আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের শুভেচ্ছা
বাংলা ভাষার জন্য আত্মত্যাগকারী
সকল মহান ভাষা শহীদগণের প্রতি,
এবং ভাষা আন্দোলনের সাথে সম্পৃক্ত
সকল ভাষা সৈনিক
ও বীর বাঙ্গালীদের জানাই অশেষ শ্রদ্ধাঞ্জলী,
সেইসাথে সকলকে জানাই
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের শুভেচ্ছা।
বিষয় সূচী
APNAKE SHAGOTOM
সকলকে বাংলা নতুন বছরের শুভেচ্ছা
অথচ একদিন আমরা বাঙ্গালী জাতি একতাবদ্ধ হয়ে রাষ্ট্রীয় ভাষা উর্দুকে ত্যাগ করে নিজেদের মাতৃভাষা বাংলাকে রাষ্ট্রীয় ভাষা তথা বাংলা ভাষাকে সর্বত্র প্রচলন করতে প্রাণ দিতে বাধ্য হয়েছিলাম ! ফলে বিজাতীয় ভাষা উর্দূকে অপসারন করে নিজেদের মাতৃভাষায় কথা বলার স্বাধীনতা অর্জন করে বাংলা ভাষাকে ধারন করেছিলাম । যখন আমরা বাংলার সর্বত্র বাংলা ভাষায় কথা বলা শুরু করেছিলাম ,তখন কিন্তু বিশ্বায়নের যুগটা অনুপস্থিত ছিল তা নয় , বিশ্বায়নের যুগটা তখনও ছিল বিধায় আমরা ইংরেজী শিক্ষায় তখনও বাধ্য ছিলাম । অর্থাৎ যে জন্যে আজ আমরা ইংরেজী শিখছি সেইজন্যে তখনও ইংরেজী শিক্ষার প্রচলন ছিল । ছিল ইংরেজী শিক্ষার প্রয়োজনীয়তাও । তাই বলে সে সময় বর্তমান সময়ের মত মাতৃভাষা বাংলাকে অবমাননা করা হয়নি । মানুষ সে সময় বাংলায়ই কথা বলেছিল । শুধুমাত্র প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রেই সে সময় ইংরেজী ব্যাবহার করেছিল বাঙ্গালী জাতি ।
conduit-banners
Powered by Conduit |
সোমবার, ৭ নভেম্বর, ২০১১
আমরা চাই একটা শান্তিপূর্ণ বিশ্ব
সোমবার, ১৭ অক্টোবর, ২০১১
অবাঞ্চিত
রবিবার, ১৬ অক্টোবর, ২০১১
হতে চাই মোরা প্রকৃত স্বাধীন
শনিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০১১
তুমি বিহীন আমি
সোমবার, ১০ অক্টোবর, ২০১১
নিঝুম রাতে...
রবিবার, ৯ অক্টোবর, ২০১১
ঘুরে আসুন ফেনুয়া চা বাগান
যানবাহন বিবরণ :-
চট্টগ্রাম শহর থেকে (হাটহাজারী হয়ে)-ফটিকছড়ি অথবা খাগরাছড়ির বাস যোগে অথবা সিএনজি-প্রাইভেট কার (শেয়ার) যোগে ফটিকছড়ি উপজিলা সদর (বিবিরহাট)। বিবিরহাট (হাতিরপুল) থেকে (গহিরা-হেয়াকোঁ সড়ক হয়ে)-জীপ-সিএনজি-টেক্সি-রিক্সা-প্রাইভেট কার (শেয়ার) যোগে দক্ষিণ রাঙ্গামটিয়া চৌমুহনী বাজার। এখান থেকে (প্রাইভেটভাবে) রিক্সা-সিএনজি-টেক্সি-প্রাইভেট কার যোগে ফেনুয়া চা বাগান।
সময় বিবরণ :-
চট্টগ্রাম শহর থেকে বিবিরহাট-(সর্বোচ্চ) ২ ঘন্টা। বিবিরহাট (হাতিরপুল) থেকে ফেনুয়া চা বাগান-(সর্বোচ্চ) ২ ঘন্টা। (ফিরতি পথের সময় ও অনুরূপ।) বাগানে অবস্থান-(সর্বোচ্চ) ৪ ঘন্টা।
থাকা ও খানা :-
বাগানে থাকার কোন ব্যবস্থা নেই। তবে বিবিরহাটে রাত্রিযাপনের জন্য কমদামী কিছু বোর্ডিং রয়েছে। বাগানে দুপুরের খাবারের জন্য উপজিলা সদর বিবিরহাটই উত্তম। বাগানে বেশিক্ষণ অবস্থানের জন্য দুপুরের খাবার বিবিরহাট থেখেই সঙ্গে করে নিয়ে যাওয়া উচিত।
কি কি দেখবেন ?
পুরোটা বাগান জুড়ে দেখতে পাবেন মহান আল্লাহর এক অপূর্ব সৃষ্টি ! মনোহর সব নৈসর্গিক দৃশ্য ! গভীর অরন্যে সরাসরি দেখা মিলতে পারে বিভিন্ন প্রজাতির পশু-পাখি-কীট-পতঙ্গের। ভাগ্য ভালো হলে বাঘের দেখাও মিলতে পারে। আরও দেখুন বাগানের চমক বিশাল চা তৈরীর ফেক্টরী। দেখুন সকল উপজাতীয়দের জীবনাচার। সবকিছুই মনের বাগানে চাষাবাদ হয়ে যাবে আজিবনের মত। বিশ্বাস না হলে ঘুরেই আসুন না একবার হে মহান পর্যটক। এত সুন্দর একটা স্থানে পৌঁছে যেন এ অদমকে একটু স্মরণ করতে মনে কার্পণ্যতা না এসে যায় ...







