ভাষার জন্য আত্মত্যাগকারী
সকল মহান ভাষা শহীদগণের প্রতি,
এবং ভাষা আন্দোলনের সাথে সম্পৃক্ত
সকল ভাষা সৈনিক
ও বীর বাঙ্গালীদের জানাই অশেষ শ্রদ্ধাঞ্জলী,
সেইসাথে সকলকে জানাই
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের শুভেচ্ছা।
বিষয় সূচী
APNAKE SHAGOTOM
সকলকে বাংলা নতুন বছরের শুভেচ্ছা
অথচ একদিন আমরা বাঙ্গালী জাতি একতাবদ্ধ হয়ে রাষ্ট্রীয় ভাষা উর্দুকে ত্যাগ করে নিজেদের মাতৃভাষা বাংলাকে রাষ্ট্রীয় ভাষা তথা বাংলা ভাষাকে সর্বত্র প্রচলন করতে প্রাণ দিতে বাধ্য হয়েছিলাম ! ফলে বিজাতীয় ভাষা উর্দূকে অপসারন করে নিজেদের মাতৃভাষায় কথা বলার স্বাধীনতা অর্জন করে বাংলা ভাষাকে ধারন করেছিলাম । যখন আমরা বাংলার সর্বত্র বাংলা ভাষায় কথা বলা শুরু করেছিলাম ,তখন কিন্তু বিশ্বায়নের যুগটা অনুপস্থিত ছিল তা নয় , বিশ্বায়নের যুগটা তখনও ছিল বিধায় আমরা ইংরেজী শিক্ষায় তখনও বাধ্য ছিলাম । অর্থাৎ যে জন্যে আজ আমরা ইংরেজী শিখছি সেইজন্যে তখনও ইংরেজী শিক্ষার প্রচলন ছিল । ছিল ইংরেজী শিক্ষার প্রয়োজনীয়তাও । তাই বলে সে সময় বর্তমান সময়ের মত মাতৃভাষা বাংলাকে অবমাননা করা হয়নি । মানুষ সে সময় বাংলায়ই কথা বলেছিল । শুধুমাত্র প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রেই সে সময় ইংরেজী ব্যাবহার করেছিল বাঙ্গালী জাতি ।
conduit-banners
Powered by Conduit |
বুধবার, ১১ মে, ২০১৬
দেশ হারালো একজন স্বনামধন্য ও দেশবরেন্য আলেম কে, আর আমরা হারালাম আমাদের স্বজন একজন প্রিয়জনকে
বৃহস্পতিবার, ৯ মে, ২০১৩
ফটিকছড়ির শাহনগরবাসীরা নীচের সংবাদটি লক্ষ্য করুন - মুহাম্মদ জাকারিয়া শাহনগরী
স্কুলটিতে যান , কি সমস্যা পর্যবেক্ষন করুন। নাকি শিক্ষকদের ব্যবসার জন্য স্কুলে ছাত্রদের কোন পাঠদান হয়না ? শুনেছি , স্কুল শিক্ষরা প্রাইভেট পড়াতে ক্লাসে তেমন উত্তম পাঠ দিতে চান না। আমি এই স্কুলের কথা বলছিনা। কিছুদিন আগে দেখেছি, ক্লাসের বাইরে যে সব শিক্ষক প্রাইভেট পড়াচ্ছে তাদের ধরপাকড় চালানো হচ্ছে। কেন ? নিশ্চয় কারণ আছে। আর সেই কারণটি তলিয়ে দেখতে হবে। আমরা মানি , শিক্ষকরা উপযুক্ত পারিশ্রমিক পান না বলে প্রাইভেট পড়িয়ে থাকেন। তাই শিক্ষকদের আর্থিক দিকেও স্কুলের গভর্ণিংবডিকে নজর দিতে হবে। শিক্ষকদের বেতন বাড়িয়ে তাদের প্রাইভেট পড়ানো বন্ধ করতে হবে। তবেই শিক্ষকরা ক্লাসে পাঠদানে মনোযোগী হবেন। ক্লাসে শিক্ষকদের পাঠদান উন্নত হলে স্কুলের শিক্ষামানও উন্নীত হবে। তাই স্কুল কমিটি ও স্কুলের প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রীদের স্কুলের মানোন্নয়নে এগিয়ে আসতে হবে। নিতে হবে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ।
পুরো শাহনগর গ্রামটিতে মাত্র একটি মাত্রই স্কুল। এই স্কুলটিই যদি মানসম্মত না হয়, তবে সে লজ্জা কার ? পুরো গ্রামের মানুষদেরই। সবচেয়ে বেশী লজ্জা হবে সেইসব মানুষদের, যারা উক্ত গ্রামের বড় বড় শিক্ষিত ব্যক্তি। কারণ, অন্ধজনে দেহ আলো। অন্ধদের আলোর মুখ দেখানোর দায়িত্ব আলোকিত মানুষদেরই। যে সব বড় বড় শিক্ষিত আলোকিত মানুষ গ্রামের অধিবাসী তাদের দায়িত্ব হচ্ছে অন্ধকার গ্রামকে তাদের সেই আলো দিয়ে আলোকিত করা। আশাকরছি সব আলোকিতরাই গ্রামের অন্ধকার ঘুছাতে আত্মনিয়োজিত হবেন।
************************
পাশের হার বৃদ্ধি পেলেও জি.পি.এ ৫ গতবারের চেয়ে এবার অনেকাংশে কমেছে।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জনা যায়, ফটিকছড়িতে চলতি বছরে এস.এস.সি পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৩হাজার ৩ শত ৪৯জন ।
যেখানে পাশ করেছে ২ হাজার ৯ শত শিক্ষার্থী । উপজেলায় এক মাত্র খিরাম উচ্চ বিদ্যালয় শতভাগ পাশ করেছে।
এছাড়া উপজেলার সর্বোচ্চ জি.পি.এ ৫ পাওয়া বিদ্যালয় হচ্ছে -
01.ফটিকছড়ি করোনেশন আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় । যেখানে মোট ১৪ শিক্ষার্থী জি.পি.এ ৫ পেয়েছে।
02.নানুপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়(১১জন),
03.নানুপুর আবু ছোবহান উচ্চ বিদ্যালয়(৬ জন),
04.ধুরুং খুলশী লায়ন্স উচ্চ বিদ্যালয় (৫জন),
05.শান্তিরহাট উচ্চ বিদ্যালয়(৫ জন),
06.ধর্মপুর উচ্চ বিদ্যালয়(৪জন),
07.মাইজভান্ডার আহমদিয়া রহমানীয়া উচ্চ বিদ্যালয়(৪জন),
08.রোসাংগিরী উচ্চ বিদ্যালয়(৪ জন),
09.হেঁযাকো বনানী উচ্চ বিদ্যালয়(৩জন),
10.উত্তর ধর্মপুর উচ্চ বিদ্যালয়,
11.সমিতিরহাট উচ্চ বিদ্যালয়(২জন),
12.ফটিকছড়ি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়(২জন),
13.হারুয়ালছি উচ্চ বিদ্যালয়(২জন),
14.ভূজপুর ন্যাশনাল আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়(২জন),
15.হইদচকিয়া বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়(২জন),
16.আজিমপুর উচ্চ বিদ্যালয়(২জন),
17.জাহানপুর লতিফা খাতুন উচ্চ বিদ্যালয়(২ জন),
18.গজারিয়া জেবুন্নসা পাড়া উচ্চ বিদ্যালয়(১জন),
19.সুয়াবিল উচ্চ বিদ্যালয়(১ জন),
20.দৌলতপুর এ বি সি উচ্চ বিদ্যালয়(১ জন),
21.গুলতাজ মেমেরিয়াল স্কুল এন্ড কলেজ (১ জন),
22.নাজিরহাট আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়(১ জন),
23.নাজিরহাট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়(১ জন),
24.জাহানপুর আমজাদ আলী আব্দুল হাই ইনিষ্টিটিউট(১ জন)
25....................................................
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বাবুল চন্দ্র নাথ বলেন - সার্বিক দিক থেকে জি.পি.এ-৫ গত বছরের চেয়ে কম পেলেও পাশের হার বৃদ্ধি পাওয়ায় আমরা সন্তুষ্ট।
শনিবার, ৬ অক্টোবর, ২০১২
চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি পৌরসভার প্রথম পৌর নির্বাচন অনুষ্ঠিত
গতকাল শনিবার চট্টগ্রামের নবগঠিত ফটিকছড়ি পৌরসভার প্রথম নির্বাচন অনুষ্টিত হয়। নির্বাচনে প্রথমবারের মতো মেয়র নির্বাচিত হন আওয়ামীলীগ সমর্থক প্রার্থী হাজি মোহাম্মদ ইসমাইল হোসেন। তিনি ফটিকছড়ি পৌরসভার প্রথম মেয়র হিসাবে নিজেকে দাঁড় করার গৌরব অর্জন করেছেন। পৌরসভা গঠনের এক বছর পর চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার এ প্রথম পৌরসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ১৭টি ভোটকেন্দ্রে একটানা এ ভোটগ্রহণ চলে। অপ্রীতিকর কোন ঘটনা ছাড়াই চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার এ প্রথম পৌরসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
নবগঠিত উক্ত পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে ৫ জন,সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে ১১ জন ও সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৫৯ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ২৫ হাজার ৪৪০ জন ভোটার প্রথম পৌর মেয়র ও কাউন্সিলর নির্বাচনে ভোট দানে অংশ নেন । এর মধ্যে পুরুষ ১১ হাজার ৯৪৯ জন ও নারী ভোটার ১৩ হাজার ৪৯১ জন । নির্বাচনে উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য হাজি মোহাম্মদ ইসমাইল হোসেন চশমা প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে পেয়েছেন ৭ হাজার ৮৬৮ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি উপজেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা এম সিরাজুল ইসলাম তালা প্রতীকে নিয়ে পেয়েছেন ৫ হাজার ৭০১ ভোট।
এ নির্বাচনের অন্য মেয়র প্রার্থীরা ছিলেন বিএনপি সমর্থিত মোবারক হোসেন কাঞ্চন (দোয়াত-কলম) ও মো. ইদ্রিস রায়হান (আনারস) ও নাগরিক কমিটি থেকে আসা মো. করিম উল্লাহ চৌধুরী (দেয়ালঘড়ি)।
ভোট গ্রহণ উপলক্ষে পৌর এলাকায় বিশেষ নিরাপত্তা বেষ্টনী গড়ে তোলা হয়। মোতায়েন করা হয় অতিরিক্ত পুলিশ । এছাড়া র্যাব-পুলিশ-বিজিবি’র সমন্বয়ে স্পেশাল ব্রাঞ্চ গঠন করা হয়। ১৭ টি ভোট কেন্দ্রে ১৩ জন নির্বাহী ম্যাজিষ্টেড এর নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত কাজ করে। সুষ্ঠুভাবে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন করার জন্য প্রতি কেন্দ্রে ১১ জন পুলিশ, ১৪ জন আনসার মোতায়ন করা হয়। এ ছাড়া নির্বাচনী এলাকায় ১১ জন ম্যাজিস্ট্রেট, ৫টি পুলিশের ভ্রাম্যমাণ দল, দুই প্লাটুন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটেলিয়ান (র্যাব) সার্বক্ষণিক টহলে থাকে।
ভোটগ্রহণ নিয়ে কোন ধরনের অভিযোগ না থাকলেও দুপুরে পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডে কে এম টেক সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে জাল ভোট দেয়ার চেষ্টা করায় দু`জনকে আটক করে পুলিশের হাতে সোপর্দ্দ করেন প্রিজাইডিং কর্মকর্তা আকরাম হোসেন।
উল্লেখ্য যে, ২০১১ সালের ৩১ মার্চ ঘোষিত এ পৌরসভার প্রথম নির্বাচনী তফশিল গত ১৩ আগষ্ট নির্বাচন কমিশন ঘোষনা করে। ২০ সেপ্টেম্বর নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ভোটার তালিকা হালনাগাদ হয়নি উল্লেখ করে হাইকোর্টে রীট আবেদন করায় ১৭ আগষ্ট স্থগিত হয়ে যায় নির্বাচন। পরে সুপ্রীম কোট হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করলে নতুন নির্বাচনের তারিখ ৬ অক্টোবর শনিবার ঘোষণা করা হয়। এ ঘোষনা অনুষারে গতকাল শনিবার এ নির্বাচন অনুষ্টিত হয়।




