আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের শুভেচ্ছা

বাংলা ভাষার জন্য আত্মত্যাগকারী

সকল মহান ভাষা শহীদগণের প্রতি,
এবং ভাষা আন্দোলনের সাথে সম্পৃক্ত

সকল ভাষা সৈনিক
ও বীর বাঙ্গালীদের জানাই অশেষ শ্রদ্ধাঞ্জলী,
সেইসাথে সকলকে জানাই

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের শুভেচ্ছা।

বিষয় সূচী

সাহিত্য (60) অন্যান্য কবিতা (53) ভালোবাসার পদবিন্যাস ( প্রেম সম্পর্কিত রচনা বিশেষ ) (53) আমার লেখা প্রবন্ধ-নিবন্ধ (37) কবিতা (35) দেশ নিয়ে ভাবনা (33) ফিচার (33) বাংলাদেশ (29) সমসাময়িক (28) খন্ড কাব্য (26) হারানো প্রেম (22) সংবাদ (18) কাল্পনিক প্রেম (16) ইতিহাস (15) প্রতিবাদ (15) সুপ্রভাত প্রবাসী বাংলাদেশ (15) Online Money Making Links (14) দেশাত্মবোধক কবিতা (13) আমার জীবনের দিনপঞ্জী (12) ধর্ম (12) প্রেমের কবিতা (11) ব্যক্তিত্ব (11) রাজনীতি (11) ধর্মীয় আন্দোলন (10) প্রবাসের কবিতা (10) খন্ড গল্প (9) জীবন গঠন (9) বর্ণমালার রুবাঈ (9) ইসলাম (8) প্রগতি (8) মানুষ ও মানবতা (8) হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ (8) VIDEOS (7) আমার লেখালেখির অন্তরালে (7) ইসলামী জাগরণ (7) মানব মন (7) ট্র্যাজেডি (6) শোক সংবাদ (6) সম্প্রীতি (6) নারী স্বাধীনতা (5) প্রেমের গল্প (5) বিজয় দিবসের ভাবনা (5) মৃত্যুপথ যাত্রী (5) সংবাদ মাধ্যম (5) স্মৃতিকথা (5) ঈদ শুভেচ্ছা (4) প্রবাস তথ্য (4) রমজান (4) শুভেচ্ছা (4) Computer Programer (3) আমার ছবিগুলো (3) আমার রাইটিং নেটওয়ার্ক লিংক (3) পর্দা (3) ফটিকছড়ি (3) বাংলাদেশের সংবিধান (3) বিশ্ব ভালবসা দিবস (3) শিক্ষা (3) শিক্ষার্থী (3) স্লাইড শো (3) News (2) VERIETIES POEMS OF VERIOUS POETS (2) আষাঢ় মাসের কবিতা (2) আষাঢ়ের কবিতা (2) ইসলামী রেনেসাঁ (2) ছাত্র-ছাত্রী (2) থার্টি ফাস্ট নাইট (2) নারী কল্যান (2) নারী প্রগতি (2) নির্বাচন (2) বর্ষার কবিতা (2) মহাসমাবেশ (2) শবেবরাত (2) শরৎকাল (2) শাহনগর (2) শ্রদ্ধাঞ্জলী (2) সত্য ঘটনা (2) সত্য-মিথ্যার দ্বন্ধ (2) সফলতার পথে বাংলাদেশ (2) Bannersআমার ছবিগুলো (1) DXN (1) For Life Time Income (1) For Make Money (1) Knowledge (1) Student (1) অদ্ভুত সব স্বপ্নের মাঝে আমার নিদ্রাবাস (1) আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস (1) আহলে সুন্নাহ ওয়াল জামা'আত(সুন্নী) (1) উপন্যাস (1) কবি কাজী নজরুল ইসলাম (1) কোরআন - হাদিসের কাহিনী (1) গল্প (1) চট্টগ্রাম (1) চিকিৎসা ও চিকিৎসক (1) জমজম (1) জাকাত (1) তরুন ও তারুণ্য (1) নারী জাগরণ (1) পরকিয়ার বিষফল (1) ফটিকছড়ি পৌরসভা (1) বন্ধুদিবস (1) বাংলাদেশের প্রখ্যাত আলেম (1) বিবেক ও বিবেকবান (1) বিশ্ব বাবা দিবস (1) বিশ্ব মা দিবস (1) ভ্রমণ (1) মন্তব্য (1) মাহফুজ খানের লেখালেখি (1) রবি এ্যাড (1) রমজানুল মোবারক (1) রেজাল্ট (1) রোগ-পথ্য (1) লংমার্চ (1) শহীদ দিবস (1) শুভ বাংলা নববর্ষ (1) শৈশবের দিনগুলো (1) সমবায় (1) সস্তার তিন অবস্থা (1) সাভার ট্র্যাজেডি (1) সিটি নির্বাচন (1) স্বপ্ন পথের পথিক (1) স্বাধীনতা (1) হ্যালো প্রধানমন্ত্রী (1) ২১ ফেব্রোয়ারী (1)

APNAKE SHAGOTOM

ZAKARIA SHAHNAGARIS WRITING

সকলকে বাংলা নতুন বছরের শুভেচ্ছা

বর্তমান বিশ্বায়নের যুগে আমরা আর বাংলা ভাষায় কথা বলতে চাইনা । নিজের মাতৃভাষাকে যখন-তখন যেখানে সেখানে অবমাননা করে তৎপরিবর্তে ইংরেজী ভাষা ব্যবহার করতে অভ্যাস্থ হয়ে যাচ্ছি বা হয়ে গেছি ।
আরও একটু এগিয়ে গেলে বলতে হয় - আমরা আজ বাঙ্গালী হয়ে বাঙ্গালী জাতিসত্বা ভুলে গিয়ে ইংরেজী জাতিসত্বায় রক্তের ন্যায় মিশে গেছি !

অথচ একদিন আমরা বাঙ্গালী জাতি একতাবদ্ধ হয়ে রাষ্ট্রীয় ভাষা উর্দুকে ত্যাগ করে নিজেদের মাতৃভাষা বাংলাকে রাষ্ট্রীয় ভাষা তথা বাংলা ভাষাকে সর্বত্র প্রচলন করতে প্রাণ দিতে বাধ্য হয়েছিলাম ! ফলে বিজাতীয় ভাষা উর্দূকে অপসারন করে নিজেদের মাতৃভাষায় কথা বলার স্বাধীনতা অর্জন করে বাংলা ভাষাকে ধারন করেছিলাম । যখন আমরা বাংলার সর্বত্র বাংলা ভাষায় কথা বলা শুরু করেছিলাম ,তখন কিন্তু বিশ্বায়নের যুগটা অনুপস্থিত ছিল তা নয় , বিশ্বায়নের যুগটা তখনও ছিল বিধায় আমরা ইংরেজী শিক্ষায় তখনও বাধ্য ছিলাম । অর্থাৎ যে জন্যে আজ আমরা ইংরেজী শিখছি সেইজন্যে তখনও ইংরেজী শিক্ষার প্রচলন ছিল । ছিল ইংরেজী শিক্ষার প্রয়োজনীয়তাও । তাই বলে সে সময় বর্তমান সময়ের মত মাতৃভাষা বাংলাকে অবমাননা করা হয়নি । মানুষ সে সময় বাংলায়ই কথা বলেছিল । শুধুমাত্র প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রেই সে সময় ইংরেজী ব্যাবহার করেছিল বাঙ্গালী জাতি ।

conduit-banners

Powered by Conduit

ফ্লাগ কাউন্টার

free counters

MZS.ONLINE MONEY MAKING WAY

PLEASE CLICK ON MY BANNERS. VISIT MY AFFILIATE SITE "MZS.ONLINE MONEY MAKING WAY ( অনলাইনে অর্থোপার্জনের একটা মাধ্যম )" I HOPE IT WILL BE HELPFUL FOR YOU. Create your own banner at mybannermaker.com!

মঙ্গলবার, ১০ মে, ২০১১

ছাত্র-ছাত্রীর মৌলিক পরিচয় বা “ STUDENT ’’ এর রাসায়নিক বিশ্লেষণ - মুহাম্মদ জাকারিয়া শাহনগরী



ছাত্র-ছাত্রীর মৌলিক পরিচয়
বা “ STUDENT ’’ এর
 রাসায়নিক বিশ্লেষণ
- মুহাম্মদ জাকারিয়া শাহনগরী
================================ 



শিক্ষায়ই আলো
শিক্ষায়ই মানুষ
শিক্ষায়ই অগ্রগতি
শিক্ষায়ই জাতির মেরুদণ্ড
শিক্ষায়ই একটা জাতির পরিচয়

বর্তমান বিশ্বায়নের যুগে আমরা আর বাংলা ভাষায় কথা বলতে চাইনা । নিজের মাতৃভাষাকে যখন-তখন যেখানে সেখানে অবমাননা করে তৎপরিবর্তে ইংরেজী ভাষা ব্যবহার করতে অভ্যাস্থ হয়ে যাচ্ছি বা হয়ে গেছি ।


আরও একটু এগিয়ে গেলে বলতে হয় - আমরা আজ বাঙ্গালী হয়ে বাঙ্গালী জাতিসত্বা ভুলে গিয়ে ইংরেজী জাতিসত্বায় রক্তের ন্যায় মিশে গেছি !


অথচ একদিন আমরা বাঙ্গালী জাতি একতাবদ্ধ হয়ে রাষ্ট্রীয় ভাষা উর্দুকে ত্যাগ করে নিজেদের মাতৃভাষা বাংলাকে রাষ্ট্রীয় ভাষা তথা বাংলা ভাষাকে সর্বত্র প্রচলন করতে প্রাণ দিতে বাধ্য হয়েছিলাম ! ফলে বিজাতীয় ভাষা উর্দূকে অপসারন করে নিজেদের মাতৃভাষায় কথা বলার স্বাধীনতা অর্জন করে বাংলা ভাষাকে ধারন করেছিলাম । যখন আমরা বাংলার সর্বত্র বাংলা ভাষায় কথা বলা শুরু করেছিলাম , তখন কিন্তু বিশ্বায়নের যুগটা অনুপস্থিত ছিল তা নয় , বিশ্বায়নের যুগটা তখনও ছিল বিধায় আমরা ইংরেজী শিক্ষায় তখনও বাধ্য ছিলাম । অর্থাৎ যে জন্যে আজ আমরা ইংরেজী শিখছি সেইজন্যে তখনও ইংরেজী শিক্ষার প্রচলন ছিল । ছিল ইংরেজী শিক্ষার প্রয়োজনীয়তাও । তাই বলে সে সময় বর্তমান সময়ের মত মাতৃভাষা বাংলাকে অবমাননা করা হয়নি । মানুষ সে সময় বাংলায়ই কথা বলেছিল । শুধুমাত্র প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রেই সে সময় ইংরেজী ব্যাবহার করেছিল বাঙ্গালী জাতি ।


প্রয়োজন ভিন্ন যখন-তখন যেখানে-সেখানে ইংরেজী ভাষার প্রচলন তখন ছিল মাতৃভাষার অবমাননা । তাই , ইংরেজী ভাষার ব্যবহার তখন বড় বড় ডক্টরেট ডিগ্রীধারী ব্যক্তিগন ও প্রয়োজন ব্যতিরেকে করতেন না ।


অথচ বর্তমানে এমন একটা পর্যায়ে আমরা পৌঁছে গেছি যে , মাতৃভাষা বাংলায় কথা বলতে আমাদেরকে লজ্জিত হতে হয় ! এমন ও দেখা যায় বাংলা মায়ের গর্ভে জন্ম নেয়া, বাংলাদেশেই বেড়ে উঠা , বাংলাদেশেই বসবাসকারী কেউ কেউ মাতৃভাষা বলতে হিমসিম খচ্ছেন , কিন্তু ইংরেজী শব্দ অনর্গল বের হচ্ছে তার মুখ দিয়ে !


আবার এমনও দেখা যায় , একজন অশিক্ষিত ব্যক্তি যে ইংরেজীর “ E “ বর্ণটিও চিনেনা , ইংরেজীতে “ Please , thank you , ok ’’ইত্যাদি না বললে তার “ Prestige Puncture ’’ হয়ে যায় !


জানিনা কি লাভ হলো সেদিন বাংলা মায়ের দামাল ছেলেদের বাংলা ভাষার জন্য রক্তদানে । মাতৃভাষার অবমাননা সে সময় যেটুকু না হয়েছিল তার চেয়ে বেশী হচ্ছে আজ বর্তমানে । সেদিন বাংলা মায়ের দামাল ছেলেরা মাতৃভাষার অবমাননা সহ্য করতে না পেরে নিজেদের বুকের রক্ত ঢেলে দিয়েছিল রাজপথে , করেছিল শাহাদাত বরণ ।


আর আজ শুধু অবমাননাই নয় , রক্তের সাগর পেরিয়ে আনা সেই মাতৃভাষাকে বিলুপ্ত করতেই যেন আজকের বাংলা মায়ের দামাল ছেলেরা বেশী উৎফুল্ল বোধ করছে ! এমন ও হতে পারে কিছুদিন পর ইংরেজী ভাষার প্রচলনে বাংলার জমিনে তারা বুকের রক্ত ঢেলে দিতে কার্পন্য করবেনা !


যা হোক , এই যখন বাংলাভাষীদের বর্তমান অবস্থা , যখন লজ্জার কারনে ছাত্র-ছাত্রীকে বাংলায় “ শিক্ষার্থী ” না বলে যত্রতত্র “ Student ” বলে বাঙ্গালীরা সুখ পান , না বললে “ Prestige Puncture ’’হবে বলে মনে করেন , তবে ছাত্র-ছাত্রীদের মৌলিক চরিত্র জানতে ইংরেজী  “ Student ”  শব্দটিকে বিশ্লেষণ করে দেখাব মূলতঃ “ Student ”  কে ? তার গুণ কি ? তার বৈশিষ্ঠ্য কি ? তাকে কেমন হওয়া উচিত ? ইত্যাদি ।


আমরা জানি বাংলা  “ শিক্ষার্থী ” শব্দটি ইংরেজীতে  “ Student ”  হিসাবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে আদিকাল থেকেই । এখানে “ শিক্ষার্থী ” বলতে পুংলিঙ্গ ও স্ত্রীলিঙ্গ ( উভয় লিঙ্গ)-এর অধ্যায়নরত মানুষদের বুঝানো হয়েছে । আর ইংরেজী  “ Student ”   শব্দটিও উভয় লিঙ্গের উপরই ব্যবহৃত । যদিও আমরা “ Student ”    শব্দটির বাংলা অর্থ করি “ ছাত্র ” হিসাবে । কিন্তু তা ঠিক নয় বলে মনে করি ।


কেননা , এভাবে যদি “ Student ”  শব্দটির পুংলিঙ্গের অর্থ করি তবে স্ত্রীলিঙ্গের বেলায় উক্ত শব্দটির পূর্বে আরও একটি শব্দ যোগ করতে হয় , আর তা হলো - “ Girl ” . অর্থাৎ , পুরো শব্দটি স্ত্রীলিঙ্গের বেলায় লিখতে হবে - “ Girl Student ”. যেহেতু , পুংলিঙ্গের বেলায় “ Boy Student ”লেখা হয়না । সেহেতু , স্ত্রীলিঙ্গের বেলায় সেখানে “ Girl Student ” লেখার যৌক্তিকতা নেই বলে মনে করি । তাই , “ Student ” এর অর্থ “ ছাত্র ” হিসাবে না দেখিয়ে “ শিক্ষার্থী ” হিসাবে দেখানোই যৌক্তিক মনে করছি । কেননা , “ Student ” শব্দটিকে বাংলা অর্থে “ শিক্ষার্থী ” হিসাবে দেখালেই উভয় লিঙ্গ সম্বন্ধযুক্ত হয় বা সম্বন্ধযুক্ত হিসাবেই বুঝানো হয় । অতএব , “ Student ” শব্দটির বাংলা অর্থ হোক “ শিক্ষার্থী ” বা শিক্ষাগ্রহণরত ছাত্র-ছাত্রী ।


এতক্ষন আমরা “ Student ” শব্দটির বাংলা অর্থ সম্পর্কে আলোচনা করে জানলাম তার বাংলা শব্দার্থ ।এখন আমরা “ Student ” শব্দটির রাসায়নিক বিশ্লষণে যাব । অর্থাৎ , আমরা জানব “Student ” শব্দটি কি কি এবং কতটি উপাদান দ্বারা গঠিত বা একজন ছাত্র কিংবা ছাত্রী কি কি উপাদান দ্বারা গঠিত হতে পারে বা একজন ছাত্র কিংবা ছাত্রীর বৈশিষ্ঠ্য কি কিংবা একজন ছাত্র অথবা ছাত্রীর কি কি গুণ থাকা প্রয়োজন বা আবশ্যকীয় ।


আমরা “ Student ” শব্দটির দিকে তাকালে দেখতে পাব , শব্দটি মোট সাতটি Letter বা বর্ণ দ্বারা গঠিত । অর্থাৎ “ Student ” শব্দটি মূলতঃ সাতটি বিশেষ উপাদান বা মূল গুণাবলী দ্বারা গঠিত । আবার উক্ত সাতটি Letter বা বর্ণের বা উপাদানের প্রত্যেকটি ভিন্ন ভিন্ন কতক বৈশিষ্ঠ্যপূর্ণ শব্দ-উপাদান বা গুনাবলীসমুহ দ্বারা গঠিত । সেই উপাদানগুলোর সমষ্ঠিগত অর্জিত গুণাবলীর অধিকারীদেরকেই মূলতঃ “ Student ”  বা “ শিক্ষার্থী ” অর্থাৎ ছাত্র-ছাত্রী হিসাবে বিবেচিত করা হয় ।


“ Student ” শব্দটি যেহেতু সাতটি পৃথক পৃথক বিশেষ উপাদান দ্বারা গঠিত । সেহেতু , শব্দটির রাসায়নিক বিশ্লেষণ করতে আমরা তার প্রতিটি বর্ণকে পৃথকভাবেই বিশ্লেষণ করবো । তাই , আমরা প্রথমেই শুরু করি -

STUDENT  এর প্রথম উপাদান “ S ” এর বিশ্লেষণ

Student - এর “ S ” Letter বা বর্ণটি বিশ্লেষণ করলে Student বা শিক্ষার্থী সম্পর্কিত আমরা ইংরেজী শব্দে চারটি রাসায়নিক উপাদান পাই । যথা -
(1) Studious. (2) Self Confidence. (3) Sample. (4) Sagacious.


আবার উক্ত চারটি উপাদানকে আমরা যদি বাংলায় অর্থ করি , তবে আমরা পাই সাতটি উপাদান । যেমন -
(1)  Studious : এই শব্দটিকে বাংলায় অর্থ করলে Student বা শিক্ষার্থী সম্পর্কিত আমরা পাই একটি উপাদান । যথা - অধ্যানশীল । অর্থাৎ , একজন ছাত্র কিংবা ছাত্রীকে অধ্যায়নশীল বা অধ্যায়নরত হতে হবে ।


(2) Self Confidence: এই শব্দটিকে বাংলায় অর্থ করলে Student বা শিক্ষার্থী সম্পর্কিত আমরা পাই দু’টি উপাদান ।যথা - (ক) আত্মপ্রত্যয় এবং (খ) নিজ বিচার - বুদ্ধি - ক্ষমতা ইত্যাদির উপর বিশ্বাস ।
অর্থাৎ , একজন ছাত্র কিংবা ছাত্রীর আত্মপ্রত্যয় বা নিজের উপর বিশ্বাস এবং নিজ বিচার-বুদ্ধি-ক্ষমতা ইত্যাদির উপর বিশ্বাস থাকতে হবে ।


(3) Sample  :  এই শব্দটিকে বাংলায় অর্থ করলে Student বা শিক্ষার্থী সম্পর্কিত আমরা পাই দু’টি উপাদান । যথা - (ক) আদর্শ এবং (খ) নমুনা । 
অর্থাৎ , একজন ছাত্র কিংবা ছাত্রীকে আদর্শ বা চিন্তা চেতনায় মানদন্ড বর্তমান এবং নমুনা বা নিদর্শন হিসেবে নিজ পরিচয় বহন করত হবে ।


(4) Sagacious : এই শব্দটিকে বাংলায় অর্থ করলে Student  বা শিক্ষার্থী সম্পর্কিত আমরা পাই দু’টি উপাদান । যথা - (ক) বিজ্ঞ এবং বিচক্ষণ ।


অর্থাৎ , একজন ছাত্র কিংবা ছাত্রীকে বিজ্ঞ বা চতুর , জ্ঞানী, অভিজ্ঞতা সম্পন্ন এবং বিচক্ষণ বা নিপুন ও পটু হতে হবে ।
সুতরাং , উপরোক্ত “ S ” Letter  বা বর্ণের ইংরেজী শব্দে প্রাপ্ত চারটি উপাদান বিশ্লেষণ করলে আমরা বাংলায় একজন শিক্ষার্থীকে নির্ণয় করতে পারি এভাবে -
যে মানুষ অধ্যায়নশীল , আত্মপ্রত্যায়ী এবং নিজ বিচার-বুদ্ধি-ক্ষমতা ইত্যাদির উপর বিশ্বাস রাখতে সক্ষম , বিজ্ঞ ও বিচক্ষণের অধিকারী হবে এবং আদর্শবান ও নিদর্শন স্বরূপ হবে সে “ Student ”এর “ S ” Letter বা বর্ণটির অধিকারী হলো বা “ Student ” এর সাতটি উপাদানের একটি উপাদান অধিকার করতে পারলো বা সাতটি মূল গুণাবলীর প্রথম গুণটিকে অর্জন করতে পারলো । কিন্তু পূর্ণাঙ্গ “ Student ”  বা “ শিক্ষার্থী ”  হিসাবে স্বীকৃতি পাবার যোগ্যতা অর্জন করতে পারেনি ।

STUDENT  এর দ্বিতীয় উপাদান “ T ”এর বিশ্লেষণ

Student - এর প্রথম “ T ” Letter বা বর্ণটি বিশ্লেষণ করলে Student বা শিক্ষার্থী সম্পর্কিত আমরা ইংরেজী শব্দে দু’টি রাসায়নিক উপাদান পাই । যথা -
(1) Talented  এবং (2) Target 


আবার উক্ত দু’টি উপাদানকে আমরা যদি বাংলায় অর্থ করি , তবে আমরা পাই তিনটি উপাদান ।যেমন -
(1) Talented : এই শব্দটিকে বাংলায় অর্থ করলে Student বা শিক্ষার্থী সম্পর্কিত আমরা পাই দু’টি উপাদান । যথা - (ক) মেধাবী এবং (খ) ধী-শক্তি সম্পন্ন ।
অর্থাৎ , একজন ছাত্র কিংবা ছাত্রীকে  মেধাবী এবং ধী-শক্তি সম্পন্ন হতে হবে ।

(2) Target : এই শব্দটিকে বাংলায় অর্থ করলে Student বা শিক্ষার্থী সম্পর্কিত আমরা পাই একটি উপাদান । যথা -লক্ষ্যবস্তু ।
অর্থাৎ , একজন ছাত্র কিংবা ছাত্রীকে তার লক্ষ্যপথ বা বস্তু নির্ধারণে যত্নশীল হতে হবে ।


সুতরাং , উপরোক্ত “ T ” Letter  বা বর্ণের ইংরেজী শব্দে প্রাপ্ত চারটি উপাদান বিশ্লেষণ করলে আমরা বাংলায় একজন শিক্ষার্থীকে নির্ণয় করতে পারি এভাবে -
যে মানুষ মেধাবী , ধী-শক্তি সমপন্ন এবং লক্ষ্যবস্তু বা পথ নির্ধারণের অধিকারী হবে , সে “ Student ” এর “(দু’টি T এর মধ্যে একটি  T ” Letter বা বর্ণটির অধিকারী হলো বা “ Student ” এর সাতটি উপাদানের আরও একটি উপাদান অধিকার করতে পারলো বা সাতটি মূল গুণাবলীর দ্বিতীয় গুণটিকে অর্জন করতে পারলো । কিন্তু পূর্ণাঙ্গ “ Student ”  বা “ শিক্ষার্থী ”  হিসাবে স্বীকৃতি পাবার যোগ্যতা অর্জন করতে পারেনি ।

STUDENT - এর তৃতীয় উপাদান “ U ”এর বিশ্লেষণ

Student - এর “ U ” Letter বা বর্ণটি বিশ্লেষণ করলে Student বা শিক্ষার্থী সম্পর্কিত আমরা ইংরেজী শব্দে দু’টি রাসায়নিক উপাদান পাই । যথা -
(1) Unflinching  এবং  (2) Unassuming
আবার উক্ত দু’টি উপাদানকে আমরা যদি বাংলায় অর্থ করি , তবে আমরা পাই ছয়টি উপাদান ।যেমন -


(1) Unflinching : এই শব্দটিকে বাংলায় অর্থ করলে Student বা শিক্ষার্থী সম্পর্কিত আমরা পাই তিনটি উপাদান । যথা - (ক) অবিচলিত (খ) পশ্চাদপদ হয়না এমন এবং (গ) সংকোচিত হয়না এমন । 
অর্থাৎ , একজন ছাত্র কিংবা ছাত্রীকে লেখাপড়ায় বা শিক্ষার্জনে অবিচল থাকতে হবে , সে কখনো শিক্ষার্জন থেকে পশ্চাদপদ হতে পারবেনা এবং মনের দিক থেকে সে সংকোচিত হতে পারবেনা ।


(2) Unassuming : এই শব্দটিকে বাংলায় অর্থ করলে Student বা শিক্ষার্থী সম্পর্কিত আমরা পাই তিনটি উপাদান । যথা -(ক) বিনীত (খ) নম্র এবং (গ) নিরহঙ্কার ।
অর্থাৎ , একজন ছাত্র কিংবা ছাত্রীকে বিনয়ী , নম্র ও অহঙ্কার মুক্ত হতে হবে ।


সুতরাং , উপরোক্ত “ U ” Letter  বা বর্ণের ইংরেজী শব্দে প্রাপ্ত চারটি উপাদান বিশ্লেষণ করলে আমরা বাংলায় একজন শিক্ষার্থীকে নির্ণয় করতে পারি এভাবে -
যে মানুষ শিক্ষার্জনে অবিচল থাকবে , শিক্ষার্জন থেকে পশ্চাদপদ হবেনা , শিক্ষার্জন সময়ে মনের দিক থেকে সে সংকোচিত হবেনা , বিনয়ী হবে , নম্র হবে অহঙ্কার মুক্ত থাকবে - সে “ Student ”এর “ U ” Letter বা বর্ণটির অধিকারী হলো বা “ Student ” এর সাতটি উপাদানের আরও একটি উপাদান অধিকার করতে পারলো বা সাতটি মূল গুণাবলীর তৃতীয় গুণটিকে অর্জন করতে পারলো । কিন্তু পূর্ণাঙ্গ “ Student ”  বা “ শিক্ষার্থী ”  হিসাবে স্বীকৃতি পাবার যোগ্যতা অর্জন করতে পারেনি ।

STUDENT - এর চতুর্থ উপাদান “ D ” এর বিশ্লেষণ

Student - এর “ D ” Letter বা বর্ণটি বিশ্লেষণ করলে Student বা শিক্ষার্থী সম্পর্কিত আমরা ইংরেজী শব্দে পাঁচটি রাসায়নিক উপাদান পাই । যথা -
(1) Discipline   (2) Decency (3) Dauntless (4) Debonair   এবং (5) Diciple


আবার উক্ত পাঁচটি উপাদানকে আমরা যদি বাংলায় অর্থ করি , তবে আমরা পাই এগারোটিউপাদান । যেমন -
(1) Discipline : এই শব্দটিকে বাংলায় অর্থ করলে Student বা শিক্ষার্থী সম্পর্কিত আমরা পাই দু’টি উপাদান । যথা - (ক) নিয়মানুবর্তিতা এবং (খ) আদেশ বা নিয়ন্ত্রণের বশঃবর্তিতা । 
অর্থাৎ , একজন ছাত্র কিংবা ছাত্রীকে নিয়মের অনুসারী হতে হবে আর আদেশ কিংবা নিয়ন্ত্রণের কাছে বশ মানতে হবে বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষকের আদেশ ও নিয়ন্ত্রণের বশ্যতা স্বীকার করতে হবে ।


(2) Decency : এই শব্দটিকে বাংলায় অর্থ করলে Student বা শিক্ষার্থী সম্পর্কিত আমরা পাই দু’টি উপাদান । যথা - (ক) শিষ্ঠতা এবং (খ) শালীনতা ।
অর্থাৎ , একজন ছাত্র কিংবা ছাত্রীকে শিষ্ঠতা ও শালীনতা বজায় রাখতে হবে ।


(3) Dauntless : এই শব্দটিকে বাংলায় অর্থ করলে Student বা শিক্ষার্থী সম্পর্কিত আমরা পাই একটি উপাদান । যথা - নির্ভীক । 
অর্থাৎ , একজন ছাত্র কিংবা ছাত্রীকে জ্ঞানার্জনে নির্ভীক বা ভয়শূণ্য হতে হবে । 


(4) Debonair : এই শব্দটিকে বাংলায় অর্থ করলে Student বা শিক্ষার্থী সম্পর্কিত আমরা পাই তিনটি উপাদান । যথা - (ক) শিষ্ঠাচারী (খ) প্রফুল্ল এবং (গ) স্ফূর্তিবাজ ।
অর্থাৎ , একজন ছাত্র কিংবা ছাত্রীকে আচার-আচরনে শিষ্ঠ , প্রফুল্ল মনের অধিকারী এবং স্ফূর্তিবান হতে হবে ।


(5) Diciple : এই শব্দটিকে বাংলায় অর্থ করলে Student বা শিক্ষার্থী সম্পর্কিত আমরা পাই তিনটি উপাদান । যথা - (ক) শিষ্য (খ) ছাত্র এবং (গ) অনুগামী ।
অর্থাৎ , একজন ছাত্র কিংবা ছাত্রীকে শিক্ষকের শিষ্য হতে হবে , শিক্ষার্জনকারী বা ছাত্র-ছাত্রী হতে হবে এবং শিক্ষকের অনুসারী হতে হবে ।


সুতরাং , উপরোক্ত “ D ” Letter  বা বর্ণের ইংরেজী শব্দে প্রাপ্ত পাঁচটি উপাদান বিশ্লেষণ করলে আমরা বাংলায় একজন শিক্ষার্থীকে নির্ণয় করতে পারি এভাবে -
যে মানুষ নিয়মের অনুসারী হবে , আদেশ কিংবা নিয়ন্ত্রণের কাছে বশ মানবে শিষ্ঠতা ও শালীনতাবোধের অধিকারী হবে , নির্ভীক হবে । শিষ্ঠাচারী , প্রফুল্ল মনের অধিকারী - স্ফূর্তিবান হবে , শিষ্য হবে , শিক্ষার্জনকারী হবে এবং শিক্ষকের অনুসারী হবে - সে “ Student ” এর “ D ”Letter বা বর্ণটির অধিকারী হলো বা “ Student ” এর সাতটি উপাদানের আরও একটি উপাদান অধিকার করতে পারলো বা সাতটি মূল গুণাবলীর চতুর্থ গুণটিকে অর্জন করতে পারলো । কিন্তু পূর্ণাঙ্গ “ Student ”  বা “ শিক্ষার্থী ”  হিসাবে স্বীকৃতি পাবার যোগ্যতা অর্জন করতে পারেনি ।

STUDENT - এর পঞ্চম উপাদান “E” এর বিশ্লেষণ

Student - এর “ E ” Letter বা বর্ণটি বিশ্লেষণ করলে Student বা শিক্ষার্থী সম্পর্কিত আমরা ইংরেজী শব্দে চারটি রাসায়নিক উপাদান পাই । যথা -
(1) Enthusiam   (2) Etiquette  (3) Educationist  এবং (4) Energetic


আবার উক্ত চারটি উপাদানকে আমরা যদি বাংলায় অর্থ করি , তবে আমরা পাই নয়টি উপাদান ।যেমন -
(1) Enthusiam : এই শব্দটিকে বাংলায় অর্থ করলে Student বা শিক্ষার্থী সম্পর্কিত আমরা পাই তিনটি উপাদান । যথা - (ক) গভীর আগ্রহ (খ) উৎসাহ এবং (গ) উদ্দীপনা ।
অর্থাৎ , একজন ছাত্র কিংবা ছাত্রীকে লেখাপড়ায় আগ্রহী হতে হবে , তার লেখাপড়ায় উৎসাহ থাকতে হবে এবং নিত্য নব উদ্দীপনায় লেখাপড়ায় মনোযোগ দিতে হবে ।


(2) Etiquette : এই শব্দটিকে বাংলায় অর্থ করলে Student বা শিক্ষার্থী সম্পর্কিত আমরা পাই তিনটি উপাদান । যথা - (ক) শিষ্ঠাচার (খ) ভদ্র এবং (গ) আদব-কায়দা ।
অর্থাৎ , একজন ছাত্র কিংবা ছাত্রীকে শিষ্ঠাচারী , ভদ্র এবং আদব-কায়দার ধারক হতে হবে ।


(3) Educationist : এই শব্দটিকে বাংলায় অর্থ করলে Student বা শিক্ষার্থী সম্পর্কিত আমরা পাই একটি উপাদান । যথা - শিক্ষাব্রতী ।
অর্থাৎ , একজন ছাত্র কিংবা ছাত্রীকে শিক্ষাব্রতী হতে হবে ।


(4) Energetic : এই শব্দটিকে বাংলায় অর্থ করলে Student বা শিক্ষার্থী সম্পর্কিত আমরা পাই দু’টি উপাদান । যথা - (ক) উদ্যামশীল এবং (খ) বলবান । 
অর্থাৎ , একজন ছাত্র কিংবা ছাত্রীকে উদ্যামশীল এবং বলবান হতে হবে । 


সুতরাং , উপরোক্ত “ E ” Letter  বা বর্ণের ইংরেজী শব্দে প্রাপ্ত চারটি উপাদান বিশ্লেষণ করলে আমরা বাংলায় একজন শিক্ষার্থীকে নির্ণয় করতে পারি এভাবে -
যে মানুষ  লেখাপড়ায় গভীর আগ্রহী হবে , উৎসাহ নিয়ে লেখাপড়া করবে , নিত্য নব উদ্দীপনায় লেখাপড়ায় এগিয়ে যাবে , আচার-আচরনে শিষ্ঠ হবে , ভদ্রভাবে চলাফেরা করবে এবং আদব-কায়দা রক্ষা করে চলবে , শিক্ষাব্রতী হবে , উদ্যামশীল-বলবান হবে - সে “ Student ” এর “ E ”Letter বা বর্ণটির অধিকারী হলো বা “ Student ” এর সাতটি উপাদানের আরও একটি উপাদান অধিকার করতে পারলো বা সাতটি মূল গুণাবলীর পঞ্চম গুণটিকে অর্জন করতে পারলো । কিন্তু পূর্ণাঙ্গ “ Student ”  বা “ শিক্ষার্থী ”  হিসাবে স্বীকৃতি পাবার যোগ্যতা অর্জন করতে পারেনি ।

STUDENT এর ষষ্ঠ উপাদান “ N ” এর বিশ্লেষণ

Student - এর “ N ” Letter বা বর্ণটি বিশ্লেষণ করলে Student বা শিক্ষার্থী সম্পর্কিত আমরা ইংরেজী শব্দে দু’টি রাসায়নিক উপাদান পাই । যথা -
(1) Neighbourly  এবং (2) Novice
আবার উক্ত দু’টি উপাদানকে আমরা যদি বাংলায় অর্থ করি , তবে আমরা পাই তিনটি উপাদান ।যেমন -


(1) Neighbourly : এই শব্দটিকে বাংলায় অর্থ করলে Student বা শিক্ষার্থী সম্পর্কিত আমরা পাই একটি উপাদান । যথা - বন্ধুভাবাপন্ন ।
অর্থাৎ , একজন ছাত্র কিংবা ছাত্রীকে বন্ধুভাবাপন্ন হতে হবে ।


(2) Novice : এই শব্দটিকে বাংলায় অর্থ করলে Student বা শিক্ষার্থী সম্পর্কিত আমরা পাই দু’টি উপাদান । যথা - (ক) শিক্ষার্থী এবং (খ) শিক্ষানবিস ।
অর্থাৎ , একজন ছাত্র কিংবা ছাত্রীকে শিক্ষাগ্রহনকারী বা শিক্ষার্থী এবং শিক্ষানবিস হতে হবে ।


সুতরাং , উপরোক্ত “ N ” Letter  বা বর্ণের ইংরেজী শব্দে প্রাপ্ত দু’টি উপাদান বিশ্লেষণ করলে আমরা বাংলায় একজন শিক্ষার্থীকে নির্ণয় করতে পারি এভাবে -
যে মানুষ বন্ধুভাবাপন্ন , শিক্ষার্থী এবং শিক্ষানবিস হবে - সে “ Student ” এর “ N ” Letter বা বর্ণটির অধিকারী হলো বা “ Student ” এর সাতটি উপাদানের আরও একটি উপাদান অধিকার করতে পারলো বা সাতটি মূল গুণাবলীর ষষ্ঠ গুণটিকে অর্জন করতে পারলো । কিন্তু পূর্ণাঙ্গ “Student ”  বা “ শিক্ষার্থী ”  হিসাবে স্বীকৃতি পাবার যোগ্যতা এখনও অর্জন করতে পারেনি ।

STUDENT - এরসপ্তম বা সর্বশেষ উপাদান “ (দ্বিতীয় T ” এর বিশ্লেষণ

Student - এর “ ( দ্বিতীয় ) T ” Letter বা বর্ণটি বিশ্লেষণ করলে Student বা শিক্ষার্থী সম্পর্কিত আমরা ইংরেজী শব্দে তিনটি রাসায়নিক উপাদান পাই । যথা -
(1) Thoughtful   (2) Teacher  এবং (3) Training 
আবার উক্ত তিনটি উপাদানকে আমরা যদি বাংলায় অর্থ করি , তবে আমরা পাই তিনটি উপাদান ।যেমন -


(1) Thoughtful : এই শব্দটিকে বাংলায় অর্থ করলে Student বা শিক্ষার্থী সম্পর্কিত আমরা পাই একটি উপাদান । যথা - চিন্তাশীল ।
অর্থাৎ , একজন ছাত্র কিংবা ছাত্রীকে চিন্তাশীল হতে হবে ।


(2) Teacher : এই শব্দটিকে বাংলায় অর্থ করলে Student বা শিক্ষার্থী সম্পর্কিত আমরা পাই একটি উপাদান । যথা - শিক্ষক ।
অর্থাৎ , একজন ছাত্র কিংবা ছাত্রীকে শিক্ষার্জনের পাশাপাশি শিক্ষক রূপেও প্রতিষ্টিত হতে হবে ।


(3) Training : এই শব্দটিকে বাংলায় অর্থ করলে Student বা শিক্ষার্থী সম্পর্কিত আমরা পাই একটি উপাদান । যথা - হাতে কলমে শিক্ষা ।
অর্থাৎ , একজন ছাত্র কিংবা ছাত্রীকে হাতে-কলমে বা বাস্তব শিক্ষা গ্রহন করতে হবে ।


সুতরাং , উপরোক্ত  “ ( দ্বিতীয় ) T ”  Letter  বা বর্ণের ইংরেজী শব্দে প্রাপ্ত তিনটি উপাদান বিশ্লেষণ করলে আমরা বাংলায় একজন শিক্ষার্থীকে নির্ণয় করতে পারি এভাবে -
যে মানুষ চিন্তাশীল ও শিক্ষার্জনের পাশাপাশি শিক্ষকরূপে প্রতিষ্টিত হবে এবং হাতে কলমে বাস্তব শিক্ষার্জন করবে  - সে “ Student ” এর “ ( দ্বিতীয় ) T ”  Letter বা বর্ণটির অধিকারী হলো বা “Student ” এর সাতটি উপাদানের সর্বশেষ উপাদানটি অধিকার করতে পারলো বা সাতটি মূল গুণাবলীর সপ্তম তথা সর্বশেষ গুণটিকে অর্জন করতে পারলো । সেই সাথে অর্জন করলো সে পূর্ণাঙ্গ একজন “ Student ”  বা “ শিক্ষার্থী ”  হিসাবে স্বীকৃতি পাবার যোগ্যতা ।


এভাবে কোন মানুষ  STUDENT - এর উপরোক্ত সাতটি মূল গুণাবলী অর্জন বা অধিকার করতে পারলেই তাকে STUDENT হিসাবে গণ্য করা যাবে এবং সে পূর্ণাঙ্গ একজন “ Student ”  বা “ শিক্ষার্থী ”  হিসাবে স্বীকৃতি পাবার যোগ্য হবে বলেই আমি মনে করি ।

এখন আমরা  STUDENT  শব্দটির প্রতিটি Letter বা বর্ণ বিশ্লেষণ করে যে উপাদানগুলো পেলাম , সেগুলো একত্র করে সাজিয়ে দেখি মোট কতটি উপাদান দ্বারা “ Student ”  বা “ শিক্ষার্থী ”   শব্দটি গঠিত ।


আমরা STUDENT  শব্দটির প্রতিটি Letter বিশ্লেষণ করে ইংরেজী শব্দে মোট উপাদান পেলাম ২২টি । অর্থাৎ , ইংরেজী ২২টি শব্দ উপাদান দ্বারা STUDENT  শব্দটি গঠিত । আবার STUDENT শব্দটির প্রতিটি Letter এর প্রতিটি উপাদান বাংলায় বিশ্লেষণ করে আমরা বাংলায় মোট উপাদান পেলাম ৪২টি । অর্থাৎ , STUDENT  শব্দটির বাংলা অর্থ শিক্ষার্থী শব্দটি ৪২টি শব্দ উপাদান দ্বারা গঠিত ।


যেহেত, আমরা বাঙ্গালী তথা বাংলাদেশী , আমাদের সঠিক বুঝশক্তি আসে বাংলায় বুঝানোর মাধ্যমে । সেহেতু , STUDENT  শব্দটির অর্থ বুঝার জন্য বাংলাতেই আমাদেরকে বুঝদান করতে হবে । তাই , ইংরেজী শব্দ উপাদানগুলো থেকে আমরা যে বাংলা শব্দ উপাদানগুলো পেলাম সেগুলো একত্রে সাজিয়ে আমরা “ Student ”  বা “ শিক্ষার্থী ” এর গুণাবলী সমূহ জেনে নিব ।


আমরা STUDENT  শব্দটির  প্রতিটি Letter রাসায়নিক বিশ্লেষণ করে বাংলায় একজন শিক্ষার্থীর গুণাবলী সমূহ নিম্নরূপে পেয়েছি । সুতরাং , একজন “ Student ”  বা “ শিক্ষার্থী ” কে আবশ্যকীয়ভাবে নিম্নের গুণাবলীসমূহের ধারক হতে হবে । ফলে একজন “ Student ”  বা “ শিক্ষার্থী ” এর স্বরূপ বা পরিচয় কি তা জানতে হলে ঐ “ Student ”  বা “ শিক্ষার্থী ” এর সমগ্র শিক্ষাজীবন নিম্নোক্ত গুণাবলীর আলোকে যাপিত হয় কিনা তা তীক্ষ্নদৃষ্টিতে পর্যবেক্ষণ করতে হবে । তবেই তাকে একজন “ Student ”  বা “ শিক্ষার্থী ” হিসাবে গণ্য করা যাবে । নয়তো , এইসব গুণাবলী সমূহের আলোকে সে প্রকৃতভাবে  “ Student ”  বা “ শিক্ষার্থী ” নয় বলেই আমি মনে করি ।
একনজরে “ Student ” বা “ শিক্ষার্থী ” এর গুণাবলীসমূহ
যে কোন ব্যাক্তিকেই “ Student ”  বা “ শিক্ষার্থী ” হতে হলে -


০১) তাকে হতে হবে অধ্যায়নশীল ।
০২) তার থাকতে হবে আত্মপ্রত্যয় ।
০৩) তার থাকতে হবে নিজ বিচার-বুদ্ধি-ক্ষমতা ইত্যাদির উপর বিশ্বাস ।
০৪) তাকে বিজ্ঞ হতে হবে ।
০৫) তাকে হতে হবে বিচক্ষণ ।
০৬) তাকে আদর্শবান হতে হবে ।
০৭) তাকে হতে হবে নমুনা বা নিদর্শন স্বরূপ ।
০৮) তাকে মেধাবী হতে হবে ।
০৯) তাকে হতে হবে ধী-শক্তির অধিকারী ।
১০) তার একটা নির্ধারিত লক্ষ্য থাকতে হবে ।
১১) তকে পড়ালেখায় অবিচল থাকতে হবে ।
১২) সে কখনো পড়ালেখা থেখে পশ্চাদপদ হতে পারবেনা ।
১৩) সে মনর দিক থেকে কখনো সংকোচিত বা দূর্বল হতে পারবেনা ।
১৪) তাকে বিনয়ী হতে হবে ।
১৫) তাকে নম্র হত হবে ।
১৬) তাকে অহঙ্কারমুক্ত হতে হবে ।
১৭) তাকে নিয়মানুসারী হতে হবে ।
১৮) তাকে আদেশ কিংবা নিয়ন্ত্রণের বশঃবতী হতে হবে ।
১৯) তার কাছে শিষ্ঠতা পরিলক্ষিত হতে হবে ।
২০) তার শালীনতাবোধ থাকতে হবে ।
২১) তাকে নির্ভক বা ভয়শূণ্য হতে হবে ।
২২) তার আচার-আচরন শিষ্ঠ হতে হবে ।
২৩) তাকে প্রফুল্ল থাকতে হবে ।
২৪) তাকে স্ফূর্তিবান হতে হবে ।
২৫) তাকে উস্তাদের শিষ্যত্ব গ্রহণ করতে হবে ।
২৬) তাকে শিক্ষার্জনকারী হতে হবে ।
২৭) তাকে উস্তাদের অনুসারী হতে হবে ।
২৮) তার পড়া-লেখার প্রতি গভীর আগ্রহ থাকতে হবে ।
২৯) তার পড়া-লেখার প্রতি উৎসাহ থাকতে হবে ।
৩০) তার পড়া-লেখার প্রতি উদ্দীপনা থাকতে হবে ।
৩১) তাকে শিষ্ঠাচারী হতে হবে ।
৩২) তাকে ভদ্র হতে হবে ।
৩৩) তাকে আদব-কায়দার ধারক হতে হবে ।
৩৪) তাকে পড়া-লেখায় নিমগ্ন থাকতে হবে ।
৩৫) শিক্ষার জন্য তাকে উদ্যোমী হতে হবে ।
৩৬) তাকে বলবান হতে হবে ।
৩৭) তার বন্ধুত্বপূর্ণ ভাব থাকতে হবে ।
৩৮) তাকে শিক্ষাগ্রহণকারী হতে হবে ।
৩৯) তাকে শিক্ষানবীস হতে হবে ।
৪০) তাকে চিন্তাশীল হতে হবে ।
৪১) তাকে হাতে-কলমে বাস্তব শিক্ষাগ্রহণে অংশ নিতে হবে ।
৪২) তাকে শিক্ষক রূপে প্রতিষ্ঠিত হতে হবে ।

সারকথা : “ Student ” বা “ শিক্ষার্থী ” শব্দটি যে সব উপাদান দ্বারা গঠিত সে সব উপাদানের একটি অনুপস্থিত থাকলে যেমন ঐ শব্দটি গঠিত হতে পারবেনা , তেমনি একজন “ Student ” বা “ শিক্ষার্থী ” এর মধ্যে উক্ত উপাদান সমূহের গুণাবলী পরিলক্ষিত না হলে তাকে প্রকৃত “ Student ”  বা “ শিক্ষার্থী ” বলা যাবেনা ।


STUDENT  শব্দটির রাসায়নিক বিশ্লেষণ করে আমরা জানতে পারলাম , একজন “ Student ”  বা “ শিক্ষার্থী ” শুধুমাত্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হয়ে গমনাগমন ও শ্রেনীকক্ষ বা শিক্ষাকেন্দ্রে হাজিরা দিতে থাকলেই সে উপযুক্ত “ Student ”  বা “ শিক্ষার্থী ” হিসাবে বিবেচিত হবেনা । তাকে প্রকৃত “Student ”  বা “ শিক্ষার্থী ” হতে হলে বেশ কিছু বৈশিষ্ঠাবলী বা গুণাবলীর ধারক হতে হবে । যতক্ষন পর্যন্ত উক্ত গুণাবলী সমূহের ধারক না হবে ততক্ষন পর্যন্ত কোন ব্যক্তি প্রকৃত “ Student ”  বা “ শিক্ষার্থী ” হিসাবে নিজেকে দাবী করত পারবেননা । তাই , শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হওয়া প্রত্যেককেই প্রকৃত “ Student ”  বা “ শিক্ষার্থী ” হিসাবে নিজেকে দাবী করার জন্য উপরোক্ত গুণাবলী সমূহের অবশ্যই ধারক হতে হবে ।


এখন আমরা আসি বর্তমান প্রেক্ষাপটে “ Student ”  বা “ শিক্ষার্থী ” বাচাই করনে । এক্ষনে আমরা প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রী (?) এবং শিক্ষক-শিক্ষিকা বা শিক্ষা দাতাদের একই কাতারে দাঁড় করাব । কারণ , প্রতিটি ছাত্র-ছাত্রীকে যেমন ( উপাদানমূলে ) এক একজন শিক্ষক-শিক্ষিকা হতে হবে , তেমনি প্রতিটি শিক্ষক-শিক্ষিকা বা শিক্ষাদাতাদেরও এক একজন ছাত্র-ছাত্রী হতে হবে ।


কেননা , কোন যথোপযুক্ত বা উত্তম গুণাবলীর শিক্ষক-শিক্ষিকা মূলতঃ পূর্বপাঠ ছাড়া বা STUDENT শব্দটির পূর্ণাঙ্গ গুণাবলী নিজের উপর বিদ্যমান রাখা ছাড়া তাঁর ছাত্র-ছাত্রীদের যথোপযুক্ত শিক্ষাদান করতে পারেননা ।


কারণ , শিক্ষাদাতাই যদি শিক্ষায় অপূর্ণাঙ্গ থাকেন তবে শিক্ষা গ্রহনকারীরা তাঁর কাছ থেকে কিভাবে পূর্ণাঙ্গ বা যথোপযুক্ত শিক্ষালাভ করবে ? তাই,শিক্ষক-শিক্ষিকা অন্যকে শিক্ষাদানের পূর্বে তাঁকে অবশ্যই STUDENT  শব্দটির গুণাবলী সমূহের ধারক হতে হবে । আর তাই ,  শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং ছাত্র-ছাত্রী সবাই এখানে “ Student ”  বা “ শিক্ষার্থী ” হিসাবেই বিবেচ্য ।


যা হোক , বর্তমানে আমাদের দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে যাঁরা পড়া-লেখা করছেন এবং যাঁরা শিক্ষাদান করছেন , তাঁরা উভয়েই কতটুকু “ Student ”  বা “ শিক্ষার্থী ” এর উপযুক্ত বা তাঁরা কতটুকু “ Student ”  বা “ শিক্ষার্থী ” হবার দাবী রাখেন , আমরা তাঁদের উপর উক্ত ৪২টি উপাদান বা গুণাবলীর উপস্থিতি-অনুপস্থিতির নিরিখেই জেনে নিতে পারব ।


আমরা যদি প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দিকে দৃষ্টি দেই , তবে দেখতে পাব বেশীরভাগ ছাত্র-ছাত্রীরই “ Student ”  বা “ শিক্ষার্থী ” হিসাবে দাবী রাখার যথাযোগ্য উপযুক্ততা নেই । যদি প্রকৃতই তারা “Student ” বা “ শিক্ষার্থী ” হিসাবে দাবী রাখার উপযুক্ততার অধিকারী হতো , তবে কখনোই  কোন ছাত্র-ছাত্রী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে পীছ দিতে পারতোনা , অবমাননা করতে পারতোনা । কোন শিক্ষক-শিক্ষিকা বা শিক্ষাদাতাদের সাথে বেয়াদবি , অবাধ্যতা অমান্যতা সহ কোন প্রকার গর্হিত কর্মে লিপ্ত হতে পারতোনা । কোন প্রকার অন্যায়-অপকর্মে কোন ছাত্র-ছাত্রী জড়িত হতে পারতোনা । কোন প্রকার বেহায়াপনা , নোংরামী , ইতরামী , লুচ্ছামী , বদমাসী সহ অনিষ্টকর কোন কর্মে কোন ছাত্র-ছাত্রী লিপ্ত হতোনা । শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে অস্ত্রের মহড়া প্রদর্শন করে মানবতার শান্তি নষ্ট করতে পারতোনা কোন ছাত্র-ছাত্রী । শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অভ্যান্তরে নারী ধর্ষণের সেঞ্চুরী উৎসব পালন করতোনা । শিক্ষাঙ্গনের মুক্ত আঙ্গিনায় শিষ্ঠাচার পরিপন্থি প্রেম নামক বেহায়াপনার উপস্থাপনে মত্ত্ব থাকতে পারতোনা কোন ছাত্র-ছাত্রী ।


যদি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে প্রকৃত কোন “ Student ”  বা “ শিক্ষার্থী ” থাকতো , তবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো হতো এক একটা শান্তির পারিজাত । শিক্ষার্থীরা মান্য করতো শিক্ষাদাতাদের । রক্তের হোলিখেলা বন্ধ হয়ে বের হতো শিক্ষাঙ্গন থেকে মেধার উদ্ভাবনে আনন্দমিছিল । উন্মুক্ত রাজপথে নারীবক্ষের নগ্নপ্রদর্শনী বন্ধ হয়ে প্রদর্শিত হতো আদর্শ সমাজের বাস্তব রূপ ।


কিন্তু , বর্তমান শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর অনৈতিক সব অবস্থাদৃষ্টে প্রতীয়মান হয় , বর্তমানের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে প্রকৃত “ Student ”  বা “ শিক্ষার্থী ” বলতে কেউ আছে এমন মনে হয়না । মনে হয় তাতে ভরে আছে “ Student ”  বা “ শিক্ষার্থী ” নাম দিয়ে স্বার্থসিদ্ধি লাভে উন্মুখ সব অছাত্র-অছাত্রী , যারা আদৌ কোন “ Student ”  বা “ শিক্ষার্থী ” নয় । স্বার্থসিদ্ধির প্রয়োজনেই তারা ছাত্র-ছাত্রী সেজে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলোতে গমনাগমন করছে ।


তারপরও মন থেকে বলতে হয় - প্রত্যেকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান উপযুক্ত ছাত্র-ছাত্রীদের ধারক , নয়তো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলো টিকতোনা । আমরা এমন একটা যুক্তি দাঁড় করাতে পারি যে - পৃথিবীতে যতদিন পর্যন্ত আল্লাহকে ডাকার একজন লোকও জীবিত থাকবে সেদিন পর্যন্ত কিয়ামত বা মহাপ্রলয় সংঘটিত হবেনা । অর্থাৎ , পৃথিবী থেকে যেদিন ভালো মানুষরা বিদায় হয়ে যাবে , সেদিনই পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যাবে । তেমনই কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে যেদিন প্রকৃত ভালো শিক্ষার্থীরা বের হয়ে যাবে সেদিনই উক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যাবে ।


তাই , পৃথিবীর পরিবেশ বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিবেশ এখন যতই খারাপ দেখাকনা কেন , তার মধ্যে একজন না একজন কিছু না কিছু ভালো মানুষ বা প্রকৃত ছাত্র-ছাত্রী রয়েছেই । যদি না থাকতো পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যেতো , ধ্বংস হয়ে যেতো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানও । থাকতোনা শিক্ষাগ্রহনের জন্য কোন শিক্ষার্থী ।


তাই , শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যদিও “ Student ”  বা “ শিক্ষার্থী ” দাবী করার মতো যথাযোগ্য একজন ছাত্র-ছাত্রীও দেখা না যায় বা ভরে থাকে তাতে সব নামধারী ছাত্র-ছাত্রী । তথাপিও সেখানে কিছু না কিছু ( যেমন জ্বীনজাতির ছাত্র-ছাত্রী ) এমন ছাত্র-ছাত্রী রয়েছেন যাঁরা প্রকৃত “ Student ”  বা “ শিক্ষার্থী ” হবার যোগ্যতা রাখেন , যাঁরা খুবই নগণ্য । অর্থাৎ , যাঁদেরকে আমরা চর্মচক্ষে দেখছিনা ঠিকই , কিন্তু তাঁদের জন্যই টিকে আছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো ।


পরিশেষে , মহান আল্লাহ পাক পরওয়ারদিগার সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যাতায়াতকারী নামধারী শিক্ষার্থী - শিক্ষাদাতাদের উপযুক্ত শিক্ষার্থী - শিক্ষাদাতা হিসাবে গড়ে উঠতে সহায়তা করুন । সেই সাথে তাদেরকে উত্তম জ্ঞান দান করে প্রকৃত আলোকিত মানুষ হিসাবে গড়ে তুলুন । “ আমীন ’’ ।

আমরা চাই শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ [ সমগ্র বাংলাদেশের সকল নাগরিকদের কাছে খোলাচিঠি ]



আমরা বাংলাদেশের শান্তিপূর্ণ নাগরিক

আমরা চাই শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ
শান্তির লক্ষ্যে আহবান

[ সমগ্র বাংলাদেশের সকল নাগরিকদের কাছে খোলাচিঠি ]
------------------------------------

সম্মানীত ,
দেশের বিভিন্ন ধর্মাবলম্বী সকল স্তরের নাগরিক মহোদয়গন !
শুরুতেই সকলকে জানাচ্ছি যথাবিহীত সম্মান এবং সংগ্রামী শুভেচ্ছা ।

আমরা সকলেই অবগত যে , একটি দেশের সকল নাগরিক জাতীয়তা স্বত্বায় প্রত্যেকেই একই জাতি । আমরা যেহেতু বাংলাদেশের নাগরিক , সেহেতু আমরা প্রত্যেকেই একই পরিচয়ে পরিচিত , একই পরিচয় প্রত্যেকের । আর সেটা হলো - আমরা বাংলাদেশী ।

যদিও আমরা দেশ স্বাধীনের সময় সকল নাগরিক একত্রে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে যুদ্ধ করলেও , সবাইকে একজাতি মেনে নিলেও পরবর্তীতে আমরা সকল নাগরিকদের একচোখে দেখিনি । একই জাতি হিসাবে গণ্য না করে দেশের একাংশ নাগরিকদের বিভিন্ন সম্প্রদায়ে ভাগ করে ফেলেছি নিজেদের সুবিধার্থে , অবহেলিত করে রেখেছি তাদের । অথচ এরকম হবার কথা ছিলোনা । নাগরিকদের ধর্ম পালনের মধ্যে বিভিন্নতা থাকতে পারে , নাগরিক হিসাবে তাদের পরিচয় , তাদের অধিকার , তাদের দায়িত্ব সবারই একই মাপের হওয়ার কথাছিলো । কিন্তু আমরা তা না করে আমরা তাদের বিভিন্ন উপাধি দিয়ে ( আধিবাসী , উপজাতী ইত্যাদি ) গোত্রে ভাগ করে নাগরিক হিসাবে প্রাপ্ত সুযোগ - সুবিধাকেও বিভিন্ন ক্যাটাগরীতে ভাগ করে নিয়ে কোন কোন নাগরিকের সুযোগ - সুবিধা বৃদ্ধি করে কোন কোন নাগরিকের সুযোগ - সুবিধা কমিয়ে দিয়েছি ।

আমরা যদি আমাদের দেশের পাহাড়ী অঞ্চলের দিকে তাকাই তবে দেখতে পাব বাংলাদেশের একাংশ নাগরিক দেশের বৃহৎ সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত । অথচ তারাও একদিন এদেশ স্বাধীন করার জন্য বন্দুক কাঁধে নিয়েছিল । জীবনের স্বার্থ ত্যাগ করে তারাও সেদিন দেশের অভ্যান্তরে ভালোভাবে বাঁচার আশায় দেশরক্ষায় যুদ্ধের ময়দানে নেমেছিলো । অথচ যুদ্ধ পরবর্তীতে দেশ স্বাধীন হবার পর দেশের কোন সরকারই এসব অঞ্চলের মানুষদের নাগরিক সুযোগ - সুবিধার দিকে নজর দেয়নি । তারা এসব অঞ্চলের নাগরিকদের বিভিন্ন উপাধি দিয়ে কোনঠাসা করে রেখেছে যুগযুগ । ফলে সেসব অঞ্চলে দেখা দিয়েছে চরম অশান্তি । তাদের অধিকার আদায়ে গঠিত হয়ে শান্তিবাহিনী ।

নাগরিক সুযোগ - সুবিধা বঞ্চিত এসব অঞ্চল তাদের হাতে ছেড়ে দেয়ার জন্য বলা হচ্ছে । তারা সুযোগ পাচ্ছে বলার দেশের অভ্যান্তরে আরও একটি দেশ গঠনের ! তারা আজ সেইসব অঞ্চলে স্বাধীনতার ডাক দিচ্ছে । কেন এমন হবে  ? একমাত্র কারন , সমগ্র দেশের নাগরিকদের প্রতি সরকারের দৃষ্টির বিভিন্নতা ।

সরকার আলোকিত জনপদকেই আলোকিত করনে ব্যস্ত , অন্ধকার জনপদের দিকে সরকারের দৃষ্টির অভাবে আজ দেশের অভ্যান্তরেই আর একটি দেশ গঠনের চেষ্ঠা চলছে , চাওয়া হচ্ছে একটি স্বাধীন দেশ থেকে আর একটি স্বাধীনতা ! এটা কোন স্বাধীন দেশের কাম্য নয় ।

যে কোন স্বাধীন দেশের নাগরিকদের সুযোগ - সুবিধা সকল নাগরিকদের জন্য একই হতে হবে , এটাই নিয়ম । নয়তো সেটা স্বাধীন দেশ থাকবেনা , সৈরাচারী দেশ হিসাবেই পরিগণিত হবে । দেশের নাগরিকগণ উশৃন্খল হয়ে উঠবে । চারিদিকে দেখা দিবে অশান্তির অগ্নোৎপাত ।

আমরা এদেশের নাগরিক । এদেশ আমাদের মর্যাদার প্রতীক । কেননা , এদেশ আমাদের জন্মভূমি । আমরা মুসলিম , আমরা হিন্দু , আমরা খ্রীষ্টান , আমরা বুদ্ধ - আমাদের ধর্ম যাই হোক না কেন , আমরা এ দেশেই জন্মেছি । তাই এদেশ আমাদের । এদেশ আমাদের কাছে সবচেয়ে মর্যাদাবান । আমাদের গর্ভধারিনী - জন্মদাত্রী মাতা আমাদের গর্ভধারণ - জন্মদেবার কারনে যেরূপ আমাদের কছে মর্যাদাবান , তেমনি আমাদের জন্মের পর কিংবা আশ্রয় গ্রহনের পর এই ভূমি আমাদেরকে বুকে ধারণ করার কারনে , আমাদের আশ্রয়দেবার কারনে এদেশ “ মা ’’ এর মতোই মর্যাদাবান । আমাদেরকাছে মা’য়ের যেরূপ মর্যাদা , আমাদের মা আমাদের কাছে যেরূপ সম্মনের যোগ্য , আমাদের কাছে আমাদের দেশেরও সেরূপ মর্যাদা , সেরূপ সম্মানের যোগ্য ।

সুপ্রিয় দেশপ্রেমিক !
আমরা এদেশে জন্মেছি বলেই এদেশ আাদের কাছে পরম পূঁজনীয় । মা - মাটি - মাতৃভূমি ; এ ত্রিমাতৃক আশ্রয়স্থল আমাদের জীবনের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত । আমাদেরকে জন্মদিয়েছেন যিনি - সেই মা , আমা ভূমিষ্ঠ হয়েছি যে মাটিতে - সেই মাটি , আর আমার ভূমিষ্ঠকালীন মাটি যে দেশে অবস্থিত - সেই দেশ ; এ তিনের সমন্বয়েই আমাদের জীবনযাত্রা পথের সূচনা ।

মা-কে যেমন আমরা আমাদের জন্মদেবার কারনে অবমাননা করতে পারিনা । তেমনি অবমাননা করতে পারিনা সেই মাটি ও সেই দেশকে - যা আমাদের ধারণ করেছিলো । কিন্তু , আজ আমরা সেই বৃহৎভুল এবং গাদ্দারীটাই সকলে করছি । আজ আমরা প্রত্যেকেই ব্যক্তিগত স্বার্থান্ধত্বের গেড়াকলে আটকে এবং লোভ - লালসা - কামনা - বাসনা তথা ষঢ়রিপু ( কাম , ক্রোধ , লোভ , মোহ , মদ , পরশ্রীকাতরতা ) এর অভিলাষে মত্ত হয়ে সেই মা - মাটি - মাতৃভূমির অবমাননা করছি প্রতিনিয়ত , প্রতিস্থানে । আমরা ঘূর্ণাক্ষরেও বুঝতে স্বচেষ্ঠ হচ্ছিনা যে , কিভাবে আমরা জন্মস্থানের মাটি - মাতৃভূমির সম্মানকে লাঞ্চিত - পদদলিত করছি , করছি আমাদের মায়ের সম্মানকে ক্ষুন্ন ।

নির্দ্বিধায় আজ আমরা চুরি - ডাকাতি - রাহজানী - খুন - গুম - অপহরণ - ধর্ষণ - ব্যাভিচার - অবিচার - অন্যায় - অত্যাচার - জুলুম ইত্যাদি বিবিধ অপকর্ম ঘটিয়ে করছি মা - মাটি - মাতৃভূমির সম্মানের ক্ষতি । ক্ষণিকের সুখ ( ? ) ভোগে আমরানিজেদের কোথায় নিয়ে গিয়ে দাঁড় করাচ্ছি তা এতটুকু ও ভাবতে পারছিনা ! না পারছি সুখভোগ করতে , না পারছি শান্তিলাভ করতে । না পারছি পরিবারে খাঁপ খেতে , না পারছি সমাজে মুখ দেখাতে । আর না পারছি স্বাধীন দেশের স্বাধীন রাজপথে স্বাধীন ভাবে বিচরণ করতে ।

ক্ষণিকের সুখভোগে মত্ত হয়ে আজ আমরা সর্বক্ষেত্রে অবাঞ্চিত হয়ে গেছি । ক্ষণিকের সুখভোগে অংশ নিয়ে আজ আমরা নিজেদের জীবনে অশান্তিতো ডেকে আনছিই , সাথে সাথে অশান্তির আগুন জ্বালাচ্ছি পরিবার - প্রতিবেশী - সমাজ - সমগ্র দেশেও । মানুষ হয়ে অমানুষের কর্ম করে নিজেদের আড়াল করছি মানুষদের কাতার থেকে । দিক-বিদিক জ্ঞান হারিয়ে পশুত্বের রূপ গ্রহন করছি মনের অজান্তে । মানুষ থেকে পশুতে রূপান্তর - কোন বিবেকবান মানুষের কাম্য হতে পারেনা ।

তাই ,  আর নয় ; আসুন আমরা মানুষ - মানুষ হয়েই থাকি । যারা মানুষ থেকে পশুতে রূপান্তর হয়েছি ; আসুন আবার আমরা মানুষে রূপান্তর হই । কারন , মানুষই সৃষ্টির সেরা । নষ্ট বিবেককে সংশোধন করে আসুন আমরা মায়ের সম্মান দিই, আমাদের বক্ষে ধারণ কারি মাটিকে মূল্যায়ন করি , স্বদেশের সুনাম রক্ষা করি ।

আসুন দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হই , সকল প্রকার অন্যায় থেকে নিজেদের বাঁচাই , অন্যদেরও বাঁচতে সহযোগীতা করি । আসুন স্বদেশের সুনাম অর্জনে স্বচেষ্ঠ হই , দেশজ কল্যানে আত্মনিয়োগ করি , দেশের উন্নয়নে সৎচিন্তা করি ।

আসুন আত্মপরিচয় দানে এগিয়ে আসি , দেশীয় সংস্কৃতিকে বিশ্বমানের করে তুলি , দেশীয় সংস্কৃতির ধ্বংস সাধনের কর্মকান্ড পরিহার করি , বিজাতীয় সংস্কৃতির অশুভ ছায়ার মূলোৎপাঠন করে ধারন করি স্বজাতীয় সংস্কৃতির সুন্দর রূপকে , ভিনদেশী সংস্কৃতির ভয়াল রূপ আমদানী না করে সাজাতে থাকি স্বদেশীয় সংস্কৃতির মনমুগ্ধকর রূপ দিয়ে সমগ্র দেশের সার্বিক অবয়ব ।

আসুন দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে দেশের সকল নাগরিক এক হই , বিদেশ থেকে পণ্য আমদানী না করে বিদেশে নিজেদের পণ্য রফ্তানীর বাজার গঠন করি , পার্শবর্তী দেশ ভারতীয় নাগরিকদের মতো প্রতিজ্ঞা করি - আমরা বিশ্বের যেখানেই থাকিনা কেন বিদেশী মাল আমরা খরিদ করবোনা , আমাদের স্বদেশীয় পণ্যই হোক আমদের উপযুক্ত পণ্য ।

সুপ্রিয় সমাজসেবক !
আমরা যে সমাজে বাস করছি তা এখন ঘুণে ধরা সমাজে রূপান্তরিত । ধীরে ধীরে ঘুণপোকা সে সমাজকে নষ্ট করে চলেছে । আমাদের ঘুমের মধ্যে আমাদের ঘুণে কাটা সমাজ ধ্বংস হতে যাচ্ছে । ছোট - বড় অন্যায় - অপরাধে জন্মলাভ করছে সেইসব ঘুণপোকা । এভাবে চলতে থাকলে অচিরেই সে সমাজ আমাদের জন্য বাসযোগ্যহীন হয়ে পড়বে । তাই , আসুন - আমরা জাগ্রত হই , নিদ্রা ভেঙ্গে সমাজের দিকে দৃষ্টি দিই , ঘুণে ধরা সমাজকে বাঁচাই , ধ্বংসপ্রায় সমাজকে বাসযোগ্য করে আবার গড়ে তুলতে সকলেই স্বচেষ্ঠ হই ।

সুপ্রিয় জনদরদী !
আমরা ধর্মীয় বন্ধনে আবদ্ধ সবাই । এমন কোন ব্যক্তি বা মানুষ নেই যার কোন ধর্ম নেই । প্রতিটি মুসলীম যেমন ইসলাম ধর্মের ধর্মীয় বন্দনে আবদ্ধ । তেমনি , প্রতিটি হিন্দু , প্রতিটি বৌদ্ধ , প্রতিটি খ্রীষ্টান , এমনি আরো যারা আছে সকলেই স্ব স্ব ধর্মীয় বন্ধনে আবদ্ধ , যার কোন ধর্ম নাই বলে , তার ও একটা নিজস্ব ধর্ম রয়েছে - সেটা হচ্ছে তার নিজ জীবন পরিচালনার নিয়ম-নীতি , সে তার জীবন কিভাবে পরিচালনা করবে সেই চিন্তাটাই তার ধর্ম । একটা জীবনকে সুন্দর রূপে , সুশৃন্খলভাবে , বিশ্বজগতের কল্যানে , শান্তির সহিত পরিচালনা করার নামই ধর্ম ।

পৃথিবীতে প্রতিটি ধর্মের আবির্ভাবই হয়েছে শান্তির সওগাত নিয়ে । এমন কোন ধর্ম নেই যাতে শান্তির বার্তা দেয়া হয়নি । তৎসত্বেও আমরা দেখতে পাচ্ছি সমগ্র দেশব্যাপী তথা সমগ্র বিশ্বে অশান্তির দাবানল ধাউ ধাউ করে জ্বলছে । আর সেই অশান্তির দাবানল সৃষ্টি করছি আমরাই , ধর্মের বন্ধনে আবদ্ধ মানুষজাতিই। 

কারণ কি ? কারণ একটাই - আমরা মানুষ হয়ে ও মনুষ্যত্বের গুণটা অর্জন করতে পারিনি , পারছিনা বা করছিনা । আমরা ধর্মের বন্ধনে থেকে ও ধর্ম মানছিনা । যেরূপ কোন সন্তান মায়ের উদর থকে জন্ম নিয়েও সে তার মা-কে মানেনা । মা-য়ের অবাধ্যতা করে । যেরূপ আমরা সমাজে বাস করেও সমাজকে মানছিনা , সমাজের নিয়মবদ্ধ আচার - আচরনের বিরোধীতা করছি ।

এর কমাত্র কারণ , আমাদের নির্মল মন এবং সুন্দর খোলা চোখ স্বার্থপরতার কালো আবরনে ঢেকে গেছে । আমরা সৃষ্টিজগতের শ্রেষ্ঠ সৃষ্টিজাত হয়েও স্রষ্টার নিয়ম লঙ্গন করে অমানুষ হয়ে গেছি । ধর্মের গণ্ডীতে থেকেও ধর্মের নিয়ম বিরোধীতা করে ধর্মচ্যুত হয়ে গেছি । কোন সন্তান যেমন পিতামাতার অবাধ্য হয়ে ত্যাজ্য ঘোষিত হয় , কোন লোক যেমন সমাজবিরোধী কর্ম করে সমাজচ্যুত হয় , কোন নাগরিক যেমন দেশদ্রোহী কর্মে জড়িয়ে দেশান্তরী হয় । তেমনি , আজ আমাদের অবস্থা ।

আর তাই , আমরা আজ অশান্তির আগুনে জ্বলে পুড়ে অঙ্গার হচ্ছি চতুর্দিকে । মানুষের পীঠ দেয়ালে ঠেকে গেলে যেমন সে নববলে বলিয়ান হয়ে বাঁচার চেষ্ঠা করে , তেমনি আমাদের পীঠ এখন দেয়ালে ঠেকে গেছে । অশান্তির দাবানলে জ্বলতে জ্বলতে আর যায়গা নেই যে আমাদের জ্বলবার । এখন ধ্বংসের পাদপীঠে দন্ডায়মান আমরা ।


যদি আমরা বাঁচতে চাই , তবে এখনই আমাদের নব বলে বলিয়ান হয়ে বাঁচার চেষ্ঠা করতে হবে । এখনই ভাবতে হবে আমাদের কি করা উচিত । কি করলে আমরা বাঁচব - সে পথেই আমাদের ধাবিত হতে হবে ।


তাই , হে বন্ধু ! আসুন আমরা সেই পথ আবিস্কার করি , সে পথে অভিযান চালাই - যে পথে আমাদের বাঁচার দিক পরিলক্ষিত হবে , যে পথ দেখাবে আমাদেরকে সুখ - শান্তির সাম্রাজ্য । আপনি মুসলীম - হিন্দু - বৌদ্ধ - খ্রীষ্টান বা অন্য যাই ই হোন না কেন , নিজ নিজ ধর্মের নীতিমালা সঙ্গে নিয়ে শান্তির পথে অভিযান চালান ।


সুপ্রিয় মানবতার সৈনিক !

আমরা মানুষ । সৃষ্টিজাত হিসাবে আমরা একই জাতি । সমগ্র মানবধর্ম এক এবং অভিন্ন । আমরা সবাই বাংলাদেশের অধিবাসী । আমরা বাংলাদেশী জাতীয়তার বন্ধনে আবদ্ধ একই জাতি । তাই , আর নয় সংখ্যালঘু  আর সংখ্যাগরিষ্ঠতার মধ্যে প্রভেদ । আর নয় ধনী আর গরীবের মধ্যে ভেদাভেদ ।


আর নয় স্বার্থান্ধত্বের স্বরোষে একে অন্যকে আক্রমন । আর নয় - চুরি , ডাকাতি , রাহাজানী , সুদ , ঘুষ , খুন , গুম , অপহরণ , ধর্ষণ , অন্যায় , অবিচার , অনাচার , অত্যাচার ,  ব্যভিচার , জুলুম ইত্যাদি কুকর্মের মাঝে পথ চলা । আর নয় - আপন জাতিকে ধ্বংস করা ।

সময় এসেছে গান করার -
“ গ্রামের নওজোয়ান হিন্দু মুসলমান ,

মিলিয়া ভাউলা গান আর মুর্শীদি গাইতাম ,

আগে কি সুন্দর দিন কাটাইতাম -
আগে কি সুন্দর দিন কাটাইতাম ! ’’


সময় এসেছে - আমাদের একে অপরকে জানার , ভাই হয়ে ভাইকে চেনার । সময় এসেছে - জাতিকে চেনার । সময় এসেছে - ব্যক্তিবিশেষ সংশোধন হবার ।


তাই , আসুন - আমরা মনুষ্য জাতি একে অপরকে চিনি , জানি । ভাই হয়ে ভাইকে চিনি , জানি । ব্যক্তিবিশেষ সংশোধিত হই । আসুন - সৎকাজের ব্রতী হই । সকল অসৎ , অপকর্ম থেকে অন্যদের বিরত রাখার চেষ্ঠা করি নিজেরাও বিরত থাকি । আসুন - শান্তির পথ ধরি । শান্তি রক্ষায় নিজেদের নিয়োজিত করি ।


যুবকদের খুনরাঙ্গা পথেই হয়েছিলো একদিন এই পৃথিবী সভ্য । আসুন - সেইসব যুবকদের মতো মন নিয়ে শান্তি রক্ষার অভিযানে যোগ দিই । অস্ত্র নয় , যুদ্ধ নয় , রক্তের হোলিখেলা নয় । আসুন - বিনা অস্ত্রে , মনোবল নিয়ে , ধর্মের নিয়ম নিজ নিজ মুখে ও চরিত্রে ধারণ করে লাইফ ইনস্যুরেন্স করি ।

তবেই হবে সমাজে শান্তির আবাসন । তবেই হবে মানবতার মুক্তি । নিজ নিজ ধর্মগ্রন্থ হাতে নিন । কিভাবে ? কোথায় ? কি করতে হবে ? তাহাই দিবে সঠিক নির্দেশনা ।


গণ্ডারের চামড়া গায়ে জড়িয়ে জীবন উপভোগ করাতে আনন্দ নেই , নেই সুখ । শান্তির মখমল পোশাক গায়ে জড়িয়ে নিজকে প্রদর্শন করাতেই আনন্দ , সুখ । তাই , বাস্তবতার আলোকে সুখ - শান্তির জীবন সাজাতে আসুন - শাশ্বত সত্যের শান্তি পথে । পদ সঞ্চালন করুন অস্ত্রের ঝনঝনাতিতে নয় , শান্তি ও নিরস্ত্রভাবে সত্য ও ন্যায়ের ভিত্তিতে অন্যায়ের বিরুদ্ধে সংগ্রাম পরিচালনায় । সকলকে সংগ্রামী শুভেচ্ছা ।
======================= 

সুপ্রিয় বন্ধু !
আপনি যদি জনদরদী , সমাজসেবী ও দেশপ্রমিক মনোভাবাপন্ন হোন , তবে নিশ্চয়ই  শুনে আনন্দিত হবেন যে  , দেশের প্রত্যেক জিলার তারুণ্যদ্বিপ্ত বেশ কিছু লোকের আমরা একদল শান্তিকামী জনতা সম্পূর্ণ অরাজনৈতিকভাবে দাঙ্গা - হাঙ্গামা বিহীন নিরস্ত্র হাতে জনগন , সমাজ ও দেশের শান্তিরক্ষা কল্পে “ সৎকাজের আদেশ দান ও অসৎ কাজে বাধা দান ’’ মুলক দেশব্যাপী সার্বিক অনিয়ম - জুলুম - দূর্নীতি - অন্যায় এবং অশান্তিকর কর্মকান্ডসমুহের বিরুদ্ধে একটি দলমত নবায়নী বা সংশোধন ভিত্তিক শান্তি প্রতিষ্ঠায় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ শান্তিকামী একটা আদর্শ জনগোষ্ঠি গঠন বা সমাজসেবা মূলক একটা প্রতিষ্ঠান গঠনের লক্ষ্যে দেশর সকল ধর্মাবলম্বী , চিন্তাবিদ , দার্শনিক , সমাজসেবক , দেশপ্রমিক , আদর্শিক ব্যক্তিদের সৎ চিন্তার ফসল নিয়ে একটি আদর্শ সমাজের মডেল বাস্তবায়নের অভিপ্রায়ে ইনশাআল্লাহ শিঘ্রই মাঠে নামতে যাচ্ছি ।
তাই , সমগ্র বাংলাদেশের প্রতিটি জনপদের সকল ধর্মাবলম্বী প্রতিটি পরিবার থেকে একজন করে শান্তিকামী লোক আত্মনিবেদিত সমাজকর্মী হিসাবে আমাদের সদস্যভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি । এমতাবস্থায়  , আপনি এদেশের প্রকৃত নাগরিক হিসাবে মুসলীম - হিন্দু - বৌদ্ধ - খ্রীষ্টান কিংবা অন্য যে কোন ধর্মাবলম্বীই হোন না কেন , আমরা আপনাকে আমাদের শান্তিরক্ষার অভিযাত্রী দলের একজন একনিষ্ঠ আত্মনিবেদিত শান্তিকর্মী হিসাবে পেতে চাই । তাই , আপনার কাছে বিনীত অনুরোধ থাকবে , আমাদের অভিযাত্রী দলের সদস্য হয়ে শান্তির সংগ্রামে যোগ দিতে তৈরী হবার জন্য ।
মহান আল্লাহ পাক অধম ও অকল্যানকর সকল পথ পরিহার করে উত্তম ও কল্যানকর পথ অবলম্বনে সকলকে সহায়তা করুন । আমীন ।

যোগাযোগ -
আহবায়ক ,
আমরা শান্তিকামী বাংলাদেশী নাগরিক

ই-মেইল -  
amra.shantikami.bangladeshi@gmail.com
            Amra.manush.hote.chai@gmail.com
        amrashantikamibangladeshinagorik@hotmail.com


ফেইসবুক প্রোফাইল -
“ আমরা বাংলাদেশের শান্তিকামী নাগরিক (আমরা শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ চাই) ’’

লেখালেখির উপর একটা মন্তব্য




লেখালেখির উপর একটা মন্তব্য 


আমি জটিল রচনার বিপক্ষে । আমি যা লিখি তা যদি সাধারণ পাঠক বুঝতে না পারে তবে আমার লেখার স্বার্থকতা কোথায় ? কিন্তু এই কথাটা অনেক লেখক বুঝতে চান না । আমরা যা রচনা করি সাধারণ পাঠকদের বোধগম্যের দিকে দৃষ্টি রেখেই রচনা করা উচিত বলেই আমি মনে করি । আমাদের ভাবা প্রয়োজন - আমরা কেন লিখছি , কার জন্য লিখছি ? যদি আমার লেখা সাধারণ পাঠক বুঝতে না পারে , তবে সেটা আমি কার জন্য লিখলাম ? আমরা জ্ঞান দিতে যাবো কাদের কে ? যাঁরা জ্ঞানী তাঁদের কে , নাকি যাঁরা জ্ঞানের আলোয় আলোকিত নন তাঁদের কে ?
আমাদের বেশীর ভাগ লেখকই দেখতে পাচ্ছি জ্ঞানী লোকদেরই জ্ঞান দান করতে স্বচেষ্ঠ ! তাঁরা লিখায় যেন বলতে চান - জ্ঞানী লোকরাই আমার লেখা পড়ুক , সাধারণ পাঠক আমার লেখা পড়ে কি বুঝবে , করবে কি ? এই হলো আমাদের লেখক সমাজের বেশীরভাগ লেখকদের একটা বিরাট রোগ । তাঁরা সাধারণ পাঠকদের উপযোগী করে কোন কিছুই লিখতে চান না ।
স্কুল - কলেজ গঠিত হয় জ্ঞানহীনদের জ্ঞানদানের জন্য । জ্ঞানীদের জন্য নয় । আমি মনে করি লেখকদের এক একটি লেখা সমাজ সংশোধনের এক একটা হাতিয়ার । যদি এই হাতিয়ার সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রেনা পৌঁছায় , তবে সমাজ সংশোধন হবে কি করে ? যারা হাতিয়ার বানায় তাদের কাছেই যদি হাতিয়ার রখে দেয়া হয় , তবে সেই হাতিয়ার বানানোর প্রয়োজনীয়তা কি আমার বুঝে আসেনা ।
আমরা এই যে কবিতা লিখি, গল্প লিখি , উপন্যাস লিখি -   তা কেন লিখি ? কাদের জন্য লিখি ? আমরা কি ভাবি - আমাদের লেখাগুলো পড়ে জ্ঞানহীন লোকেরা আমাদের জ্ঞানের আলোয় আলোকিত হোক ? আমরা কি ভাবি - আমাদের লেখাগুলো পড়ে একজন সাধারণ মানুষের কতটুকু উপকার হচ্ছে ? আমরা কি ভাবি - আমাদের লেখাগুলো আদৌ কোন সাধারণ মানুষ পড়তে পারছে কি না ?
আমাদের জীবন যেমন জটিল করে ফেলেছি আমরা  , তেমনই আমাদের লেখালেখির জগতও আধুনীকতার নামে জটিল করে ফেলেছি । আজকের আমাদের লেখাগুলো হয়ে পড়েছে সাধারণ মানুষদের বোধগম্যের বাইরে ! সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষদের কোন উপকারেই আসছেনা আমাদের লেখা ।
আগে ঘরে ঘরে দেখতাম পুঁথি রাখা হতো । সহজ সরল সহজবোধ্য সকলের বোধগম্য কাব্যবিশেষ বইয়ের নাম পুঁথি । গ্রাম-গঞ্জে সবাই হারিকেন জ্বালিয়ে পুঁথি পড়তো । মা - বোনরা গোল দিয়ে বসতো পুঁথির আড্ডায় ! এমন কোন ঘর ছিলোনা , যেখানে পুঁথি পরার আয়োজন ছিলোনা । আমি এখনও ধরে রেখেছি আমার ঘরের বুকসেল্ফে কয়েকটা পুঁথি আমার বাবার দিনের ।
আমার বাবা ছিলেন তদানিন্তন বার্মা ( বর্তমান মায়নামার ) -য় কর্মশেষে রাত্রে সঙ্গীদের কাছ থেকে সবুজসাথী বা বাল্যশিক্ষা পড়ুয়া একজন শিক্ষিত । আর তিনিই পড়তেন পুঁথি - সয়ফুল মুল্লুক বদিউজ্জামান , দাতা হাতেম তাই , মাওলানা রুমীর মসনবী শরীফ ইত্যাদি আরও কত কি !
আর এখন আমাদের লেখাগুলো প্রতিটা ঘরে দূরে থাক গ্রামের মেট্রিক পাশ ছাত্রদের হাতে ও দেখতে পাইনা ! জিজ্ঞেস করলে বলে - যেটা বুঝিনা সেটা নিয়ে ঘাটাঘাটি করে লাভ কি ? কি সব কবিতা লেখে কবিরা , একটা শব্দও বুঝা যায়না !
এখন ভাবুন আমাদের লেখা কার জন্য ? আমরা কেন লিখি ?  ফেইসবুকের লক্ষ লক্ষ ব্যবহারকারী । দেখুনতো কয়জন পড়ছে আমাদের লেখা  ? কেন পড়ছেনা , আমরা কি জানতে ছেয়েছি কখনো  ? আমাদের লেখা আমরাই পড়ছি , আর কেউ পড়ছেনা , কেন ?
আসলে আমরা সবকিছুর মতো আমাদের লেখাকেও জটিল করে ফেলেছি , তাই আমাদের লেখার পাঠক শুধু আমরাই , অন্য কেহই আমাদের লেখা পড়ছেনা ।

ভুলত্রুটি মার্জনীয় …