আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের শুভেচ্ছা
বাংলা ভাষার জন্য আত্মত্যাগকারী
সকল মহান ভাষা শহীদগণের প্রতি,
এবং ভাষা আন্দোলনের সাথে সম্পৃক্ত
সকল ভাষা সৈনিক
ও বীর বাঙ্গালীদের জানাই অশেষ শ্রদ্ধাঞ্জলী,
সেইসাথে সকলকে জানাই
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের শুভেচ্ছা।
বিষয় সূচী
APNAKE SHAGOTOM
সকলকে বাংলা নতুন বছরের শুভেচ্ছা
অথচ একদিন আমরা বাঙ্গালী জাতি একতাবদ্ধ হয়ে রাষ্ট্রীয় ভাষা উর্দুকে ত্যাগ করে নিজেদের মাতৃভাষা বাংলাকে রাষ্ট্রীয় ভাষা তথা বাংলা ভাষাকে সর্বত্র প্রচলন করতে প্রাণ দিতে বাধ্য হয়েছিলাম ! ফলে বিজাতীয় ভাষা উর্দূকে অপসারন করে নিজেদের মাতৃভাষায় কথা বলার স্বাধীনতা অর্জন করে বাংলা ভাষাকে ধারন করেছিলাম । যখন আমরা বাংলার সর্বত্র বাংলা ভাষায় কথা বলা শুরু করেছিলাম ,তখন কিন্তু বিশ্বায়নের যুগটা অনুপস্থিত ছিল তা নয় , বিশ্বায়নের যুগটা তখনও ছিল বিধায় আমরা ইংরেজী শিক্ষায় তখনও বাধ্য ছিলাম । অর্থাৎ যে জন্যে আজ আমরা ইংরেজী শিখছি সেইজন্যে তখনও ইংরেজী শিক্ষার প্রচলন ছিল । ছিল ইংরেজী শিক্ষার প্রয়োজনীয়তাও । তাই বলে সে সময় বর্তমান সময়ের মত মাতৃভাষা বাংলাকে অবমাননা করা হয়নি । মানুষ সে সময় বাংলায়ই কথা বলেছিল । শুধুমাত্র প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রেই সে সময় ইংরেজী ব্যাবহার করেছিল বাঙ্গালী জাতি ।
conduit-banners
Powered by Conduit |
বুধবার, ২৯ মে, ২০১৩
শান্তি-সুখের সংবিধান : মহাগ্রন্থ আল কোরআন (আল কোরআন বাংলাদেশের ভবিষ্যত সংবিধান)
বৃহস্পতিবার, ২৩ মে, ২০১৩
হাসিনার ফাঁসির রায় ঘোষনার আনন্দে এক থাপ্পড়ে বন্ধুর নাক ফাটিয়ে দেয়া হল !! - মুহাম্মদ জাকারিয়া শাহনগরী
- থাপ্পর দিয়ে নাক ফাটিয়ে দিয়ে আবার জিজ্ঞেস করছস আমার কি হয়েছে ?
= কি ! আমি তোকে থাপ্পর দিয়েছি ? আরে আমি তো স্বপ্নের মাঝে খুশিতে টেবিলে থাপ্পড় দিয়েছি !
- তুই টেবিলে থাপ্পড় দিছস না ! দেখ এখন কি অবস্থা ? শালা ! এত খুশি কিল্লাই কস ত ?
= সরি দোস্ত ! আরে আমি কি স্বপ্ন দেখেছি তুই ত জানস না। জানলে তুই শুধু টেবিলে থাপ্পড় না, পুরা টেবিলটাই ভাইঙ্গে ফেলতি।
- তাই ! শুনি কি সেই স্বপ্ন ?
= দাঁড়া আগে তোর রক্ত পড়া বন্ধ করার ব্যবস্থা করি ([চট্টগ্রামের ভাষায়] "তুআইন্যা পাতা" পিষে রস বের করে তা নাকে লাগিয়ে দিল সে, মিনিটের মধ্যেই রক্ত বন্ধ হয়ে গেল বন্ধুর )।
- রক্ত বন্ধ হইছে এবার বল কি স্বপ্ন দেখছস, যার জন্য আমার নাকটাই ফাটাইয়্যা দিতে হল।
= আরে স্বপ্ন দেখি দেশে তত্ববধায়ক সরকার গঠন হইছে। আর হাসিনা সদলবলে গেফতার হইয়া রিম্যান্ডে গেছে। তত্ববধায়ক সরকারের প্রধান হইছে হেফাজতে ইসলামের আল্লামা আহমদ শফি সাহেব। তিনি নির্দেশ দিছেন মাওলানা হাফেজ জোনায়েদ সাহেবরে যেভাবে হাসিনা রিম্যান্ডে নিয়ে কথা আদায়ের চেষ্ঠা করেছে ঠিক সেভাবেই যেন হাসিনার মুখ থেকে কথা আদায় করা হয় যে , হাসিনার বাপকে কে মেরেছিল তা যেন সে বলে। রিম্যান্ডে হাসিনার কাছ থেকে কথা আদায়ের দায়িত্ব পড়ে নতুন সরকারের সেনা প্রধান মাওলানা হাফেজ জোনায়েদ সাহেবের উপর। এখন বুঝতে পারছস কি ঘটেছে হাসিনার উপর? শেষমেষ হাসিনা স্বীকার করতে বাধ্য হল, তার বাবাকে হত্যা করা হয়েছে তার অর্ডারেই। হাসিনা নিজে ক্ষমতা দখলের জন্য তার বাবাকে হত্যা করতে মেজর ডালিমরে নির্দেশ দিয়েছিল। রিম্যান্ড শেষ হল। আদালতে পিতৃ হত্যার আদেশ দাতা হিসাবে হাসিনার ফাঁসির রায় ঘোষনা করা হল। এই ঘোষনা শুনেই তো টেবিলে থাপ্পড় দিয়েছিলাম আনন্দের ঠেলায়।
শনিবার, ৪ মে, ২০১৩
নব সেনার গান - মুহাম্মদ জাকারিয়া শাহনগরী
বৃহস্পতিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০১৩
যেসব সংগঠনের নারীদের নিয়ে সরকার আল্লাহর বিরুদ্ধে যুদ্ধে করতে মরিয়া হয়ে উঠেছিল সেইসব নারীরাই আজ সরকারের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে এ যেন ইসলাম ও আল্লাহ বিরোধীদের জন্য আল্লাহর গজবের বাস্তব প্রতিফলন
বিভিন্ন খবরে প্রকাশ ঢাকার আরও কয়েকটি গার্মেন্টস ভবনে ফাটল দেখা দিয়েছে। সেসব ভবন থেকে শ্রমিকদের সরিয়ে নেয়া হচ্ছে ,'রানা প্লাজা ট্র্যাজেডি'র মত আর কোন ঘটনা যাতে না ঘটে সেসব ভবনের মালিক ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের যথাযোগ্য পদক্ষেপ নেয়া উচিত বলে মনে করছি।
'রানা প্লাজা ট্র্যাজেডি'তে শ্রমিক ভাই-বোনদের মৃত্যুতে আমরা শোকাহত, আমরা মর্মাহত, আমরা নির্বাক, আমরা হতবাক, আমরা নিস্তব্ধ, আমরা আতঙ্কিত, আমরা স্বজনহারা, আমরা দিকহারা, আমরা হতাশাগ্রস্থ, আমরা বেদনাগ্রস্থ, আমরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। শোকাহত, মর্মাহত সমগ্র বাংলাদেশ।
এই ট্র্যাজেডিতে নিহত,আহত,ক্ষতিগ্রস্থদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানানোর ভাষা আমরা হারিয়ে ফেলেছি। এই ট্র্যাজেডির লাশের মিছিলে আমরাও হয়ে গেছি জীবন্ত লাশ। আমরা এই ট্র্যাজেডিতে নিহতদের আত্মার শান্তি কামনা করছি। তাদের পরিবারের প্রতি জানাচ্ছি সমবেদনা। যারা আহত হয়ে চিকিৎসাধীন তাদের দ্রুত আরোগ্যতা কামনা করছি। যারা ক্ষতিগ্রস্থ তারা এই ক্ষতি থেকে যাতে শীঘ্রই বেরিয়ে আসতে পারে তার জন্য আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করছি।
প্রসঙ্গত উল্লেখ করতে চাই, সরকার হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ (আল্লাহর সন্তুষ্টির একমাত্র পথ ইসলামের হেফাজতকারী বাংলাদেশের নির্ভরযোগ্য সংগঠন) – এর ইসলাম প্রতিষ্ঠার আন্দোলনের বিরুদ্ধে গার্মেন্টস শ্রমিকদের নিয়ে অবস্থান করতে গিয়ে এখন সরকার নিজেই সেই গার্মেন্টস শ্রমিকদের তোপের মুখে পড়েছে।
গার্মেন্টস শ্রমিকরা রাস্তায় নেমে গেছে। সর্বত্র চলছে তাদের বিক্ষোভ, অবরোধ। 'রানা প্লাজা ট্র্যাজেডি'র ক্ষোভের আগুন ধাউ ধাউ করে জ্বলছে চারিদিকে। চলছে সরকারী নিরাপত্তারক্ষীদের সাথে তাদের সংঘর্ষ। এ সব সংঘর্ষে আহত হয়ে লুটিয়ে পড়ছে তারা রাজপথে। তবুও তাদের ক্ষোভের আগুন নির্বাপিত হচ্ছেনা। তারা চালাচ্ছে বিভিন্ন গার্মেন্টসে ভাংচুর। তাদের প্রতিবাদ জানাতে করছে তারা যানবাহনের উপর হামলা। রাজধানীর বৃহদাংশ গার্মেন্টস শ্রমিক এখন ঘীরে রেখেছে বিজিএমই ভবন সহ বিভিন্ন সাংগঠনিক দফতর। পুরা রাজধানী তথা সমগ্র দেশের গার্মেন্টস শ্রমিকরা হাজার হাজার গার্মেন্টস শ্রমিকদের হত্যার প্রতিশোধ নিতে হয়ে গেছে বেপরোয়া। যেন সমগ্র দেশ আজ জ্বলন্ত এক অগ্নিকুন্ড। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ভাবে হাজার হাজার গার্মেন্টস শ্রমিক হত্যা ও নির্যাতনকারী অপরাধী মালিক ও কর্তৃপক্ষের গ্রেফতার ও সর্বোচ্ছ শাস্তির দাবীতে সমগ্র রাজধানী সহ দেশের সর্বত্র চলছে প্রতিবাদের উত্থাল জোয়ার।
সরকার কয়েকদিন ধরে এসব শ্রমিকদের নিয়েই হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ (আল্লাহর সন্তুষ্টির একমাত্র পথ ইসলামের হেফাজতকারী বাংলাদেশের নির্ভরযোগ্য সংগঠন) – এর ইসলাম প্রতিষ্ঠার আন্দোলনের বিরুদ্ধে অবস্থানের মহাপরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছিল। কিন্তু, মনে হয় সরকারের স্রষ্টাবিরোধী সেই মহাপরিকল্পনায় প্রতিবন্ধকতা করতেই সংঘটিত হয়েছে 'রানা প্লাজা ট্র্যাজেডি'।
শনিবার, ২০ এপ্রিল, ২০১৩
আস্তিক ও নাস্তিক
রবিবার, ৭ এপ্রিল, ২০১৩
এভাবেই নাস্তিক - মুর্তাদ - কাফেরদের চোখে ধুলো দিয়ে তাদের শক্তিকে শোকে পরিণত করে দেখান সর্বশক্তিমান মহান আল্লাহ তার অলৌকিক শক্তি দেখানোর মধ্য দিয়ে
হেফাজতে ইসলাম প্রমাণ করেছে বাংলাদেশের মুসলমান ইসলামী অনুশাসন সমৃদ্ধ দেশ পরিচালনার সংবিধান চায়
বৃহস্পতিবার, ৪ এপ্রিল, ২০১৩
লংমার্চ - জিহাদের ডাক
শনিবার, ২ মার্চ, ২০১৩
হে মুসলমান ! জেগে উঠো
বৃহস্পতিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৩
মুসলমানরা শিক্ষা নাও কিভাবে গঠন করতে হয় সকল মুসলীমদের একটা ঐক্যমঞ্চ
![]() |
| সংগৃহীত ছবি |
শিখে নাও
তারা চায় না
তাই,
আর যদি


















