আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের শুভেচ্ছা

বাংলা ভাষার জন্য আত্মত্যাগকারী

সকল মহান ভাষা শহীদগণের প্রতি,
এবং ভাষা আন্দোলনের সাথে সম্পৃক্ত

সকল ভাষা সৈনিক
ও বীর বাঙ্গালীদের জানাই অশেষ শ্রদ্ধাঞ্জলী,
সেইসাথে সকলকে জানাই

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের শুভেচ্ছা।

বিষয় সূচী

সাহিত্য (60) অন্যান্য কবিতা (53) ভালোবাসার পদবিন্যাস ( প্রেম সম্পর্কিত রচনা বিশেষ ) (53) আমার লেখা প্রবন্ধ-নিবন্ধ (37) কবিতা (35) দেশ নিয়ে ভাবনা (33) ফিচার (33) বাংলাদেশ (29) সমসাময়িক (28) খন্ড কাব্য (26) হারানো প্রেম (22) সংবাদ (18) কাল্পনিক প্রেম (16) ইতিহাস (15) প্রতিবাদ (15) সুপ্রভাত প্রবাসী বাংলাদেশ (15) Online Money Making Links (14) দেশাত্মবোধক কবিতা (13) আমার জীবনের দিনপঞ্জী (12) ধর্ম (12) প্রেমের কবিতা (11) ব্যক্তিত্ব (11) রাজনীতি (11) ধর্মীয় আন্দোলন (10) প্রবাসের কবিতা (10) খন্ড গল্প (9) জীবন গঠন (9) বর্ণমালার রুবাঈ (9) ইসলাম (8) প্রগতি (8) মানুষ ও মানবতা (8) হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ (8) VIDEOS (7) আমার লেখালেখির অন্তরালে (7) ইসলামী জাগরণ (7) মানব মন (7) ট্র্যাজেডি (6) শোক সংবাদ (6) সম্প্রীতি (6) নারী স্বাধীনতা (5) প্রেমের গল্প (5) বিজয় দিবসের ভাবনা (5) মৃত্যুপথ যাত্রী (5) সংবাদ মাধ্যম (5) স্মৃতিকথা (5) ঈদ শুভেচ্ছা (4) প্রবাস তথ্য (4) রমজান (4) শুভেচ্ছা (4) Computer Programer (3) আমার ছবিগুলো (3) আমার রাইটিং নেটওয়ার্ক লিংক (3) পর্দা (3) ফটিকছড়ি (3) বাংলাদেশের সংবিধান (3) বিশ্ব ভালবসা দিবস (3) শিক্ষা (3) শিক্ষার্থী (3) স্লাইড শো (3) News (2) VERIETIES POEMS OF VERIOUS POETS (2) আষাঢ় মাসের কবিতা (2) আষাঢ়ের কবিতা (2) ইসলামী রেনেসাঁ (2) ছাত্র-ছাত্রী (2) থার্টি ফাস্ট নাইট (2) নারী কল্যান (2) নারী প্রগতি (2) নির্বাচন (2) বর্ষার কবিতা (2) মহাসমাবেশ (2) শবেবরাত (2) শরৎকাল (2) শাহনগর (2) শ্রদ্ধাঞ্জলী (2) সত্য ঘটনা (2) সত্য-মিথ্যার দ্বন্ধ (2) সফলতার পথে বাংলাদেশ (2) Bannersআমার ছবিগুলো (1) DXN (1) For Life Time Income (1) For Make Money (1) Knowledge (1) Student (1) অদ্ভুত সব স্বপ্নের মাঝে আমার নিদ্রাবাস (1) আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস (1) আহলে সুন্নাহ ওয়াল জামা'আত(সুন্নী) (1) উপন্যাস (1) কবি কাজী নজরুল ইসলাম (1) কোরআন - হাদিসের কাহিনী (1) গল্প (1) চট্টগ্রাম (1) চিকিৎসা ও চিকিৎসক (1) জমজম (1) জাকাত (1) তরুন ও তারুণ্য (1) নারী জাগরণ (1) পরকিয়ার বিষফল (1) ফটিকছড়ি পৌরসভা (1) বন্ধুদিবস (1) বাংলাদেশের প্রখ্যাত আলেম (1) বিবেক ও বিবেকবান (1) বিশ্ব বাবা দিবস (1) বিশ্ব মা দিবস (1) ভ্রমণ (1) মন্তব্য (1) মাহফুজ খানের লেখালেখি (1) রবি এ্যাড (1) রমজানুল মোবারক (1) রেজাল্ট (1) রোগ-পথ্য (1) লংমার্চ (1) শহীদ দিবস (1) শুভ বাংলা নববর্ষ (1) শৈশবের দিনগুলো (1) সমবায় (1) সস্তার তিন অবস্থা (1) সাভার ট্র্যাজেডি (1) সিটি নির্বাচন (1) স্বপ্ন পথের পথিক (1) স্বাধীনতা (1) হ্যালো প্রধানমন্ত্রী (1) ২১ ফেব্রোয়ারী (1)

APNAKE SHAGOTOM

ZAKARIA SHAHNAGARIS WRITING

সকলকে বাংলা নতুন বছরের শুভেচ্ছা

বর্তমান বিশ্বায়নের যুগে আমরা আর বাংলা ভাষায় কথা বলতে চাইনা । নিজের মাতৃভাষাকে যখন-তখন যেখানে সেখানে অবমাননা করে তৎপরিবর্তে ইংরেজী ভাষা ব্যবহার করতে অভ্যাস্থ হয়ে যাচ্ছি বা হয়ে গেছি ।
আরও একটু এগিয়ে গেলে বলতে হয় - আমরা আজ বাঙ্গালী হয়ে বাঙ্গালী জাতিসত্বা ভুলে গিয়ে ইংরেজী জাতিসত্বায় রক্তের ন্যায় মিশে গেছি !

অথচ একদিন আমরা বাঙ্গালী জাতি একতাবদ্ধ হয়ে রাষ্ট্রীয় ভাষা উর্দুকে ত্যাগ করে নিজেদের মাতৃভাষা বাংলাকে রাষ্ট্রীয় ভাষা তথা বাংলা ভাষাকে সর্বত্র প্রচলন করতে প্রাণ দিতে বাধ্য হয়েছিলাম ! ফলে বিজাতীয় ভাষা উর্দূকে অপসারন করে নিজেদের মাতৃভাষায় কথা বলার স্বাধীনতা অর্জন করে বাংলা ভাষাকে ধারন করেছিলাম । যখন আমরা বাংলার সর্বত্র বাংলা ভাষায় কথা বলা শুরু করেছিলাম ,তখন কিন্তু বিশ্বায়নের যুগটা অনুপস্থিত ছিল তা নয় , বিশ্বায়নের যুগটা তখনও ছিল বিধায় আমরা ইংরেজী শিক্ষায় তখনও বাধ্য ছিলাম । অর্থাৎ যে জন্যে আজ আমরা ইংরেজী শিখছি সেইজন্যে তখনও ইংরেজী শিক্ষার প্রচলন ছিল । ছিল ইংরেজী শিক্ষার প্রয়োজনীয়তাও । তাই বলে সে সময় বর্তমান সময়ের মত মাতৃভাষা বাংলাকে অবমাননা করা হয়নি । মানুষ সে সময় বাংলায়ই কথা বলেছিল । শুধুমাত্র প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রেই সে সময় ইংরেজী ব্যাবহার করেছিল বাঙ্গালী জাতি

conduit-banners

Powered by Conduit

ফ্লাগ কাউন্টার

free counters

MZS.ONLINE MONEY MAKING WAY

PLEASE CLICK ON MY BANNERS. VISIT MY AFFILIATE SITE "MZS.ONLINE MONEY MAKING WAY ( অনলাইনে অর্থোপার্জনের একটা মাধ্যম )" I HOPE IT WILL BE HELPFUL FOR YOU. Create your own banner at mybannermaker.com!
দেশ নিয়ে ভাবনা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
দেশ নিয়ে ভাবনা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বৃহস্পতিবার, ১৪ এপ্রিল, ২০১৬

শুভ বাংলা নববর্ষ


শুভ বাংলা নববর্ষ 


HAPPY BANGLA NEW YEAR

সকলকে বাংলা নতুন বছরের শুভেচ্ছা। 

আর বিবেকহীন মানুষদের জন্য নববর্ষের গজবীয় শুভেচ্ছা
**************************** 
নতুন বছরের যাত্রালগ্নে সকলের জীবনযাত্রা সূচীত হোক নতুন ধারায় সুখ-শান্তির আয়োজনে। ভরে উঠুক সকলের জীবন আনন্দের সমারোহে।
এই নতুন বৎসরের প্রথম দিনে সূচিত হোক সবার জীবনে সুন্দরের যাত্রা। আর সকলের ভবিষ্যত জীবন হোক কল্যান, শান্তি ও মানবতার আলোয় আলোকিত এবং ভবিষ্যত জীবনের চলার পথ হোক মসৃণ ও উন্নত। সকলের চিন্তা ও মননে উদ্ভাসিত হোক মানবিক কল্যান। মানবতার তরে নব বলে বলিয়ান হয়ে নতুন রূপে ধরা দিক সকলের আপন বিবেক। সকলের হৃদয় পরিণত হোক দেশপ্রেমের ভান্ডারে। ভরপুর হোক সকলের মন সকলের প্রতি ভালোবাসায়।

বৈশাখ এসেছে আজ
খুশির বারতা নিয়ে পান্তা-ইলিশ খাওয়ানোর লাগি
ধনীর সন্তানদের ঘরে,
অভুক্ত পথসন্তানদের কাছে এসেছে বৈশাখ
পান্তা-ইলিশ দেখে আসা মুখের লালায়
জটর জ্বালা নিবারণের তরে।
হে জীর্ণ কায়ার পথশিশু !
দশহাজার টাকার একটা ইলিশ কিনে অপচয় করতে জাত যায়না, কিন্তু দশ হাজার টাকা সাহায্য দানের মাধ্যমে একটা জীবন বাঁচাতে জাত চলে যায়। তাই ...
তোমাদের শরীর গঠন ও জীবন বাঁচাতে তোমাদের তারা এক টাকা দিতে পারবেনা। কিন্তু তারা চল্লিশ হাজার টাকায় ইলিশ কিনে স্ফূর্তিতে উন্মাদ হয়ে নাচতে পারবে।
তাই তোমরা একটা কাজ করতে পার এসব অপচয়কারীদের অর্থ চিন্তাই করে ছিনিয়ে নিয়ে তোমাদের অভাব পুরণ কর। এতে আইনের দিক দিয়ে অপরাধ হলে ও মানবিক দিক দিয়ে হবে উত্তম।
যারা তোমাদের মৃতপ্রায় শরীর দেখেও না দেখান ভান করে চল্লিশ হাজার টাকায় ইলিশ কিনে স্ফূর্তিতে মত্ত হয়, তাদের কাছ থেকে ধন-সম্পদ কেড়ে নিতে মানবিক আইনে কোন বাধা নেই।
তারাই ১লা বৈশাখে হাজার টাকার ইলিশ কিনে খায় ও খাইতে পারে, নীরন্ন-বুভুক্ষ শিশুদের ক্ষুধার চোটে আসা চোখের জল দেখেও যাদের চোখে জল ঝরেনা। এইসব জরাজীর্ণ দেহের শিশুদের দেখেও যাদের অন্তর তোলপাড় দিয়ে উঠেনা। যাদের হাত দিয়ে ঝরে পড়ে হাজার হাজার টাকার নষ্ট খাদ্য তাদের হাত দিয়ে কিভাবে বের হবে এদের বেঁচে থাকার জন্য একমুঠো অন্যের জন্য সামান্য টাকা ?
কোন এক ভিক্ষুক বলেছিলেন - আপনারা যখন চল্লিশ হাজার টাকা দিয়ে ইলিশ কিনতে যান তখন আমরা ভিক্ষুকরা নির্বাক চেয়ে থাকি। মুখে পড়ে লালা। আহ যদি এই ইলিশটি একদিন আমি খেতে পারতাম। এই ইচ্ছার বশঃবর্তী হয়ে আপনাদের পিছু নিই। নির্জন স্থানে গিয়ে কাগজ কুড়ানো ঝুড়ি থেকে জং ধরা ছুরিটা নিয়ে যখন আপনাদের পিঠে ঠেকাই তখন আপনারা অসহায় হয়ে পড়েন। আর ঠিক তখনি আপনারা মনে করেন এ কোন গজব আপতিত হলো আমার উপর ? এভাবেই শুর হয় আপনার আর আমার দুটি মানুষের দুইভাবে বর্ষবরণ। কি সুন্দর বিবেক বর্ষবরণীয় আপনাদের মত মানুষদের !
বিবেকহীন মানুষ পশুর সমতুল্য।

বিজাতি ও নাস্তিক্যবাদী সংস্কৃতির আড়ালে হারিয়ে গেছে স্বদেশী সংস্কৃতি ও সভ্যতা।
পহেলা বৈশাখ পালনের নামে আমরা আজ যা করছি তা বিজাতীয় সংস্কৃতিকে আমদানী করে আমাদের জাতীয় সংস্কৃতিকে ধ্বংস করারই নামান্তর। যা সম্পূর্ণরূপে আমাদের বিবেকহীনতার পরিচয়।

তাই এই নববর্ষে বিজাতীয় সংস্কৃতিকে আমদানী না করে দেশীয় সংস্কৃতির মাধ্যমে নববর্ষ উদযাপন করব, এই হোক আমাদের অঙ্গীকার –
এ প্রত্যাশায় আবারও সকলকে শুভেচ্ছা।
**************************

বিবেকহীন মানুষদের জন্য নববর্ষের গজবীয় শুভেচ্ছা
******************

অশুভ নববর্ষ !
সকলকে অমঙ্গল প্রদীপের শুভেচ্ছা।
এখন আসুন জানিয়ে দেই - কেন আমি এমন ব্যাঙ্গাত্বক শুভেচ্ছা জানালাম ?
কারণ হলো - প্রতিবছর আমরা শুভ নববর্ষ বলে মঙ্গল প্রদীপের শুভেচ্ছা জানাই। কিন্তু তার ফলে আমরা প্রতিবছরই দেখি বছরটা উল্টাভাবে আমাদের সামনে ধরা দিতে, যেমন প্রতিটি নতুন বছর অশুভ সব কর্ম দিয়ে আমাদেরকে পরিচালিত করে। ফলে আমাদের কোন মঙ্গল তো হয় ই না, অমঙ্গল সব কর্মে আমাদের জাতীয় জীবনকে করে তোলে বিষাক্ত।
যেমন ইলিশ দিয়ে পান্তা ভাত খাওয়ার কথাই ধরুণ- সেদিন খবরে দেখলাম দেড় কেজী ওজনের এক হালী ইলিশের দাম মাত্র চল্লিশ হাজার টাকা। একটা ইলিশ কিন্তে গেলে দশ হাজার টাকা বিক্রেতাকে দিতে হবে। এখন বলুন তো এই টাকা কিভাবে দিবেন ? চুরি করে, ঘুষ খেয়ে, চিন্তাই করে,ডাকাতি করে, রাহাজানী করে, পকেট কেটে, খুন করে ছাড়া এতটাকা কিভাবে আসবে ? একজন চাকরীজীবি কি পারবে দশ হাজার টাকায় ইলিশ কিনে পান্তাভাত খেতে ? হ্যা পারবে তারাই যারা উপরোক্ত অপরাধ গুলো করে টাকা উপার্জন করতে পারবে। একজন সৎ ব্যবসায়ীও কিন্তু দশ হাজার টাকায় ইলিশ কিনে পান্তা ভাত খেতে পারবেনা। পথশিশুদের কথা নাই বা বললাম। এই হলো গজবীয় শুভেচ্ছার আমার আজকের বাণী।
তাই আমার পক্ষ থেকে বিবেকহীন সকলের জন্য এই গজবীয় শুভেচ্ছার বানী। যাতে বিপরীতমুখী হয়ে অর্থাৎ শুভ সব কর্ম ও সকল প্রকার মঙ্গল নিয়ে নতুন বছরটি আমাদের কাছে ধরা দেয়।
তাই সবাই বলুন,
জয় বাংলা !
শুভ নববর্ষকে অশুভ শুভেচ্ছা দিয়ে কররে সবাই হামলা।
জয় বাংলা !
নববর্ষের গজবীয় শুভেচ্ছা সামলা।






বুধবার, ২৪ ডিসেম্বর, ২০১৪

অবৈধ - সন্ত্রাসী - স্বৈরশাসক আওয়ামী সরকার বিরোধী আন্দোলনে সফল হতে বিএনপির প্রতি ১০টি প্রয়োজনীয় টিপস।

অবৈধ - সন্ত্রাসী - স্বৈরশাসক 

আওয়ামী সরকার বিরোধী 
আন্দোলনে সফল হতে 
বিএনপির প্রতি ১০টি প্রয়োজনীয় টিপস। 
**********************

টিপস -০১: 
পাবনার ব্যবসায়ীদের মত লাঠি-বাঁশিকে অস্ত্র হিসাবে সঙ্গে রাখুন।

টিপস -০২: 
যে কোন স্থানে যে কোন কর্মসুচী সফল করতে কর্মীদের একত্র করনে শুধুমাত্র মোবাইল নেটওয়ার্ককে ব্যবহার করুন।

টিপস -০৩:
দেশের প্রত্যেকটি থানা ও পুলিশ ক্যাম্প অতর্কিতভাবে ঘেরাউ করে পুলিশ ও আইনশৃন্খলা রক্ষাকারীরূপী আওয়ামী ক্যাডারদের নিরস্ত্র করে দিন।

টিপস -০৪: 

ছাত্রলীগের পিঠানী খাওয়া থেকে বাঁচতে মোবাইল নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে কর্মীদের একত্র করে লাঠি-বাঁশী প্রয়োগ করে তাদের শায়েস্তা করতে বিশেষ ব্যবস্থা নিন।

টিপস -০৫: 
সেনাবাহিনী-বিমান বাহিনী-নৌবাহিনী রূপী বাংলাদেশ রক্ষার নামে আওয়ামীলীগ রক্ষার (বিশেষ বাহিনী) প্রহরীদের নিজেদের আওতায় আনতে বিশেষ ব্যবস্থা নিন।

টিপস -০৬:
জনগণকে নিজেদের আওতায় আনতে তৃণমূল থেকেই ব্যবস্থা নিন। মসজিদ-মন্দির-গীর্জা-উপাসনালয়কে কেন্দ্রবিন্দু করে জনগণকে আপনাদের আন্দোলনের সৎ উদ্দেশ্য তুলে ধরুন।

টিপস -০৭:
শুধু ক্ষমতায় আরোহন নয়, দেশ ও জনগণের কল্যানের সৎ উদ্দেশ্যেই দেশের শাসনভার হস্তগত করার আন্দোলনের শপথ নিন জনগণকে নিয়েই।

টিপস -০৮:
ধর্মীয় অনুশাসনে শাসিত মানুষদের উপদেশকে প্রাধান্য দিয়ে তাদের নিয়েই আন্দোলন চালাতে সিদ্ধান্ত নিন।

টিপস -০৯: 
সৎ বিবেক দিয়ে সভ্য সমাজ বিনির্মানের লক্ষ্যে "সত্যাগ্রহ আন্দোলন" এর সুচনা করুন।

টিপস -১০: 
সৃষ্টিকর্তার অনুশাসনকেই আপনাদের যাত্রাপথের পাথেয় হিসাবে ধারণ করুন।
=======

রবিবার, ১৬ জুন, ২০১৩

"টক অব দ্য কান্ট্রি - যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বাধাগ্রস্থ করতে চার সিটি কর্পোরেশনের জনগণ নাস্তিক্যবাদী সরকারের বৃহৎ চার এজেন্টকে তাদের সিটি থেকে ঝেঁটিয়ে বিদায় করেছে !!"

"টক অব দ্য কান্ট্রি -
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বাধাগ্রস্থ করতে
চার সিটি কর্পোরেশনের জনগণ
নাস্তিক্যবাদী সরকারের বৃহৎ চার এজেন্টকে
তাদের সিটি থেকে ঝেঁটিয়ে বিদায় করেছে !!"
মুহাম্মদ জাকারিয়া শাহনগরী
--------------------

হ্যাঁ ! এই হলো আজকের টক অব দ্য কান্ট্রি বা "নাস্তিক্যবাদের বাংলদেশী এজেন্ট" বাংলদেশ আওয়ামী লীগের প্রধান আলোচ্য শিরোনাম। গতকালের নির্বাচনে চার সিটি কর্পোরেশনে "নাস্তিক্যবাদের বাংলদেশী এজেন্ট" আওয়ামী লীগের ভরাডুবির পর "টক অব দ্য কান্ট্রি" এই শিরোনামের ব্যানারে অনুষ্টিত হওয়া "নাস্তিক্যবাদের বাংলদেশী এজেন্ট"এর এক ঘরোয়া আলোচনা অনুষ্টানে প্রধান আলোচক হিসাবে শেখ হাসিনার পালক পুত্র নাস্তিক্যবাদের মহান দূত ডাঃ এইচ ইমরানের আলোচনায় এভাবেই ঝড়ে পড়ে তাদের হতাশার কান্না। আর তাই তাদের মনের - "যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বাধাগ্রস্থ করতে চার সিটি কর্পোরেশনের জনগণ নাস্তিক্যবাদী সরকারের বৃহৎ চার এজেন্টকে তাদের সিটি থেকে ঝেঁটিয়ে বিদায় করেছে"- এ কথাটিই হয়ে উঠে আজকের "টক অব দ্য কান্ট্রি"।

যা হোক, নাস্তিক্যবাদী বর্তমান সরকারের সেই "টক অব দ্য কান্ট্রি" নিয়ে দেশ-জনতার পড়ে থাকলে চলবেনা। তাদেরকে আগামী জাতীয় নির্বাচনে কিভাবে জবাব দেয়া হবে সেটা নিয়েই এদেশের ধর্মপ্রাণ মানুষদের ভাবতে হবে। আর এই ভাবাভাবি ঘুমিয়ে করলে হবেনা। জাগ্রত হয়েই এই ভাবাভাবি করতে হবে। কারণ, এই নির্বাচনে আওয়ামীলীগের ভরাডুবিতে দেশ-জনতার আনন্দোল্লাশে মত্ত হবার কোন বিষয় পরিলক্ষিত হয়নি। ভোট কালেকশানের ফিরিস্তি দেখে মনে হচ্ছে, বড় কিছু অর্জনের লক্ষ্যেই এ নির্বাচনে তাদের পরাজয় ছিল একটা লোক দেখানো আয়োজন। তারা দেশের বড় পদটি অর্জনের জন্য দেশের ছোট ছোট পদগুলো অন্যের জন্য ছেড়ে দিতেই পারে। এ যেন জামাতের ছোট ছোট নেতাগুলোকে লঘুদন্ড দিয়ে জামাত-শিবিরের উশৃন্খলতা প্রতিরোধ করে তাদের চুপ রেখে জামাতের বড় বড় নেতাদের ফাঁসির রায় ঘোষনা দেয়ার পথ পরিস্কার করার মতোই ঘটনা।

মনে হচ্ছে বর্তমান সরকারের চার সিটি কর্পোরেশন ছেড়ে দেবার মূলে তাদের রয়েছে জামাত-শিবিরকে ঘুমিয়ে দিয়ে তাদের বড় বড় নেতাদের ফাঁসির রায় দেয়ার মতোই একটা বৃহৎ পরিকল্পনা। যে পরিকল্পনায় তারা এগিয়ে যাচ্ছে দেশের সিংহাসন পুনর্বার অজর্নের লক্ষ্যে। গতকালকের নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হবার দোহায় দিয়ে, আগামী নির্বাচন তাদের দ্বারাই সম্পন্ন করার মধ্য দিয়ে দেশের সিংহাসন পুণঃদখল করার একটা বৃহৎ পরিকল্পনাই হচ্ছে চার সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে তাদের শান্তিপূর্ণ অবস্থান। নয়তো দেশের একমাত্র অশান্ত সৃষ্টিকারী দলের কাছ থেকে এমন শান্ত-নীরবতা কখনো আশা করা যায়না।

তাই গতকালকের শান্তিপূর্ণ নিরপেক্ষ নির্বাচনের টোপটি না গিলে দেশের জনকে আগামী নির্বাচনের পরিকল্পনা জাগ্রত হয়েই করতে হবে। নয়তো দেশের জনগণকে দেখতে হবে আগামী নির্বাচনের মাধ্যমে একটা বিশ্বকে চমকে দেয়া অনিরপেক্ষ ও অশান্তকর এবং ভীতিকর অবস্থায় নিপতিত একটা নতুন বাংলাদেশকে। যেখানে থাকবে শুধুই অস্ত্রের ঝনঝনানী, যেতে পারবেনা কেউ ভোটকেন্দ্রে, প্রয়োগ করতে পারবেনা কেউ তাদের ভোটাধিকার। যেভাবেই হোক তারা চাইবে দেশের সিংহাসন পূনর্বার তাদের করায়ত্ব করার। কারণ তারা বুঝেই গেছে যদি আগামী নির্বাচনে তারা জয়ী না হয়, তবে বাংলাদেশের রাজনীতিতে তাদের হবে রাজনৈতিক মৃত্যু। কারণ কোন স্বৈরশাসকই কখনো দ্বিতীয়বার শাসনকর্তৃত্বের অধিকারী হতে পারেনা। আর এ কারনেই তারা ছলে - বলে - কৌশলে শাসনভার অর্জনের লক্ষ্যে যে কোন প্রকার পদ্ধিত গ্রহণ করে শেষ চেষ্ঠা চালাবে।
তাই দেশের জনগণকে এখনই প্রস্তুতি নিয়ে কাজ শুরু করতে হবে কিভাবে তারা তাদের মঙ্গল আনায়নে কোন্ পদক্ষেপটি গ্রহণ করবে ?
















রবিবার, ৭ এপ্রিল, ২০১৩

হেফাজতে ইসলাম প্রমাণ করেছে বাংলাদেশের মুসলমান ইসলামী অনুশাসন সমৃদ্ধ দেশ পরিচালনার সংবিধান চায়

হেফাজতে ইসলাম প্রমাণ করেছে
বাংলাদেশের মুসলমান ইসলামী অনুশাসন সমৃদ্ধ
দেশ পরিচালনার সংবিধান চায়।
-----------------------

হেফাজতে ইসলাম প্রমাণ করেছে , কোন বাধাই তাদের কাছে কোন বাধা নয়। তারা প্রমাণ করেছে , হেফাজতে ইসলামের ঈমানী শক্তির কাছে নাস্তিক্যবাদী (আওয়ামী লীগ সরকারের) তাগুতি শক্তি কতটা অসহায়। তারা প্রমাণ করেছে ঈমানী শক্তি দিয়ে তারা যা চায় , তাই করতে পারে। তারা প্রমাণ করেছে , চাইলে তারা দেশের ঈমান্দার মুসলীমদের বৃহৎ ইসলামী ও ঈমানী শক্তি নিয়ে যে কোন সময় দেশে ইসলামী খেলাফতের সরকার গঠন করতে পারে। তারা প্রমাণ করেছে এখনও দেশের মুসলীমগণ নাস্তিকতার দিকে ধাবিত হয়নি, তারা এখনো ইসলাম প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে নিজেদের প্রাণ বিসর্জন দিতে কুন্ঠিতবোধ করবেনা। তারা প্রমাণ করেছে , দেশের মুসলমানগণ এখনও তাদের মুসলমানিত্বকে বিকৃত হতে দেয় নাই। তারা প্রমাণ করেছে ,এখনো বালাদেশের মুসলমান ধর্মের আনুগত্যে অনড়। তারা প্রমাণ করেছে কোন নাস্তিকের জন্য বাংলাদেশের মুসলমান নিজ ধর্মকে হাসি-ঠাট্টার বিষয়ে রূপান্তর করতে পারেনা। তারা প্রমাণ করেছে বাংলাদেশের মুসলমান ইসলামী অনুশাসন সমৃদ্ধ দেশ পরিচালনার সংবিধান চায়।

সোমবার, ৪ মার্চ, ২০১৩

হায়রে স্বাধীন বাংলাদেশ !

হায়রে স্বাধীন বাংলাদেশ !

অনেকদিন কবিতা লিখিনা। লিখিনা কোন মৌলিক লেখা। রাষ্ট্রীয় অসঙ্গতি আমাকে নিয়ে গিয়েছিল রাষ্ট্রচিন্তায়। গতরাত থেকে পরিবর্তন এসেছে আমার। অসঙ্গতির কথা বলা যাবেনা। যদি অসঙ্গতির কথা বলি আমাকে হত্যা করা হবে, আমার পরিবারকে হেনস্থা করা হবে। কোন অন্যায়- অনিয়মের কথা বলা যাবেনা, তাতে আমাকে কোন দলের মানুষ হিসাবে চিহ্নিত করে আমার উপর হামলা করা হবে। কি বিচিত্র দেশ ! কোথায় বাস করছি আমরা ? যেখানে বাস করছি সেখানে ভালকে ভাল আর খারাপকে খারাপ বলা যাবেনা, করা যাবেনা কোন অন্যায়ের প্রতিবাদ ! রাষ্ট্র ধ্বংসকারীদের বিরুদ্ধে লেখা যাবেন কিছুই। চাই রাষ্ট্র ধ্বংস হয়ে যাক, বোবার মত দাড়িয়ে থাকতে হবে, অন্ধের মত অন্যায় দেখে চেয়ে থাকতে হবে। হায়রে স্বাধীন বাংলাদেশ ! যে দেশে নাই সধারণ জনতার স্বাধীন মতামত দানের অধিকার, যে দেশে নাই স্বাধীনভাবে পথ চলায় কোন নিরাপত্তা সেটাই নাকি স্বাধীন বাংলাদেশ। থুথু দিই এই স্বাধীনতাকে।

বৃহস্পতিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৩

মুসলমানরা শিক্ষা নাও কিভাবে গঠন করতে হয় সকল মুসলীমদের একটা ঐক্যমঞ্চ

মুসলমানরা শিক্ষা নাও কিভাবে গঠন করতে হয়
সকল মুসলীমদের একটা ঐক্যমঞ্চ
- মুহাম্মদ জাকারিয়া শাহনগরী
-----------------------
সংগৃহীত ছবি

হে মুসলীম !
তোমরা যারা আল্লাহ ও রাসূল (সঃ) এর নির্দেশীত পথকে মানবজাতির জন্য একটা সুশৃন্খল পথ মনে কর, তবে তোমরা এক হও। গণনা করে দেখ নাস্তিক ও ধর্মবিরোধী কতজন আর তোমরা কতজন। তবেই বুঝতে পারবে নাস্তিক ও ধর্মবিরোধীদের পাল্লা ভারী নাকি মুসলীমদের পাল্লা ভারী।

শিখে নাও
কিভাবে সমমনা মানুষদের নিয়ে ঐক্য গড়ে তুলতে হয়, তোমাদের মুসলমানদের মধ্যে যদি সে জ্ঞান না থাকে তবে নাস্তিকদের কাছ থেকে সে জ্ঞান অর্জন করে নাও। কারণ . তারা ক্ষুদ্র সমষ্টি হলেও ঐক্যের কারণে মুসলমানদের চেয়ে আজ তারা শক্তিশালী। তাদের এই শক্তি দিয়ে আজ ৯০ শতাংশ মুসলীম অধ্যুষিত বাংলাদেশ থেকে মুসলীম বিতাড়ন তথা ইসলামী সংস্কৃতি-তাহযীব-তামাদ্দুন ধ্বংসের ডাক দিয়েছে ! যদি এদেশের মুসলীমরা আজ একতাবদ্ধ থাকত, তবে কি করে পারত এইসব নাস্তিকরা বাংলাদেশ থেকে সকল ধর্মীয় রাজনীতি তথা সকল ধর্মীয় দল নিষিদ্ধের নির্দেশ দিতে ? কিন্তু তারা সেই ডাক দিয়েছে।

তারা চায় না
কোন ধর্মীয় রাজনীতি। তারা চায় না এদেশের মুসলমানরা রাষ্ট্রীয় কর্মে জড়িত হোক। তারা চায় , মুসলমানদের নতশীর। তারা চায় এদেশের সভ্য সংস্কতি ধ্বংস করে অসভ্যতার লালন করে এদেশকে উলঙ্গ করে পতিতালয় বানাতে। তারা চায় এদেশের মুসলীমদের ঈমান হরণ করে বেঈমান বানিয়ে স্রস্টার বিরোধী বানাতে। তারা চায় এদেশের পর্দানশী নারীদের পর্দা হটিয়ে রাস্তায় বের করে তাদের ভোগ বিলাসের সামগ্রী বানাতে।

তাই,
যদি এদেশের মুসলীমরা দেশকে নাস্তিকপূর্ণ উলঙ্গ পতিতালয় রূপে দেখতে চায়,দেখতে চায় নিজেদের নাস্তিক রূপে , দেখতে চায় নাস্তিকদের কাছে তাদের নতশীর, তবে মুসলীমরা ঘরের কোনে বসে ব্যাঙের মত ডাক দিয়ে যাক।

আর যদি
মুসলীমরা তা ন চায়, তবে তারা ঘর থেকে বের হয়ে যাক বাংলাদেশ থেকে নাস্তিক নিধনের আন্দোলনে , দেশের সভ্যতা রক্ষার আন্দোলনে, দেশের আপামর জনতার সুখ-শান্তি রক্ষার আন্দোলনে, দেশের সার্বিক কল্যান আনায়নের আন্দোলনে সর্বোপরী ধর্ম রক্ষার আন্দোলনে। তারা সকল মুসলীম একই মঞ্চে এক আল্লাহ ও রাসূল(সঃ) এর নির্দেশীত একই পথে ঐক্যের ভিত্তিতে সম্মিলিত হোক।
=============

রবিবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৩

দেখতে চাই তরুনদের সেই তারুণ্যের অগ্নিশিখা, যা রপান্তরিত হবে দেশের জন্য শান্তির সুবাতাস রূপে

দেখতে চাই তরুনদের সেই তারুণ্যের অগ্নিশিখা,
যা রপান্তরিত হবে দেশের জন্য শান্তির সুবাতাস রূপে
মুহাম্মদ জাকারিয়া শাহনগরী
----------------------

আজকের তরুনদের চিন্তাশক্তির বাহার দেখলে চোখ কামড়ায়। সোজা পথ তারা দেখেনা। বাকা পথই যেন তাদের অন্যতম যাত্রাপথ। আজকের শাহবাগের বিক্ষুব্ধ মঞ্চে যে তারুণ্যের জোয়ার বইছে সে জোয়ার দেশজ কল্যানে, দেশ গঠনের লক্ষ্যে যদি বইত, সমগ্র দেশ তাদের সাথে স্বেচ্ছায় যোগ দিত কোন প্রকার আহ্বান ছাড়াই।
যদি তাদের শপথের বিষয় হতো -
" আজ আমরা শপথ নিলাম , আমরা সকল দূর্নীতি থেকে দেশকে বাঁচাতে আজ থেকে আমরা পদক্ষেপ গ্রহণ করলাম। দেশ লুন্ঠনকারীদের বিরুদ্ধে তাদের মূলোৎপাঠনে আমরা আজ থেকে যুদ্ধ ঘোষণা করলাম। সকল প্রকার অন্যায় - অনাচারের বিরুদ্ধে আমরা আজ থেকে রুখে দাঁড়ালাম। চুরি-ডাকাতি-রাহাজানি-সুদ-ঘুষ-খুন-গুম-অপহরণ-ধর্ষণ-নির্যাতন ইত্যাদি অনৈতিক কর্মের বিরুদ্ধে আজ আমরা অতন্দ্র প্রহরী হিসাবে নিজেদের নিয়োজিত করলাম। আজ আমরা এমন একটা পৃথিবী বিখ্যাত কর্ম ধারণ করলাম যা দিয়ে আমরা আমাদের দেশকে একটা পৃথিবী বিখ্যাত সভ্য দেশ হিসাবে চিহ্নিত করব। "
তবে এ বিদ্রোহ হত পৃথিবী বিখ্যাত একটা তারুণ্য শক্তি নির্ভর তরুণদের মহাবিদ্রোহ। আর এ পৃথিবী বিখ্যাত মহাবিদ্রোহের একমাত্র দাবীদার হতো বাংলাদেশের তরুনরা।

কিন্তু নাহ ! আমাদের তরুনদের মাথায় এ তারুণ্য শক্তি ডুকবেনা। কারণ আমাদের তরুনদের সেই তারুণ্য শক্তি ক্ষয়মান আমাদের দেশের নোংরা রাজনীতির ডাস্টবিনে পড়ে। আমাদের দেশের তরুনদের সেই তারুণ্য শক্তি ধ্বংসমান আমাদের দেশের অসৎ রাজনীতিবিদদের অসৎ মেধার করালগ্রাসে।

প্রশ্ন জাগে - আমাদের দেশে সেই তরুণ জাগবে কবে , যারা শুধুমাত্র দেশগঠনেই লড়বে ? আমাদের দেশের তরুণদের সেই তারুণ্য শক্তি উদগীরন হবে কবে , যেদিন তাদের তারুণ্য অগ্নিশিখা রূপান্তরিত হবে শান্তির সুবাতাস রূপে ?
=================

বৃহস্পতিবার, ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৩

যেভাবে শুরু হয়েছে দেশকে যুদ্ধাপরাধী মুক্ত করণে দেশব্যাপী গণবিদ্রোহ , সেভাবেই শুরু হোক দেশ গঠনে দেশ লুন্টনকারী দলসমুহের বিরুদ্ধেও দেশব্যাপী গণবিদ্রোহ

যেভাবে শুরু হয়েছে দেশকে যুদ্ধাপরাধী মুক্ত করণে দেশব্যাপী গণবিদ্রোহ , সেভাবেই শুরু হোক দেশ গঠনে দেশ লুন্টনকারী দলসমুহের বিরুদ্ধেও দেশব্যাপী গণবিদ্রোহ
মুহাম্মদ জাকারিয়া শাহনগরী
----------------------

রাজাকার ও যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসী দিয়ে রাজাকারমুক্ত বাংলাদেশের লক্ষ্যে যদি দেশের মানুষ একটা ক্ষুদ্র স্বার্থে জাগ্রত হয়ে সমগ্র দেশব্যাপী বিদ্রোহ সৃষ্টি করতে পারে, তবে দেশ গঠনের মত একটা বৃহৎ স্বার্থ অর্জনের লক্ষ্যে জাগ্রত হয়ে বিদ্রোহ সৃষ্টি করতে পারছেনা কেন ? যদি রাজাকারের কবল থেকে বাংলাদেশকে মুক্ত করণে বিদ্রোহ করতে কোন বাধা না থাকে, তবে দেশ লুন্ঠনকরীদের থেকে বাংলাদেশকে মুক্ত করণে বিদ্রোহ করতে বাধা কোথায় ? রাজাকার নিধনে বিদ্রোহী হয়ে উঠা মানুষরা কি পারেনা দেশলুন্ঠনকারীদের নিধনেও বিদ্রোহী হয়ে উঠতে ?

গত দু’দিন ধরে দেশের মানুষ একটা ক্ষুদ্র স্বার্থে রাজাকারদের ক্ষুদ্র একটি দলকে পতন করতে বিদ্রোহী হয়ে উঠেছে। এভাবে কি দেশের মানুষ দেশ গঠনের বৃহত্তর স্বার্থে দেশ লুন্ঠনকারী বৃহৎ দলগুলোর পতনে বিদ্রোহী হয়ে উঠতে পারেনা ? দেশলুন্টনকারী বৃহৎ দলগুলোর পতনে যদি এসব বিদ্রোহীরা বিদ্রোহ সৃষ্টি করতে না চায় , তবে কি তারা মনে করে - যে দেশ গত বিয়াল্লিশ বছরে গঠিত হয়নি, সে দেশ রাজাকারদের নির্মূল হলেই গঠন হয়ে যাবে ? যদি এসব বিদ্রোহীরা এটা মনে না করে, তবে তাদের এই বিদ্রোহের মাধ্যমেই রাজাকারদের পতনের সথে সাথে দেশ লুন্ঠনকারী দলগুলোর পতনের লক্ষ্যেও তাদের বিদ্রোহ ঘোষনা করুক। যাতে ঝাঁপিয়ে পড়বে একাত্তরের মত দেশের অবশিষ্ঠ সর্বশ্রণীর-সর্বস্তরের জনগণ।

দেশ লুন্ঠনে ব্যস্ত যারা – আওয়ামী লীগ ও বিএনপি এবং তাদের অঙ্গসংঘটন সমুহ।
সন্ত্রাসের জনক যারা - আওয়ামী লীগ ও বিএনপি এবং তাদের অঙ্গসংঘটন সমুহ।
দেশ বন্টনে লিপ্ত যারা - আওয়ামী লীগ ও বিএনপি এবং তাদের অঙ্গসংঘটন সমুহ।
দেশদ্রোহী মানুষ যেথায় - আওয়ামী লীগ ও বিএনপি এবং তাদের অঙ্গসংঘটন সমুহে।
নাগরীকদের রক্তচোষায় লিপ্ত যারা - আওয়ামী লীগ ও বিএনপি এবং তাদের অঙ্গসংঘটন সমুহ।
রাজাকারদের দল যদি হয় – ইসলামী দল আর জামাত,
সুবিধাভোগী দল তবে – জাতীয় পার্টি আর অন্য সব দল।

তাই , দেশ গঠনের বৃহত্তর স্বার্থে এইসব দল পতনের লক্ষ্যে দেশের মানুষদের “রাজাকারের কবল থেকে বাংলাদেশকে মুক্ত করণে বিদ্রোহ”এর মতই বিদ্রোহ সৃষ্টি করা একান্ত আবশ্যক। দেশের মানুষদের বুঝে নিতে হবে যে, শুধুমাত্র দেশকে রাজাকারমুক্ত করলেই দেশে শান্তি আসবেনা, মুক্ত হবেনা দেশ হায়েনাদের কবল থেকে। তাতে লাভবান হবে দেশের লুন্ঠনকারীরা। রয়ে যাবে আসল হায়েনারা, যারা দেশ ও দেশের মানুষদের রক্ত চুষে খাচ্ছে।

অতএব, যেভাবে শুরু হয়েছে দেশকে যুদ্ধাপরাধী মুক্ত করণে যুদ্ধাপরাধীদের পতনে দেশব্যাপী গণবিদ্রোহ , সেভাবেই শুরু হোক দেশ গঠনে দেশ লুন্টনকারী দলসমুহের বিরুদ্ধেও দেশব্যাপী গণবিদ্রোহ।।

বৃহস্পতিবার, ৩১ জানুয়ারি, ২০১৩

বিলুপ্তাধীন বাংলাদেশ : গর্জে উঠ দেশ-জনতা

বিলুপ্তাধীন বাংলাদেশ : গর্জে উঠ দেশ-জনতা
মুহাম্মদ জাকারিয়া শাহনগরী
-----------------------

শুরু হয়েছে যুদ্ধ। চারিদিকে চলছে গোলাগুলি , ফুটছে বোমা , জ্বলছে সর্বত্র ধাউ ধাউ করে আগুন, হচ্ছে স্বাধীন দেশের সবুজ রাজপথ রক্তরঞ্জিত,ঘটছে সর্বত্র ধর্ষণের ঘটনা, চলছে নারীদের উপর নির্যাতন অহরহ। এ যেন ১৯৭১ এর সেই যুদ্ধকালীন সময়েরই একটা পরিস্থিতি। বিরাজ করছে সর্বত্র নৈরাজ্য।
নাহ্ ! এ কোন পাকিস্তানী তাড়াতে এদেশের মানুষদের স্বাধীনতার যুদ্ধ নয়। এ যুদ্ধ গৃহযুদ্ধ। ঘরের মানুষদের সথে ঘরের মানুষদের যুদ্ধ। এ নৈরাজ্য সৃষ্টিকারীরা কোন পাকিস্তানী নয়, এদেশেরই মানুষ। এসব ধর্ষনকারী , নারীদের উপর অত্যাচারীরা কোন রাজাকার নয় এদেশেরই সোনার সন্তান নব্য রাজাকার। এ যুদ্ধ দমনকারী সরকার পক্ষ পাকিস্তানের সেই লুন্ঠনকারী সরকার নয়, এদেশের জনগণের স্বার্থ দেখার ম্যান্ডেট নিয়ে আসা ক্ষমতাধর জনগণের স্বার্থহরণকারী আর শান্তি বিনষ্টের মুল আয়োজক দেশপ্রেমের আড়ালে দেশ ধ্বংসী সরকার।
১৯৭১ এর যুদ্ধের দ্বিতীয় সংস্করনে সংঘটিত এই যুদ্ধে আস্তে আস্তে জড়িয়ে পড়ছে সমগ্র দেশের মানুষ । বিলুপ্ত হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ নামক এই ছোট্ট ভুখন্ডটি এই গৃহযুদ্ধের মাধ্যমে। যদি এই গৃহযুদ্ধের মাধ্যমে বিলুপ্তাধীন এদেশকে বাঁচানোর ইচ্ছা থাকে তবে জনগণকে নতুন ভাবনায় ঘুরে দাঁড়াত হবে এখনই। দেশের মানুষদেরই গর্জে উঠতে হবে বাংলাদেশকে দলীয় সরকারের আবহ থেকে মুক্ত করতে। দেশের মানুষকেই দেশের সব রক্তচোষা দল ধ্বংসে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে। দেশকে গৃহযুদ্ধ থেকে বাঁচানোর একটাই পথ - দেশকে রক্তচোষা সকল দল থেকে মুক্ত করতে নেমে পড়া।
=================

বুধবার, ৯ জানুয়ারি, ২০১৩

মানুষের গুণাবলী না হোক , কামনা হোক - অন্তত আমরা যেন পশুদের গুণাবলী ধারণ করতে পারি

মানুষের গুণাবলী না হোক , কামনা হোক -

অন্তত আমরা যেন পশুদের গুণাবলী ধারণ করতে পারি
মুহাম্মদ জাকারিয়া শাহনগরী
----------------------

আজ একটা কথা বলতে চাই - তা হচ্ছে সহাবস্থানের দেশ বাংলাদেশের মানুষদের মন মস্তিস্ক নিয়ে।



আমরা আমাদের দেশকে সহাবস্থানের দেশ হিসাবে দাবি করি। কিন্ত বাংলাদেশের জন্ম থেকে এ পর্যন্ত এ দাবী আমাদের মনমস্তিস্কে ধারণ করলেও আমাদের ব্যক্তিগত বা সামাজিক জীবনে যেন তা নিগৃহিত অবাঞ্চিত একটা বিষয়। ফলে আমাদের উক্ত দাবী যেন একটা হাস্যকর রসালো কৌতুকের বিষয় হয়ে দাড়িয়েছে । যদি আমাদের দেশ সহাবস্থানের দেশ হয় , মানুষে মানুষে তবে কেন এত মারামারি ? মানুষের সাথে মানুষের কেন এত শত্রুতা ? প্রতিবেশীর সাথে প্রতিবেশীর কেন এত জিঘাংসা ? আসলে কি আমরা আমাদের দেশকে সহাবস্থানের দেশ হিসাবে দাবী করতে পারি ?

অবশ্য আমরা যারা বিদেশে আছি তারা এতটুকু সুখ অন্তরে উপলব্ধি করতে পারি যে , সত্যিই আমরা সহাবস্থানের দেশের নাগরিক। কারণ , এখানে যারা আছি সবাই আমরা বলি আমরা বাংলাদেশী। আমরা ছাত্রলীগ নই , আমরা শিবির নই, আমরা আওয়ামী লীগ নই, আমরা বিএনপি নই, আমরা জাতীয় পার্টি নই, আমরা জামাত নই, আমাদের নেই অন্য কোন দলের পরিচয়। এখানে আমাদের একটাই পরিচয় - আমরা বাংলাদেশী। আর এই বাংলাদেশীদের মধ্যে অবস্থান করছি আমরা সকল পার্টির সকল প্রকার সদস্য , সাধারণ সদস্য থেকে নিয়ে কট্টরপন্থী সদস্য সহ ক্যাডার গ্রুপের সর্বোচ্ছ ডিগ্রীধারী লিডারগণও। কিন্তু আমাদের মাঝে নেই কোন হিংসা , নেই কোন মারামারি , নেই কোন শত্রুতা , নেই কোন জিঘাংসা চরিতার্থের লালসা। আমাদের মাঝে রয়েছে ভাই ভাইয়ের বন্ধন, আমাদের মাঝে রয়েছে আত্মার সাথে আত্মার সম্পর্ক। আমাদের মাঝে রয়েছে এমন এক প্রকার টান ,যে টানটি বাংলাদেশের রক্তের টান থেকেও শক্তিশালী। যদি প্রবসে বসে আমরা প্রত্যেক দলের প্রত্যেক প্রকার সদস্য একই ভ্রাতৃত্বের বন্দনে বন্ধী হয়ে থাকতে পারি , তবে আমরা দেশের ভিতরে বসে তা পারছিনা কেন ? তবে কি আমাদের সমষ্যা ?

আমরা কি একটুও ভাবতে পারিনা - আমরা মানুষ , আমরা যা চাই তাই আমরা করতে পারব , সেই ক্ষমতা স্বয়ং আমাদের সৃষ্টিকর্তা আমাদের দিয়েছেন ? আমরা কি শান্তির জন্য এতটুকু সেক্রিফাইস করতে পারিনা যে , আমরা শান্তির জন্য স্বার্থ ত্যাগে রাজি ? আমরা কি এতটুকু নীচে নামতে পারিনা যে , বস্তিতে কনকনে শীতের রাতে জবুতব হয়ে শুয়ে থাকা বণি আদমদের একটু দেখতে যেতে পারি ? আমরা কি এতটুকু ভাবতে পারিনা যে , আমার পশুদের চেয়ে উন্নত ?

কিছুদিন আগে একটা দেশের বৃহৎ প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের একটা চিত্র দেখানো হয়েছিল - তা ছিল একটা স্থিরচিত্র। যাতে দেখানো হয়েছিল একটা বড় আকারের সাপকে অবলম্বন করে কিভাবে মানুষ প্লাবনের প্রবল স্রোতধারা থেকে রক্ষা পেয়ে স্থলে উঠতে সমর্থ হয়েছিল । আমরা কি সেই সাপের মানুষ বাঁচানোর ঘটনা থেকে শিক্ষা নিতে পারিনা ?

আমার বয়স যখন ১০/১২ হবে , তখনকার একটা ঘটনা আমার মনে পড়ে। আমাদের গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে চলা ছোট্ট লেলাং নদী ছিল তখন ছিল বন্যার পানিতে ভরপুর,প্রবল স্রোত। আমি হাদি বাদশা আউলিয়ার মাঝারের কাছে একটা লোকের কাছে যাব যেখানে ধান বীজ বপনের কাজ করছিল আমার এক পাড়াস্থ ভাই। কিন্তু নদী পাড়ি দেবার মত কোন উপায় খুঁজে পাচ্ছিলাম না। তখনই একটা লোক দু'টি গরু নিয়ে আসল নদীটি পার হয়েই তিনি গরুগুলো নিয়ে যাবেন। তিনি গরু দু'টিকে পানিতে নামিয়ে দিলেন। একটা গরু সাতরিয়ে পার হয়ে গেল, বাকি গরুটা দাড়িয়ে থাকল। কোনমতেই লোকটি গরুটিকে নিতে পারছিলেননা। হঠাৎ তার কি মনে হলো জানিনা । তিনি আমাকে বললেন , তুমি পার হতে চাও ? আমি মাথা নেড়ে বললাম, হ্যাঁ । তখন লোকটি আমাকে গরুটির পীঠে তুলে দিয়ে তার লেজটা নাড়া দিল। আশ্চর্য , গরুটি আর কোন দ্বিমত করলনা , সাথে সাথেই আমাকে নিয়ে যাত্রা করল। যখন নদী পার হলাম লোকটি বলল- তোমাকে পার করার জন্যই আমার গরুটি নদী পার হতে চাচ্ছিলনা ! আমিও বললাম ঠিক বলেছেন। আমরা কি এ পশু চিহ্নিত গরুটি থেকে শিক্ষা লাভ করতে পারিনা ?

এই অনুচ্ছদটা লেখা শেষ করার পর যোগ করতে মন চাইল সামান্য কথা , তাই পোষ্ট দেয়ার পরও আবার সংশোধন করলাম। যা বলতে চাইছি - আমার শেষ ঘটনা থেকে আমি দুটি শিক্ষা পাচ্ছি। তার একটা হলো একটা পশুর মালিকের হুকুম মানতে দ্বিধা না করা , আর দ্বিতীয়টা হল - অন্য পশুটির মালিকের হুকুম মানতে দ্বিধা করা। মানুষ যদি তার বিবেক দিয়ে ভাবে তবে দেখতে পাবে পশুদের মাঝেও রয়েছে বিবেক। কিন্ত স্রষ্টা তাদের বিবেক দেননি। এটাই সত্য কথা। যদি তাদের বিবেক জিনিসটি দিতেন তবে তারা পশু না হয়ে হয়ে যেত মানুষ। কারণ , স্রষ্টা মানুষের স্রেষ্টত্বের প্রমাণ হিসাবে দেখিয়েছেন মানুষের বিবেককে। যাই হোক, বলতে চাইছিলাম দু'টি শিক্ষা নিয়ে। প্রথম পশুটি তার মালিকের হুকুম মেনে নিয়েছে ঠিকই কিন্তু , কারো উপকার করে এক্সট্রা মার্ক অর্জন করতঃ তার শ্রেষ্টত্ব অর্জন করতে পারেনি। আর একটা পশু মালিকের হুকুম তো মেনেছেই সেই সাথে অন্যের উপকার করে এক্সট্রা মার্ক নিয়ে তার শ্রেষ্টত্বেরও প্রমাণ দিয়েছে, যাতে অর্জিত হয়েছে মালিকের সন্তুষ্ট এবং নিজের সাফল্যতা। অপর দিকে প্রথম পশুটি শুধুমাত্র মালিককে সন্ত্রুষ্টি করছে , তার নিজের জন্য জন্য কিছু অর্জিত হয়নি। আমাদের দেশে যারা সরকারের পদলেহন করে তারা শুধুমাত্র প্রথমোক্ত পশুটির ন্যায় সরকারের সন্তুষ্টি অর্জন করে যাচ্ছে। নিজেদেরকে শ্রেষ্টত্বের প্রমাণ দিয়ে জনতার প্রতিনিধি রূপে উপস্থাপন করতে তারা অপারগ। তাদের নিজেদের জন্য অর্জন তাদের কিছুই হচ্ছেনা। মানুষের বড় অর্জন তার সম্পদে নয় , মানুষের কাছে মহান রূপে প্রতিষ্ঠা করতে পারাই মানুষের বড় অর্জন।

আর বেশী কিছু বলতে চাইনা । আমরা মানুষ হয়েও যদি আমাদের মধ্যে মানুষের গুণটি ধারণ করতে না পারি , তবে অন্তত এইসব নির্বাক পশুদের সদগুণাবলী যেন আমরা ধারণ করতে পারি - এই হোক আমাদের কামনা।
================

বৃহস্পতিবার, ৩ জানুয়ারি, ২০১৩

ঐ নতুনের কেতন উড়ে ...


ঐ নতুনের কেতন উড়ে ...
মুহাম্মদ জাকারিয়া শাহনগরী
----------------------

মনে চায় অন্য কিছু -
নিত্য নতুনের সমারোহে নতুন ভাবনায়
নতুন আরাধনায় নতুন কর্মে নতুন যাত্রায়
যেন নতুনের মাঝেই খুঁজে পায়
জীবন তার না পাওয়া অন্য কিছু ।
নতুন বৎসরে নতুন হিসাবের খাতায় লিপিবদ্ধ হয়
নতুন সব জীবনের হিসাব ,
সকল খাতার পাতায় নতুন রূপে লিখিত হয়
নতুন জীবনের সব আশা আকান্খা ।
নতুন বৎসরে নতুন দৃষ্টি নিক্ষিপ্ত হয় নতুন ভাবে
প্রেয়সীর মনকাড়া নতুন রূপে ।
নতুন যাত্রাপথে নতুন গতি নতুন ভাবে পথ চলা
নতুনের সন্ধানে লাগিয়েছি চোখে নতুন তৈরী দূরবীক্ষণ যন্ত্র।
যেন দেখছি সকল মানুষকে নতুন রূপে
নেই হিংস্রতা , নেই শত্রুতা , নেই কোন ধ্বংসাত্মক লীলাখেলা ,
এ যেন পৃথিবীর নতুন রূপ
নতুন সূর্যের আলোয় আলোকিত সমগ্র বিশ্ব ,
নতুন উৎসাহে নতুন উদ্দীপনায় নতুন সব মানুষ
পৃথিবীর সব মলিনতা দূর করার জন্য নিয়েছে সবাই দৃপ্ত শপথ !

বলতে ইচ্ছে হয় -
এসো হে পৃথিবীর সকল মানুষ
ঐ নতুনের কেতন উড়ে ,
দেখবো এবার শান্তির পারাবাত
এই বিশ্বজুড়ে ।
=============

বৃহস্পতিবার, ২০ ডিসেম্বর, ২০১২

দাবী আদায়ের জন্য "হরতাল" বর্তমান ডিজিটাল যুগে অকার্যকর একটি পদ্ধতি


দাবী আদায়ের জন্য "হরতাল"
বর্তমান ডিজিটাল যুগে অকার্যকর একটি পদ্ধতি
মুহাম্মদ জাকারিয়া শাহনগরী
----------------------

দাবী আদায়ের পদ্ধতি মান্দাতা আমলের হরতালকে এই ডিজিটাল যুগে মানায়না। তাতে মনে হয় আমরা সেই প্রাচীন যুগেই রয়ে গেছি। ঢাল তলোয়ার দিয়ে যুদ্ধের সময় পেরিয়ে সেই তিনশ’ বছর বা তারও আগে। এখন মিশাইল দিয়ে এক রাষ্ট্রে বসে হাজার হাজার মাইল দূরের অন্য রাষ্ট্রকে ধ্বংস করার যুগ।

বর্তমান ডিজিটাল যুগে হরতাল যেন দোলনার শিশুদের মুখে ফিডার লাগিয়ে দোলনায় লাগানো বেলুন নিয়ে খেলনার মত একটা বিষয়। তাই হরতাল দিয়ে যারা দেশোন্নতির চিন্তা করে , তাদের কাছ থেকে দেশোন্নতির আশা বোকামীই বটে।

তাই মান্দাতা আমলের হরতালকে ডিঙ্গিয়ে দাবী আদায়ের ডিজিটাল পদ্ধতি ব্যবহারের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে। যাতে জনগণের কোন ক্ষতি হবেনা দাবীও আদায় হবে।

এক সময় ছিল যখন হরতাল আহবান করা হলে সর্বসাধারণ সেই হরতালের আহবানে সাড়া দিয়ে দাবী আদায়কারীদের সহযোগী হত। সে সময়কার হরতালে জানমালের কোন ক্ষতি হতো না। রোডঘাটে জনাধারণের চলাচল বন্ধ থাকতো। অফিস আদালতে কোন কাজ চলতোনা। আর সে সময়কার হরতালে নিশ্চিতভাবেই দাবী আদায় করা যেত।

কিন্তু এখন সেই হরতাল যুগোপযোগী নয়। মানুষ যেমন পরিবর্তন হয়েছে তেমনি পরিবর্তন হয়েছে মানুষদের চিন্তা চেতনা। আর মানুষদের এই চিন্তা চেতনার কাছে দাবী আদায়ের সর্বশেষ মহৌষধ রূপে খ্যাত এক সময়ের হরতাল নামক শক্তিশালী অস্ত্রটি এখন অকার্যকর। যেমন অকার্যকর মিশাইল মারণাস্ত্রের কাছে এক সময়ের শক্তিশালী যুদ্ধাস্ত্র ঢাল - তলোয়ার।

মিশাইলের কাছে যেমন ঢাল তলোয়ার দিয়ে যুদ্ধ করতে গেলে সেই অস্ত্র ও সৈনিক অকর্যকর হয়ে ধ্বংস প্রাপ্ত হবে , তেমনি হরতাল দিয়ে দাবী আদায় করতে গেলে হরতাল ও হরতালকারী অকার্যকর হয়ে ধ্বংসের পাটাতনে গিয়ে দাঁড়াবে। আর এটাই স্বাভাবিক, হচ্ছেও তাই।

এ কারণে অকার্যকর হরতাল নামক প্রাচীণ অস্ত্রটি দিয়ে ডিজিটাল যুগে দাবী আদায়ের যুদ্ধে নামাটা বোকামীর নামান্তর। তাই দাবী আদায়ের লক্ষ্যে প্রাচীন অস্ত্র হরতাল বাদ দিয়ে ডিজিটাল চিন্তাভাবনায় নতুন একটি ডিজিটাল অস্ত্র প্রয়োগ একান্ত জরুরী।
================

সোমবার, ১৭ ডিসেম্বর, ২০১২

১৯৭১ এর পূর্বাবস্থায় ফিরে এল বাংলাদেশ ! প্রয়োজন নতুন একটা মুক্তির যুদ্ধ …


১৯৭১ এর পূর্বাবস্থায় ফিরে এল বাংলাদেশ !
প্রয়োজন নতুন একটা মুক্তির যুদ্ধ …
মুহা্ম্মদ জাকারিয়া শাহনগরী
----------------------

সংবাদে দেখলাম বেশ কিছু পর্দানশীন মেয়েদের পুলিশ ক্যাম্পে ধরে নিয়ে গেছে। এ যেন সে ১৯৭১ এর এই জনপদের পূর্বাবস্থায় ফিরে আসা। পাকিস্তানীরা এভাবেই ঘর থেকে নারীদের ধরে নিয়ে অত্যাচার চালাতো। যে অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে বাংলাদেশের মানুষ অস্ত্র হাতে তুলে নিয়ে মুক্তিযুদ্ধ শুরু করেছিল।

সেই মুক্তিযুদ্ধের ৪১ বছর পর আবারও সেই পাকিস্তানীদের দোষরদের হাতে বাংলাদেশের ঘরে ঘরে নারীদের উপর অত্যাচার চালানো হচ্ছে। যারা করছে তারাই নাকি মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের একমাত্র দাবিদার। মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের একমাত্র দাবিদারের মুখোশ পড়ে পাকিস্তানীদের এইসব চরেরা বাংলার জনপদকে ১৯৭১ এর পুর্বাবস্থায় ফিরিয়ে এনেছে। এমন কোন ঘর বাদ যাচ্ছেনা যেখানে তাদের হাতে নারীরা লাঞ্চিত হচ্ছেনা।

পাকিস্তানীরা যে কারনে এদেশ থেকে বিতাড়িত হয়েছে, ঠিক একই ঘটনা সমুহ ঘটিয়ে যাচ্ছে এইসব মুখোশধারী দেশপ্রেমিকরা। তারা এমন কিছুই কম করছেনা , যেগুলো পাকিস্তানীরা করেছে তার হুবহু সবকিছুই করে যাচ্ছে। আর তারাই মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের একমাত্র দাবিদার রূপে বাংলাদেশের মানষদের ধুকা দিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশের ঘুমন্ত মানুষ নাক ডেকে ঘুমাচ্ছে। এই সুযোগ নিয়ে পাকিস্তানীদের দোষর এইসব মুনাফিক গুপ্তচরেরা বাংলাদেশের ঘুমন্ত মানুষদের উপর অত্যাচারের খড়ক নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ছে।

সময় এসেছে এসব হায়েনাদের উপর ১৯৭১ এর মত বাংলাদেশের মানুষদের ঝাঁপিয়ে পড়ার। সময় এসেছে আবাল- বৃদ্ধ - বণিতার আরও একটি যুদ্ধে উপনিত হবার। সময় এসেছে এদেশ থেকে এদের মুল উৎপাটন করে বিতাড়িত করার। এ লক্ষ্যে বাংলাদেশের সকল মানুষ এক হোক, গর্জে উঠুক আর একবার - এই হোক কামনা।
============

রবিবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০১২

বিশ্বসেরা বাংলাদেশের বিজয় দিবস

বিশ্বসেরা বাংলাদেশের বিজয় দিবস
মুহাম্মদ জাকারিয়া শাহনগরী
----------------------

চলার পথে সদা ভয়ে তটস্থ , দুরু দুরু বুক,
৪১ বৎসর আগের সেই স্বাধীনতার যুদ্ধে
বিজয় ছিনিয়ে এনে পাওয়া এই কি আমাদের সুখ ?

এই বুঝি আমায় নিয়ে যাবে ধরে
দেশপ্রেমিকের মুখোশধারী রাজনীতির ধারক বাহকদের নির্দেশে
গুম করে ফেলবে আমায় সেই গুম হওয়া ইলিয়াছের মত,
আমার খোঁজ না পেয়ে ছটফটাতে থাকবে আমার পরিবারের সবাই।
বিজয়ের হাসিতে উচ্ছল উৎফুল্ল হবে
সেই তথাকথিত দেশ প্রেমিক হায়েনার মুখ।
এই কি তবে বিজয়ের সুখ ?

এই বুঝি সোনার ছেলেরা
চাপাতির আঘাতে আঘাতে ক্ষত বিক্ষত করবে আমার দেহ
বোমা মেরে ছিন্ন ভিন্ন করে উড়িয়ে দিবে আমায় বাতাসের সাথে
পেট্রোল ঢেলে জ্বালিয়ে দেবে আমার সর্বাঙ্গ
ধাউ ধাউ করে জ্বলতে থাকবে
স্বাধীন রাজপথে (?) একজন নিরীহ মানুষ।
আমায় হত্যার আনন্দে
নৃত্যের তালে তালে সুখভোগ করতে থাকবে
সেইসব সোনার ছেলেরা বুক ফুলিয়ে !
সেই ৪১ বৎসর পূর্বে স্বাধীনতা যুদ্ধের এই কি আমাদের অর্জন ?

চারিদিকে লুটপাট , আগুনের লেলিহান শিখায় সকল শিক্ষাঙ্গন
ঘুমন্ত মানুষের ঘরের ছাদে বুলডোজারের সাড়াশি অভিযান
নীরিহ মানুষদের উপর মিথ্যা অভিযোগের গ্রেফতারী ফরওয়ানা জারী করে
জনপদে শান্তি বিনষ্টের নিত্য নব সরকারী সব আয়োজন
যেন সেই পাকিস্তানী হায়েনাদের অত্যাচারী ফর্মূলা ,
দেশের মানুষদের উপর আবর্তিত
নিপীড়ন-নির্যাতনের এক একটি মর্টার সেল।
এইকি তবে স্বাধীনতার যুদ্ধে ছিনিয়ে আনা আমাদের বিজয় ?

যদি তাই হয় তবে এসো, করি সেই বিজয় উল্লাস
রাজপথকে করি রক্তলালে রঞ্জিত বিশ্বজিৎ হত্যার মত
মানুষ হত্যার মহোৎসব পালনের মধ্য দিয়ে,
উন্নীত করি দেশকে আরও এক ধাপ
গুম - অপহরণ - ব্যভিচার - অবিচার - নির্যাতন - নিপীড়ন - সন্ত্রাস
দূর্নীতি - দুঃশাসন - ধর্ষণ - শোষণ সহ অনৈতিক সব কর্ম দিয়ে,
এইভাবেই হবে বিশ্বসেরা বাংলাদেশের বিজয় দিবস।
======================

শনিবার, ১ ডিসেম্বর, ২০১২

চলতে হবে বিজয় ও স্বাধীনতার মূলপথে



চলতে হবে বিজয় ও স্বাধীনতার মূলপথে

মুহাম্মদ জাকারিয়া শাহনগরী

----------------------

গতকাল একটা প্রবাসী সংগঠনের আমন্ত্রিত অতিথি হিসাবে তাদের এক অনুষ্টানে যোগ দিয়েছিলাম। আমরা প্রায় ৮০/৯০ জন তাতে অংশগ্রহণ করি। অনুষ্টানটি মুলতঃ বিজয় মাসের বরণ উপলক্ষ্যে আহবান করা হয়েছিল। যদিও আমি ঐ সংগঠনের কেউনা। তবুও দাওয়াত পেয়ে বন্ধুত্ব রক্ষার তাগিদে যেতে হয়েছিল। অনেকে অনেক ভাবে বিজয় দিবস নিয়ে এবং যুদ্ধকালীন স্মৃতির উপর আলোচনা করেন। শেষে এক বন্ধু বলে উঠল - এখানে একজন ভাই আছেন যিনি লেখালেখির সাথে যুক্ত। যদিও তিনি আমাদের সংগঠনের কেউ নন। আমার মনে হয় ওনার মুখ থেকে কিছু না শুনলে আজকের অনুষ্টানটা পরিপূর্ণ হবেনা। বুঝতে পারলামনা ঐ লোকটা কে ? আমি তখন অন্য রুমে একজনের সাথে কথা বলছিলাম।
যখন শুনলাম উপস্থাপক আমার নাম উচ্চারণ করছেন। তখন বুঝতে বাকি রইলনা এতক্ষণ কার কথা বলা হচ্ছিল। কারণ ঐ অনুষ্টানে আমার নামের সাথে মিলযুক্ত আর কেউ আসেনি। তাই মনে মনে "লা ইলাহা ইল্লা আন্তা ছুবহানাকা ইন্নি কুনতু মিনাজ্জোয়ালিমীন" পড়তে লাগলাম। শেষ রক্ষা হলোনা। একটা লোক এসে আমাকে বলল - ভাইয়া প্লীজ একটু উঠে আসুন। আপনাকে আমাদের মাঝে কিছু বলতে হবে। আমি ওনাকে বললাম, ভাই আমি কি বলব, এসব আমার দ্বারা সম্ভব নয়, আমার একটু কলম চললেও মুখ বোমা মারলেও নড়চড় হয়না। লোকটি নাছোড়বান্দা। নিয়ে আমাকে যাবেই। শুরু করল হাত ধরে টানাটানি।

কি আর করা "যেখানে বাঘের ভয় সেখানেই রাত হয়" এ পরিস্থিতিতে নিজেকে কিভাবে উপস্থাপন করব ঠিক করে নিয়ে উঠে গেলাম মঞ্চে। শুরু করলাম ওয়াজের মত করে। দেখুন আমার ভাষনটা কেমন হলো -" 

আচ্ছালামুআলাইকুম। আলহামদুলিল্লাহ !আলহামদুলিল্লাহিনাহমাদুহু,ওনাছতায়িনুহু,ওনাসতাগফিরহু, ওনাউযুবিল্লাহি মিন শুরুরী আনফুছিনা,ওমিন ছায়্যিআতি আ'মালিনা, ওমাইয়েহদিহিল্লাহু পালা মুদিল্লালাহ, ওমাইয়ুদলিলহু পালা হাদিয়ালাহ। ওনাশহাদু আন লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু, ওহদাহু লা শারিকালাহ্। ওবিযালিকা উমিরতু ওআনা আওয়ালুল মুছলিমীন। আল্লাহুম্মা ছাল্লি আলা মুহাম্মাদিইউ ওয়ালা আলি মুহাম্মদ কামা ছাল্লায়তা আলা ইব্রাহীমা ওয়ালা আলী ইব্রাহীম ইন্নাকা হামিদুম্মাজীদ। আল্লাহুম্মা বারিক আলা মুহাম্মাদিইউ ওয়লা আলি মুহাম্মদ কামা বারিকতা আলা ইব্রাহিমা ওয়ালা আলি ইব্রাহীম ইন্নাকা হামিদুম্মাজীদ।

আম্মা বাদ- আউজু বিল্লাহিমিনাশশায়ত্বানির রাজীম। বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম। ক্বালাল্লাহ তাআলা -
আলিফ লাম মীম। যালিকাল কিতাবু লা রায়বা ফিহি হুদাল্লিল মুত্তাক্বীন। আল্লাজিনা ইউ'মিনুনা বিলগাইবি ওয়ুক্বিমুনাস্সালাতা ওয়ামিম্মা রাজাকনাহুম ইউনফিকুন। ওয়াল্লাজীনা ইউ'মিনুনা বিমা উনযিলা ইলায়কা ওয়মা উনযিলা মিন ক্বাবলিকা ওয়াবিল আখিরাতিহুম ইউক্বিনুন। উলায়িকা আলা হুদাম্মিররাব্বিহীম ওয়াউলায়িকা হুমুল মুফলিহুন।ওক্বালা রাসুলুল্লাহি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম - ইন্নামাল আম'মালু বিন্নিয়্যাত।
উপস্থিত আজকের এই জলসার মাননীয় সভাপতি এবং প্রবাসী বন্ধুগণ আচ্ছালামু আলাইকুম ! আজ ৩০শে নভেম্বর, আগামী কাল ১ ডিসেম্বর। এই ডিসেম্বরটি মাসটি আমাদের বাংলাদেশীদের জন্য এক বিশেষ স্মরণীয় মাস হিসাবে চিহ্নিত। এ মাসের ১৬ ডিসেম্বর আমরা আমাদের মুক্তির যুদ্ধে বিজয় লাভ করেছিলাম। যে যুদ্ধে হারিয়েছিলাম আমরা আমাদের লক্ষ লক্ষ মা-বোন-ভাইদের। ডিসেম্বর মাসটি আসলেই তাদের স্মরনে আমরা বিভিন্ন কর্মসুচী পালন করি। এসব কর্মসূচীর সুত্র ধরেই মুক্তিযুদ্ধের বীরদের স্মরণে আমি যতটুকু জানতে পারছি আজকের এই অনুষ্টানের আয়োজন। সে জন্য সকলকে জানাই বিজয় মাসের শুভেচ্ছা।

আমি প্রথমেই হামদ্ ও নাতের পর আলকোরান থেকে সুরা বাক্বারার পাঁচটি আয়াত এবং আল হাদীসের অগণিত হাদিস থেকে একটি হাদিস পাঠ করেছি। আপনারা হয়তো মনে মনে ভাববেন লোকটারে বলতে বললাম কি আর সে বলে কি ! তারে কইলাম বিজয় দিবসের আলোচনা করতে আর সে কিনা করে ওয়াজ ! আপনাদের মনের এই জল্পনা দূরী করণে প্রথমেই ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি। আসলে আমি কি বলতে কি বলছি মোটেই জানিনা। এ ধরণের বক্তব্য দানে আমি অভিজ্ঞ নই। তাই এই অবস্থা। আশা করছি আমাকে ক্ষমা করবেন। কিছু বলতে যখন এখানে উঠেছি, কিছু না বলে নেমে গেলে সেটা শোভনীয় হবেনা। তাই চেষ্টা করব অন্তত কিছু বলতে। তার আগে শ্রদ্ধা জানাই সেইসব শহীদ - বীর মুক্তিযোদ্বাদের, যাদের ত্যাগের বিনিময়ে আমরা আজ স্বাধীন (?)।

আমি যখন ইংরেজী শিক্ষা থেকে বের হয়ে তাবলীগে কিছুদিন সময় দিই, তখন আমাকে এক বিশেষ চিন্তার সাগরে ডুব দিতে হয়, যে চিন্তা আমাকে নিয়ে যায় মাদ্রাসা লাইনে। ভর্তি হই মাদ্রাসায়। তখন দারুন কোরান শামসুল উলুম মাদ্রাসা, চৌধুরী পাড়া, ঢাকায় হোষ্টেলে থেকেই শুরু করি আরবী পড়া। সেখানে উক্ত মাদ্রাসাসার মুহতামিম জনাব মাওলানা ইসহাক ফরিদী হজুরের তত্বাবদানে পরিচালিত হত বক্তৃতা শিক্ষার কোর্স। যাতে সকল ছাত্রকেই অংশ নিতে হত। সেই কোর্স থেকেই আমার বক্তৃতা শিক্ষা। আর তাই আমার আলোচনার শুরুটা ওয়াজের মত হয়ে গেল।

সে যাক, আমি উক্ত আয়াত ও হাদীসের আলোকে বিজয় দিবসের আলোচনাকে একটু ভিন্নতা দেয়ার চেষ্ঠা করছি। তাই বলে আমার এই আলোচনা ওয়াজ হিসেবে মনে করলে ভুল হবে। আমার পাঠকৃত আয়াত সমুহের বাংলা হলো - " আলিফ-লাম মীম। এই সেই কিতাব যাতে কোন সন্দেহ নাই, এ সাবধানীদের জন্য পথ নির্দেশক। (সাবধানী ওরাই ) যারা অদৃশ্যে বিশ্বাষ করে, সালাত কায়েম করে এবং তাদের যা দান করেছি তা থেকে তারা ব্যয় করে। এবং যারা তাতে বিশ্বাষ করে যা তোমার প্রতি অবতীর্ণ করা হয়েছে এবং তোমার পুর্বে যা অবতীর্ণ করা হয়েছে, আর পরকালের প্রতি যারা দৃঢ় আস্থা রাখে। তারাই তাদের প্রতিপালকের নির্দেশিত পথে রয়েছে এবং তারাই পূর্ণ সফলকাম।" আর হাদিসটির বাংলা হলো - "প্রত্যেক কর্মই নিয়তের উপর নির্ভর্শীল।"

এখন আসুন আমরা বিজয় দিবস নিয়ে কিছু আলাপ করার চেষ্ঠা করি। যদি আমরা বিজয় দিবসের আলোচনা করতে যাই তবে উঠে আসে আমাদের স্বাধীনতার কথা। বিজয় দিবস ও স্বাধীনতা দিবস দুটোই অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে না পড়লে আমরা বিজয় দিবস পেতামনা। তাই স্বাধীনতা ও বিজয় দিবস একসাথেই আমাদের আলোচনায় উঠে আসে। বিজয় দিবসের কথা বলতে গেলেই বলতে হয় স্বাধীনতার কথাও।

আমরা বাংলাদেশীরা স্বাধীন জাতি। রয়েছে আমাদের স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধ করে বিজয় অর্জনের গৌরব। আমরা একটা বৃহৎ শোষক গোষ্টির পরাধীন থেকে নির্যাতন-নীপীড়নের অসহনীয় জ্বালায় অতীষ্ট হয়ে তাদের শৃন্খল থেকে নিজেদের ক্ষুদ্র শক্তি দিয়ে যুদ্ধ করে জয়ী হয়ে স্বাধীন হয়েছি। এটা আমদের কম গৌরবের কথা নয়।

কিন্তু সেই বিজয়ের গৌরব সেই স্বাধীনতার স্বাদ আমরা ঠিক কতটুকু অর্জন করতে পেরেছি বা আদৌ অর্জন করতে পেরেছি কিনা তা আমাদের ভাববার বিষয়। যদি এই গৌরব ও স্বাদ অর্জন করতে না পারি, তবে কেন পারলামনা - তা একটা প্রশ্নাধীন বিষয় বৈকি। আজ আমরা যদি ভাবি স্বাধীনতার তেতাল্লিশ বছর পরও দেখতে পাব আমরা কখনো স্বাধীন ছিলামনা। আমরা যে স্বাধীনতা চেয়েছি তা আমরা পাইনি। আমরা বিজয়ের গৌরবে গৌরান্বিত হতে পারিনি। এক ভিনদেশী শোষক গোষ্টির নির্যাতন সেল থেকে আমরা পরিবর্তিত হয়ে স্বদেশী শোষক গোষ্টির নির্যাতন সেলে স্থানান্তর হয়েছি। সেটা স্বাধীনতা নয়। সেটা বিজয় নয়। সেটা এক জেল থেকে অন্য জেলে স্থানান্তরের মত ঘটনা মাত্র। অথবা এক কারারক্ষীর মৃত্যুর পর নতুন আসা কারারক্ষীর অধীন সেলের আমরা বন্ধী ।

সেদিন আমরা যে নিয়তে দেশ স্বাধিনের যুদ্ধে নেমেছিলাম। আমাদের সে নিয়ত ঠিক ছিলনা বিধায় আমরা আমরা স্বাধীনতার স্বাদ পাওয়া থেকে বঞ্চিত। যেহেতু রাসুলের হাদীস - "প্রত্যেক কর্মই নিয়তের উপর নির্ভর্শীল।" নিয়ত ঠিক থাকলে সেই স্বাদ পাওয়া থেকে আমরা বঞ্চিত থাকতামনা। সেই নিয়তটি মুলতঃ নির্যাতকদের নির্যাতনের নতুন একটা ফর্মূলা। দেশের মানুষদের মুক্তিদান সে সময়কার নেতৃত্বের বাহিরের খোলস ছিল, সেই নেতৃত্বের আভ্যন্তরে ছিল যুদ্বে পরাজিত শোষকদের ন্যায় সেইসব নেতাদের স্বার্থসিদ্ধির একটা ইচ্ছা বা নিয়ত। ফলে, আমরা আজও রয়ে গেছি সেই একই শ্রেনীর শোষকগোষ্টির পেষন যন্ত্রের বলি হয়ে।

তাছাড়া, আমরা স্বাধারণ মানুষ সেদিন আমরা ভুল পথে পা বাড়িয়েছিলাম। আজও আমরা সেই ভুলপথ ধরেই হাঁটছি। ফলে আমরা আমাদের অভিষ্ঠ্য লক্ষ্যে পৌঁছতে পারছিনা। আর যতদিন আমরা সেই ভুল পথ ধরে হাঁটবো, ততদিন সেই অভিষ্ঠ্য লক্ষ্যে পৌঁছা আমাদের দ্বারা সম্ভব হবেনা। কারন, মানবজাতির স্রষ্টার বিধান অমান্য করে কখনো সেই মানুষ নিদ্রিষ্ট লক্ষ্যস্থলে পৌঁছতে সফলকাম হবেনা। তাই স্রষ্টা তার মানবজাতি পরিচালনার বিধানগ্রন্থে স্পষ্ট ভাষায় বলে দিয়েছেন - "এই সেই কিতাব যাতে কোন সন্দেহ নাই, এ সাবধানীদের জন্য পথ নির্দেশক। (সাবধানী ওরাই) যারা অদৃশ্যে বিশ্বাষ করে, সালাত কায়েম করে এবং তাদের যা দান করেছি তা থেকে তারা ব্যয় করে। এবং যারা তাতে বিশ্বাস করে যা তোমার প্রতি অবতীর্ণ করা হয়েছে এবং তোমার পুর্বে যা অবতীর্ণ করা হয়েছে, আর পরকালের প্রতি যারা দৃঢ় আস্থা রাখে। তারাই তাদের প্রতিপালকের নির্দেশিত পথে রয়েছে এবং তারাই পূর্ণ সফলকাম।"

অতএব, আমাদেরকে চলতে হবে বিজয় ও স্বাধীনতার মূলপথে। খুঁজে নিতে হবে আমাদের সেই মুলপথ। মানতে হবে সেই মুল পথের দিক নির্দেশককে এবং স্রষ্টার সর্বশ্রষ্টে, সর্বত্র ও সার্বজনীন রূপে গ্রহণযোগ্য সেই বিধানকে। মহান আল্লাহ পাক আমাদের সকলকে দুনিয়ায় স্বাধীন থাকার মুল বিধানের আলোকে চলতে সহায়তা করুন। আমীন।
=================

এক মুক্তিযোদ্ধার প্রশ্ন


এক মুক্তিযোদ্ধার প্রশ্ন
মুহাম্মদ জাকারিয়া শাহনগরী
----------------------

নয় মাস যুদ্ধ করে
যে স্বাধীনতার জন্য দিয়েছি প্রাণ
হারিয়েছি মা-বোনদের সম্ভ্রম ,

অর্জিত হয়েছে কি আজও সেই স্বাধীনতা ?
বিজয় পেয়েছি বলে করেছিলাম যেদিন উল্লাস -
জয় কি হয়েছে আমাদের
নাকি স্বীকার করেছি সেদিন
নতুন করে আর এক অধীনতা ?

আমি এক মুক্তিযোদ্ধা
কাঁধে বন্ধুক আর
অসীম সাহস নিয়ে
করেছি সেদিন মুক্তির জন্য যুদ্ধ ,
বুঝিনা কি করে নিয়েছিলাম মেনে
হয়েছিল সেদিন আমাদের মুক্তি
আমরা যে রয়ে গেছি আজও
সেই শোষক শ্রেনীর কাছে রূদ্ধ !
******************
লাল সবুজের এই পতাকা
আনলো যারা
বুকের তাজা রক্ত ঢালি ,
স্মরণ করি আজ তাহাদের
এই স্মরণ দিনে টগবগিয়ে উঠুক আবার
সকলেরই রক্ত নালী।
=========

বৃহস্পতিবার, ১ নভেম্বর, ২০১২

একটা প্রশ্নের উত্তর জানতে চাই ?


একটা প্রশ্নের উত্তর জানতে চাই ?

মুহাম্মদ জাকারিয়া শাহনগরী
----------------------

ইন্ডিয়ানরা দোলনার শিশু থেকে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পদে আসীন ব্যক্তি পর্যন্ত সকলের মুখ থেকে উচ্চারিত " আমরা বিদেশী কোন কাপড় পড়বোনা " এই শক্তিধর শ্লোগানের মধ্য দিয়েই ইন্ডিয়া বস্ত্রশিল্পের দিক দিয়ে আজ স্বনির্ভর। " গড়ে উঠেছিল এক সময় সে দেশের ঘরে ঘরে বস্ত্র ফেক্টরী। একসময় আমাদের দেশ থেকে যারা ঘরপালানো হয়ে সেদেশে যেতো তারা অন্য কোন কাজ না পেলেও ইন্ডিয়ার " ভিওয়ান্ডি " নামক স্থানে গেলেই জুটে যেতো তাদের কাজ বস্ত্রবুননের ফেক্টরীতে। ইন্ডিয়া এভাবেই তাদের বস্ত্রশিল্পকে করেছে বিশ্বদরবারে সমাদৃত।



আর " স্বনির্ভরতা অর্জনে আমরা বিদেশী পণ্য বর্জন করব " এই মহামূল্যবান সুত্র দিয়েই ইন্ডিয়া আজ তার প্রতিটি ক্ষেত্রে স্বনির্ভরতাসম্পন্ন এবং তা অর্জনে স্বচেষ্ঠ। আজও দেখতে পাই তাদের সেই দেশপ্রেম এই প্রবাসে বসে। ইন্ডিয়ানরা দেশে যাবার সময় প্রবাস থেকে তেমন কোন মার্কেটিং করেনা, কোন প্রকার বস্ত্র তো নয়-ই । এই হলো ইন্ডিয়ানদের দেশপ্রেম আর দেশের স্বনির্ভরতা অর্জনের জন্য তাদের প্রচেষ্ঠা।

আর আমরা দেশপ্রেমের পরিচয় দিই দেশের কলকারখানায় উৎপাদিত পণ্য বসিয়ে রেখে এবং পঁচিয়ে ফেলে বিদেশ থেকে পণ্য আমদানী করে বাজারজাত করার মাধ্যমে। এই ঈদের চ্যানেল আইয়ের কৃষকের ঈদ আনন্দ অনুষ্টানে সচিত্রে দেখানো হলো তারই একটা প্রমাণ। দেশে উৎপাদিত কোটি কোটি টাকার চিনি কারখানার গুদামে বসিয়ে রেখে বিদেশ থেকে চিনি আমদানী করে দেশের চিনি শিল্পকে কিভাবে ধ্বংস করা হচ্ছে। দেশীয় চিনিকল ধ্বংস করে দেখানো হচ্ছে দেশপ্রেমের প্রদর্শনী। হায়রে দেশপ্রেমিক !

আমাদের নেতারা বিদেশ থেকে আমদানী করা সার্ট প্যান্ট গায়ে না জড়ালে তারা নেতা রূপে পরিচিতি পান না । আর ইন্ডিয়ার মহাত্মা গান্ধীর মত নেতারা উলঙ্গ পায়ে হেঁটে এক জোড়া সেলাইবিন কাপড় গায়ে দিয়েও পরিচিতি পান বিশ্বনেতা রূপে ! কি দারুন নেতাদের দেশপ্রেমের নমুনা !

ইন্ডিয়া আমাদের চ্যানেলগুলো সে দেশে প্রদর্শনে বন্ধ রেখেছে , আর আমাদের দেশ ইন্ডিয়ার চ্যানেলগুলো অবাধে খুলে দিয়েছে , দেশপ্রেমের নমুনা স্বরূপ ! আর বেশী কিছু তুলে ধরতে মন চাইছেনা ,তাই এখানেই ক্ষান্ত দিলাম। তবে শেষ করার আগে একটা প্রশ্নের উত্তর জানতে চাই - দেশপ্রেম কি ও কেন ?


শনিবার, ২০ অক্টোবর, ২০১২

দেশের জন্য জরুরী


দেশের জন্য জরুরী
মুহাম্মদ জাকারিয়া শাহনগরী
--------------------

দেশের জন্য জরুরী আজ দশের একতা,
দেশের জন্য জরুরী আজ নতুন এক নেতা।
দেশের জন্য জরুরী আজ বিবেকের জাগরণ,
দেশের জন্য জরুরী আজ সঠিক পথের ধারন।
দেশের জন্য জরুরী আজ পুরান নেতার বয়কট,
দেশের জন্য জরুরী আজ দেশ গঠনের সংগঠক।
দেশের জন্য জরুরী আজ অসৎ লোকদের দমন,
দেশের জন্য জরুরী আজ ন্যায়বানদের আগমন।
দেশের জন্য জরুরী আজ ন্যায়বানদের আসন,
দেশের জন্য জরুরী আজ ন্যায়-নীতিরই শাসন।
দেশের জন্য জরুরী আজ সৎ সাহসী মানুষ,
দেশের জন্য জরুরী আজ সত্য-ন্যায়ের ফানুস।
দেশের জন্য জরুরী আজ নতুন অভিরুচি,
দেশের জন্য জরুরী আজ নতুন কর্মসূচী।
=================

বৃহস্পতিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১২

বর্তমান মহাজোট সরকারের সফলতার খতিয়ান




বর্তমান মহাজোট সরকারের সফলতার খতিয়ান

মুহাম্মদ জাকারিয়া শাহনগরী

-----------------------

কয়েক ঘন্টা আগে ফেইসবুকে একটা লিংক দেখেছিলাম। যাতে লেখা রয়েছে বর্তমান সরকার নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের মুল্য কমিয়ে সফলতা অর্জন করেছে । তাই এই সফলতার একটা খতিয়ান পেশ করার জন্য আমার এই আয়োজন। দেখুন দুই সরকারের একটা তুলনামুলক চিত্রে বর্তমান সরকারের সফলতার খতিয়ান।

(বর্তমান মহাজোট সরকার এবং বিগত চারদলীয় জোট সরকারের সময়কার নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যসামগ্রীর তুলনামুলক চিত্র)


************************************
• ২০০৫ সালের অক্টোবরে অর্থাৎ চারদলীয় জোট সরকারের শেষ বছরে নিত্য প্রয়োজনীয় নিম্নোক্ত ২০টি দ্রব্যসামগ্রীর মূল্য ছিল –
০১। ইরি চাল প্রতি কেজি = ২০ টাকা।
০২। পাইজাম চাল প্রতি কেজি = ২৩ টাকা।
০৩। নাজিরশাইল চাল প্রতি কেজি = ২৮ টাকা।
০৪। মসুর ডাল প্রতি কেজি = ৫৬ টাকা।
০৫। সয়াবিন তেল প্রতি লিটার = ৬০ টাকা।
০৬। আটা প্রতি কেজি = ২০ টাকা।
০৭। লবণ প্রতি কেজি = ১৮ টাকা।
০৮। চিনি প্রতি কেজি = ৪২ টাকা।
০৯। গুঁড়ো দুধ প্রতি কেজি = ৩৪০ টাকা।
১০। পেঁয়াজ প্রতি কেজি = ৩২ টাকা।
১১। ডিম প্রতি হালি = ১৮ টাকা।
১২। আদা প্রতি কেজি = ১২০ টাকা।
১৩। গরুর মাংস প্রতি কেজি = ১২০ টাকা।
১৪। খাসির মাংস প্রতি কেজি = ২১০ টাকা।
১৫। বিদ্যুৎ প্রতি ইউনিট = ৩ টাকা।
১৬। পানি হাজার লিটার = ৫ টাকা।
১৭। গ্যাস = ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা।
১৮। ডিজেল প্রতি লিটার = ৩০ টাকা।
১৯। কেরোসিন প্রতি লিটার = ৩২ টাকা।
২০। পেট্রল প্রতি লিটার = ৪২ টাকা।
তথ্যসুত্র ঃ http://sonarbangladesh.com/blog/post/50801
================================

বর্তমানের (১৭/৯/২০১২ইং তারিখে) মহাজোট জোট সরকারের শাসনামলে নিত্য প্রয়োজনীয় উপরোক্ত ২০টি দ্রব্যসামগ্রীর মূল্য হলো -
০১। চাল (মোটা) / স্বর্ণা/ চায়না/ ইরি প্রতি কেজি = ২৭ থেকে ৩২টাকা ।
০২। পাইজাম/আতপ চাল প্রতি কেজি = ৩৪ থেকে ৩৮ টাকা।
০৩। নাজির(মিনিকেট সাধারণ মানের) প্রতি কেজি = ৩৪ থেকে ৪৮ টাকা।
০৪। মশুর ডাল প্রতি কেজি = ৭৫ থেকে ১২৮ টাকা।
০৫। সয়াবিন তেল প্রতি লিটার = ১২০ থেকে ১৩৫ টাকা ।
০৬। আটা প্রতি কেজি = ৩৩ থেকে ৩৮ টাকা।
০৭। লবণ প্রতি কেজি = ১৮ থেকে ৩০ টাকা।
০৮। চিনি প্রতি কেজি = ৫২ থেকে ৫৩ টাকা।
০৯। গুঁড়ো দুধ প্রতি কেজি = ৪৫০ থেকে ৫৮০ টাকা।
১০। পেঁয়াজ প্রতি কেজি = ২২ থেকে ৩২ টাকা।
১১। ডিম প্রতি হালি = ৪০ থেকে ৪২ টাকা।
১২। আদা প্রতি কেজি = ৪০ থেকে ৬০ টাকা।
১৩। গরুর মাংস প্রতি কেজি = ২৮০ থেকে ৩০০ টাকা।
১৪। খাসির মাংস প্রতি কেজি = ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা।
• ১৫। বিদ্যুৎ প্রতি ইউনিট =
• ১৬। পানি হাজার লিটার =
• ১৭। গ্যাস =
• ১৮। ডিজেল প্রতি লিটার =
• ১৯। কেরোসিন প্রতি লিটার =
• ২০। পেট্রল প্রতি লিটার =
বিঃদ্রঃ ১৫ থেকে ২০ নম্বরের বিষয়গুলোর তথ্য তথ্যসুত্রে পাওয়া যায়নি।
তথসুত্র ঃ ই-তথকোষ -
http://www.bangladesh.gov.bd/index.php?option=com_weblinks&task=view&catid=175&id=416
==============================