আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের শুভেচ্ছা

বাংলা ভাষার জন্য আত্মত্যাগকারী

সকল মহান ভাষা শহীদগণের প্রতি,
এবং ভাষা আন্দোলনের সাথে সম্পৃক্ত

সকল ভাষা সৈনিক
ও বীর বাঙ্গালীদের জানাই অশেষ শ্রদ্ধাঞ্জলী,
সেইসাথে সকলকে জানাই

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের শুভেচ্ছা।

বিষয় সূচী

সাহিত্য (60) অন্যান্য কবিতা (53) ভালোবাসার পদবিন্যাস ( প্রেম সম্পর্কিত রচনা বিশেষ ) (53) আমার লেখা প্রবন্ধ-নিবন্ধ (37) কবিতা (35) দেশ নিয়ে ভাবনা (33) ফিচার (33) বাংলাদেশ (29) সমসাময়িক (28) খন্ড কাব্য (26) হারানো প্রেম (22) সংবাদ (18) কাল্পনিক প্রেম (16) ইতিহাস (15) প্রতিবাদ (15) সুপ্রভাত প্রবাসী বাংলাদেশ (15) Online Money Making Links (14) দেশাত্মবোধক কবিতা (13) আমার জীবনের দিনপঞ্জী (12) ধর্ম (12) প্রেমের কবিতা (11) ব্যক্তিত্ব (11) রাজনীতি (11) ধর্মীয় আন্দোলন (10) প্রবাসের কবিতা (10) খন্ড গল্প (9) জীবন গঠন (9) বর্ণমালার রুবাঈ (9) ইসলাম (8) প্রগতি (8) মানুষ ও মানবতা (8) হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ (8) VIDEOS (7) আমার লেখালেখির অন্তরালে (7) ইসলামী জাগরণ (7) মানব মন (7) ট্র্যাজেডি (6) শোক সংবাদ (6) সম্প্রীতি (6) নারী স্বাধীনতা (5) প্রেমের গল্প (5) বিজয় দিবসের ভাবনা (5) মৃত্যুপথ যাত্রী (5) সংবাদ মাধ্যম (5) স্মৃতিকথা (5) ঈদ শুভেচ্ছা (4) প্রবাস তথ্য (4) রমজান (4) শুভেচ্ছা (4) Computer Programer (3) আমার ছবিগুলো (3) আমার রাইটিং নেটওয়ার্ক লিংক (3) পর্দা (3) ফটিকছড়ি (3) বাংলাদেশের সংবিধান (3) বিশ্ব ভালবসা দিবস (3) শিক্ষা (3) শিক্ষার্থী (3) স্লাইড শো (3) News (2) VERIETIES POEMS OF VERIOUS POETS (2) আষাঢ় মাসের কবিতা (2) আষাঢ়ের কবিতা (2) ইসলামী রেনেসাঁ (2) ছাত্র-ছাত্রী (2) থার্টি ফাস্ট নাইট (2) নারী কল্যান (2) নারী প্রগতি (2) নির্বাচন (2) বর্ষার কবিতা (2) মহাসমাবেশ (2) শবেবরাত (2) শরৎকাল (2) শাহনগর (2) শ্রদ্ধাঞ্জলী (2) সত্য ঘটনা (2) সত্য-মিথ্যার দ্বন্ধ (2) সফলতার পথে বাংলাদেশ (2) Bannersআমার ছবিগুলো (1) DXN (1) For Life Time Income (1) For Make Money (1) Knowledge (1) Student (1) অদ্ভুত সব স্বপ্নের মাঝে আমার নিদ্রাবাস (1) আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস (1) আহলে সুন্নাহ ওয়াল জামা'আত(সুন্নী) (1) উপন্যাস (1) কবি কাজী নজরুল ইসলাম (1) কোরআন - হাদিসের কাহিনী (1) গল্প (1) চট্টগ্রাম (1) চিকিৎসা ও চিকিৎসক (1) জমজম (1) জাকাত (1) তরুন ও তারুণ্য (1) নারী জাগরণ (1) পরকিয়ার বিষফল (1) ফটিকছড়ি পৌরসভা (1) বন্ধুদিবস (1) বাংলাদেশের প্রখ্যাত আলেম (1) বিবেক ও বিবেকবান (1) বিশ্ব বাবা দিবস (1) বিশ্ব মা দিবস (1) ভ্রমণ (1) মন্তব্য (1) মাহফুজ খানের লেখালেখি (1) রবি এ্যাড (1) রমজানুল মোবারক (1) রেজাল্ট (1) রোগ-পথ্য (1) লংমার্চ (1) শহীদ দিবস (1) শুভ বাংলা নববর্ষ (1) শৈশবের দিনগুলো (1) সমবায় (1) সস্তার তিন অবস্থা (1) সাভার ট্র্যাজেডি (1) সিটি নির্বাচন (1) স্বপ্ন পথের পথিক (1) স্বাধীনতা (1) হ্যালো প্রধানমন্ত্রী (1) ২১ ফেব্রোয়ারী (1)

APNAKE SHAGOTOM

ZAKARIA SHAHNAGARIS WRITING

সকলকে বাংলা নতুন বছরের শুভেচ্ছা

বর্তমান বিশ্বায়নের যুগে আমরা আর বাংলা ভাষায় কথা বলতে চাইনা । নিজের মাতৃভাষাকে যখন-তখন যেখানে সেখানে অবমাননা করে তৎপরিবর্তে ইংরেজী ভাষা ব্যবহার করতে অভ্যাস্থ হয়ে যাচ্ছি বা হয়ে গেছি ।
আরও একটু এগিয়ে গেলে বলতে হয় - আমরা আজ বাঙ্গালী হয়ে বাঙ্গালী জাতিসত্বা ভুলে গিয়ে ইংরেজী জাতিসত্বায় রক্তের ন্যায় মিশে গেছি !

অথচ একদিন আমরা বাঙ্গালী জাতি একতাবদ্ধ হয়ে রাষ্ট্রীয় ভাষা উর্দুকে ত্যাগ করে নিজেদের মাতৃভাষা বাংলাকে রাষ্ট্রীয় ভাষা তথা বাংলা ভাষাকে সর্বত্র প্রচলন করতে প্রাণ দিতে বাধ্য হয়েছিলাম ! ফলে বিজাতীয় ভাষা উর্দূকে অপসারন করে নিজেদের মাতৃভাষায় কথা বলার স্বাধীনতা অর্জন করে বাংলা ভাষাকে ধারন করেছিলাম । যখন আমরা বাংলার সর্বত্র বাংলা ভাষায় কথা বলা শুরু করেছিলাম ,তখন কিন্তু বিশ্বায়নের যুগটা অনুপস্থিত ছিল তা নয় , বিশ্বায়নের যুগটা তখনও ছিল বিধায় আমরা ইংরেজী শিক্ষায় তখনও বাধ্য ছিলাম । অর্থাৎ যে জন্যে আজ আমরা ইংরেজী শিখছি সেইজন্যে তখনও ইংরেজী শিক্ষার প্রচলন ছিল । ছিল ইংরেজী শিক্ষার প্রয়োজনীয়তাও । তাই বলে সে সময় বর্তমান সময়ের মত মাতৃভাষা বাংলাকে অবমাননা করা হয়নি । মানুষ সে সময় বাংলায়ই কথা বলেছিল । শুধুমাত্র প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রেই সে সময় ইংরেজী ব্যাবহার করেছিল বাঙ্গালী জাতি

conduit-banners

Powered by Conduit

ফ্লাগ কাউন্টার

free counters

MZS.ONLINE MONEY MAKING WAY

PLEASE CLICK ON MY BANNERS. VISIT MY AFFILIATE SITE "MZS.ONLINE MONEY MAKING WAY ( অনলাইনে অর্থোপার্জনের একটা মাধ্যম )" I HOPE IT WILL BE HELPFUL FOR YOU. Create your own banner at mybannermaker.com!
ধর্মীয় আন্দোলন লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
ধর্মীয় আন্দোলন লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বুধবার, ২৯ মে, ২০১৩

শান্তি-সুখের সংবিধান : মহাগ্রন্থ আল কোরআন (আল কোরআন বাংলাদেশের ভবিষ্যত সংবিধান)

শান্তি-সুখের সংবিধান
মহাগ্রন্থ আল কোরআন
(আল কোরআন বাংলাদেশের ভবিষ্যত সংবিধান)
- মুহাম্মদ জাকারিয়া শাহনগরী
---------------------

মসজিদেরই মিনার হতে
আজান আসে ঐ,
মুসলীম আছে সবখানেতে
মুসল্লীরা কই ??

মসজিদ আছে খালি পড়ে
মুসল্লীরা নাই !
মুসল্লীরা কোথায় গেল ?
খুঁজিয়া না পাই !!
নামে মুসলীম সবাই আছে
কর্মে মুসলীম নাই,
ইসলামেরই রূপ কোথায়
তারে খুঁজে কোথা পাই ?

মুসলীম বলে পরিচয় দিই
ইসলামের কোন রূপটি লই ?
মুসলীম আছে বিশ্বজুড়ে
ইসলাম গেল কই ??

কোরআন আছে সবার ঘরে
কোরআন পড়িনা,
ইসলামেরই আইন আছে
সে আইন ধরিনা !
মানুষ গড়া সংবিধানে
চলছে সকল দেশ,
সে আইনে দেশ চালিয়ে
হচ্ছে ক্ষতি করছে দেশকে শেষ।
কোরআন মেনে দেখ তোমরা
মানো স্রষ্টারই বিধান,
দেশের কল্যান তাতেই আছে
সে যে স্রষ্টা দেয়া দান !
কোরআন হলো শান্তি-সুখের
আসল সংবিধান,
মানবগোষ্ঠীর কল্যানে তা
স্রষ্টা সেরা দান।।

ইসলামেরই বিধান মানো
দেখ শান্তি-সুখের সংবিধান যে ঐ,
সুখের রাজ্যে করো রে বাস
স্রষ্টার বিধান লই।।
==============

ইসলামী আইন ও নীতি অনুস্মরণ কর।
আল কোরআন ও আল হাদীসকে সংবিধান রূপে গ্রহণ কর।
তবেই তুমি সবকিছুতে পেতে পার শান্তি এবং সুখ।
***************************

FOLLOW ISLAMIC LAW , RULES AND MORALS. 

ACCEPT AL QURAN AND AL HADITH AS A CONSTITUTION.

SO, YOU CAN GET PEACE AND HAPPINESS AT ALL THINGS. 


PLEASE ACCEPT THE ISLAMIC LAW, RULES AND MORALS. 

AL QURAN IS THE LAST AND FINAL REVELATION OF ALLAH. 

AL QURAN IS THE SOLUTION OF THE PROBLEM OF MANKIND. 

AL QURAN IS FUTURE CONSTITUTION OF BANGLADESH 
=======================================

বৃহস্পতিবার, ২৩ মে, ২০১৩

হাসিনার ফাঁসির রায় ঘোষনার আনন্দে এক থাপ্পড়ে বন্ধুর নাক ফাটিয়ে দেয়া হল !! - মুহাম্মদ জাকারিয়া শাহনগরী

হাসিনার ফাঁসির রায় ঘোষনার আনন্দে
এক থাপ্পড়ে বন্ধুর নাক ফাটিয়ে দেয়া হল !!
- মুহাম্মদ জাকারিয়া শাহনগরী
------------------------


এক লোক গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন। তার পাশেই বসা ছিল তার এক বন্ধু। বসে থাকাটা বন্ধুটি দেখে তার ঘুমন্ত বন্ধুটি ঘুমের ভিতরেই দুহাত তুলে মুনাজাত করছে ! বসে থাকা বন্ধুটি তা দেখে অবাক ! সে আরও দেখতে পেল ঘুমন্ত বন্ধুটি বিড় বিড় করে কি যেন বলছে। হঠাৎ করেই ঘুমন্ত বন্ধুটি উত্তেজিত হয়ে উঠে তার মুখে একটা থাপ্পর মেরে দিল সর্বস্ব শক্তি দিয়ে ! সেই সাথে সে চোখ খুলে বসা বন্ধুটির দিকে তাকিয়ে দেখতে পেল,তার নাক দিয়ে রক্ত ঝরছে। সে তড়িগড়ি করে উঠে বন্ধুকে কি হয়েছে জিজ্ঞেস করলে বন্ধুটি বলল

- থাপ্পর দিয়ে নাক ফাটিয়ে দিয়ে আবার জিজ্ঞেস করছস আমার কি হয়েছে ?
= কি ! আমি তোকে থাপ্পর দিয়েছি ? আরে আমি তো স্বপ্নের মাঝে খুশিতে টেবিলে থাপ্পড় দিয়েছি !
- তুই টেবিলে থাপ্পড় দিছস না ! দেখ এখন কি অবস্থা ? শালা ! এত খুশি কিল্লাই কস ত ?
= সরি দোস্ত ! আরে আমি কি স্বপ্ন দেখেছি তুই ত জানস না। জানলে তুই শুধু টেবিলে থাপ্পড় না, পুরা টেবিলটাই ভাইঙ্গে ফেলতি।
- তাই ! শুনি কি সেই স্বপ্ন ?
= দাঁড়া আগে তোর রক্ত পড়া বন্ধ করার ব্যবস্থা করি ([চট্টগ্রামের ভাষায়] "তুআইন্যা পাতা" পিষে রস বের করে তা নাকে লাগিয়ে দিল সে, মিনিটের মধ্যেই রক্ত বন্ধ হয়ে গেল বন্ধুর )।
- রক্ত বন্ধ হইছে এবার বল কি স্বপ্ন দেখছস, যার জন্য আমার নাকটাই ফাটাইয়্যা দিতে হল।
= আরে স্বপ্ন দেখি দেশে তত্ববধায়ক সরকার গঠন হইছে। আর হাসিনা সদলবলে গেফতার হইয়া রিম্যান্ডে গেছে। তত্ববধায়ক সরকারের প্রধান হইছে হেফাজতে ইসলামের আল্লামা আহমদ শফি সাহেব। তিনি নির্দেশ দিছেন মাওলানা হাফেজ জোনায়েদ সাহেবরে যেভাবে হাসিনা রিম্যান্ডে নিয়ে কথা আদায়ের চেষ্ঠা করেছে ঠিক সেভাবেই যেন হাসিনার মুখ থেকে কথা আদায় করা হয় যে , হাসিনার বাপকে কে মেরেছিল তা যেন সে বলে। রিম্যান্ডে হাসিনার কাছ থেকে কথা আদায়ের দায়িত্ব পড়ে নতুন সরকারের সেনা প্রধান মাওলানা হাফেজ জোনায়েদ সাহেবের উপর। এখন বুঝতে পারছস কি ঘটেছে হাসিনার উপর? শেষমেষ হাসিনা স্বীকার করতে বাধ্য হল, তার বাবাকে হত্যা করা হয়েছে তার অর্ডারেই। হাসিনা নিজে ক্ষমতা দখলের জন্য তার বাবাকে হত্যা করতে মেজর ডালিমরে নির্দেশ দিয়েছিল। রিম্যান্ড শেষ হল। আদালতে পিতৃ হত্যার আদেশ দাতা হিসাবে হাসিনার ফাঁসির রায় ঘোষনা করা হল। এই ঘোষনা শুনেই তো টেবিলে থাপ্পড় দিয়েছিলাম আনন্দের ঠেলায়।

শনিবার, ৪ মে, ২০১৩

নব সেনার গান - মুহাম্মদ জাকারিয়া শাহনগরী

নব সেনার গান
মুহাম্মদ জাকারিয়া শাহনগরী
----------------------
(৫ই মে'র ঢাকা অবরোধে অংশগ্রহণকারী
হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কর্মী ও
সমর্থকদের শক্তি হিসেবে পুনঃপ্রকাশ)
********************

চল্ চল্ চল্ তাড়া করে চল্
আমাদের নব সেনাদল,
আহলে সুন্নাতের মশাল নিয়ে
'আল্লাহু আকবার' বজ্র কন্ঠে বল।
নবীজীর আদর্শের বিশাল এ কাফেলা,
সারি হয়ে জপ শুধু 'সাল্লি আ'লা' -
ঝড়-বাধা মানবনা হারদম-দুর্দম চল্।।
আল কোরআন ও সুন্নাহ্ -
জেনো,তার নীতি সঠিক,
ধ্বংস হতে দেবোনা, রাখবো জিন্দা,
মোরা বীর মুজাহিদ।
আমাদের আশা আর মুসলীমের স্বপ্ন
হবে গো সফল।।
সত্যের ঝান্ডাধারী মোদের এ কাফেলা,
আমাদের জান-ঈমান সেতো
রাসূল(সঃ) আর আল্লাহ তাআলা।
দ্বীপ্ত বুকে দৃঢ় হয়ে লড়বো
নিয়ে ঈমানী বল।
নাহিক বুলেট নাহিক খঞ্জর এ দলের সাথে,
শূণ্য হাতে লড়বো শুধু রাসূল(সঃ) এর পথে।
বাতিলের মোকাবেলায় লড়েছি, লড়ছি
থাকবো অবিচল।।
----------------------------
(এ লেখাটি সম্ভবত পটিয়া মাদ্রাসা থেকে প্রকাশিত
মাসিক আততাওহীদের ,মার্চ-১৯৯২ইং সংখ্যায় প্রকাশিত হয়েছিল )

বৃহস্পতিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০১৩

যেসব সংগঠনের নারীদের নিয়ে সরকার আল্লাহর বিরুদ্ধে যুদ্ধে করতে মরিয়া হয়ে উঠেছিল সেইসব নারীরাই আজ সরকারের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে এ যেন ইসলাম ও আল্লাহ বিরোধীদের জন্য আল্লাহর গজবের বাস্তব প্রতিফলন

যেসব সংগঠনের নারীদের নিয়ে
সরকার আল্লাহর বিরুদ্ধে যুদ্ধে করতে মরিয়া হয়ে উঠেছিল
সেইসব নারীরাই আজ সরকারের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে
এ যেন ইসলাম ও আল্লাহ বিরোধীদের জন্য
আল্লাহর গজবের বাস্তব প্রতিফলন
--------------------------


ঢাকাস্থ সাভার বাসস্ট্যান্ডের নিকটস্থ 'রানা প্লাজা ট্র্যাজেডি'তে এ পর্যন্ত প্রায় দুই শতাধিক মৃত্যুবরণকারী শ্রমিক ও পনেরো শত আহত শ্রমিক পাওয়া গেছে। ভবনের ভীতরে চাপাবস্থায় আরও রয়ে গেছে অজানা সংখ্যক শ্রমিক যারা আহত না নিহত কিছুই বুঝা যাচ্ছেনা। উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা আপ্রাণ চেষ্ঠা চালিয়ে যাচ্ছে দূর্ঘটনার পর থেকেই। কবে নাগাদ যে এ উদ্ধার কর্ম শেষ হবে তাও অজানা।

বিভিন্ন খবরে প্রকাশ ঢাকার আরও কয়েকটি গার্মেন্টস ভবনে ফাটল দেখা দিয়েছে। সেসব ভবন থেকে শ্রমিকদের সরিয়ে নেয়া হচ্ছে ,'রানা প্লাজা ট্র্যাজেডি'র মত আর কোন ঘটনা যাতে না ঘটে সেসব ভবনের মালিক ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের যথাযোগ্য পদক্ষেপ নেয়া উচিত বলে মনে করছি।
'রানা প্লাজা ট্র্যাজেডি'তে শ্রমিক ভাই-বোনদের মৃত্যুতে আমরা শোকাহত, আমরা মর্মাহত, আমরা নির্বাক, আমরা হতবাক, আমরা নিস্তব্ধ, আমরা আতঙ্কিত, আমরা স্বজনহারা, আমরা দিকহারা, আমরা হতাশাগ্রস্থ, আমরা বেদনাগ্রস্থ, আমরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। শোকাহত, মর্মাহত সমগ্র বাংলাদেশ।
এই ট্র্যাজেডিতে নিহত,আহত,ক্ষতিগ্রস্থদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানানোর ভাষা আমরা হারিয়ে ফেলেছি। এই ট্র্যাজেডির লাশের মিছিলে আমরাও হয়ে গেছি জীবন্ত লাশ। আমরা এই ট্র্যাজেডিতে নিহতদের আত্মার শান্তি কামনা করছি। তাদের পরিবারের প্রতি জানাচ্ছি সমবেদনা। যারা আহত হয়ে চিকিৎসাধীন তাদের দ্রুত আরোগ্যতা কামনা করছি। যারা ক্ষতিগ্রস্থ তারা এই ক্ষতি থেকে যাতে শীঘ্রই বেরিয়ে আসতে পারে তার জন্য আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করছি।
প্রসঙ্গত উল্লেখ করতে চাই, সরকার হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ (আল্লাহর সন্তুষ্টির একমাত্র পথ ইসলামের হেফাজতকারী বাংলাদেশের নির্ভরযোগ্য সংগঠন) – এর ইসলাম প্রতিষ্ঠার আন্দোলনের বিরুদ্ধে গার্মেন্টস শ্রমিকদের নিয়ে অবস্থান করতে গিয়ে এখন সরকার নিজেই সেই গার্মেন্টস শ্রমিকদের তোপের মুখে পড়েছে।
গার্মেন্টস শ্রমিকরা রাস্তায় নেমে গেছে। সর্বত্র চলছে তাদের বিক্ষোভ, অবরোধ। 'রানা প্লাজা ট্র্যাজেডি'র ক্ষোভের আগুন ধাউ ধাউ করে জ্বলছে চারিদিকে। চলছে সরকারী নিরাপত্তারক্ষীদের সাথে তাদের সংঘর্ষ। এ সব সংঘর্ষে আহত হয়ে লুটিয়ে পড়ছে তারা রাজপথে। তবুও তাদের ক্ষোভের আগুন নির্বাপিত হচ্ছেনা। তারা চালাচ্ছে বিভিন্ন গার্মেন্টসে ভাংচুর। তাদের প্রতিবাদ জানাতে করছে তারা যানবাহনের উপর হামলা। রাজধানীর বৃহদাংশ গার্মেন্টস শ্রমিক এখন ঘীরে রেখেছে বিজিএমই ভবন সহ বিভিন্ন সাংগঠনিক দফতর। পুরা রাজধানী তথা সমগ্র দেশের গার্মেন্টস শ্রমিকরা হাজার হাজার গার্মেন্টস শ্রমিকদের হত্যার প্রতিশোধ নিতে হয়ে গেছে বেপরোয়া। যেন সমগ্র দেশ আজ জ্বলন্ত এক অগ্নিকুন্ড। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ভাবে হাজার হাজার গার্মেন্টস শ্রমিক হত্যা ও নির্যাতনকারী অপরাধী মালিক ও কর্তৃপক্ষের গ্রেফতার ও সর্বোচ্ছ শাস্তির দাবীতে সমগ্র রাজধানী সহ দেশের সর্বত্র চলছে প্রতিবাদের উত্থাল জোয়ার।
সরকার কয়েকদিন ধরে এসব শ্রমিকদের নিয়েই হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ (আল্লাহর সন্তুষ্টির একমাত্র পথ ইসলামের হেফাজতকারী বাংলাদেশের নির্ভরযোগ্য সংগঠন) – এর ইসলাম প্রতিষ্ঠার আন্দোলনের বিরুদ্ধে অবস্থানের মহাপরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছিল। কিন্তু, মনে হয় সরকারের স্রষ্টাবিরোধী সেই মহাপরিকল্পনায় প্রতিবন্ধকতা করতেই সংঘটিত হয়েছে 'রানা প্লাজা ট্র্যাজেডি'।
যেসব সংগঠনের নারীদের নিয়ে সরকার আল্লাহর বিরুদ্ধে যুদ্ধে করতে মরিয়া হয়ে উঠেছিল সেইসব নারীরাই আজ সরকারের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। এ যেন ইসলাম ও আল্লাহ বিরোধীদের জন্য একটা শিক্ষা স্বরূপ আল্লাহর গজবের একটা বাস্তব প্রতিফলন। আল্লাহ পাক আমাদের সকলকে হেফাজত করুন, আর সুমতি দান করুন আমাদের সকলকে। আমীন।

শনিবার, ২০ এপ্রিল, ২০১৩

আস্তিক ও নাস্তিক

আস্তিক ও নাস্তিক
মুহাম্মদ জাকারিয়া শাহনগরী
----------------------

আস্তিক আর নাস্তিক
এই দু’য়ে এতটা ফারাক –
যতটা ফারাক আসমান আর জমিনেতে।
আসমান – সেতো শূণ্যতার ধারক,
আর জমিন – সে ধারক সবকিছুরই।
আসমান যত বিশালই হোক
ছুঁতে পারেনা সে কিছুই,
আর জমিন – সেও তো কত বিশাল
অথচ ছুঁয়ে যায় সবকিছুই।
আস্তিক যে – তার রয়েছে অমুল্য সম্পদ বিশ্বাস
যে বিশ্বাসে অর্জন করে সে সকল কিছুই,
নাস্তিক যে – সবকিছুতেই তার অবিশ্বাস
তার অবিশ্বাসের ফলে হারায় সে সবকিছুই।
আস্তিক তার বিশ্বাসের শক্তি দিয়ে
সবার সাথে জড়িয়ে থাকে,
নাস্তিক তার অবিশ্বাসের ভারে
পীচলে পড়ে নির্জন অন্ধকার গহ্বরে।
আস্তিকের বিশ্বাস শক্তি এতই প্রবল যে
সর্বত্র সে গ্রহণযোগ্য,
নাস্তিকের অবিশ্বাস এতই ঠুনকো যে
সর্বত্রই সে অগ্রহণযোগ্য।
যে আস্তিক তার একটা বড় আশা
পৃথিবী ধ্বংসের পরও রয়েছে তার একটা ঠিকানা,
যে নাস্তিক তার এমন কোন আশা নেইযে
পৃথিবী ধ্বংসের পর সে কোথায় গিয়ে পৌঁছবে ?
আস্তিক – ঠিকানাধারী একজন পথিক,
নাস্তিক - ঠিকানাবিহীন একজন দেউলিয়া।
আস্তিক সন্দেহমুক্ত মনের একজন শান্তির মানুষ,
নাস্তিক সন্দেহযুক্ত মনের একজন অশান্ত কয়েদী।
আস্তিক শান্তির শীতল ঝর্ণাধারায় করে সদা অবগাহন,
নাস্তিক অশান্তির দাবানলে জ্বলতে থাকে সর্বক্ষণ।
আস্তিকের বিশ্বাস – প্রমাণ করে
সে স্রষ্টার সৃষ্টির সেরা মানুষ,
নাস্তিকের অবিশ্বাস – মনে করে
সে মানুষ নয়,
স্রষ্টার আঠার হাজার সৃষ্টির বাইরের অন্যকিছু !
আস্তিক যারা –
তারা তাদের বিশ্বাস দিয়ে প্রমাণ করে
তারা মানবজাতী নামে অস্থিত্বশীল একটা জাতি,
নাস্তিক যারা –
তারা তাদের অবিশ্বাস দিয়ে প্রমাণ করে
তারা নামবিহীন অস্থিত্বহারা একটা ভীন্ন কিছু।
আস্তিকের জীবন আস্থা ও বিশ্বাসে নির্ভর,
নাস্তিকের জীবন নির্ভর অনাস্থা ও অবিশ্বাসে।
যেখানে আস্থা ও বিশ্বাসের বসতি
সেখানেই আস্তিকের সুখসাম্রাজ্য,
যেখানে অনাস্থা ও অবিশ্বাসের বসতি
সেখানেই নাস্তিকের অশান্ত কানন।
আস্তিকের রয়েছে স্রষ্টাতে বিশ্বাস
তাই তারা জন্মেও বিশ্বাসী,
নাস্তিকের রয়েছে স্রষ্টাতে অবিশ্বাস
তাই তারা জন্মেও অবিশ্বাসী।
আস্তিক ধর্মকে বিশ্বাস করে
তাই তারা তাদের ধর্ম মানার কথা বলে,
নাস্তিক ধর্মকে করে অবিশ্বাস
তাই তারা ধর্ম অবমাননার ঔদ্যত্ব দেখায়।
যারা ধর্ম মানে স্রষ্টা মানে
তারাই আস্তিক তারা মানুষ,
যারা ধর্ম মানেনা স্রষ্টা মানেনা
তারাই নাস্তিক তারা অমানুষ।
যারা ধর্মের ভিতরে থেকে
নাস্তিকদের মেনে নেয় -
তারা না নাস্তিক না ধার্মীক ?
যারা নাস্তিক হয়ে
অন্যের ধর্ম ও বিশ্বাসের উপর আঘাত হানে –
তারা শুধু নাস্তিকই নয় স্রষ্টাদ্রোহী আর ধর্মদ্রোহী।
নাস্তিকদের সাথে ধার্মীকদের
নেই কোন দ্বন্ধ আর যুদ্ধ,
স্রষ্টাদ্রোহী আর ধর্মদ্রোহীর বিরুদ্ধেই
ধার্মীকদের দ্বন্ধ আর ধর্মরক্ষারযুদ্ধ।
===============

রবিবার, ৭ এপ্রিল, ২০১৩

এভাবেই নাস্তিক - মুর্তাদ - কাফেরদের চোখে ধুলো দিয়ে তাদের শক্তিকে শোকে পরিণত করে দেখান সর্বশক্তিমান মহান আল্লাহ তার অলৌকিক শক্তি দেখানোর মধ্য দিয়ে


এভাবেই নাস্তিক - মুর্তাদ - কাফেরদের
চোখে ধুলো দিয়ে
তাদের শক্তিকে শোকে পরিণত করে দেখান
সর্বশক্তিমান মহান আল্লাহ
তার অলৌকিক শক্তি দেখানোর মধ্য দিয়ে
---------------------------------

সরকার ভেবেছে
লংমার্চ নিয়ে ঢাকা গমনের সকল পথ রুদ্ধ করে দিলেই
হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের
ইসলাম ও ঈমান রক্ষার আন্দোলন নির্ভর
লংমার্চ ও মহাসমাবেশও রুদ্ধ হয়ে যাবে,
কিন্তু, সরকারের সেই অমুলক ভাবনা
জ্বালিয়ে পুড়িয়ে ছারখার করে দিয়েছে
দেশের মুসলমানদের ঈমানদীপ্ত বুকে জ্বলে উঠা
অগ্নিপর্বতের দাবানল।
শাহবাগের নাস্তিক্যবাদী মানুষেরা স্বপ্ন দেখেছে
হরতাল আর অবরোধের ডাক দিলেই
দমে যাবে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের
ইসলাম ও ঈমান রক্ষার লক্ষ্যে গর্জে উঠা
নাস্তিক্যবাদের বিরুদ্ধে কঠোর আন্দোলন,
কিন্তু, সেইসব নাস্তিক-মুর্তাদদের বহুদিনের লালিত
স্বপ্নদেখার সমাপ্তি করে দিয়েছে
দেশের মুসলমানদের ঈমানদীপ্ত মনোবল ও
তাঁদের আকাশ বাতাস প্রকম্পিত
ঈমানী শ্লোগানের বজ্রহুঙ্কার।
তাই, হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের
ইসলাম ও ঈমান রক্ষার লক্ষ্যে গর্জে উঠা
নাস্তিক্যবাদের বিরুদ্ধে কঠোর আন্দোলন
শতভাগ সফলতা লাভ করেছে।
শুধুমাত্র ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবার কথা
যে মহাসমাবেশ
সে মহাসমাবেশ
ছড়িয়ে গেছে দেশের সকল জনপদে,
সরকার ও নাস্তিকদের মনোবাষনা
দুমড়ে মুষড়ে চূ্র্ণ করে
সফল ভাবে অনুষ্টিত হয়েছে
সকল মহাসমাবেশ সকল জনপদে।
এভাবেই নাস্তিক - মুর্তাদ - কাফেরদের
চোখে ধুলো দিয়ে
তাদের শক্তিকে
শোকে পরিণত করে দেখান
সর্বশক্তিমান মহান আল্লাহ
তাঁর অলৌকিক শক্তি দেখানোর মধ্য দিয়ে।
-------------------------------

http://www.amardeshonline.com/pages/details/2013/04/07/195485#.UWE-eaK9bCA











হেফাজতে ইসলাম প্রমাণ করেছে বাংলাদেশের মুসলমান ইসলামী অনুশাসন সমৃদ্ধ দেশ পরিচালনার সংবিধান চায়

হেফাজতে ইসলাম প্রমাণ করেছে
বাংলাদেশের মুসলমান ইসলামী অনুশাসন সমৃদ্ধ
দেশ পরিচালনার সংবিধান চায়।
-----------------------

হেফাজতে ইসলাম প্রমাণ করেছে , কোন বাধাই তাদের কাছে কোন বাধা নয়। তারা প্রমাণ করেছে , হেফাজতে ইসলামের ঈমানী শক্তির কাছে নাস্তিক্যবাদী (আওয়ামী লীগ সরকারের) তাগুতি শক্তি কতটা অসহায়। তারা প্রমাণ করেছে ঈমানী শক্তি দিয়ে তারা যা চায় , তাই করতে পারে। তারা প্রমাণ করেছে , চাইলে তারা দেশের ঈমান্দার মুসলীমদের বৃহৎ ইসলামী ও ঈমানী শক্তি নিয়ে যে কোন সময় দেশে ইসলামী খেলাফতের সরকার গঠন করতে পারে। তারা প্রমাণ করেছে এখনও দেশের মুসলীমগণ নাস্তিকতার দিকে ধাবিত হয়নি, তারা এখনো ইসলাম প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে নিজেদের প্রাণ বিসর্জন দিতে কুন্ঠিতবোধ করবেনা। তারা প্রমাণ করেছে , দেশের মুসলমানগণ এখনও তাদের মুসলমানিত্বকে বিকৃত হতে দেয় নাই। তারা প্রমাণ করেছে ,এখনো বালাদেশের মুসলমান ধর্মের আনুগত্যে অনড়। তারা প্রমাণ করেছে কোন নাস্তিকের জন্য বাংলাদেশের মুসলমান নিজ ধর্মকে হাসি-ঠাট্টার বিষয়ে রূপান্তর করতে পারেনা। তারা প্রমাণ করেছে বাংলাদেশের মুসলমান ইসলামী অনুশাসন সমৃদ্ধ দেশ পরিচালনার সংবিধান চায়।

বৃহস্পতিবার, ৪ এপ্রিল, ২০১৩

লংমার্চ - জিহাদের ডাক

লংমার্চ - জিহাদের ডাক
মুহাম্মদ জাকারিয়া শাহনগরী
----------------------

জিহাদেরই ডাক এসেছে
জাগরে মুসলমান ,
নও জামানার নতুন নকিব
করছে আহবান।।
পুরুষ মুসলীম বাইরে এসো
লংমার্চে যোগ দাও,
নারী মসলীম ঘরে বসে
আল্লাহর কাছে দু’হাত তুলে দাও।
নারায়ে তাকবীর আল্লাহু আকবার
সমস্বরে এই ধ্বনিতে লংমার্চে যোগ দাও,
নাস্তিকেরা নিপাত যাবে
আল্লাহরই নাম লও।
ইসলামেরই দুষমনেরা
যতই বাধা দিক,
আল্লাহরই দল জয়ী হবে
দুষমনেরা পথ হারিয়ে ছুঠবে দিক-বিদিক।
অপশাসন চালায় যারা
দেশ আসনে বসে,
আর বেশীদিন নাইরে তারা
পড়বে তাদের সেই আসনটি ধসে।
আল্লাহদ্রোহী – ধর্মদ্রোহী
নাস্তিক এই সরকার,
আল্লাহরই এই রাজ্যে তাদের
নেই কোন দরকার।
তাসবিহ জপ আল্লাহ আল্লাহ
লংমার্চের দলে,
ধর্মদ্রোহীর বিচার করো
আল্লাহরই আইন বলে।
আল্লাহরই দল ভয় করেনা
তাগুতেরই কাছে,
আল্লাহ নামের শক্ত সে যে
তাদের কাছেই আছে।
আল্লাহদ্রোহী যতই করুক
তালবাহানা আজ,
আল্লাহরই সব সৈনিকেরা
করবে আল্লাহর কাজ।
আল্লাহদ্রোহী – ধর্মদ্রোহী
ধ্বংস হবে একদিন,
আল্লাহরই এই রাজ্যে তারা
হবেই হবে নাম-নিশানাহীন।
ইসলামরই ঝান্ডা ধরে
হওরে আগোয়ান,
বাতিলেরই মোকাবেলায়
দিতে যদি হয় দাওরে জীবন বলিদান।
তিনশ’ তের শহীদী দল
হলো আগোয়ান,
তাদের সাথেই এসো সবে
করো লংমার্চে যোগদান।
নাস্তিক সব এক হয়েছে
ধর্ম নির্মূলে,
এসো মুসলীম ঈমান নিয়ে
নাস্তিক নির্মূলে।
নব্য এজিদগং দেশ শাসনে
চায় যে তারা ইসলামেরই ধ্বংস,
এসো মুসলীম খতম করি
সেই এজিদগং বংশ।
লও মুখে আল্লাহরই নাম
শুনবে সবে ইসলামী জয়গান,
জিহাদেরই ডাক এসেছে
জাগরে মুসলমান।।
আল্লাহু আল্লাহু
জপছে দেখো সবে ,
নাস্তিক্যবাদ ধ্বংস হবে
ইসলাম শুধুই রবে।
ভয় পেওনা, হে মুসলীম !
বাতিল শক্তি দেখে,
যোগ দাও আজ লংমার্চে
ঈমানী শক্তি তোমার অঙ্গে মেখে।
জিকির মুখে তাসবিহ হাতে
হওরে আগোয়ান,
নও জামানার নতুন নকিব
করছে আহবান।
=======

শনিবার, ২ মার্চ, ২০১৩

হে মুসলমান ! জেগে উঠো

হে মুসলমান ! জেগে উঠো
মুহাম্মদ জাকারিয়া শাহনগরী
----------------------


হে মুসলমান ! জেগে উঠো !!
ধর্ম রক্ষায় তীব্র বেগে ধর্মযুদ্ধে সকল ছুটো।।
ডাক দিয়েছে নাস্তিকরা করবে নির্মূল ইসলামেরই দল,
নব্য ফেরাউনের যোগসাজসে এসেছে তাদের বুকের মাঝে বল।
ধর্মযুদ্ধে নেমেছে আজ ঐ নাস্তিকেরই দল,
ইসলামেরই ধ্বংস তরে করছে তারা দেশপ্রেমেরই ছল।
দেশপ্রেমেরই ছলেই তারা করছে হরণ সরল জাতির মন,
ইসলামেরই ধ্বংস তরে চলছে তাদের সকল আয়োজন।
ঘুমিওনা হে মুসলীম ! জেগে তোমরা উঠো ,
নাস্তিকদের দমন তরে তীব্র বেগে সকল ছুটো।
জেগে উঠো ! জেগে উঠো !! জেগে উঠো !!!
হে মুসলমান ! নিদ্রা ভেঙ্গে জেগে উঠো।।

ইসলামেরই শক্তি দিয়ে ঐক্য গড়ে তোল ,
ইসলামেরই মন্ত্র দিয়ে ঐশী শক্তি খোল।
ধর্ম রক্ষায় নেমে পড় ধর্মযুদ্ধে আজ ,
মুসলীমেরই ধর্মে আছে মানবতার সাজ।
মানবতা রক্ষা করো ইসলামী আইনে,
সভ্য সমাজ গড়ে তুলতে বলো- নাস্তিকদের চাইনে।
নাস্তিকদের ধ্বংসে মুসলীম ঐক্যমঞ্চে উঠো ,
ভাগে ভাগে থেকোনা আর 
মুসলীমেরই শক্তিকে আর করোনা খাটো।
জেগে উঠো ! জেগে উঠো !! জেগে উঠো !!!
হে মুসলমান ! নিদ্রা ভেঙ্গে জেগে উঠো।।
==================

বৃহস্পতিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৩

মুসলমানরা শিক্ষা নাও কিভাবে গঠন করতে হয় সকল মুসলীমদের একটা ঐক্যমঞ্চ

মুসলমানরা শিক্ষা নাও কিভাবে গঠন করতে হয়
সকল মুসলীমদের একটা ঐক্যমঞ্চ
- মুহাম্মদ জাকারিয়া শাহনগরী
-----------------------
সংগৃহীত ছবি

হে মুসলীম !
তোমরা যারা আল্লাহ ও রাসূল (সঃ) এর নির্দেশীত পথকে মানবজাতির জন্য একটা সুশৃন্খল পথ মনে কর, তবে তোমরা এক হও। গণনা করে দেখ নাস্তিক ও ধর্মবিরোধী কতজন আর তোমরা কতজন। তবেই বুঝতে পারবে নাস্তিক ও ধর্মবিরোধীদের পাল্লা ভারী নাকি মুসলীমদের পাল্লা ভারী।

শিখে নাও
কিভাবে সমমনা মানুষদের নিয়ে ঐক্য গড়ে তুলতে হয়, তোমাদের মুসলমানদের মধ্যে যদি সে জ্ঞান না থাকে তবে নাস্তিকদের কাছ থেকে সে জ্ঞান অর্জন করে নাও। কারণ . তারা ক্ষুদ্র সমষ্টি হলেও ঐক্যের কারণে মুসলমানদের চেয়ে আজ তারা শক্তিশালী। তাদের এই শক্তি দিয়ে আজ ৯০ শতাংশ মুসলীম অধ্যুষিত বাংলাদেশ থেকে মুসলীম বিতাড়ন তথা ইসলামী সংস্কৃতি-তাহযীব-তামাদ্দুন ধ্বংসের ডাক দিয়েছে ! যদি এদেশের মুসলীমরা আজ একতাবদ্ধ থাকত, তবে কি করে পারত এইসব নাস্তিকরা বাংলাদেশ থেকে সকল ধর্মীয় রাজনীতি তথা সকল ধর্মীয় দল নিষিদ্ধের নির্দেশ দিতে ? কিন্তু তারা সেই ডাক দিয়েছে।

তারা চায় না
কোন ধর্মীয় রাজনীতি। তারা চায় না এদেশের মুসলমানরা রাষ্ট্রীয় কর্মে জড়িত হোক। তারা চায় , মুসলমানদের নতশীর। তারা চায় এদেশের সভ্য সংস্কতি ধ্বংস করে অসভ্যতার লালন করে এদেশকে উলঙ্গ করে পতিতালয় বানাতে। তারা চায় এদেশের মুসলীমদের ঈমান হরণ করে বেঈমান বানিয়ে স্রস্টার বিরোধী বানাতে। তারা চায় এদেশের পর্দানশী নারীদের পর্দা হটিয়ে রাস্তায় বের করে তাদের ভোগ বিলাসের সামগ্রী বানাতে।

তাই,
যদি এদেশের মুসলীমরা দেশকে নাস্তিকপূর্ণ উলঙ্গ পতিতালয় রূপে দেখতে চায়,দেখতে চায় নিজেদের নাস্তিক রূপে , দেখতে চায় নাস্তিকদের কাছে তাদের নতশীর, তবে মুসলীমরা ঘরের কোনে বসে ব্যাঙের মত ডাক দিয়ে যাক।

আর যদি
মুসলীমরা তা ন চায়, তবে তারা ঘর থেকে বের হয়ে যাক বাংলাদেশ থেকে নাস্তিক নিধনের আন্দোলনে , দেশের সভ্যতা রক্ষার আন্দোলনে, দেশের আপামর জনতার সুখ-শান্তি রক্ষার আন্দোলনে, দেশের সার্বিক কল্যান আনায়নের আন্দোলনে সর্বোপরী ধর্ম রক্ষার আন্দোলনে। তারা সকল মুসলীম একই মঞ্চে এক আল্লাহ ও রাসূল(সঃ) এর নির্দেশীত একই পথে ঐক্যের ভিত্তিতে সম্মিলিত হোক।
=============