আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের শুভেচ্ছা
বাংলা ভাষার জন্য আত্মত্যাগকারী
সকল মহান ভাষা শহীদগণের প্রতি,
এবং ভাষা আন্দোলনের সাথে সম্পৃক্ত
সকল ভাষা সৈনিক
ও বীর বাঙ্গালীদের জানাই অশেষ শ্রদ্ধাঞ্জলী,
সেইসাথে সকলকে জানাই
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের শুভেচ্ছা।
বিষয় সূচী
APNAKE SHAGOTOM
সকলকে বাংলা নতুন বছরের শুভেচ্ছা
অথচ একদিন আমরা বাঙ্গালী জাতি একতাবদ্ধ হয়ে রাষ্ট্রীয় ভাষা উর্দুকে ত্যাগ করে নিজেদের মাতৃভাষা বাংলাকে রাষ্ট্রীয় ভাষা তথা বাংলা ভাষাকে সর্বত্র প্রচলন করতে প্রাণ দিতে বাধ্য হয়েছিলাম ! ফলে বিজাতীয় ভাষা উর্দূকে অপসারন করে নিজেদের মাতৃভাষায় কথা বলার স্বাধীনতা অর্জন করে বাংলা ভাষাকে ধারন করেছিলাম । যখন আমরা বাংলার সর্বত্র বাংলা ভাষায় কথা বলা শুরু করেছিলাম ,তখন কিন্তু বিশ্বায়নের যুগটা অনুপস্থিত ছিল তা নয় , বিশ্বায়নের যুগটা তখনও ছিল বিধায় আমরা ইংরেজী শিক্ষায় তখনও বাধ্য ছিলাম । অর্থাৎ যে জন্যে আজ আমরা ইংরেজী শিখছি সেইজন্যে তখনও ইংরেজী শিক্ষার প্রচলন ছিল । ছিল ইংরেজী শিক্ষার প্রয়োজনীয়তাও । তাই বলে সে সময় বর্তমান সময়ের মত মাতৃভাষা বাংলাকে অবমাননা করা হয়নি । মানুষ সে সময় বাংলায়ই কথা বলেছিল । শুধুমাত্র প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রেই সে সময় ইংরেজী ব্যাবহার করেছিল বাঙ্গালী জাতি ।
conduit-banners
Powered by Conduit |
বুধবার, ২৪ ডিসেম্বর, ২০১৪
অবৈধ - সন্ত্রাসী - স্বৈরশাসক আওয়ামী সরকার বিরোধী আন্দোলনে সফল হতে বিএনপির প্রতি ১০টি প্রয়োজনীয় টিপস।
সোমবার, ১৭ জুন, ২০১৩
"ছোট্ট একটা কাজ, যদি করে দেখাও আজ জেগে উঠবে সবাই , নতুন করে আবার !"
"ছোট্ট একটা কাজ, যদি করে দেখাও আজ
জেগে উঠবে সবাই , নতুন করে আবার !"
আমার ধারণা, নাস্তিক্যবাদী বর্তমান সরকারের তলিয়ে যাবার অবস্থা থেকে তাদের আবার তুলে আনার লক্ষ্যে তাদের একটু সাহস দানে এই এ্যাডটি বারবার প্রচার করা হচ্ছে।
কিন্তু, যেখানে হলমার্ক, ডেসটিনি, শেয়ারবাজারের লুঠকরা কোটি কোটি টাকা ঢেলে দিয়েও বর্তমান সরকারকে চার সিটিতে তলিয়ে যাওয়া থেকে রক্ষা করা যায়নি, সেখানে এই - "ছোট্ট একটা কাজ, যদি করে দেখাও আজ
জেগে উঠবে সবাই , নতুন করে আবার !"-
এ্যাডভার্টাইজটি এই ডুবন্ত সরকারকে কি আদৌ রক্ষা করা যাবে ? সরকার কি পারবে - সেই ছোট্ট একটা কাজ দিয়ে আবার দিকহারা তীরে নৌকা ভীড়াতে ?
যে সরকার হাজার হাজার আলেম হত্যার মধ্য দিয়ে ইসলামের মুলোৎপাঠনের ঔদ্যত্ব দেখিয়েছে সেই সরকার কি পারবে আবার দেশের ৯০ শতাংশ মুসলীমের হৃদয় জয় করতে ? যে সরকার একটি মুসলীম দেশ থেকে ইসলাম নির্মূল করে সে দেশকে নাস্তিক্যবাদী দেশরূপে প্রতিষ্ঠিত করতে বেপরোয়া হয়ে উঠে, সে সরকার কি পারবে মুখ ফিরিয়ে নেয়া মুসলীমদের তাদের দিকে ফেরাতে ? যে সরকার নাস্তিকদের প্রিয়ভাজন হতে তাদের আদেশে দেশের মুসলীমদের রাতের অন্ধকারে নির্বিচারে হত্যা করতে দ্বিধা করেনি, সে সরকার কিভাবে পারবে ছোট্ট একটা কাজ করে দেশের মুসলীমদের সরকার বাঁচানোর লক্ষ্যে জাগাতে ?
রবিবার, ১৬ জুন, ২০১৩
"টক অব দ্য কান্ট্রি - যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বাধাগ্রস্থ করতে চার সিটি কর্পোরেশনের জনগণ নাস্তিক্যবাদী সরকারের বৃহৎ চার এজেন্টকে তাদের সিটি থেকে ঝেঁটিয়ে বিদায় করেছে !!"
যা হোক, নাস্তিক্যবাদী বর্তমান সরকারের সেই "টক অব দ্য কান্ট্রি" নিয়ে দেশ-জনতার পড়ে থাকলে চলবেনা। তাদেরকে আগামী জাতীয় নির্বাচনে কিভাবে জবাব দেয়া হবে সেটা নিয়েই এদেশের ধর্মপ্রাণ মানুষদের ভাবতে হবে। আর এই ভাবাভাবি ঘুমিয়ে করলে হবেনা। জাগ্রত হয়েই এই ভাবাভাবি করতে হবে। কারণ, এই নির্বাচনে আওয়ামীলীগের ভরাডুবিতে দেশ-জনতার আনন্দোল্লাশে মত্ত হবার কোন বিষয় পরিলক্ষিত হয়নি। ভোট কালেকশানের ফিরিস্তি দেখে মনে হচ্ছে, বড় কিছু অর্জনের লক্ষ্যেই এ নির্বাচনে তাদের পরাজয় ছিল একটা লোক দেখানো আয়োজন। তারা দেশের বড় পদটি অর্জনের জন্য দেশের ছোট ছোট পদগুলো অন্যের জন্য ছেড়ে দিতেই পারে। এ যেন জামাতের ছোট ছোট নেতাগুলোকে লঘুদন্ড দিয়ে জামাত-শিবিরের উশৃন্খলতা প্রতিরোধ করে তাদের চুপ রেখে জামাতের বড় বড় নেতাদের ফাঁসির রায় ঘোষনা দেয়ার পথ পরিস্কার করার মতোই ঘটনা।
মনে হচ্ছে বর্তমান সরকারের চার সিটি কর্পোরেশন ছেড়ে দেবার মূলে তাদের রয়েছে জামাত-শিবিরকে ঘুমিয়ে দিয়ে তাদের বড় বড় নেতাদের ফাঁসির রায় দেয়ার মতোই একটা বৃহৎ পরিকল্পনা। যে পরিকল্পনায় তারা এগিয়ে যাচ্ছে দেশের সিংহাসন পুনর্বার অজর্নের লক্ষ্যে। গতকালকের নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হবার দোহায় দিয়ে, আগামী নির্বাচন তাদের দ্বারাই সম্পন্ন করার মধ্য দিয়ে দেশের সিংহাসন পুণঃদখল করার একটা বৃহৎ পরিকল্পনাই হচ্ছে চার সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে তাদের শান্তিপূর্ণ অবস্থান। নয়তো দেশের একমাত্র অশান্ত সৃষ্টিকারী দলের কাছ থেকে এমন শান্ত-নীরবতা কখনো আশা করা যায়না।
তাই গতকালকের শান্তিপূর্ণ নিরপেক্ষ নির্বাচনের টোপটি না গিলে দেশের জনকে আগামী নির্বাচনের পরিকল্পনা জাগ্রত হয়েই করতে হবে। নয়তো দেশের জনগণকে দেখতে হবে আগামী নির্বাচনের মাধ্যমে একটা বিশ্বকে চমকে দেয়া অনিরপেক্ষ ও অশান্তকর এবং ভীতিকর অবস্থায় নিপতিত একটা নতুন বাংলাদেশকে। যেখানে থাকবে শুধুই অস্ত্রের ঝনঝনানী, যেতে পারবেনা কেউ ভোটকেন্দ্রে, প্রয়োগ করতে পারবেনা কেউ তাদের ভোটাধিকার। যেভাবেই হোক তারা চাইবে দেশের সিংহাসন পূনর্বার তাদের করায়ত্ব করার। কারণ তারা বুঝেই গেছে যদি আগামী নির্বাচনে তারা জয়ী না হয়, তবে বাংলাদেশের রাজনীতিতে তাদের হবে রাজনৈতিক মৃত্যু। কারণ কোন স্বৈরশাসকই কখনো দ্বিতীয়বার শাসনকর্তৃত্বের অধিকারী হতে পারেনা। আর এ কারনেই তারা ছলে - বলে - কৌশলে শাসনভার অর্জনের লক্ষ্যে যে কোন প্রকার পদ্ধিত গ্রহণ করে শেষ চেষ্ঠা চালাবে।
তাই দেশের জনগণকে এখনই প্রস্তুতি নিয়ে কাজ শুরু করতে হবে কিভাবে তারা তাদের মঙ্গল আনায়নে কোন্ পদক্ষেপটি গ্রহণ করবে ?
রবিবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৩
দেখতে চাই তরুনদের সেই তারুণ্যের অগ্নিশিখা, যা রপান্তরিত হবে দেশের জন্য শান্তির সুবাতাস রূপে
" আজ আমরা শপথ নিলাম , আমরা সকল দূর্নীতি থেকে দেশকে বাঁচাতে আজ থেকে আমরা পদক্ষেপ গ্রহণ করলাম। দেশ লুন্ঠনকারীদের বিরুদ্ধে তাদের মূলোৎপাঠনে আমরা আজ থেকে যুদ্ধ ঘোষণা করলাম। সকল প্রকার অন্যায় - অনাচারের বিরুদ্ধে আমরা আজ থেকে রুখে দাঁড়ালাম। চুরি-ডাকাতি-রাহাজানি-সুদ-ঘুষ-খুন-গুম-অপহরণ-ধর্ষণ-নির্যাতন ইত্যাদি অনৈতিক কর্মের বিরুদ্ধে আজ আমরা অতন্দ্র প্রহরী হিসাবে নিজেদের নিয়োজিত করলাম। আজ আমরা এমন একটা পৃথিবী বিখ্যাত কর্ম ধারণ করলাম যা দিয়ে আমরা আমাদের দেশকে একটা পৃথিবী বিখ্যাত সভ্য দেশ হিসাবে চিহ্নিত করব। "
কিন্তু নাহ ! আমাদের তরুনদের মাথায় এ তারুণ্য শক্তি ডুকবেনা। কারণ আমাদের তরুনদের সেই তারুণ্য শক্তি ক্ষয়মান আমাদের দেশের নোংরা রাজনীতির ডাস্টবিনে পড়ে। আমাদের দেশের তরুনদের সেই তারুণ্য শক্তি ধ্বংসমান আমাদের দেশের অসৎ রাজনীতিবিদদের অসৎ মেধার করালগ্রাসে।
প্রশ্ন জাগে - আমাদের দেশে সেই তরুণ জাগবে কবে , যারা শুধুমাত্র দেশগঠনেই লড়বে ? আমাদের দেশের তরুণদের সেই তারুণ্য শক্তি উদগীরন হবে কবে , যেদিন তাদের তারুণ্য অগ্নিশিখা রূপান্তরিত হবে শান্তির সুবাতাস রূপে ?
বৃহস্পতিবার, ৩১ জানুয়ারি, ২০১৩
বিলুপ্তাধীন বাংলাদেশ : গর্জে উঠ দেশ-জনতা
শনিবার, ২০ অক্টোবর, ২০১২
দেশের জন্য জরুরী
শুক্রবার, ৬ জুলাই, ২০১২
অভিনন্দন মাননীয়া প্রধানমন্ত্রী
এভাবেই দেখেছিলাম ইন্ডিয়ান একটা ফিল্মে একজন নায়কের ২৪ ঘন্টা সময়ের মধ্যে একটা দেশের সকল অনিয়মকে নিয়মবদ্ধ করার এবং সকল দূর্নীতিকে উচ্ছেদ করে নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত করার এক দুরূহ অভিযানের সাফল্য।
কিন্তু আপনার হাতে ২৪ ঘন্টা নয়, রয়েছে মূল্যবান একটি বছরের উর্ধ্ব সময়। আর এই একবৎসর সময় খুব একটা কম সময় নয় একজন প্রকৃত দেশপ্রেমিক যোগ্য নেতার কাছে । এক্ষেত্রে একটা কথা মনে রাখতে হবে , নেতা কখনো অন্যের নির্দেশে চলেনা , নেতা সবসময় অন্যকে নির্দেশ দেয় । আপনার ঘরে যারা অবস্থান করছে তারা সবাই আপনার নয় , তাদের মাঝেই রয়েছে আপনাকে ধ্বংস করার ছদ্ধবেশধারী কিছু লোক , যারা আপনার সৎ নেতৃত্বকে দাবিয়ে রাখতে সবসময় কাজ করে যাচ্ছে । তাই একজন যোগ্য নেতার জন্য প্রয়োজন সবদিকে তীক্ন দৃষ্টি রাখা। আর সব দকের মধ্যে রয়েছে - সামনে-পীছে-ডান-বায়-চতু্কোণ-উর্ধ্ব-নিম্ন-গুপ্তাঙ্গ-জিহ্বা-কর্ণ-নাসিকা-চোখ ইত্যাদি। আশা করছি এই একবৎসরে নিজের যোগ্য নেতৃত্বের পরিচয় দিয়ে বাংলাদেশের ইতিহাসে দেশ গড়ার কারিগর রূপে নিজেকে দেশের একজন সফল নেতা হিসাবে প্রতিষ্টিত করে যেতে সক্ষম হবেন এবং এ সফলতার অভিযানে তীক্ষ্ন দৃষ্টি রেখে সম্পূর্ণ নিজ মনের মতামত নিয়ে এ সফলতার অভিযান পরিচালনা করবেন। আর এ সফলতার অভিযানে রইল আপনার জন্য শুভকামনা ।
মোবাইল - গ্রামীণ নম্বর ০১৭১১৫২০০০০ এবং একটেল (বর্তমানে রবি) নম্বর ০১৮১৯২৬০৩৭১
ইমেইল ঠিকানা - Sheikhhasina@hotmail.com
==========================
বৃহস্পতিবার, ৫ জুলাই, ২০১২
ইতিহাসে ৫ জুলাই
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র রাজনীতির ইতিহাসে কলঙ্কজনক অধ্যায় রচিত : ২০১০ সালের এইদিনে - জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র রাজনীতির ইতিহাসে কলঙ্কজনক অধ্যায় রচিত হয়েছিল । জাবি ছাত্রলীগের ইতিহাসে যুক্ত হয়েছিল রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের এক নতুন মাত্রা। সেদিন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের নতুন কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের গ্রুপের মধ্যে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে অন্তত আটজন গুলিবিদ্ধসহ অর্ধশত মারাত্মক আহত হয়। প্রকাশ্যে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে মরণ যুদ্ধে লিপ্ত হয় দুই গ্রুপ। ধারালো অস্ত্র দিয়ে জখম করে এক পক্ষ অন্য পক্ষকে। গুলি করে হলের চার তলার ছাদ থেকে নিচে ফেলে দেওয়া হয় সাধারণ সম্পাদক গ্রুপের পাঁচ ছয় কর্মীকে । এদিন দেশবাসী হতবাক হয়ে পড়ে চার তলা থেকে নির্দয়ভাবে পিটিয়ে নিচে ফেলে দেয়ার লোমহর্ষক ঘটনা দেখে। অনেক ছাত্র জীবন বাঁচাতে ভয়ে লাফ দেন হলের ছাদ থেকে। এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগের সকল রাজনৈতিক কর্মকান্ড নিষিদ্ধ ঘোষণা করে।
রবিবার, ২৪ জুন, ২০১২
আত্মপ্রকাশ করলো দেশের আরও একটা রাজনৈতিক দল !
সেফাত উল্লাহ্
ভিয়েনা
দয়া করে আপনার মূল্যবান মতামত প্রদান করুন। ’’


.jpg)
.jpg)
.jpg)
.jpg)
.jpg)
.jpg)
.jpg)
.jpg)
.jpg)
.jpg)
.jpg)
.jpg)
.jpg)
.jpg)
.jpg)
.jpg)
.jpg)
.jpg)

.jpg)
.jpg)
.jpg)
.jpg)
.jpg)
.jpg)
.jpg)
.jpg)
.jpg)
.jpg)
.jpg)
.jpg)




