আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের শুভেচ্ছা
বাংলা ভাষার জন্য আত্মত্যাগকারী
সকল মহান ভাষা শহীদগণের প্রতি,
এবং ভাষা আন্দোলনের সাথে সম্পৃক্ত
সকল ভাষা সৈনিক
ও বীর বাঙ্গালীদের জানাই অশেষ শ্রদ্ধাঞ্জলী,
সেইসাথে সকলকে জানাই
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের শুভেচ্ছা।
বিষয় সূচী
APNAKE SHAGOTOM
সকলকে বাংলা নতুন বছরের শুভেচ্ছা
অথচ একদিন আমরা বাঙ্গালী জাতি একতাবদ্ধ হয়ে রাষ্ট্রীয় ভাষা উর্দুকে ত্যাগ করে নিজেদের মাতৃভাষা বাংলাকে রাষ্ট্রীয় ভাষা তথা বাংলা ভাষাকে সর্বত্র প্রচলন করতে প্রাণ দিতে বাধ্য হয়েছিলাম ! ফলে বিজাতীয় ভাষা উর্দূকে অপসারন করে নিজেদের মাতৃভাষায় কথা বলার স্বাধীনতা অর্জন করে বাংলা ভাষাকে ধারন করেছিলাম । যখন আমরা বাংলার সর্বত্র বাংলা ভাষায় কথা বলা শুরু করেছিলাম ,তখন কিন্তু বিশ্বায়নের যুগটা অনুপস্থিত ছিল তা নয় , বিশ্বায়নের যুগটা তখনও ছিল বিধায় আমরা ইংরেজী শিক্ষায় তখনও বাধ্য ছিলাম । অর্থাৎ যে জন্যে আজ আমরা ইংরেজী শিখছি সেইজন্যে তখনও ইংরেজী শিক্ষার প্রচলন ছিল । ছিল ইংরেজী শিক্ষার প্রয়োজনীয়তাও । তাই বলে সে সময় বর্তমান সময়ের মত মাতৃভাষা বাংলাকে অবমাননা করা হয়নি । মানুষ সে সময় বাংলায়ই কথা বলেছিল । শুধুমাত্র প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রেই সে সময় ইংরেজী ব্যাবহার করেছিল বাঙ্গালী জাতি ।
conduit-banners
Powered by Conduit |
রবিবার, ২৮ ডিসেম্বর, ২০১৪
রিয়ালের পাহাড়ে...
মঙ্গলবার, ১৬ এপ্রিল, ২০১৩
থমকে যাওয়া জীবন
শুক্রবার, ৯ নভেম্বর, ২০১২
মাথা ঘুরানীর ঔষধ
যা হোক, আজ জোহরের পর ঝালমুরি কিনতে একটা মুদি দোকানে গেলাম আমি। যখন ক্যাশ কাউন্টারে টাকা দিতে গেলাম , তখন একটা লোক এসে ক্যাশিয়ারকে তার বাসায় যেতে বলল। ক্যাশিয়ার বলল তার মাথা ঘুরাচ্ছে যেতে পারবেনা। তখন লোকটি বলল - অসুবিধা নেই তার বাসায় মাথা ঘুরানীর ঔষধ আছে।
এদিকে গত দু'দিন ধরে আমিও ভীষন মাথার সমস্যায় ভুগছি। তাই কৌতুহল হলাম লোকটার কথায়। ভাবলাম ফার্মেসীর বাইরে সেক্সুয়াল ঔষধ বিক্রির এজেন্টেদের মত এরাও একটা ঔষধ কোম্পানীর এজেন্ট হতে পারে, যারা কাষ্টমার ফোন করলেই তাদেরকে ঔষধ সরবরাহ করে। এ ভাবনায় জিজ্ঞেস করলাম লোকটাকে - আমিও কি মাথা ঘুরানীর ঔষধ পেতে পারি ? সে বলল অবশ্যই পেতে পারেন। বিভিন্ন ধরণের মাথা ঘুরানীর ঔষধ আমাদের কাছে আছে। আরও কৌতুহল হয়ে জানতে চাইলাম - দাম কত পড়বে ? সে বলল - ৫০ থেকে ৩০০ রিয়ালের মধ্যে মাথা ঘুরানীর ঔষধ দেয়া যাবে। বললাম - তবে তো আপনার সথে যেতেই হয়। সে বলল - ঠিক আছে চলুন।
তার বাসায় গিয়েই দেখি সাদা-কালো-বেগুনী-লাল সহ বিভিন্ন ধরণের মেয়ে বসে আছে সেখানে। এ ধরণের বাসায় এসব মেয়ে ! আশ্চর্যাম্বিত হলাম আমি। তখন অন্য রুম থেকে একজন উচ্ছস্বরে বলতে লাগল - হাবিব, রেইট বলেছিস ? কোন রেইট এ কতক্ষণ থাকতে পারবে বলেছিস তো ?
বুঝতে আর বাকি রইলনা মাথা ঘুরানীর ঔষধ কি ? অন্যরুম থেকে যে কথা বলছিল সে বেরিয়ে এল রুম থেকে। আমাকে দেখেই লোকটির চোখ ছানাবড়া। ভয় ও পেল মনে হয়। এই লোকটাকে আমি অনেকদিন থেকে চিনি। পরিচিত লোক। বিশেষ অনুরোধের কারণে পূর্ণ পরিচয় দেয়া থেকে বিরত থাকলাম। যা হোক ভয়ের চাপ তার চোখে মুখে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে। ভয় পাওয়ারই কথা। গত পাঁচ বছর আগে ঠিক এ ধরণের অপকর্মের কারণেই এ গ্রুপের একজনকে ধরিয়ে দিয়েছিলাম পুলিশের হাতে। তখন তার অপরাধের মাত্রা এত বেড়ে গিয়েছিল যে যদি সে ৪৫ জন মেয়ে ও ১০০ এর উপর খদ্দের সহ পুলিশের হাতে ধরা খেত তবে বাংলাদেশের অবস্থান নরকের শেষ স্তরে পৌঁছে যেত। অবশ্য তখন সে একটি মেয়েসহ আমার কথায় ধরা দিতে বাধ্য হয়েছিল। তিনমাস জেলখাটিয়ে আবার আমিই তাকে শেষবারের মত জেল থেকে দেশে ফেরত পাঠানোর কাজে সহযোগিতা করেছিলাম। সে সময় আজকের এ লোকটিও জড়িত ছিল। সেদিন সে পালিয়ে গিয়ে বেঁচে যায়।
সেদিন বেঁচে গেলেও মনে করেছিলাম সে এ কাজ ছেড়ে দিবে কিন্তু আজ আবার তাকে দেখে বুঝলাম সে ঐ অপকর্ম ছাড়েনি। মেয়েগুলোর দিকে ইশারা করে ওদের দুজনকে জিজ্ঞেস করলাম- এগুলোই কি আপনাদের মাথা ঘুরানীর ঔষধ ? আবার শুরু করেছেন আপনারা ? পাঁচ বৎসর আগের কথা কি ভুলে গেছেন ?
তাদের মুখ যেন আটকে দিল কেউ, কথা না বলে নীচের দিকে চেয়ে থাকল। আজ ছেড়ে দিয়ে তাদের সংশোধনের একটা সুযোগ দেয়ার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করলাম। বললাম- আপনি তো আমাকে চিনেন । আমি কি করতে পারি তাও জানেন। দয়া করে এ পবিত্র স্থানে এসব বন্ধ করেন। টাকা কামানোর অনেক রাস্তা আছে ,সে পথগুলো অনুসরন করেন। এই ধরণের অপকর্ম করে দেশ ও দশের ক্ষতি করবেননা। যদি না শুনে এই কাজ করে যেতে থাকেন তবে পাঁচ বৎসর আগের একই ঘটনা ঘটাতে আমি বাধ্য হব।
তারা বলল- ঠিক আছে ভাই আমরা দুদিনেই এদেরকে সেটেল করে দিচ্ছে। দুদিনের মধ্যে কিছু করবেননা দয়া করে। আজকের মত চলে এলাম ঐ লোকদের সংশোধন হবার সময় দিয়ে।
উল্লেখ্য যে, এ লোকগুলো এ অপকর্মের সংগঠন করে খরিদ্দারদের পতি জনের কাছ থেকে পায় ৫০% আর বাকী ৫০% পায় মেয়েগুলো।
রবিবার, ১২ আগস্ট, ২০১২
জীবনে বেঁচে থাকার লড়াইয়ে উপনিত হতে বে-আইনী হয়ে সৌদিতে অবস্থানের চেষ্ঠা করাই সর্বশেষ সিদ্ধান্ত
আজ আমার ঘুমানোর সময়টায় ঘুমালামনা । নিমগ্ন হয়েছি নিজ জীবন ও পারিবারিক চিন্তায়। দীর্ঘ সাড়ে সাত ঘন্টা বিছানায় এপাশ ওপাশ গড়াগড়ির মধ্য দিয়ে জীবনের সর্বশেষ বেঁচে থাকার লড়াইয়ে উপনিত হবার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আর তা হচ্ছে । সৌদিতে আইনি ভাবে থেকে যখন জীবনাবস্থা পাল্টাতে পারিনি, আনতে পারিনি পারিবারিক জীবনের স্বচ্ছলতা, তাই বে-আইনি হয়ে যাব। যা হবে হউক স্পন্সরবিহীন হয়ে যাব।
স্পন্সরের কাছে ১২ বৎসর জীবনের মুল্যবান সময় কাটিয়ে দিয়ে যখন জীবন ও পরিবারের কোন কুল কিনারা হলোনা , তখন এ সিদ্ধান্তগ্রহণ ছাড়া আর কোন উপায় দেখছিনা। এখন জীবনযুদ্ধে বেঁচে থাকার এটিই একমাত্র উপায় আমার জন্য। কারণ আমার স্পন্সরের কাছে ভবিষ্যত পুরো জীবন কাটিয়ে দিলেও আমার জীবন ও পরিবারের কোন কুল কিনারা হবেনা। তাই সর্বশেষ বেঁচে থাকার উপায় হিসাবে হজ্জের পর স্পন্সরহীন হয়ে সৌদিতে অবস্থানের চেষ্ঠা করাই উৎকৃষ্ট হবে মনে করছি।
যদিও এতে সৌদিতে অবস্থানের কোন নিশ্চয়তা নেই। আছে শত শত বিপদসঙ্কুল অবস্থার আয়োজন। যেমন যে কোনদিন ধরা পড়লে জেল কেটে দেশে চলে যেতে হবে চিরদিনের জন্য , দেশে টাকা পাঠানোর পথে প্রতিবন্ধকতা নিরন্তর , চাকরী পেতে সার্বক্ষণিক সমস্যা , ঘুমানোর জন্য বাসা ভাড়া করতে ভোগান্তি , চিকিৎসার জন্য হসপিটালে ভর্তি বা ডাক্তারের কাছে যেতে সমুহ বিপদ, বন্ধুত্বহীনতা , ছুটিতে দেশে যাওয়া যাবেনা কখনো , দেশে যাবার ইচ্ছা করলে একবারেই যাবার আয়োজন করতে হবে, ইত্যাদি হাজারো দুশ্চিন্তায় নিজেকে সার্বক্ষণিক মগ্ন রাখতে হবে।
তবুও মনে করছি আমার জন্য এ ছাড়া আর কোন পথ নেই। বে-আইনী হয়ে সৌদিতে অবস্থানের চেষ্ঠা করা ছাড়া জীবনে বেঁচে থাকার লড়াইয়ে সর্বশেষ এইভাবে উপনিত হওয়া ছাড়া আমার আর কোন পথ খোলা নেই।



