আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের শুভেচ্ছা

বাংলা ভাষার জন্য আত্মত্যাগকারী

সকল মহান ভাষা শহীদগণের প্রতি,
এবং ভাষা আন্দোলনের সাথে সম্পৃক্ত

সকল ভাষা সৈনিক
ও বীর বাঙ্গালীদের জানাই অশেষ শ্রদ্ধাঞ্জলী,
সেইসাথে সকলকে জানাই

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের শুভেচ্ছা।

বিষয় সূচী

সাহিত্য (60) অন্যান্য কবিতা (53) ভালোবাসার পদবিন্যাস ( প্রেম সম্পর্কিত রচনা বিশেষ ) (53) আমার লেখা প্রবন্ধ-নিবন্ধ (37) কবিতা (35) দেশ নিয়ে ভাবনা (33) ফিচার (33) বাংলাদেশ (29) সমসাময়িক (28) খন্ড কাব্য (26) হারানো প্রেম (22) সংবাদ (18) কাল্পনিক প্রেম (16) ইতিহাস (15) প্রতিবাদ (15) সুপ্রভাত প্রবাসী বাংলাদেশ (15) Online Money Making Links (14) দেশাত্মবোধক কবিতা (13) আমার জীবনের দিনপঞ্জী (12) ধর্ম (12) প্রেমের কবিতা (11) ব্যক্তিত্ব (11) রাজনীতি (11) ধর্মীয় আন্দোলন (10) প্রবাসের কবিতা (10) খন্ড গল্প (9) জীবন গঠন (9) বর্ণমালার রুবাঈ (9) ইসলাম (8) প্রগতি (8) মানুষ ও মানবতা (8) হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ (8) VIDEOS (7) আমার লেখালেখির অন্তরালে (7) ইসলামী জাগরণ (7) মানব মন (7) ট্র্যাজেডি (6) শোক সংবাদ (6) সম্প্রীতি (6) নারী স্বাধীনতা (5) প্রেমের গল্প (5) বিজয় দিবসের ভাবনা (5) মৃত্যুপথ যাত্রী (5) সংবাদ মাধ্যম (5) স্মৃতিকথা (5) ঈদ শুভেচ্ছা (4) প্রবাস তথ্য (4) রমজান (4) শুভেচ্ছা (4) Computer Programer (3) আমার ছবিগুলো (3) আমার রাইটিং নেটওয়ার্ক লিংক (3) পর্দা (3) ফটিকছড়ি (3) বাংলাদেশের সংবিধান (3) বিশ্ব ভালবসা দিবস (3) শিক্ষা (3) শিক্ষার্থী (3) স্লাইড শো (3) News (2) VERIETIES POEMS OF VERIOUS POETS (2) আষাঢ় মাসের কবিতা (2) আষাঢ়ের কবিতা (2) ইসলামী রেনেসাঁ (2) ছাত্র-ছাত্রী (2) থার্টি ফাস্ট নাইট (2) নারী কল্যান (2) নারী প্রগতি (2) নির্বাচন (2) বর্ষার কবিতা (2) মহাসমাবেশ (2) শবেবরাত (2) শরৎকাল (2) শাহনগর (2) শ্রদ্ধাঞ্জলী (2) সত্য ঘটনা (2) সত্য-মিথ্যার দ্বন্ধ (2) সফলতার পথে বাংলাদেশ (2) Bannersআমার ছবিগুলো (1) DXN (1) For Life Time Income (1) For Make Money (1) Knowledge (1) Student (1) অদ্ভুত সব স্বপ্নের মাঝে আমার নিদ্রাবাস (1) আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস (1) আহলে সুন্নাহ ওয়াল জামা'আত(সুন্নী) (1) উপন্যাস (1) কবি কাজী নজরুল ইসলাম (1) কোরআন - হাদিসের কাহিনী (1) গল্প (1) চট্টগ্রাম (1) চিকিৎসা ও চিকিৎসক (1) জমজম (1) জাকাত (1) তরুন ও তারুণ্য (1) নারী জাগরণ (1) পরকিয়ার বিষফল (1) ফটিকছড়ি পৌরসভা (1) বন্ধুদিবস (1) বাংলাদেশের প্রখ্যাত আলেম (1) বিবেক ও বিবেকবান (1) বিশ্ব বাবা দিবস (1) বিশ্ব মা দিবস (1) ভ্রমণ (1) মন্তব্য (1) মাহফুজ খানের লেখালেখি (1) রবি এ্যাড (1) রমজানুল মোবারক (1) রেজাল্ট (1) রোগ-পথ্য (1) লংমার্চ (1) শহীদ দিবস (1) শুভ বাংলা নববর্ষ (1) শৈশবের দিনগুলো (1) সমবায় (1) সস্তার তিন অবস্থা (1) সাভার ট্র্যাজেডি (1) সিটি নির্বাচন (1) স্বপ্ন পথের পথিক (1) স্বাধীনতা (1) হ্যালো প্রধানমন্ত্রী (1) ২১ ফেব্রোয়ারী (1)

APNAKE SHAGOTOM

ZAKARIA SHAHNAGARIS WRITING

সকলকে বাংলা নতুন বছরের শুভেচ্ছা

বর্তমান বিশ্বায়নের যুগে আমরা আর বাংলা ভাষায় কথা বলতে চাইনা । নিজের মাতৃভাষাকে যখন-তখন যেখানে সেখানে অবমাননা করে তৎপরিবর্তে ইংরেজী ভাষা ব্যবহার করতে অভ্যাস্থ হয়ে যাচ্ছি বা হয়ে গেছি ।
আরও একটু এগিয়ে গেলে বলতে হয় - আমরা আজ বাঙ্গালী হয়ে বাঙ্গালী জাতিসত্বা ভুলে গিয়ে ইংরেজী জাতিসত্বায় রক্তের ন্যায় মিশে গেছি !

অথচ একদিন আমরা বাঙ্গালী জাতি একতাবদ্ধ হয়ে রাষ্ট্রীয় ভাষা উর্দুকে ত্যাগ করে নিজেদের মাতৃভাষা বাংলাকে রাষ্ট্রীয় ভাষা তথা বাংলা ভাষাকে সর্বত্র প্রচলন করতে প্রাণ দিতে বাধ্য হয়েছিলাম ! ফলে বিজাতীয় ভাষা উর্দূকে অপসারন করে নিজেদের মাতৃভাষায় কথা বলার স্বাধীনতা অর্জন করে বাংলা ভাষাকে ধারন করেছিলাম । যখন আমরা বাংলার সর্বত্র বাংলা ভাষায় কথা বলা শুরু করেছিলাম ,তখন কিন্তু বিশ্বায়নের যুগটা অনুপস্থিত ছিল তা নয় , বিশ্বায়নের যুগটা তখনও ছিল বিধায় আমরা ইংরেজী শিক্ষায় তখনও বাধ্য ছিলাম । অর্থাৎ যে জন্যে আজ আমরা ইংরেজী শিখছি সেইজন্যে তখনও ইংরেজী শিক্ষার প্রচলন ছিল । ছিল ইংরেজী শিক্ষার প্রয়োজনীয়তাও । তাই বলে সে সময় বর্তমান সময়ের মত মাতৃভাষা বাংলাকে অবমাননা করা হয়নি । মানুষ সে সময় বাংলায়ই কথা বলেছিল । শুধুমাত্র প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রেই সে সময় ইংরেজী ব্যাবহার করেছিল বাঙ্গালী জাতি

conduit-banners

Powered by Conduit

ফ্লাগ কাউন্টার

free counters

MZS.ONLINE MONEY MAKING WAY

PLEASE CLICK ON MY BANNERS. VISIT MY AFFILIATE SITE "MZS.ONLINE MONEY MAKING WAY ( অনলাইনে অর্থোপার্জনের একটা মাধ্যম )" I HOPE IT WILL BE HELPFUL FOR YOU. Create your own banner at mybannermaker.com!
রাজনীতি লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
রাজনীতি লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বুধবার, ২৪ ডিসেম্বর, ২০১৪

অবৈধ - সন্ত্রাসী - স্বৈরশাসক আওয়ামী সরকার বিরোধী আন্দোলনে সফল হতে বিএনপির প্রতি ১০টি প্রয়োজনীয় টিপস।

অবৈধ - সন্ত্রাসী - স্বৈরশাসক 

আওয়ামী সরকার বিরোধী 
আন্দোলনে সফল হতে 
বিএনপির প্রতি ১০টি প্রয়োজনীয় টিপস। 
**********************

টিপস -০১: 
পাবনার ব্যবসায়ীদের মত লাঠি-বাঁশিকে অস্ত্র হিসাবে সঙ্গে রাখুন।

টিপস -০২: 
যে কোন স্থানে যে কোন কর্মসুচী সফল করতে কর্মীদের একত্র করনে শুধুমাত্র মোবাইল নেটওয়ার্ককে ব্যবহার করুন।

টিপস -০৩:
দেশের প্রত্যেকটি থানা ও পুলিশ ক্যাম্প অতর্কিতভাবে ঘেরাউ করে পুলিশ ও আইনশৃন্খলা রক্ষাকারীরূপী আওয়ামী ক্যাডারদের নিরস্ত্র করে দিন।

টিপস -০৪: 

ছাত্রলীগের পিঠানী খাওয়া থেকে বাঁচতে মোবাইল নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে কর্মীদের একত্র করে লাঠি-বাঁশী প্রয়োগ করে তাদের শায়েস্তা করতে বিশেষ ব্যবস্থা নিন।

টিপস -০৫: 
সেনাবাহিনী-বিমান বাহিনী-নৌবাহিনী রূপী বাংলাদেশ রক্ষার নামে আওয়ামীলীগ রক্ষার (বিশেষ বাহিনী) প্রহরীদের নিজেদের আওতায় আনতে বিশেষ ব্যবস্থা নিন।

টিপস -০৬:
জনগণকে নিজেদের আওতায় আনতে তৃণমূল থেকেই ব্যবস্থা নিন। মসজিদ-মন্দির-গীর্জা-উপাসনালয়কে কেন্দ্রবিন্দু করে জনগণকে আপনাদের আন্দোলনের সৎ উদ্দেশ্য তুলে ধরুন।

টিপস -০৭:
শুধু ক্ষমতায় আরোহন নয়, দেশ ও জনগণের কল্যানের সৎ উদ্দেশ্যেই দেশের শাসনভার হস্তগত করার আন্দোলনের শপথ নিন জনগণকে নিয়েই।

টিপস -০৮:
ধর্মীয় অনুশাসনে শাসিত মানুষদের উপদেশকে প্রাধান্য দিয়ে তাদের নিয়েই আন্দোলন চালাতে সিদ্ধান্ত নিন।

টিপস -০৯: 
সৎ বিবেক দিয়ে সভ্য সমাজ বিনির্মানের লক্ষ্যে "সত্যাগ্রহ আন্দোলন" এর সুচনা করুন।

টিপস -১০: 
সৃষ্টিকর্তার অনুশাসনকেই আপনাদের যাত্রাপথের পাথেয় হিসাবে ধারণ করুন।
=======

সোমবার, ১৭ জুন, ২০১৩

"ছোট্ট একটা কাজ, যদি করে দেখাও আজ জেগে উঠবে সবাই , নতুন করে আবার !"

"ছোট্ট একটা কাজ, যদি করে দেখাও আজ
জেগে উঠবে সবাই , নতুন করে আবার !"
------------------------------

বর্তমান সরকারের মুখপত্ররূপে অস্থিত্বমান দেশের টেলিভিশনগুলোতে দুই/তিন মিনিট পর পর একটা এ্যাড প্রদর্শন করা হচ্ছে, আর তা হচ্ছে -

"ছোট্ট একটা কাজ, যদি করে দেখাও আজ
জেগে উঠবে সবাই , নতুন করে আবার !"
আমার ধারণা, নাস্তিক্যবাদী বর্তমান সরকারের তলিয়ে যাবার অবস্থা থেকে তাদের আবার তুলে আনার লক্ষ্যে তাদের একটু সাহস দানে এই এ্যাডটি বারবার প্রচার করা হচ্ছে।
কিন্তু, যেখানে হলমার্ক, ডেসটিনি, শেয়ারবাজারের লুঠকরা কোটি কোটি টাকা ঢেলে দিয়েও বর্তমান সরকারকে চার সিটিতে তলিয়ে যাওয়া থেকে রক্ষা করা যায়নি, সেখানে এই - "ছোট্ট একটা কাজ, যদি করে দেখাও আজ
জেগে উঠবে সবাই , নতুন করে আবার !"-
এ্যাডভার্টাইজটি এই ডুবন্ত সরকারকে কি আদৌ রক্ষা করা যাবে ? সরকার কি পারবে - সেই ছোট্ট একটা কাজ দিয়ে আবার দিকহারা তীরে নৌকা ভীড়াতে ?
যে সরকার হাজার হাজার আলেম হত্যার মধ্য দিয়ে ইসলামের মুলোৎপাঠনের ঔদ্যত্ব দেখিয়েছে সেই সরকার কি পারবে আবার দেশের ৯০ শতাংশ মুসলীমের হৃদয় জয় করতে ? যে সরকার একটি মুসলীম দেশ থেকে ইসলাম নির্মূল করে সে দেশকে নাস্তিক্যবাদী দেশরূপে প্রতিষ্ঠিত করতে বেপরোয়া হয়ে উঠে, সে সরকার কি পারবে মুখ ফিরিয়ে নেয়া মুসলীমদের তাদের দিকে ফেরাতে ? যে সরকার নাস্তিকদের প্রিয়ভাজন হতে তাদের আদেশে দেশের মুসলীমদের রাতের অন্ধকারে নির্বিচারে হত্যা করতে দ্বিধা করেনি, সে সরকার কিভাবে পারবে ছোট্ট একটা কাজ করে দেশের মুসলীমদের সরকার বাঁচানোর লক্ষ্যে জাগাতে ?














রবিবার, ১৬ জুন, ২০১৩

"টক অব দ্য কান্ট্রি - যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বাধাগ্রস্থ করতে চার সিটি কর্পোরেশনের জনগণ নাস্তিক্যবাদী সরকারের বৃহৎ চার এজেন্টকে তাদের সিটি থেকে ঝেঁটিয়ে বিদায় করেছে !!"

"টক অব দ্য কান্ট্রি -
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বাধাগ্রস্থ করতে
চার সিটি কর্পোরেশনের জনগণ
নাস্তিক্যবাদী সরকারের বৃহৎ চার এজেন্টকে
তাদের সিটি থেকে ঝেঁটিয়ে বিদায় করেছে !!"
মুহাম্মদ জাকারিয়া শাহনগরী
--------------------

হ্যাঁ ! এই হলো আজকের টক অব দ্য কান্ট্রি বা "নাস্তিক্যবাদের বাংলদেশী এজেন্ট" বাংলদেশ আওয়ামী লীগের প্রধান আলোচ্য শিরোনাম। গতকালের নির্বাচনে চার সিটি কর্পোরেশনে "নাস্তিক্যবাদের বাংলদেশী এজেন্ট" আওয়ামী লীগের ভরাডুবির পর "টক অব দ্য কান্ট্রি" এই শিরোনামের ব্যানারে অনুষ্টিত হওয়া "নাস্তিক্যবাদের বাংলদেশী এজেন্ট"এর এক ঘরোয়া আলোচনা অনুষ্টানে প্রধান আলোচক হিসাবে শেখ হাসিনার পালক পুত্র নাস্তিক্যবাদের মহান দূত ডাঃ এইচ ইমরানের আলোচনায় এভাবেই ঝড়ে পড়ে তাদের হতাশার কান্না। আর তাই তাদের মনের - "যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বাধাগ্রস্থ করতে চার সিটি কর্পোরেশনের জনগণ নাস্তিক্যবাদী সরকারের বৃহৎ চার এজেন্টকে তাদের সিটি থেকে ঝেঁটিয়ে বিদায় করেছে"- এ কথাটিই হয়ে উঠে আজকের "টক অব দ্য কান্ট্রি"।

যা হোক, নাস্তিক্যবাদী বর্তমান সরকারের সেই "টক অব দ্য কান্ট্রি" নিয়ে দেশ-জনতার পড়ে থাকলে চলবেনা। তাদেরকে আগামী জাতীয় নির্বাচনে কিভাবে জবাব দেয়া হবে সেটা নিয়েই এদেশের ধর্মপ্রাণ মানুষদের ভাবতে হবে। আর এই ভাবাভাবি ঘুমিয়ে করলে হবেনা। জাগ্রত হয়েই এই ভাবাভাবি করতে হবে। কারণ, এই নির্বাচনে আওয়ামীলীগের ভরাডুবিতে দেশ-জনতার আনন্দোল্লাশে মত্ত হবার কোন বিষয় পরিলক্ষিত হয়নি। ভোট কালেকশানের ফিরিস্তি দেখে মনে হচ্ছে, বড় কিছু অর্জনের লক্ষ্যেই এ নির্বাচনে তাদের পরাজয় ছিল একটা লোক দেখানো আয়োজন। তারা দেশের বড় পদটি অর্জনের জন্য দেশের ছোট ছোট পদগুলো অন্যের জন্য ছেড়ে দিতেই পারে। এ যেন জামাতের ছোট ছোট নেতাগুলোকে লঘুদন্ড দিয়ে জামাত-শিবিরের উশৃন্খলতা প্রতিরোধ করে তাদের চুপ রেখে জামাতের বড় বড় নেতাদের ফাঁসির রায় ঘোষনা দেয়ার পথ পরিস্কার করার মতোই ঘটনা।

মনে হচ্ছে বর্তমান সরকারের চার সিটি কর্পোরেশন ছেড়ে দেবার মূলে তাদের রয়েছে জামাত-শিবিরকে ঘুমিয়ে দিয়ে তাদের বড় বড় নেতাদের ফাঁসির রায় দেয়ার মতোই একটা বৃহৎ পরিকল্পনা। যে পরিকল্পনায় তারা এগিয়ে যাচ্ছে দেশের সিংহাসন পুনর্বার অজর্নের লক্ষ্যে। গতকালকের নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হবার দোহায় দিয়ে, আগামী নির্বাচন তাদের দ্বারাই সম্পন্ন করার মধ্য দিয়ে দেশের সিংহাসন পুণঃদখল করার একটা বৃহৎ পরিকল্পনাই হচ্ছে চার সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে তাদের শান্তিপূর্ণ অবস্থান। নয়তো দেশের একমাত্র অশান্ত সৃষ্টিকারী দলের কাছ থেকে এমন শান্ত-নীরবতা কখনো আশা করা যায়না।

তাই গতকালকের শান্তিপূর্ণ নিরপেক্ষ নির্বাচনের টোপটি না গিলে দেশের জনকে আগামী নির্বাচনের পরিকল্পনা জাগ্রত হয়েই করতে হবে। নয়তো দেশের জনগণকে দেখতে হবে আগামী নির্বাচনের মাধ্যমে একটা বিশ্বকে চমকে দেয়া অনিরপেক্ষ ও অশান্তকর এবং ভীতিকর অবস্থায় নিপতিত একটা নতুন বাংলাদেশকে। যেখানে থাকবে শুধুই অস্ত্রের ঝনঝনানী, যেতে পারবেনা কেউ ভোটকেন্দ্রে, প্রয়োগ করতে পারবেনা কেউ তাদের ভোটাধিকার। যেভাবেই হোক তারা চাইবে দেশের সিংহাসন পূনর্বার তাদের করায়ত্ব করার। কারণ তারা বুঝেই গেছে যদি আগামী নির্বাচনে তারা জয়ী না হয়, তবে বাংলাদেশের রাজনীতিতে তাদের হবে রাজনৈতিক মৃত্যু। কারণ কোন স্বৈরশাসকই কখনো দ্বিতীয়বার শাসনকর্তৃত্বের অধিকারী হতে পারেনা। আর এ কারনেই তারা ছলে - বলে - কৌশলে শাসনভার অর্জনের লক্ষ্যে যে কোন প্রকার পদ্ধিত গ্রহণ করে শেষ চেষ্ঠা চালাবে।
তাই দেশের জনগণকে এখনই প্রস্তুতি নিয়ে কাজ শুরু করতে হবে কিভাবে তারা তাদের মঙ্গল আনায়নে কোন্ পদক্ষেপটি গ্রহণ করবে ?
















রবিবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৩

দেখতে চাই তরুনদের সেই তারুণ্যের অগ্নিশিখা, যা রপান্তরিত হবে দেশের জন্য শান্তির সুবাতাস রূপে

দেখতে চাই তরুনদের সেই তারুণ্যের অগ্নিশিখা,
যা রপান্তরিত হবে দেশের জন্য শান্তির সুবাতাস রূপে
মুহাম্মদ জাকারিয়া শাহনগরী
----------------------

আজকের তরুনদের চিন্তাশক্তির বাহার দেখলে চোখ কামড়ায়। সোজা পথ তারা দেখেনা। বাকা পথই যেন তাদের অন্যতম যাত্রাপথ। আজকের শাহবাগের বিক্ষুব্ধ মঞ্চে যে তারুণ্যের জোয়ার বইছে সে জোয়ার দেশজ কল্যানে, দেশ গঠনের লক্ষ্যে যদি বইত, সমগ্র দেশ তাদের সাথে স্বেচ্ছায় যোগ দিত কোন প্রকার আহ্বান ছাড়াই।
যদি তাদের শপথের বিষয় হতো -
" আজ আমরা শপথ নিলাম , আমরা সকল দূর্নীতি থেকে দেশকে বাঁচাতে আজ থেকে আমরা পদক্ষেপ গ্রহণ করলাম। দেশ লুন্ঠনকারীদের বিরুদ্ধে তাদের মূলোৎপাঠনে আমরা আজ থেকে যুদ্ধ ঘোষণা করলাম। সকল প্রকার অন্যায় - অনাচারের বিরুদ্ধে আমরা আজ থেকে রুখে দাঁড়ালাম। চুরি-ডাকাতি-রাহাজানি-সুদ-ঘুষ-খুন-গুম-অপহরণ-ধর্ষণ-নির্যাতন ইত্যাদি অনৈতিক কর্মের বিরুদ্ধে আজ আমরা অতন্দ্র প্রহরী হিসাবে নিজেদের নিয়োজিত করলাম। আজ আমরা এমন একটা পৃথিবী বিখ্যাত কর্ম ধারণ করলাম যা দিয়ে আমরা আমাদের দেশকে একটা পৃথিবী বিখ্যাত সভ্য দেশ হিসাবে চিহ্নিত করব। "
তবে এ বিদ্রোহ হত পৃথিবী বিখ্যাত একটা তারুণ্য শক্তি নির্ভর তরুণদের মহাবিদ্রোহ। আর এ পৃথিবী বিখ্যাত মহাবিদ্রোহের একমাত্র দাবীদার হতো বাংলাদেশের তরুনরা।

কিন্তু নাহ ! আমাদের তরুনদের মাথায় এ তারুণ্য শক্তি ডুকবেনা। কারণ আমাদের তরুনদের সেই তারুণ্য শক্তি ক্ষয়মান আমাদের দেশের নোংরা রাজনীতির ডাস্টবিনে পড়ে। আমাদের দেশের তরুনদের সেই তারুণ্য শক্তি ধ্বংসমান আমাদের দেশের অসৎ রাজনীতিবিদদের অসৎ মেধার করালগ্রাসে।

প্রশ্ন জাগে - আমাদের দেশে সেই তরুণ জাগবে কবে , যারা শুধুমাত্র দেশগঠনেই লড়বে ? আমাদের দেশের তরুণদের সেই তারুণ্য শক্তি উদগীরন হবে কবে , যেদিন তাদের তারুণ্য অগ্নিশিখা রূপান্তরিত হবে শান্তির সুবাতাস রূপে ?
=================

বৃহস্পতিবার, ৩১ জানুয়ারি, ২০১৩

বিলুপ্তাধীন বাংলাদেশ : গর্জে উঠ দেশ-জনতা

বিলুপ্তাধীন বাংলাদেশ : গর্জে উঠ দেশ-জনতা
মুহাম্মদ জাকারিয়া শাহনগরী
-----------------------

শুরু হয়েছে যুদ্ধ। চারিদিকে চলছে গোলাগুলি , ফুটছে বোমা , জ্বলছে সর্বত্র ধাউ ধাউ করে আগুন, হচ্ছে স্বাধীন দেশের সবুজ রাজপথ রক্তরঞ্জিত,ঘটছে সর্বত্র ধর্ষণের ঘটনা, চলছে নারীদের উপর নির্যাতন অহরহ। এ যেন ১৯৭১ এর সেই যুদ্ধকালীন সময়েরই একটা পরিস্থিতি। বিরাজ করছে সর্বত্র নৈরাজ্য।
নাহ্ ! এ কোন পাকিস্তানী তাড়াতে এদেশের মানুষদের স্বাধীনতার যুদ্ধ নয়। এ যুদ্ধ গৃহযুদ্ধ। ঘরের মানুষদের সথে ঘরের মানুষদের যুদ্ধ। এ নৈরাজ্য সৃষ্টিকারীরা কোন পাকিস্তানী নয়, এদেশেরই মানুষ। এসব ধর্ষনকারী , নারীদের উপর অত্যাচারীরা কোন রাজাকার নয় এদেশেরই সোনার সন্তান নব্য রাজাকার। এ যুদ্ধ দমনকারী সরকার পক্ষ পাকিস্তানের সেই লুন্ঠনকারী সরকার নয়, এদেশের জনগণের স্বার্থ দেখার ম্যান্ডেট নিয়ে আসা ক্ষমতাধর জনগণের স্বার্থহরণকারী আর শান্তি বিনষ্টের মুল আয়োজক দেশপ্রেমের আড়ালে দেশ ধ্বংসী সরকার।
১৯৭১ এর যুদ্ধের দ্বিতীয় সংস্করনে সংঘটিত এই যুদ্ধে আস্তে আস্তে জড়িয়ে পড়ছে সমগ্র দেশের মানুষ । বিলুপ্ত হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ নামক এই ছোট্ট ভুখন্ডটি এই গৃহযুদ্ধের মাধ্যমে। যদি এই গৃহযুদ্ধের মাধ্যমে বিলুপ্তাধীন এদেশকে বাঁচানোর ইচ্ছা থাকে তবে জনগণকে নতুন ভাবনায় ঘুরে দাঁড়াত হবে এখনই। দেশের মানুষদেরই গর্জে উঠতে হবে বাংলাদেশকে দলীয় সরকারের আবহ থেকে মুক্ত করতে। দেশের মানুষকেই দেশের সব রক্তচোষা দল ধ্বংসে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে। দেশকে গৃহযুদ্ধ থেকে বাঁচানোর একটাই পথ - দেশকে রক্তচোষা সকল দল থেকে মুক্ত করতে নেমে পড়া।
=================

শনিবার, ২০ অক্টোবর, ২০১২

দেশের জন্য জরুরী


দেশের জন্য জরুরী
মুহাম্মদ জাকারিয়া শাহনগরী
--------------------

দেশের জন্য জরুরী আজ দশের একতা,
দেশের জন্য জরুরী আজ নতুন এক নেতা।
দেশের জন্য জরুরী আজ বিবেকের জাগরণ,
দেশের জন্য জরুরী আজ সঠিক পথের ধারন।
দেশের জন্য জরুরী আজ পুরান নেতার বয়কট,
দেশের জন্য জরুরী আজ দেশ গঠনের সংগঠক।
দেশের জন্য জরুরী আজ অসৎ লোকদের দমন,
দেশের জন্য জরুরী আজ ন্যায়বানদের আগমন।
দেশের জন্য জরুরী আজ ন্যায়বানদের আসন,
দেশের জন্য জরুরী আজ ন্যায়-নীতিরই শাসন।
দেশের জন্য জরুরী আজ সৎ সাহসী মানুষ,
দেশের জন্য জরুরী আজ সত্য-ন্যায়ের ফানুস।
দেশের জন্য জরুরী আজ নতুন অভিরুচি,
দেশের জন্য জরুরী আজ নতুন কর্মসূচী।
=================

শুক্রবার, ৬ জুলাই, ২০১২

অভিনন্দন মাননীয়া প্রধানমন্ত্রী


অভিনন্দন মাননীয়া প্রধানমন্ত্রী !
মুহাম্মদ জকারিয়া শাহনগরী
---------------------

অভিনন্দন মাননীয়া প্রধানমন্ত্রী !
অবশেষে আপনি জনতাকে আপনার দরবার পর্যন্ত গমনের সুযোগ দিলেন । দেশের নাগরিক পেল আপনার সাথে সরাসরি কথা বলার অধিকার। যে সুযোগ ইতিপূর্বে কোন সরকার প্রধানের কাছ থেকে দেশের জনগণ কখনো পায়নি, সুযোগটা আপনার কাছ থেকেই জনগণর প্রথম পাওয়া। গণতান্ত্রিক সরকারের একটা নমুনা দেখিয়ে দিলেন আপনি বিচক্ষণতার সহিত জনগণকে তাদের চাহিদা সরাসরি আপনাকে জানানোর জন্য নিজের মোবাইল নাম্বার ও ইমেইল ঠিকানা প্রদান করে । এটা দেশের নাগরিকদের জন্য দেশপ্রধানের কাছ থকে কম পাওয়া নয় । কিন্তু দেশের নাগরিকদের প্রকৃত পাওয়াটা সেদিনই হবে যেদিন নাগরিকদের আবেদনকৃত চাহিদা আপনার দ্বারা তড়িৎ গতিতে পুরণ হবে।

এভাবেই দেখেছিলাম ইন্ডিয়ান একটা ফিল্মে একজন নায়কের ২৪ ঘন্টা সময়ের মধ্যে একটা দেশের সকল অনিয়মকে নিয়মবদ্ধ করার এবং সকল দূর্নীতিকে উচ্ছেদ করে নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত করার এক দুরূহ অভিযানের সাফল্য।
কিন্তু আপনার হাতে ২৪ ঘন্টা নয়, রয়েছে মূল্যবান একটি বছরের উর্ধ্ব সময়। আর এই একবৎসর সময় খুব একটা কম সময় নয় একজন প্রকৃত দেশপ্রেমিক যোগ্য নেতার কাছে । এক্ষেত্রে একটা কথা মনে রাখতে হবে , নেতা কখনো অন্যের নির্দেশে চলেনা , নেতা সবসময় অন্যকে নির্দেশ দেয় । আপনার ঘরে যারা অবস্থান করছে তারা সবাই আপনার নয় , তাদের মাঝেই রয়েছে আপনাকে ধ্বংস করার ছদ্ধবেশধারী কিছু লোক , যারা আপনার সৎ নেতৃত্বকে দাবিয়ে রাখতে সবসময় কাজ করে যাচ্ছে । তাই একজন যোগ্য নেতার জন্য প্রয়োজন সবদিকে তীক্ন দৃষ্টি রাখা। আর সব দকের মধ্যে রয়েছে - সামনে-পীছে-ডান-বায়-চতু্কোণ-উর্ধ্ব-নিম্ন-গুপ্তাঙ্গ-জিহ্বা-কর্ণ-নাসিকা-চোখ ইত্যাদি। আশা করছি এই একবৎসরে নিজের যোগ্য নেতৃত্বের পরিচয় দিয়ে বাংলাদেশের ইতিহাসে দেশ গড়ার কারিগর রূপে নিজেকে দেশের একজন সফল নেতা হিসাবে প্রতিষ্টিত করে যেতে সক্ষম হবেন এবং এ সফলতার অভিযানে তীক্ষ্ন দৃষ্টি রেখে সম্পূর্ণ নিজ মনের মতামত নিয়ে এ সফলতার অভিযান পরিচালনা করবেন। আর এ সফলতার অভিযানে রইল আপনার জন্য শুভকামনা ।

যে সকল নাগরীক তাদের অভিযোগ সরাসরি দেশপ্রধানের কাছে জানাতে চান তারা এই নাম্বার ও ইমেইল ঠিকানায় জানাতে পারেন -
মোবাইল - গ্রামীণ নম্বর ০১৭১১৫২০০০০ এবং একটেল (বর্তমানে রবি) নম্বর ০১৮১৯২৬০৩৭১
ইমেইল ঠিকানা - Sheikhhasina@hotmail.com
==========================

বৃহস্পতিবার, ৫ জুলাই, ২০১২

ইতিহাসে ৫ জুলাই


ইতিহাসে ৫ জুলাই 
মুহাম্মদ জাকারিয়া শাহনগরী 
---------------------- 

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র রাজনীতির ইতিহাসে কলঙ্কজনক অধ্যায় রচিত : ২০১০ সালের এইদিনে - জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র রাজনীতির ইতিহাসে কলঙ্কজনক অধ্যায় রচিত হয়েছিল । জাবি ছাত্রলীগের ইতিহাসে যুক্ত হয়েছিল রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের এক নতুন মাত্রা। সেদিন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের নতুন কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের গ্রুপের মধ্যে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে অন্তত আটজন গুলিবিদ্ধসহ অর্ধশত মারাত্মক আহত হয়। প্রকাশ্যে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে মরণ যুদ্ধে লিপ্ত হয় দুই গ্রুপ। ধারালো অস্ত্র দিয়ে জখম করে এক পক্ষ অন্য পক্ষকে। গুলি করে হলের চার তলার ছাদ থেকে নিচে ফেলে দেওয়া হয় সাধারণ সম্পাদক গ্রুপের পাঁচ ছয় কর্মীকে । এদিন দেশবাসী হতবাক হয়ে পড়ে চার তলা থেকে নির্দয়ভাবে পিটিয়ে নিচে ফেলে দেয়ার লোমহর্ষক ঘটনা দেখে। অনেক ছাত্র জীবন বাঁচাতে ভয়ে লাফ দেন হলের ছাদ থেকে। এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগের সকল রাজনৈতিক কর্মকান্ড নিষিদ্ধ ঘোষণা করে।
ভারতীয় সম্প্রসারণবাদ প্রতিরোধ দিবস : ২০০৯ সালের এইদিনে - ভারত রাষ্ট্রের বৃহৎ রাষ্ট্রসূলভ দাম্ভিক আস্ফালনের ও তার অনুসৃত সম্প্রসারণবাদী নীতির বিরুদ্ধে ৭টি সুনির্দিষ্ট ইস্যুতে ‘ল্যাম্পপোস্ট’ ঢাকায় অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাসের সামনে বিক্ষোভ কর্মসূচী পালন করে। এই কর্মসূচী পালনকালে ভারতীয় দূতাবাসের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের প্রত্যক্ষ নির্দেশে দূতাবাসের নিজস্ব ভারতীয় পুলিশ ও বাংলাদেশের পুলিশ বাহিনী যৌথভাবে বিক্ষোভকারীদের উপর বর্বোরোচিত তাণ্ডব চালিয়েছিল। এ ঘটনার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ নামক বিদ্যমান রাষ্ট্রটির নতজানু ও সেবাদাসমূলক অবস্থান ও ভারত রাষ্ট্রের সম্প্রসারণবাদী চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য সুস্পষ্টভাবে প্রকাশিত হয়ে পড়ে এবং তার বিরুদ্ধে গণসচেতনতা ও গণপ্রতিরোধ গড়ে তোলার নৈতিক প্রত্যয়ে ল্যাম্পপোস্ট এইদিনকে “ভারতীয় সম্প্রসারণবাদ প্রতিরোধ দিবস” হিসেবে পালনের ঘোষণা দেয়।
পাকিস্তানের জেনারেল মোঃ জিয়াউল হকের এক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে দেশটির ক্ষমতা দখল : ১৯৭৭ সালের এইদিনে - পাকিস্তানের জেনারেল মোঃ জিয়াউল হক এক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে জুলফিকার আলী ভুট্টোর সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করে দেশটির ক্ষমতা দখল করেন। তিনি নিজেই একাধারে প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং ভুট্টোকে ফাঁসী দেন। তৃতীয়বারের মত পাকিস্তানে সামরিক শাসন জারি করেন, সংবিধান স্থগিত করেন এবং রাজনৈতিক দলগুলোর তৎপরতা নিষিদ্ধ করেন ও সংবাদপত্রগুলো বন্ধ করে দেন।
রাজনীতিবিদ মোহাম্মদ ফরহাদ : ১৯৩৮ সালের এইদিনে - রাজনীতিবিদ মোহাম্মদ ফরহাদ পঞ্চগড় জেলার বোদা উপজেলার জমাদারপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৪৮ সালের দিকে দিনাজপুরের তেভাগা আন্দোলন তাঁর রাজনৈতিক মতাদর্শ তৈরীতে প্রভাব রাখে। এই সময়ে মোহাম্মদ ফরহাদ রাজনীতিতে প্রভাবিত হয়ে পড়েন এবং ঐ সময় হতেই মোহাম্মদ ফরহাদ সমাজতন্ত্রের প্রতি আকর্ষিত হয়ে দিনাজপুর কমিউনিস্ট পার্টির সাথে সম্পৃক্ত হন। ১৯৫৮ সালে তিনি ছাত্র ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বে আসেন। তিনি ছিলেন ১৯৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলনের মূল নেতা । ১৯৬৮ সালে তিনি কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য নির্বাচিত হন। মুক্তিযুদ্ধে সরাসরি অংশ নিয়ে তিনি ন্যাপ-কমিউনিস্ট পার্টি, ছাত্র ইউনিয়নের বিশেষ গেরিলা বাহিনীর বিশেষ সংগঠক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৮৭ সালের ৯ই অক্টোবর তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
ভাষা সৈনিক শেখ আমান উল্লাহ : ১৯২৯ সালের এইদিনে - কলারোয়ার ঝাঁপাঘাট গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন ভাষা সৈনিক শেখ আমান উল্লাহ। ১৯৪৮ সালে যশোর এম এম কলেজে একাদশ শ্রেণীতে অধ্যয়নরত অবস্থায় তিনি ভাষা আন্দোলনে সক্রিয় অংশ গ্রহণ করেন। সে সময়ের ছাত্র আন্দোলনে সামনে থেকে তিনি নেতৃত্ব দেন। ৪৮ থেকে ৫২’র একুশে ফেব্র“য়ারি পর্যন্ত ভাষার দাবিতে সংঘটিত দক্ষিণ জনপদের সবগুলো আন্দোলন-সংগ্রামে শেখ আমান উল্লাহ অগ্রণী ভূমিকা রেখেছেন। তাঁর নামে কলারোয়ায় গড়ে ওঠা প্রতিষ্ঠান ‘শেখ আমান উল্লাহ ডিগ্রী কলেজ’ আজ দক্ষিণাঞ্চলের শীর্ষ কলেজগুলোর মধ্যে অন্যতম। ২০০৮ সালে উপজেলা প্রশাসন তাঁর নামে কলারোয়ার একটি প্রধান সড়কের নামকরণ করে।
প্রথম বাবা দিবস পালন : ১৯০৮ সালের এইদিনে - বাবা দিবস উদযাপনের প্রথম উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল । যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট ভার্জিনিয়ায় এইদিন মিসেস গ্রেস গোল্ডেন ক্লেইটনের উদ্যোগে এই দিবসটিকে প্রথম বাবা দিবস হিসাবে পালন করা হয়। ১৯৬৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট লিন্ডন বি জনসন জুন মাসের তৃতীয় রোববারকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাবা দিবস হিসেবে নির্ধারণ করেন। ১৯৭২ সালে প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সন প্রতি বছর বাবা দিবস পালনের রীতি চালু করেন। সেই থেকে প্রতিবছর জুন মাসের তৃতীয় রোববার পালিত হচ্ছে বাবা দিবস। বাবার প্রতি শ্রদ্ধা, ভালোবাসা, কৃতজ্ঞতা জানানোই এই দিবসের প্রাতিপাদ্য বিষয়। অনেক সন্তানই আছে, যারা বাবা-মায়ের দেখাশোনার প্রতি খুব একটা মনোযোগী নয়। মা দিবস বা বাবা দিবস তাদের চোখের সামনের পর্দাটি খুলে ফেলে বাবা-মায়ের প্রতি তার দায়িত্বের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। এ ক্ষেত্রে বলা যায়, পারিবারিক বন্ধন দৃঢ় করতে বাবা দিবসের আলাদা গুরুত্ব রয়েছে। আমাদের পরিবার তথা সমাজে বাবার যে গুরুত্ব তা আলাদাভাবে তুলে ধরাই বাবা দিবস পালনের মূল উদ্দেশ্য। ২০১০ সালের বাবা দিবসে কেবল যুক্তরাষ্ট্রেই ৯৫ মিলিয়ন শুভেচ্ছা কার্ড পেয়েছিলেন বাবারা।
ঢাকা জাতীয় জাদুঘরের ৩৮, ৩৯ এবং ৪০ নম্বর গ্যালারি বন্ধ : ২০০৯ সালের এইদিনে : জনকণ্ঠ পত্রিকার একটি প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকা জাতীয়জাদুঘরের ৩৮, ৩৯ এবং ৪০ নম্বর এই তিনটি গ্যালারি বন্ধ করে দেয়া হয়। ২০০৯ এর ৬ জুন জনকণ্ঠ পত্রিকায় উক্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছিল।
আলবের্তো জিলার্দিনো ("ইল গিলা") : ১৯৮২ সালের এইদিনে - ইটালীয় ফুটবলার আলবের্তো জিলার্দিনো ("ইল গিলা") জন্মগ্রহণ করেন। আলবের্তো জিলার্দিনো এ সি মিলান ও ইটালি জাতীয় দলের একজন স্ট্রাইকার। তিনি ২০০৬ ফিফা বিশ্বকাপে ইটালীয় দলের সদস্য ছিলেন।
আলজেরিয়ার স্বাধীনতা লাভ : ১৯৬২ সালের এইদিনে - ফরাসী দখলদারিত্ব থেকে উত্তর আফ্রিকার দেশ আলজেরিয়া স্বাধীনতা লাভ করে। আলজেরীয়দের স্বাধীনতা সংগ্রামে দশ লক্ষ মানুষ শাহাদত বরণ করেন। ফরাসী উপনিবেশবাদীরা ১৮৩০ সালে আলজেরিয়া দখলের জন্য হামলা চালায়, কিন্তু আলজেরীয় জনগণ তীব্র প্রতিরোধ গড়ে তোলে। আমীর আবদুল ক্বাদেরের নেতৃত্বে প্রতিরোধ যোদ্ধারা ফরাসীদের বেশ কয়েকবার পরাজিত করে। কিন্তু ১৭ বছর ধরে প্রতিরোধ গড়ে তোলার পর তিনি ফরাসীদের হাতে বন্দী হন। এর ফলে আলজেরিয়ার একটা বড় অংশ ফরাসী উপনিবেশবাদীদের দখলে চলে যায়। পরে ফরাসী উপনিবেশবাদীরা ধীরে ধীরে নৃশংস পন্থায় গোটা আলজেরিয়ায় উপনিবেশ কায়েম করে। দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের সময় আলজিয়ার্স শহর অস্থায়ী ফরাসী সরকারের রাজধানী ছিল। দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের পর পরই আলজেরীয় জনগণ স্বাধীনতা সংগ্রাম শুরু করলে তাদেরকে স্বায়ত্ত্বশাসন দেয়া হয়। কিন্তু স্বাধীনতা সংগ্রামীরা যুদ্ধ চালিয়ে গেলে অবশেষে ১৯৬২ সালের এ দিনে আলজেরিয়া পূর্ণ স্বাধীনতা লাভ করে।
ভেনিজুয়েলার স্বাধীনতা লাভ : ১৮১১ সালের এইদিনে - ল্যাটিন আমেরিকার দেশ ভেনিজুয়েলা স্বাধীনতা লাভ করে। ষোড়শ শতকের প্রথম দিক থেকে ভেনিজুয়েলা ছিল স্পেনের উপনিবেশ। স্পেনীয় উপনিবেশ বাদীদের শোষণ ও লুণ্ঠন ছাড়াও ভেনিজুয়েলার হাজার হাজার রেড ইন্ডিয়ান স্পেনীয় উপনিবেশবাদীদের হাতে নিহত হয় এবং তাদের সহায় সম্পদ বহিরাগত স্পেনীয়রা দখল করে। উনিশ শতকের প্রথম দিকে ফ্রান্সিসকো মিরান্ডার নেতৃত্বে ভেনিজুয়েলার জনগণ স্বাধীনতা আন্দোলন শুরু করে। মিরান্ডা ১৮০৬ সালে প্রথমবারের মতো দেশকে স্বাধীন করার উদ্যোগ নেন, কিন্তু ব্যর্থতার সম্মুখীন হন। পরবর্তী বছরগুলোতে তিনি দক্ষিণ আমেরিকার বিখ্যাত স্বাধীনতাকামী নেতা সাইমন বুলিভারের সহযোগীতায় সংগ্রাম অব্যাহত রাখেন এবং ১৮১১ সালে স্পেনীশ সেনাদের পরাজিত করে ভেনিজুয়েলার স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।
নিউটনের বিখ্যাত গ্রন্থ প্রকাশ : ১৬৮৭ সালের এইদিনে - নিউটনের বিখ্যাত গ্রন্থ 'ফিলোসফিয়া ন্যাচারালিস প্রিন্সিপিয়া ম্যাথামেটিকা' প্রকাশিত হয়। নিউটন মূলত মহাকর্ষ ও গতি সূত্রের আবিষ্কারের জন্যই বেশি পরিচিত। তাঁর পদার্থবিজ্ঞানের ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তিনটি বিষয় এতে আলোচিত হয়েছে। যথা_এক. নিউটনের গতিসূত্র, যা চিরায়ত বলবিজ্ঞানের ভিত্তি স্থাপন করে। দুই. সার্বজনীন মহাকর্ষ তত্ত্ব এবং তিন. কেপলারের গ্রহীয় গতি সম্পর্কিত সূত্রের প্রমাণ।
ভারতের স্বাধীনতা বিল অনুমোদিত : ১৯৪৭ সালের এইদিনে - ব্রিটিশ পার্লামেন্টে ভারতের স্বাধীনতা বিল অনুমোদিত হয়।
হার্বাট স্পেনসার : ১৮৯১ সালের এইদিনে - নোবেলজয়ী মার্কিন চিকিৎসক হার্বাট স্পেনসার জন্মগ্রহণ করেন।
জর্জ দ্য হেবিস : ১৯৬৬ সালের এইদিনে - নোবেলজয়ী হাঙ্গেরীয় রসায়নবিদ জর্জ দ্য হেবিস মৃত্যুবরণ করেন।
টমাস স্ট্যামফোর্ড র‌্যাফেলস : ১৮২৬ সালের এইদিনে - সিঙ্গাপুরের প্রতিষ্ঠাতা স্যার টমাস স্ট্যামফোর্ড র‌্যাফেলস মৃত্যুবরণ করেন।
ক্লোনিং পদ্ধতিতে প্রথম ভেড়ার শাবকের জন্ম : ১৯৯৬ সালের এইদিনে - বৃটেনের বিজ্ঞানী ডঃ উইলমুট উদ্ভাবিত ক্লোনিং পদ্ধতিতে প্রথম সাফল্য হিসেবে ভেড়ার শাবক জন্ম নেয়।
প্যালেস্তাইনের স্বায়ত্তশাসনের সূচনা : ১৯৯৪ সালের এইদিনে - প্যালেস্তাইনের স্বায়ত্তশাসনের সূচনা হয়।
================= 

রবিবার, ২৪ জুন, ২০১২

আত্মপ্রকাশ করলো দেশের আরও একটা রাজনৈতিক দল !



আত্মপ্রকাশ করলো দেশের আরও একটা রাজনৈতিক দল !
মুহাম্মদ জাকারিয়া শাহনগরী
----------------------------

আজ দেখতে পেলাম নতুন একটি দল প্রতিষ্ঠিত হয়েছে । দলটির প্রতিষ্ঠাতা Sefat Ullah ( https://www.facebook.com/sefuda  ), আর দলের নাম - Bangladesh Democratic Socialist Party = BDSP । দলটির প্রতিষ্ঠাতা জনাব সেফাত উল্লাহ্ কিছুদিন পুর্বে বিরোধী দলীয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে নিয়ে বিভিন্ন বাজে পোষ্ট দিতে দেখেছি । এখন আর দেননা । সম্ভবতঃ পার্টি গঠনের মন হওয়ায় সেগুলি বাদ দিয়েছেন । যা হোক, তিনি পার্টি গঠন করে এই রকম একটি বিজ্ঞপ্তিও দিয়েছেন ওনার ওয়ালে ।
বিজ্ঞপ্তিটি হলো – “ বাংলাদেশের রাজনীতিতে তৃতীয় স্রোতের আবির্ভাব ঘটতে যাচ্ছে খুব শিঘ্রই। প্রবাসী নাগরিকদের পক্ষ থেকে নূতন প্রজন্মের অনুরোধে বাংলাদেশ গণতান্রিক সমাজতান্রিক দল ( Bangladesh Democratic Socialist Party = BDSP ) নামক একটি রাজনিতীক দল ঘটন করেছি আমি। খুব শিঘ্রই BDSP নিবন্ধিত হতে যাচ্ছে।
সেফাত উল্লাহ্
ভিয়েনা

দয়া করে আপনার মূল্যবান মতামত প্রদান করুন।
’’
এই বিজ্ঞপ্তিতে নিশ্চিত হলাম যে তিনি একটি পার্টি প্রতিষ্টিত করে ফেলেছে এবং জনগণের মতামত চেয়েছেন । আমি একজন দেশের নাগরিক হিসাবে ওনাকে স্বাগত জানাই । কারণ , নাগরিক হিসাবে ওনার দল প্রতিষ্ঠা ভুল হয়নি । কিন্তু যিনি বিদেশে বসে নিজের জীবনের মূল্যবান সময় নষ্ট করে যখন পরপারে যাত্রা অপেক্ষায় উপনিত , দেশের রাজনীতি চর্চায় যার এখন ভাটা পড়েছে , তার নতুন ভাবে বয়স ২৫ এনে রাজনৈতিক দল প্রতিষ্ঠার খাহেশ একটু বেমানান লাগছে বলেই মনে হচ্ছে ।
অবশ্য তিনি যে সময়টি বিদেশে কাটিয়েছেন , সে সময়টিতে যদি দেশে অবস্থান করে রাজনৈতিক চর্চা চালিয়ে যেতেন , তবে এতটা বেখাপ্পা লাগতোনা । আবার তিনি উল্লেখ করেছেন প্রবাসী নাগরিকদের পক্ষ থেকে নূতন প্রজন্মের অনুরোধে ওনার এই দল প্রতিষ্ঠা ! যদি তাই হয় , প্রবাসী রাজনৈতিক দলের দেশের আভ্যন্তরিন রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে কতটুকু ভ্যালু তা প্রবাসীরাই ভাল জানেন ।
যে প্রবাসে প্রবাসীদের ভোট দেয়ারই কোন অধিকার নেই , সেই প্রবাসে রাজনৈতিক দল গঠন করে প্রবাসীদের রাজনীতি চর্চা একটা হাস্যকর ব্যাপারও বটে । যাই হোক , আমাদের দেশের জনপ্রিয় উপন্যাসিক হুমায়ুন আহমেদের বুড়া বয়সে ভীমরতি ধরে ২৫ বৎসরের সুখি সংসার ভেঙ্গে যেমন নিজের মেয়ের বান্ধবীর সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে হয়েছিল, তেমনই মনে করব জনাব সেফাত উল্লাহর দল প্রতিষ্ঠা করে রাজনৈতিক চর্চায় আত্মনিয়োগ । সেই হিসাবে জানাই ওনাকে অভিনন্দন ।
আমাদের দেশের সরকার আর কিছু পারুক বা না পারুক , বিদেশ থেকে পণ্য আমদানী করে দেশীয় কলকারখানা বন্ধের ঢালাও লাইসেন্স , নিত্য নতুন অস্ত্র আমদানীর মাধ্যমে সোনার ছেলেদের মানুষ মারার লাইসেন্স এবং ব্যবসা কেন্দ্র স্বরূপ রাজনৈতিক দল প্রতিষ্ঠার লাইসেন্স দিতে আলসেমী করেননা । এই তিনটা কাজে সরকার তরিৎকর্মা । তাই যে কোন নাগরিক রাজনৈতিক দল রূপে ব্যবসাকেন্দ্র খুলতে চাইলে কোন প্রকার অসুবিধা হবেনা । তাই যত পারুন রাজনৈতি দল নাম দিয়ে ব্যবসা কেন্দ্র খুলতে থাকুন । বোকা জনগণকে পাবেন লাফালাফির জন্য বিনা পারিশ্রমিকে ।
আজ যে দলটির ঘোষণা শুনলাম সেটা নিয়ে বাংলাদেশে সর্বমোট দল চোখে পড়লো – ১৬৮টি । তবে ভয় নেই , যারাই দল প্রতিষ্ঠা করতে চান পারবেন । একজন নাগরিক সর্বোচ্চ ১৫টি দল প্রতিষ্ঠা করতে পারবেন । যেমন বড় দলগুলো করেছেন – ছাত্রদল,ছাত্রলীগ, মহিলা দল , মহিলা লীগ , কৃষক দল , কৃষক লীগ – এভাবে একজন নাগরিক সর্বোচ্ছ ১৫ টি দল গঠন করতে পারবেন । আমি সুন্দর করে সেভাবে সিরিয়াল সাজিয়েছি । নীচে দেখতে পাবেন । দেশের ষোল কোটি মানুষ যদি একটি করে দল গঠন করতে চাই , তবে দলের সিরিয়ালটি এভাবেই দেখা যাবে -

List of Political Parties in Bangladesh:
--------------------------------------------

000000001. Bangladesh Krishak Sromik Janata Party ,
000000002. Bangladesh Krishak Sromik Mukti Andolon ,
000000003. Bangladesh Labour Party ,
000000004. Bangladesh Manobadhikar Dal ,
000000005. Bangladesh Manobatabadi Dal ,
000000006. Bangladesh Mehanati Front ,
000000007. Bangladesh Muslim League ,
000000008. Bangladesh Muslim League(Aian Uddin) ,
000000009. Bangladesh Muslim League(Kader) ,
000000010. Bangladesh Muslim League(Matin) ,
000000011. Bangladesh Muslim League(Yusuf) ,
000000012. Bangladesh National Awami Party (NAP-Bhasani) ,
000000013. Bangladesh National Awami Party (NAP-Mojaffar) ,
000000014. Bangladesh National Awami Party ,
000000015. Bangladesh National Awami Party(Vasani) ,
000000016. Bangladesh National Congress ,
000000017. Bangladesh National Hindu Party ,
000000018. Bangladesh Nationalist Palli Party ,
000000019. Bangladesh Nationalist Palli Party ,
000000020. Bangladesh Nationalist Party ,
000000021. Bangladesh Nazame Islam Party ,
000000022. Bangladesh Peopels Party ,
000000023. Bangladesh People's Congress ,
000000024. Bangladesh People's League ,
000000025. Bangladesh People's League(Garib A Nawaz) ,
000000026. Bangladesh Progressive Party (BPP) ,
000000027. Bangladesh Republican Party ,
000000028. Bangladesh Samajtantrik Dal(Khalekuzzaman) ,
000000029. Bangladesh Samajtantrik Dal(Mahbub) ,
000000030. Bangladesh Samajtantrik Samsad(Darshan Shava ,
000000031. Bangladesh Samaybadi Dal(Marx-Lenin) ,
000000032. Bangladesh Shamajik Shamsad ,
000000033. Bangladesh Shamajik Shamsad ,
000000034. Bangladesh Sharbahara Party ,
000000035. Bangladesh Tafsil Jati Fedaration(S.K.Mandal) ,
000000036. Bangladesh Tafsili Fedaration(Sudir) ,
000000037. Bangladesh Tanjimul Muslimin ,
000000038. Bangladesh United Communist League ,
000000039. Bangladesh Vasani Adarsha Bastabayan Parishad ,
000000040. Bangladesh Workers Party ,
000000041. Bhasani Front ,
000000042. Communist Kendra ,
000000043. Demacratic Repulican Party ,
000000044. Democratic League ,
000000045. Desh Prem Party ,
000000046. Dhumpan O MAdokdrobba Nibaronkari Manabsheba  
                      Schansta ,
000000047. Freedom Party ,
000000048. Gono Forum ,
000000049. Gono Oikkya Front(Gull) ,
000000050. Gonotantrik Sarbahara Party ,
000000051. Gonotantry Party ,
000000052. Hak Kathar Mancha ,
000000053. Ideal Party ,
000000054. Independent ,
000000055. Islami Al Zihad Dal ,
000000056. Islami Oikya Jote ,
000000057. Islami Samajtantrik Dal ,
000000058. Islami Shasantantra Andolon ,
000000059. Islamic Dal Bagladesh(Saifur) ,
000000060. Jaker Party ,
000000061. Jamat-E-Islami Bangladesh ,
000000062. Jamiate Ulumaye Islam Bangladesh ,
000000063. Jana Dal ,
000000064. Janashakti Party ,
000000065. Janata Mukti Party ,
000000066. Jatia Mukti Dal ,
000000067. Jatiya Biplobi Front ,
000000068. Jatiya Biplobi Party ,
000000069. Jatiya Daridra Party ,
000000070. Jatiya Gonotantrik Party ,
000000071. Jatiya Gonotantry Dal ,
000000072. Jatiya Islamic Dal ,
000000073. Jatiya Janata Party (Hafizur) ,
000000074. Jatiya Janata Party and Gonotantrik Oikkya Jot ,
000000075. Jatiya Janata Party(Aashraf) ,
000000076. Jatiya Janata Party(Nurul Islam),  
000000077. Jatiya Janata Party(Sheikh Asad) ,
000000078. Jatiya Jukta Front ,
000000079. Jatiya Oikya Front ,
000000080. Jatiya Palli Dal ,
000000081. Jatiya Party (Ershad) ,
000000082. Jatiya Party (Monju) ,
000000083. Jatiya Party ,
000000084. Jatiya Samajtantrik Dal ,
000000085. Jatiya Samajtantrik Dal(Inu) ,
000000086. Jatiya Samajtantrik Dal(Mahiuddin) ,
000000087. Jatiya Samajtantrik Dal(Rob) ,
000000088. Jatiya Samajtantrik Dal(Shajahan Siraj)) ,
000000089. Jatiya Seba Dal ,
000000090. Jatiya Sromojibi Party ,
000000091. Jatiyatabadi Gonotantrik Chashi Dal ,
000000092. Jatiyatabadi Gonotantrik Dal ,
000000093. Krisak Sramik Janata League ,
000000094. Krishak Sromik Party(Ajijul Haque Sahajahan) ,
000000095. Krishak Sromik Party(Solaiman) ,
000000096. Liberal Democratic Party ,
000000097. Liberal Party Bangladesh ,
000000098. Muslim Peoples Party ,
000000099. National Awami Party(NAP Vashani)(Erfanul Bari) ,
000000100. National Awami Party(NAP Vashani)(Mustak) ,
000000111.National Awami Party(Vashani)(Sadikur Rahman) ,
000000112. National Awami Party(Vashani-Mur Mohammad Kazi) ,
000000113. National Democratic Party,  
000000114. National Patriotic Party ,
000000115. Noya Gonotantrik Jatiya Party ,
000000116. Oikya Prockria ,
000000117. Pakmon People's Party /td> ,
000000118. Peoples Democratic Party ,
000000119. People's Muslim League ,
000000120. Progotishil Gonotantrik Party ,
000000121. Progotishil Gonotantrik Shakti ,
000000122. Progotishil Jatiatabadi Dal(Nurul A Moula),  
000000123. Quran Dorshon Sangshta Bangladesh ,
000000124. Quran Sunna Basatabayan Party ,
000000125. Saat Dalya Jote(Mirpur) ,
000000126. Samata Party ,
000000127. Sammilita Sangram Parishad ,
000000128. Samridhya Bangladesh Andolon ,
000000129. Samridhya Bangladesh Babosai Samproday ,
000000130. Sa-Samaj Gonotantri Party ,
000000131. Shaat Daliyo Shangrami Joat ,
000000132. Social Democratic Party ,
000000133. Sramajibi Oikya Foram ,
000000134. Sramajibi Okkya Forum (Md. Samsul Islam) ,
000000135. Sramik Krishok Samajbadi Dal ,
000000136. Taherikay Olama-E-Bangladesh,
000000137. Bangladesh Adarsha Krishak Dal ,
000000138. Bangladesh Awami League ,
000000139. Bangladesh Bastuhara Parishad ,
000000140. Bangladesh Bekar Party ,
000000141. Bangladesh Bekar Samaj ,
000000142. Bangladesh Communist party ,
000000143. Bangladesh Freedom League ,
000000144. Bangladesh Gono Azadi League ,
000000145. Bangladesh Gono Azadi League(Samad) ,
000000146. Bangladesh Hindu League ,
000000147. Bangladesh Inqualab Party ,
000000148. Bangladesh Islami Biplobi Parishad ,
000000149. Bangladesh Islami Front ,
000000150. Bangladesh Islami Party ,
000000151. Bangladesh Islami Republican Party ,
000000152. Bangladesh Jana-Gonotantrik Dal ,
000000153. Bangladesh Janata Party ,
000000154. Bangladesh Jatiya Agragati Party ,
000000155. Bangladesh Jatiya League ,
000000156. Bangladesh Jatiya League(Sobhan) ,
000000157. Bangladesh Jatiya Peopels Party ,
000000158. Bangladesh Jatiyatabadi Awami League(Mostofa Allama) ,
000000159. Bangladesh Jatiyo Agragati Party (Abdur Rahim Sikder) ,
000000160. Bangladesh Jatiyo Tanti Dal ,
000000161. Bangladesh Khadem Party ,
000000163. Bangladesh Khelafot Andolon ,
000000164. Bangladesh Khelafot Party ,
000000165. Bangladesh Krisak Sramik Mukti Andolon (Sadeq) ,
000000166. Bangladesh Krisak Sromik Awami League ,
000000167. Bangladesh Krishak Raj Islami Party(F.Hq. Sardar) ,
000000168. Bangladesh Democratic Socialist Party = BDSP
================================================================