আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের শুভেচ্ছা

বাংলা ভাষার জন্য আত্মত্যাগকারী

সকল মহান ভাষা শহীদগণের প্রতি,
এবং ভাষা আন্দোলনের সাথে সম্পৃক্ত

সকল ভাষা সৈনিক
ও বীর বাঙ্গালীদের জানাই অশেষ শ্রদ্ধাঞ্জলী,
সেইসাথে সকলকে জানাই

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের শুভেচ্ছা।

বিষয় সূচী

সাহিত্য (60) অন্যান্য কবিতা (53) ভালোবাসার পদবিন্যাস ( প্রেম সম্পর্কিত রচনা বিশেষ ) (53) আমার লেখা প্রবন্ধ-নিবন্ধ (37) কবিতা (35) দেশ নিয়ে ভাবনা (33) ফিচার (33) বাংলাদেশ (29) সমসাময়িক (28) খন্ড কাব্য (26) হারানো প্রেম (22) সংবাদ (18) কাল্পনিক প্রেম (16) ইতিহাস (15) প্রতিবাদ (15) সুপ্রভাত প্রবাসী বাংলাদেশ (15) Online Money Making Links (14) দেশাত্মবোধক কবিতা (13) আমার জীবনের দিনপঞ্জী (12) ধর্ম (12) প্রেমের কবিতা (11) ব্যক্তিত্ব (11) রাজনীতি (11) ধর্মীয় আন্দোলন (10) প্রবাসের কবিতা (10) খন্ড গল্প (9) জীবন গঠন (9) বর্ণমালার রুবাঈ (9) ইসলাম (8) প্রগতি (8) মানুষ ও মানবতা (8) হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ (8) VIDEOS (7) আমার লেখালেখির অন্তরালে (7) ইসলামী জাগরণ (7) মানব মন (7) ট্র্যাজেডি (6) শোক সংবাদ (6) সম্প্রীতি (6) নারী স্বাধীনতা (5) প্রেমের গল্প (5) বিজয় দিবসের ভাবনা (5) মৃত্যুপথ যাত্রী (5) সংবাদ মাধ্যম (5) স্মৃতিকথা (5) ঈদ শুভেচ্ছা (4) প্রবাস তথ্য (4) রমজান (4) শুভেচ্ছা (4) Computer Programer (3) আমার ছবিগুলো (3) আমার রাইটিং নেটওয়ার্ক লিংক (3) পর্দা (3) ফটিকছড়ি (3) বাংলাদেশের সংবিধান (3) বিশ্ব ভালবসা দিবস (3) শিক্ষা (3) শিক্ষার্থী (3) স্লাইড শো (3) News (2) VERIETIES POEMS OF VERIOUS POETS (2) আষাঢ় মাসের কবিতা (2) আষাঢ়ের কবিতা (2) ইসলামী রেনেসাঁ (2) ছাত্র-ছাত্রী (2) থার্টি ফাস্ট নাইট (2) নারী কল্যান (2) নারী প্রগতি (2) নির্বাচন (2) বর্ষার কবিতা (2) মহাসমাবেশ (2) শবেবরাত (2) শরৎকাল (2) শাহনগর (2) শ্রদ্ধাঞ্জলী (2) সত্য ঘটনা (2) সত্য-মিথ্যার দ্বন্ধ (2) সফলতার পথে বাংলাদেশ (2) Bannersআমার ছবিগুলো (1) DXN (1) For Life Time Income (1) For Make Money (1) Knowledge (1) Student (1) অদ্ভুত সব স্বপ্নের মাঝে আমার নিদ্রাবাস (1) আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস (1) আহলে সুন্নাহ ওয়াল জামা'আত(সুন্নী) (1) উপন্যাস (1) কবি কাজী নজরুল ইসলাম (1) কোরআন - হাদিসের কাহিনী (1) গল্প (1) চট্টগ্রাম (1) চিকিৎসা ও চিকিৎসক (1) জমজম (1) জাকাত (1) তরুন ও তারুণ্য (1) নারী জাগরণ (1) পরকিয়ার বিষফল (1) ফটিকছড়ি পৌরসভা (1) বন্ধুদিবস (1) বাংলাদেশের প্রখ্যাত আলেম (1) বিবেক ও বিবেকবান (1) বিশ্ব বাবা দিবস (1) বিশ্ব মা দিবস (1) ভ্রমণ (1) মন্তব্য (1) মাহফুজ খানের লেখালেখি (1) রবি এ্যাড (1) রমজানুল মোবারক (1) রেজাল্ট (1) রোগ-পথ্য (1) লংমার্চ (1) শহীদ দিবস (1) শুভ বাংলা নববর্ষ (1) শৈশবের দিনগুলো (1) সমবায় (1) সস্তার তিন অবস্থা (1) সাভার ট্র্যাজেডি (1) সিটি নির্বাচন (1) স্বপ্ন পথের পথিক (1) স্বাধীনতা (1) হ্যালো প্রধানমন্ত্রী (1) ২১ ফেব্রোয়ারী (1)

APNAKE SHAGOTOM

ZAKARIA SHAHNAGARIS WRITING

সকলকে বাংলা নতুন বছরের শুভেচ্ছা

বর্তমান বিশ্বায়নের যুগে আমরা আর বাংলা ভাষায় কথা বলতে চাইনা । নিজের মাতৃভাষাকে যখন-তখন যেখানে সেখানে অবমাননা করে তৎপরিবর্তে ইংরেজী ভাষা ব্যবহার করতে অভ্যাস্থ হয়ে যাচ্ছি বা হয়ে গেছি ।
আরও একটু এগিয়ে গেলে বলতে হয় - আমরা আজ বাঙ্গালী হয়ে বাঙ্গালী জাতিসত্বা ভুলে গিয়ে ইংরেজী জাতিসত্বায় রক্তের ন্যায় মিশে গেছি !

অথচ একদিন আমরা বাঙ্গালী জাতি একতাবদ্ধ হয়ে রাষ্ট্রীয় ভাষা উর্দুকে ত্যাগ করে নিজেদের মাতৃভাষা বাংলাকে রাষ্ট্রীয় ভাষা তথা বাংলা ভাষাকে সর্বত্র প্রচলন করতে প্রাণ দিতে বাধ্য হয়েছিলাম ! ফলে বিজাতীয় ভাষা উর্দূকে অপসারন করে নিজেদের মাতৃভাষায় কথা বলার স্বাধীনতা অর্জন করে বাংলা ভাষাকে ধারন করেছিলাম । যখন আমরা বাংলার সর্বত্র বাংলা ভাষায় কথা বলা শুরু করেছিলাম ,তখন কিন্তু বিশ্বায়নের যুগটা অনুপস্থিত ছিল তা নয় , বিশ্বায়নের যুগটা তখনও ছিল বিধায় আমরা ইংরেজী শিক্ষায় তখনও বাধ্য ছিলাম । অর্থাৎ যে জন্যে আজ আমরা ইংরেজী শিখছি সেইজন্যে তখনও ইংরেজী শিক্ষার প্রচলন ছিল । ছিল ইংরেজী শিক্ষার প্রয়োজনীয়তাও । তাই বলে সে সময় বর্তমান সময়ের মত মাতৃভাষা বাংলাকে অবমাননা করা হয়নি । মানুষ সে সময় বাংলায়ই কথা বলেছিল । শুধুমাত্র প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রেই সে সময় ইংরেজী ব্যাবহার করেছিল বাঙ্গালী জাতি

conduit-banners

Powered by Conduit

ফ্লাগ কাউন্টার

free counters

MZS.ONLINE MONEY MAKING WAY

PLEASE CLICK ON MY BANNERS. VISIT MY AFFILIATE SITE "MZS.ONLINE MONEY MAKING WAY ( অনলাইনে অর্থোপার্জনের একটা মাধ্যম )" I HOPE IT WILL BE HELPFUL FOR YOU. Create your own banner at mybannermaker.com!
ইসলাম লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
ইসলাম লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বুধবার, ২৯ মে, ২০১৩

শান্তি-সুখের সংবিধান : মহাগ্রন্থ আল কোরআন (আল কোরআন বাংলাদেশের ভবিষ্যত সংবিধান)

শান্তি-সুখের সংবিধান
মহাগ্রন্থ আল কোরআন
(আল কোরআন বাংলাদেশের ভবিষ্যত সংবিধান)
- মুহাম্মদ জাকারিয়া শাহনগরী
---------------------

মসজিদেরই মিনার হতে
আজান আসে ঐ,
মুসলীম আছে সবখানেতে
মুসল্লীরা কই ??

মসজিদ আছে খালি পড়ে
মুসল্লীরা নাই !
মুসল্লীরা কোথায় গেল ?
খুঁজিয়া না পাই !!
নামে মুসলীম সবাই আছে
কর্মে মুসলীম নাই,
ইসলামেরই রূপ কোথায়
তারে খুঁজে কোথা পাই ?

মুসলীম বলে পরিচয় দিই
ইসলামের কোন রূপটি লই ?
মুসলীম আছে বিশ্বজুড়ে
ইসলাম গেল কই ??

কোরআন আছে সবার ঘরে
কোরআন পড়িনা,
ইসলামেরই আইন আছে
সে আইন ধরিনা !
মানুষ গড়া সংবিধানে
চলছে সকল দেশ,
সে আইনে দেশ চালিয়ে
হচ্ছে ক্ষতি করছে দেশকে শেষ।
কোরআন মেনে দেখ তোমরা
মানো স্রষ্টারই বিধান,
দেশের কল্যান তাতেই আছে
সে যে স্রষ্টা দেয়া দান !
কোরআন হলো শান্তি-সুখের
আসল সংবিধান,
মানবগোষ্ঠীর কল্যানে তা
স্রষ্টা সেরা দান।।

ইসলামেরই বিধান মানো
দেখ শান্তি-সুখের সংবিধান যে ঐ,
সুখের রাজ্যে করো রে বাস
স্রষ্টার বিধান লই।।
==============

ইসলামী আইন ও নীতি অনুস্মরণ কর।
আল কোরআন ও আল হাদীসকে সংবিধান রূপে গ্রহণ কর।
তবেই তুমি সবকিছুতে পেতে পার শান্তি এবং সুখ।
***************************

FOLLOW ISLAMIC LAW , RULES AND MORALS. 

ACCEPT AL QURAN AND AL HADITH AS A CONSTITUTION.

SO, YOU CAN GET PEACE AND HAPPINESS AT ALL THINGS. 


PLEASE ACCEPT THE ISLAMIC LAW, RULES AND MORALS. 

AL QURAN IS THE LAST AND FINAL REVELATION OF ALLAH. 

AL QURAN IS THE SOLUTION OF THE PROBLEM OF MANKIND. 

AL QURAN IS FUTURE CONSTITUTION OF BANGLADESH 
=======================================

শনিবার, ৪ মে, ২০১৩

নব সেনার গান - মুহাম্মদ জাকারিয়া শাহনগরী

নব সেনার গান
মুহাম্মদ জাকারিয়া শাহনগরী
----------------------
(৫ই মে'র ঢাকা অবরোধে অংশগ্রহণকারী
হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কর্মী ও
সমর্থকদের শক্তি হিসেবে পুনঃপ্রকাশ)
********************

চল্ চল্ চল্ তাড়া করে চল্
আমাদের নব সেনাদল,
আহলে সুন্নাতের মশাল নিয়ে
'আল্লাহু আকবার' বজ্র কন্ঠে বল।
নবীজীর আদর্শের বিশাল এ কাফেলা,
সারি হয়ে জপ শুধু 'সাল্লি আ'লা' -
ঝড়-বাধা মানবনা হারদম-দুর্দম চল্।।
আল কোরআন ও সুন্নাহ্ -
জেনো,তার নীতি সঠিক,
ধ্বংস হতে দেবোনা, রাখবো জিন্দা,
মোরা বীর মুজাহিদ।
আমাদের আশা আর মুসলীমের স্বপ্ন
হবে গো সফল।।
সত্যের ঝান্ডাধারী মোদের এ কাফেলা,
আমাদের জান-ঈমান সেতো
রাসূল(সঃ) আর আল্লাহ তাআলা।
দ্বীপ্ত বুকে দৃঢ় হয়ে লড়বো
নিয়ে ঈমানী বল।
নাহিক বুলেট নাহিক খঞ্জর এ দলের সাথে,
শূণ্য হাতে লড়বো শুধু রাসূল(সঃ) এর পথে।
বাতিলের মোকাবেলায় লড়েছি, লড়ছি
থাকবো অবিচল।।
----------------------------
(এ লেখাটি সম্ভবত পটিয়া মাদ্রাসা থেকে প্রকাশিত
মাসিক আততাওহীদের ,মার্চ-১৯৯২ইং সংখ্যায় প্রকাশিত হয়েছিল )

শনিবার, ২০ এপ্রিল, ২০১৩

আস্তিক ও নাস্তিক

আস্তিক ও নাস্তিক
মুহাম্মদ জাকারিয়া শাহনগরী
----------------------

আস্তিক আর নাস্তিক
এই দু’য়ে এতটা ফারাক –
যতটা ফারাক আসমান আর জমিনেতে।
আসমান – সেতো শূণ্যতার ধারক,
আর জমিন – সে ধারক সবকিছুরই।
আসমান যত বিশালই হোক
ছুঁতে পারেনা সে কিছুই,
আর জমিন – সেও তো কত বিশাল
অথচ ছুঁয়ে যায় সবকিছুই।
আস্তিক যে – তার রয়েছে অমুল্য সম্পদ বিশ্বাস
যে বিশ্বাসে অর্জন করে সে সকল কিছুই,
নাস্তিক যে – সবকিছুতেই তার অবিশ্বাস
তার অবিশ্বাসের ফলে হারায় সে সবকিছুই।
আস্তিক তার বিশ্বাসের শক্তি দিয়ে
সবার সাথে জড়িয়ে থাকে,
নাস্তিক তার অবিশ্বাসের ভারে
পীচলে পড়ে নির্জন অন্ধকার গহ্বরে।
আস্তিকের বিশ্বাস শক্তি এতই প্রবল যে
সর্বত্র সে গ্রহণযোগ্য,
নাস্তিকের অবিশ্বাস এতই ঠুনকো যে
সর্বত্রই সে অগ্রহণযোগ্য।
যে আস্তিক তার একটা বড় আশা
পৃথিবী ধ্বংসের পরও রয়েছে তার একটা ঠিকানা,
যে নাস্তিক তার এমন কোন আশা নেইযে
পৃথিবী ধ্বংসের পর সে কোথায় গিয়ে পৌঁছবে ?
আস্তিক – ঠিকানাধারী একজন পথিক,
নাস্তিক - ঠিকানাবিহীন একজন দেউলিয়া।
আস্তিক সন্দেহমুক্ত মনের একজন শান্তির মানুষ,
নাস্তিক সন্দেহযুক্ত মনের একজন অশান্ত কয়েদী।
আস্তিক শান্তির শীতল ঝর্ণাধারায় করে সদা অবগাহন,
নাস্তিক অশান্তির দাবানলে জ্বলতে থাকে সর্বক্ষণ।
আস্তিকের বিশ্বাস – প্রমাণ করে
সে স্রষ্টার সৃষ্টির সেরা মানুষ,
নাস্তিকের অবিশ্বাস – মনে করে
সে মানুষ নয়,
স্রষ্টার আঠার হাজার সৃষ্টির বাইরের অন্যকিছু !
আস্তিক যারা –
তারা তাদের বিশ্বাস দিয়ে প্রমাণ করে
তারা মানবজাতী নামে অস্থিত্বশীল একটা জাতি,
নাস্তিক যারা –
তারা তাদের অবিশ্বাস দিয়ে প্রমাণ করে
তারা নামবিহীন অস্থিত্বহারা একটা ভীন্ন কিছু।
আস্তিকের জীবন আস্থা ও বিশ্বাসে নির্ভর,
নাস্তিকের জীবন নির্ভর অনাস্থা ও অবিশ্বাসে।
যেখানে আস্থা ও বিশ্বাসের বসতি
সেখানেই আস্তিকের সুখসাম্রাজ্য,
যেখানে অনাস্থা ও অবিশ্বাসের বসতি
সেখানেই নাস্তিকের অশান্ত কানন।
আস্তিকের রয়েছে স্রষ্টাতে বিশ্বাস
তাই তারা জন্মেও বিশ্বাসী,
নাস্তিকের রয়েছে স্রষ্টাতে অবিশ্বাস
তাই তারা জন্মেও অবিশ্বাসী।
আস্তিক ধর্মকে বিশ্বাস করে
তাই তারা তাদের ধর্ম মানার কথা বলে,
নাস্তিক ধর্মকে করে অবিশ্বাস
তাই তারা ধর্ম অবমাননার ঔদ্যত্ব দেখায়।
যারা ধর্ম মানে স্রষ্টা মানে
তারাই আস্তিক তারা মানুষ,
যারা ধর্ম মানেনা স্রষ্টা মানেনা
তারাই নাস্তিক তারা অমানুষ।
যারা ধর্মের ভিতরে থেকে
নাস্তিকদের মেনে নেয় -
তারা না নাস্তিক না ধার্মীক ?
যারা নাস্তিক হয়ে
অন্যের ধর্ম ও বিশ্বাসের উপর আঘাত হানে –
তারা শুধু নাস্তিকই নয় স্রষ্টাদ্রোহী আর ধর্মদ্রোহী।
নাস্তিকদের সাথে ধার্মীকদের
নেই কোন দ্বন্ধ আর যুদ্ধ,
স্রষ্টাদ্রোহী আর ধর্মদ্রোহীর বিরুদ্ধেই
ধার্মীকদের দ্বন্ধ আর ধর্মরক্ষারযুদ্ধ।
===============

রবিবার, ৭ এপ্রিল, ২০১৩

হেফাজতে ইসলাম প্রমাণ করেছে বাংলাদেশের মুসলমান ইসলামী অনুশাসন সমৃদ্ধ দেশ পরিচালনার সংবিধান চায়

হেফাজতে ইসলাম প্রমাণ করেছে
বাংলাদেশের মুসলমান ইসলামী অনুশাসন সমৃদ্ধ
দেশ পরিচালনার সংবিধান চায়।
-----------------------

হেফাজতে ইসলাম প্রমাণ করেছে , কোন বাধাই তাদের কাছে কোন বাধা নয়। তারা প্রমাণ করেছে , হেফাজতে ইসলামের ঈমানী শক্তির কাছে নাস্তিক্যবাদী (আওয়ামী লীগ সরকারের) তাগুতি শক্তি কতটা অসহায়। তারা প্রমাণ করেছে ঈমানী শক্তি দিয়ে তারা যা চায় , তাই করতে পারে। তারা প্রমাণ করেছে , চাইলে তারা দেশের ঈমান্দার মুসলীমদের বৃহৎ ইসলামী ও ঈমানী শক্তি নিয়ে যে কোন সময় দেশে ইসলামী খেলাফতের সরকার গঠন করতে পারে। তারা প্রমাণ করেছে এখনও দেশের মুসলীমগণ নাস্তিকতার দিকে ধাবিত হয়নি, তারা এখনো ইসলাম প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে নিজেদের প্রাণ বিসর্জন দিতে কুন্ঠিতবোধ করবেনা। তারা প্রমাণ করেছে , দেশের মুসলমানগণ এখনও তাদের মুসলমানিত্বকে বিকৃত হতে দেয় নাই। তারা প্রমাণ করেছে ,এখনো বালাদেশের মুসলমান ধর্মের আনুগত্যে অনড়। তারা প্রমাণ করেছে কোন নাস্তিকের জন্য বাংলাদেশের মুসলমান নিজ ধর্মকে হাসি-ঠাট্টার বিষয়ে রূপান্তর করতে পারেনা। তারা প্রমাণ করেছে বাংলাদেশের মুসলমান ইসলামী অনুশাসন সমৃদ্ধ দেশ পরিচালনার সংবিধান চায়।

বৃহস্পতিবার, ৪ এপ্রিল, ২০১৩

লংমার্চ - জিহাদের ডাক

লংমার্চ - জিহাদের ডাক
মুহাম্মদ জাকারিয়া শাহনগরী
----------------------

জিহাদেরই ডাক এসেছে
জাগরে মুসলমান ,
নও জামানার নতুন নকিব
করছে আহবান।।
পুরুষ মুসলীম বাইরে এসো
লংমার্চে যোগ দাও,
নারী মসলীম ঘরে বসে
আল্লাহর কাছে দু’হাত তুলে দাও।
নারায়ে তাকবীর আল্লাহু আকবার
সমস্বরে এই ধ্বনিতে লংমার্চে যোগ দাও,
নাস্তিকেরা নিপাত যাবে
আল্লাহরই নাম লও।
ইসলামেরই দুষমনেরা
যতই বাধা দিক,
আল্লাহরই দল জয়ী হবে
দুষমনেরা পথ হারিয়ে ছুঠবে দিক-বিদিক।
অপশাসন চালায় যারা
দেশ আসনে বসে,
আর বেশীদিন নাইরে তারা
পড়বে তাদের সেই আসনটি ধসে।
আল্লাহদ্রোহী – ধর্মদ্রোহী
নাস্তিক এই সরকার,
আল্লাহরই এই রাজ্যে তাদের
নেই কোন দরকার।
তাসবিহ জপ আল্লাহ আল্লাহ
লংমার্চের দলে,
ধর্মদ্রোহীর বিচার করো
আল্লাহরই আইন বলে।
আল্লাহরই দল ভয় করেনা
তাগুতেরই কাছে,
আল্লাহ নামের শক্ত সে যে
তাদের কাছেই আছে।
আল্লাহদ্রোহী যতই করুক
তালবাহানা আজ,
আল্লাহরই সব সৈনিকেরা
করবে আল্লাহর কাজ।
আল্লাহদ্রোহী – ধর্মদ্রোহী
ধ্বংস হবে একদিন,
আল্লাহরই এই রাজ্যে তারা
হবেই হবে নাম-নিশানাহীন।
ইসলামরই ঝান্ডা ধরে
হওরে আগোয়ান,
বাতিলেরই মোকাবেলায়
দিতে যদি হয় দাওরে জীবন বলিদান।
তিনশ’ তের শহীদী দল
হলো আগোয়ান,
তাদের সাথেই এসো সবে
করো লংমার্চে যোগদান।
নাস্তিক সব এক হয়েছে
ধর্ম নির্মূলে,
এসো মুসলীম ঈমান নিয়ে
নাস্তিক নির্মূলে।
নব্য এজিদগং দেশ শাসনে
চায় যে তারা ইসলামেরই ধ্বংস,
এসো মুসলীম খতম করি
সেই এজিদগং বংশ।
লও মুখে আল্লাহরই নাম
শুনবে সবে ইসলামী জয়গান,
জিহাদেরই ডাক এসেছে
জাগরে মুসলমান।।
আল্লাহু আল্লাহু
জপছে দেখো সবে ,
নাস্তিক্যবাদ ধ্বংস হবে
ইসলাম শুধুই রবে।
ভয় পেওনা, হে মুসলীম !
বাতিল শক্তি দেখে,
যোগ দাও আজ লংমার্চে
ঈমানী শক্তি তোমার অঙ্গে মেখে।
জিকির মুখে তাসবিহ হাতে
হওরে আগোয়ান,
নও জামানার নতুন নকিব
করছে আহবান।
=======

শনিবার, ২ মার্চ, ২০১৩

হে মুসলমান ! জেগে উঠো

হে মুসলমান ! জেগে উঠো
মুহাম্মদ জাকারিয়া শাহনগরী
----------------------


হে মুসলমান ! জেগে উঠো !!
ধর্ম রক্ষায় তীব্র বেগে ধর্মযুদ্ধে সকল ছুটো।।
ডাক দিয়েছে নাস্তিকরা করবে নির্মূল ইসলামেরই দল,
নব্য ফেরাউনের যোগসাজসে এসেছে তাদের বুকের মাঝে বল।
ধর্মযুদ্ধে নেমেছে আজ ঐ নাস্তিকেরই দল,
ইসলামেরই ধ্বংস তরে করছে তারা দেশপ্রেমেরই ছল।
দেশপ্রেমেরই ছলেই তারা করছে হরণ সরল জাতির মন,
ইসলামেরই ধ্বংস তরে চলছে তাদের সকল আয়োজন।
ঘুমিওনা হে মুসলীম ! জেগে তোমরা উঠো ,
নাস্তিকদের দমন তরে তীব্র বেগে সকল ছুটো।
জেগে উঠো ! জেগে উঠো !! জেগে উঠো !!!
হে মুসলমান ! নিদ্রা ভেঙ্গে জেগে উঠো।।

ইসলামেরই শক্তি দিয়ে ঐক্য গড়ে তোল ,
ইসলামেরই মন্ত্র দিয়ে ঐশী শক্তি খোল।
ধর্ম রক্ষায় নেমে পড় ধর্মযুদ্ধে আজ ,
মুসলীমেরই ধর্মে আছে মানবতার সাজ।
মানবতা রক্ষা করো ইসলামী আইনে,
সভ্য সমাজ গড়ে তুলতে বলো- নাস্তিকদের চাইনে।
নাস্তিকদের ধ্বংসে মুসলীম ঐক্যমঞ্চে উঠো ,
ভাগে ভাগে থেকোনা আর 
মুসলীমেরই শক্তিকে আর করোনা খাটো।
জেগে উঠো ! জেগে উঠো !! জেগে উঠো !!!
হে মুসলমান ! নিদ্রা ভেঙ্গে জেগে উঠো।।
==================

সোমবার, ২২ অক্টোবর, ২০১২

বাংলাদেশের মুসলীম পরিচিতি


বাংলাদেশের মুসলীম পরিচিতি
মুহাম্মদ জাকারিয়া শাহনগরী
----------------------

আল্লাহর সান্নিধ্য পাবার পথ একটাই আর তা হল - ইসলাম। ইসলামী নীতিমালার আলোকে মানব জীবন পরিচালনার মধ্য দিয়ে যেতে হয় আল্লাহর সান্নিধ্যে। ইসলাম ব্যতিত অন্য কোন রাস্তা নেই আল্লার সান্নিধ্যে যাবার। আর এই ইসলাম পথের অনুস্মরণকারীরাই মুসলীম নামে পরিচত। ইসলামী পথ ধরে চলমান মুসলীমদের একটাই আদর্শ - রাসূল(সঃ) এর আদর্শ, একটাই নীতি - আলকোরানের নীতি। তাই আল্লাহর সান্নিধ্যে যাবার একমাত্র উপায় আলকোরানের নীতি ও রাসূল(সঃ) এর আদর্শ। আলকোরানের নীতি ও রাসূল(সঃ) এর আদর্শ মেনে নিয়েই যেতে হবে আল্লাহর সান্নিধ্যে।


কিন্তু মুসলীমদের জীবনযাত্রাপথ পর্যবেক্ষণ করলে মনে হয় তারা সেই পথে যাচ্ছেনা। তারা যাচ্ছে তাদের মনগড়া পথে। আল্লাহর সান্নিধ্যে যাবার নির্ধারিত সরল সোজা পথকে খন্ডিত করে তারা তাদের মনগড়া বিভিন্ন নামে বিভিন্ন পথ সৃষ্টি করে সে সকল পথে পরিচালিত হয়েছে। বিচ্যুৎ হয়েছে মুলপথ থেকে। ফলে রেললাইনের সোজা পথ থেকে বিচ্যুত হয়ে দূর্ঘটনায় পতিত হবার মত মুসলীমদের ও আজ লাইনচ্যুত হয়ে আল্লাহর সান্নিধ্যে যাবার অভিপ্রায় হয়েছে অনিশ্চিত। তারা তাদের মনগড়া সৃষ্ট পথ দিয়ে কখনো আল্লাহর সান্নিধ্যে পৌঁছতে পারবেনা। তাদের সেইসব যাত্রাপথের মধ্যখানেই তারা পতিত হবে দূর্ঘটনায়।

বাংলাদেশের মুসলীমরাও তেমনি সত্যের সহজ সরল পথটিকে অনুস্মরণ না করে সৃষ্টি করে নিয়েছে তাদের নিজ নিজ পথ। যাতে তাদের লক্ষ্য আল্লাহর সান্নিধ্যে যাবার থাকলেও তারা সেখানে না গিয়ে মুল পথ পরিহার করার কারনে চলে যাবে ভিন্নপথে, এ যেন চট্টগ্রাম যাবার জন্য যাত্রাকারী কমলাপুর স্টেশন থেকে চট্টগ্রাম যাবার পথ পরিহার করে ভিন্ন পথ ধরে চট্টগ্রাম যাত্রার ইচ্ছা করা। তেমনই মুসলমানরা আল্লাহর সান্নিধ্যে যাবার মুলপথ পরিহার করে বিভিন্ন পথে যাত্রা করেছে । এখন বিবেচ্য বিষয় এই সকল মনগড়া পথ দিয়ে তারা আল্লাহর সান্নিধ্যে যেতে পারবে কিনা । আল্লাহর সান্নিধ্যে যাবার মুল পথ পরিহার করে বাংলাদেশের মুসলীমরা যে সব রাস্তায় পরিচালিত হয়েছে, সেসব রাস্তার নামানুষারেই তারা বিভিন্ন নামের মুসলীম হিসাবে পরিচিতি পেয়েছে। তাই বুঝতে পারা যায়না , কারা সত্যিকার যারা আল্লাহর সান্নিধ্যে যেতে পারবে ?

নীচে বাংলাদেশের এইসব মনগড়া ইসলামের পথ অনুস্মরণকারী মুসলীমদের কিছু পরিচিতি দেয়া হল। এর বাইরেও থাকতে পারে আরও অগণিত মনগড়া ইসলামী পথের মুসলীম , যা আমার জ্ঞানের বাইরে।

বাংলাদেশের মুসলীম পরিচিতি :
সুন্নী মুসলীম , ওহাবী মুসলীম , মিলাদুন্নবী মুসলীম , সীরাতুন্নবী মুসলীম , দোয়াল্লীন মুসলীম , জোয়াল্লীন মুসলীম ,সেনা মুসলীম , শিবির মুসলীম , জামাতী মুসলীম , দরবারী মুসলীম, নিরপেক্ষ মুসলীম, কট্টর মুসলীম, কাঠমোল্লা মুসলীম , মৌলবাদী মুসলীম , শিয়া মুসলীম , আহলে হাদীস মুসলীম , সালাফী মুসলীম , দেওয়ানবাগী মুসলীম , কওমী মুসলীম , আলীয়া মুসলীম , আহলুসসুন্নাহ মুসলীম , আহলে বায়েত মুসলীম , মাইজভান্ডারী মুসলীম , সাঈদাবাদী মুসলীম , চরমোনাই মুসলীম , শর্ষীনাই মুসলীম , আটরশী মুসলীম , বাঈয়ীনাত মুসলীম , দেওবন্দী মুসলীম , সুফী মুসলীম , মাজার পূঁজারী মুসলীম , দিশেহারা মুসলীম , উগ্রপন্থী মুসলীম , জঙ্গী মুসলীম , উদারপন্থী মুসলীম , সাধারণ মুসলীম , সুবিধাবাদী মুসলীম , নও মুসলীম , ধর্মত্যাগী মুসলীম , বন্ধু মুসলীম , চিশ্তিয়া মুসলীম , কাদেরীয়া মুসলীম , নক্শবন্দীয়া মুসলীম , আহমদিয়া মুসলীম , সুদখোর মুসলীম , ঘুষখোর মুসলীম , ধর্ষক মুসলীম , দর্শক মুসলীম , বক্তা মুসলীম , স্রোতা মুসলীম , ফতোয়াবাজ মুসলীম , দূর্নীতিবাজ মুসলীম , পাকিস্তানী তৈয়বী মুসলীম , সৌদী আবদুল ওয়াহাব নজদী মুসলীম , মডার্ণ মুসলীম , গোঁড়া মুসলীম , ঘুমন্ত মুসলীম , জাগ্রত মুসলীম , অত্যাচারী মুসলীম , স্বৈরাচারী মুসলীম , যুক্তিবাদী মুসলীম , অন্ধ মুসলীম , গোস্ত খাইয়্যা মুসলীম , খাটি মুসলীম , ভন্ড মুসলীম , ধূর্ত মুসলীম , ধনী মুসলীম , দরিদ্র মুসলীম , শিক্ষিত মুসলীম , অশিক্ষিত মুসলীম , কুশিক্ষিত মুসলীম , সুশিক্ষিত মুসলীম , দূর্বল মুসলীম , সবল মুসলীম , নামাজী মুসলীম , বেনামাজী মুসলীম , নামধারী মুসলীম , ছলনাকারী মুসলীম , হানাফী মুসলীম , হাম্বলী মুসলীম , শাফেয়ী মুসলীম , মালেকী মুসলীম !

সর্বশেষে প্রশ্ন করতে হয় - এসব মুসলীমদের মধ্যে ইসলামের প্রকৃত নীতি ও আদর্শধারী আল্লাহর সান্নিধ্যে যাবার প্রকৃত মুসলীম কারা ?
===================

বুধবার, ৪ জুলাই, ২০১২

শবেবরাত এবং কিছু প্রশ্ন ও প্রত্যাশা


শবেবরাত এবং কিছু প্রশ্ন ও প্রত্যাশা
মুহাম্মদ জাকারিয়া শাহনগরী
---------------------
আজ ছিল চন্দ্রমাসের ১৪ই শাবান । চন্দ্রতারিখ অনুযায়ী ১৪ই শাবান দিবাগত রাত শবে বরাত আমাদের দেশে এই শবেবরাতকে এক পূণ্যরজনী হিসাবে আখ্যায়িত করা হয় । পৃথিবীর অন্যান্য দেশেও এ রাতটা মুসলমানরা মহাপূণ্যময় রজনী হিসাবে বরণ করে ইবাদত বন্দেগীতে লিপ্ত হয় । মুসলমানরা এ রজনীটিকে আগামী এক বৎসরের ভাগ্য নির্ধারণী রাত হিসাবে মেনে নিয়ে তাদের প্রতিপালকের কাছে উত্তম ভাগ্য নির্ধারণ ও তাঁর সন্তুষ্টি অরজনের জন্য রাতভর প্রার্থনায় রত থাকেন ।
কিন্তু আমরা এমন একটা দেশে অবস্থান করছি , না আমি কোন অমুসলীম দেশের কথা বলছিনা । আমি বলছি ইসলামের মুলকেন্দ্রস্থল মদিনা মুনাওয়ারার মসজিদে নববীর কথা । এখানে ইসলামের বড় দু'টি দিন ছাড়া অন্য কোন দিন বিশেষ ভাবে পালন করা হয় না । এখানে শবেবরাত , শবেক্বদরের রাত বলে কোন বিশেষ দিন নেই । এখানে না মহররম , না আছে মি'রাজ আর না আছে ঈদে মিলাদুন্নবী । এখানে আছে শুধু মুসলমানদের দু'টি বড়দিন ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা। আমি বুঝিনা আমাদের দেশগুলোতে এ দু'টি দিন ছাড়া হাজার হাজার পালনীয় দিন কিভাবে নির্ধারণ করে নিয়েছে । কয়েকদিন আগে আমি একটা নোট পোষ্ট করেছিলাম , যা ছিল ঈদে মিলাদুননবী নিয়ে । এঈ ঈদে মিলাদুন্নবীর উৎপত্তি সম্পর্কে জানতে গিয়ে শত শত ইন্টারনেট সাইট ঘেঁটে যা পেলাম তাতে চক্ষু ছানাবড়া । ঈদে মিলাদুন্নবী নামে আমরা যে অনুষ্টানটা পালন করি সেটার উৎপত্তির মূলে ছিল ইসলামের একটি বিতর্কিত দল এবং খ্রীষ্টানদের দেখানো একটা পথের অনুস্মরণ । যা রাসুল (সাঃ), রাসূল (সাঃ) এর প্রকৃত ও পরীক্ষিত ভালোবাসার বন্ধু এবং একনিষ্ট সহচর সাহাবাগণ , তৎপরবর্তী তাবেয়ী , তাবে তাবেয়ীগণ কর্তৃক অনুমুদিত নয়।

আজ শবেবরাত পালন করতে গিয়ে আমাদের দেশের কথা মনে করে মনে হলো শবেবরাতের আয়োজন ও ঈদে মিলাদুন্নবীর মত নয় তো ? যদি না হয় , এখানে শবেবরাত পালন হয় না কেন ? আমাদের দেশের মুসলীম আর এদেশের মুসলীমদের মধ্যে এতটা ব্যবধান কেন ? তবে কি আমাদের দেশের আলেমরা আমাদেরকে ইসলাম সম্পর্কে ভুল তথ্য দিয়ে যাচ্ছেন , নাকি এদেশের আলেমরা ইসলাম সম্পর্কে ভুল তথ্য দিয়ে যাচ্ছেন ? কোন আলেমদের তথ্যকে আমরা সঠিক ভাববো - এদেশের নকি আমাদের দেশের আলেমদের ? আমরা সাধারণ মুসলমানরা আল্লাহর পথে যতে হলে কোনদিকে ধাবমান হব ? কেন মুসলমানদের মধ্যে এত বিভক্তি? সাধারণ মুসলমানরা কিভাবে বুঝবে কোনটা আল্লাহর পথ ? এভাবে দুইদিকের আল্লাহর পথে চলতে গিয়ে যদি সাধারণ মুসলমানরা আল্লাহভক্তির পরিবর্তে আল্লাহকে বিভক্ত করে ফেলে , তবে সে দায়দায়িত্ব কে নিবে ? আমাদের দেশের আলেমরা নাকি এদেশের আলেমরা ? এভাবেই অনেক প্রশ্ন এসে ভীড় করে মনের কোণে । কেন আলেমদের মাঝে এত বিভক্তি ?
যা হোক এ লেখা লিখে কোন ফায়দা নেই । কারণ আলেমরা আলেমদের মতই থাকবে । এ বিভক্ত নিরসনে তারা কোন পদক্ষেপ নিবেনা । কারণ তারা জানে পদক্ষেপ নিতে গেলেই তাদের পেঠপূঁজা বন্ধ হয়ে যাবে । এক এক আলেম এক এক স্থান দখল করে তাদের পেঠ পূঁজা করে যাচ্ছে । সাধারণ মানুষদের আল্লাহর পথ দেখানোর নামে তাদের বোকা বানিয়ে করে যাচ্ছে তারা নিজ নিজ পেঠপূঁজা। প্রকৃত পক্ষে তারা নিজেরাও জানেনা আল্লাহকে পাওয়ার পথ কোনটি , আল্লাহর নিকটবর্তী হবার পথ কোনটা ? নয়তো কেন আল্লাহকে পাওয়ার একটি মাত্র রাস্তার মধ্যে এত বিভক্তি ?
সে যাক, আর বিশেষ কিছু বলতে চাইনা । মসজিদে নববীতে মাগরীব ও এশার নামাজ শেষ করে এলাম কিছুক্ষণ আগে । যখন দেখলাম আমাদের দেশের মতো এখানে কেহই শবেবরাত পালন করেনা , তখন কিছুটা মনের অনুভুতি শেয়ার করনে এই লেখা । জানি আলেমরা এ লেখা পড়বেনা , পৌঁছবেনা তাদের কাছে আমার মনের কথা । তবুও কামনা করি প্রত্যেক আলেম একই পথের পথিক হোক , এক রাসুল (সাঃ) আর এক আল্লাহ , এক কোরআন আর এক হাদীস এই দু'টি অবলম্বন করেই বিশ্বের সকল আলেম একই রাস্তায় উপণিত হয়ে সাধারণ মুসলীমদের এক আল্লাহর পথে ধাবিত করুক - এটাই হলো শেষ প্রত্যাশা।
==================