আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের শুভেচ্ছা

বাংলা ভাষার জন্য আত্মত্যাগকারী

সকল মহান ভাষা শহীদগণের প্রতি,
এবং ভাষা আন্দোলনের সাথে সম্পৃক্ত

সকল ভাষা সৈনিক
ও বীর বাঙ্গালীদের জানাই অশেষ শ্রদ্ধাঞ্জলী,
সেইসাথে সকলকে জানাই

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের শুভেচ্ছা।

বিষয় সূচী

সাহিত্য (60) অন্যান্য কবিতা (53) ভালোবাসার পদবিন্যাস ( প্রেম সম্পর্কিত রচনা বিশেষ ) (53) আমার লেখা প্রবন্ধ-নিবন্ধ (37) কবিতা (35) দেশ নিয়ে ভাবনা (33) ফিচার (33) বাংলাদেশ (29) সমসাময়িক (28) খন্ড কাব্য (26) হারানো প্রেম (22) সংবাদ (18) কাল্পনিক প্রেম (16) ইতিহাস (15) প্রতিবাদ (15) সুপ্রভাত প্রবাসী বাংলাদেশ (15) Online Money Making Links (14) দেশাত্মবোধক কবিতা (13) আমার জীবনের দিনপঞ্জী (12) ধর্ম (12) প্রেমের কবিতা (11) ব্যক্তিত্ব (11) রাজনীতি (11) ধর্মীয় আন্দোলন (10) প্রবাসের কবিতা (10) খন্ড গল্প (9) জীবন গঠন (9) বর্ণমালার রুবাঈ (9) ইসলাম (8) প্রগতি (8) মানুষ ও মানবতা (8) হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ (8) VIDEOS (7) আমার লেখালেখির অন্তরালে (7) ইসলামী জাগরণ (7) মানব মন (7) ট্র্যাজেডি (6) শোক সংবাদ (6) সম্প্রীতি (6) নারী স্বাধীনতা (5) প্রেমের গল্প (5) বিজয় দিবসের ভাবনা (5) মৃত্যুপথ যাত্রী (5) সংবাদ মাধ্যম (5) স্মৃতিকথা (5) ঈদ শুভেচ্ছা (4) প্রবাস তথ্য (4) রমজান (4) শুভেচ্ছা (4) Computer Programer (3) আমার ছবিগুলো (3) আমার রাইটিং নেটওয়ার্ক লিংক (3) পর্দা (3) ফটিকছড়ি (3) বাংলাদেশের সংবিধান (3) বিশ্ব ভালবসা দিবস (3) শিক্ষা (3) শিক্ষার্থী (3) স্লাইড শো (3) News (2) VERIETIES POEMS OF VERIOUS POETS (2) আষাঢ় মাসের কবিতা (2) আষাঢ়ের কবিতা (2) ইসলামী রেনেসাঁ (2) ছাত্র-ছাত্রী (2) থার্টি ফাস্ট নাইট (2) নারী কল্যান (2) নারী প্রগতি (2) নির্বাচন (2) বর্ষার কবিতা (2) মহাসমাবেশ (2) শবেবরাত (2) শরৎকাল (2) শাহনগর (2) শ্রদ্ধাঞ্জলী (2) সত্য ঘটনা (2) সত্য-মিথ্যার দ্বন্ধ (2) সফলতার পথে বাংলাদেশ (2) Bannersআমার ছবিগুলো (1) DXN (1) For Life Time Income (1) For Make Money (1) Knowledge (1) Student (1) অদ্ভুত সব স্বপ্নের মাঝে আমার নিদ্রাবাস (1) আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস (1) আহলে সুন্নাহ ওয়াল জামা'আত(সুন্নী) (1) উপন্যাস (1) কবি কাজী নজরুল ইসলাম (1) কোরআন - হাদিসের কাহিনী (1) গল্প (1) চট্টগ্রাম (1) চিকিৎসা ও চিকিৎসক (1) জমজম (1) জাকাত (1) তরুন ও তারুণ্য (1) নারী জাগরণ (1) পরকিয়ার বিষফল (1) ফটিকছড়ি পৌরসভা (1) বন্ধুদিবস (1) বাংলাদেশের প্রখ্যাত আলেম (1) বিবেক ও বিবেকবান (1) বিশ্ব বাবা দিবস (1) বিশ্ব মা দিবস (1) ভ্রমণ (1) মন্তব্য (1) মাহফুজ খানের লেখালেখি (1) রবি এ্যাড (1) রমজানুল মোবারক (1) রেজাল্ট (1) রোগ-পথ্য (1) লংমার্চ (1) শহীদ দিবস (1) শুভ বাংলা নববর্ষ (1) শৈশবের দিনগুলো (1) সমবায় (1) সস্তার তিন অবস্থা (1) সাভার ট্র্যাজেডি (1) সিটি নির্বাচন (1) স্বপ্ন পথের পথিক (1) স্বাধীনতা (1) হ্যালো প্রধানমন্ত্রী (1) ২১ ফেব্রোয়ারী (1)

APNAKE SHAGOTOM

ZAKARIA SHAHNAGARIS WRITING

সকলকে বাংলা নতুন বছরের শুভেচ্ছা

বর্তমান বিশ্বায়নের যুগে আমরা আর বাংলা ভাষায় কথা বলতে চাইনা । নিজের মাতৃভাষাকে যখন-তখন যেখানে সেখানে অবমাননা করে তৎপরিবর্তে ইংরেজী ভাষা ব্যবহার করতে অভ্যাস্থ হয়ে যাচ্ছি বা হয়ে গেছি ।
আরও একটু এগিয়ে গেলে বলতে হয় - আমরা আজ বাঙ্গালী হয়ে বাঙ্গালী জাতিসত্বা ভুলে গিয়ে ইংরেজী জাতিসত্বায় রক্তের ন্যায় মিশে গেছি !

অথচ একদিন আমরা বাঙ্গালী জাতি একতাবদ্ধ হয়ে রাষ্ট্রীয় ভাষা উর্দুকে ত্যাগ করে নিজেদের মাতৃভাষা বাংলাকে রাষ্ট্রীয় ভাষা তথা বাংলা ভাষাকে সর্বত্র প্রচলন করতে প্রাণ দিতে বাধ্য হয়েছিলাম ! ফলে বিজাতীয় ভাষা উর্দূকে অপসারন করে নিজেদের মাতৃভাষায় কথা বলার স্বাধীনতা অর্জন করে বাংলা ভাষাকে ধারন করেছিলাম । যখন আমরা বাংলার সর্বত্র বাংলা ভাষায় কথা বলা শুরু করেছিলাম ,তখন কিন্তু বিশ্বায়নের যুগটা অনুপস্থিত ছিল তা নয় , বিশ্বায়নের যুগটা তখনও ছিল বিধায় আমরা ইংরেজী শিক্ষায় তখনও বাধ্য ছিলাম । অর্থাৎ যে জন্যে আজ আমরা ইংরেজী শিখছি সেইজন্যে তখনও ইংরেজী শিক্ষার প্রচলন ছিল । ছিল ইংরেজী শিক্ষার প্রয়োজনীয়তাও । তাই বলে সে সময় বর্তমান সময়ের মত মাতৃভাষা বাংলাকে অবমাননা করা হয়নি । মানুষ সে সময় বাংলায়ই কথা বলেছিল । শুধুমাত্র প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রেই সে সময় ইংরেজী ব্যাবহার করেছিল বাঙ্গালী জাতি

conduit-banners

Powered by Conduit

ফ্লাগ কাউন্টার

free counters

MZS.ONLINE MONEY MAKING WAY

PLEASE CLICK ON MY BANNERS. VISIT MY AFFILIATE SITE "MZS.ONLINE MONEY MAKING WAY ( অনলাইনে অর্থোপার্জনের একটা মাধ্যম )" I HOPE IT WILL BE HELPFUL FOR YOU. Create your own banner at mybannermaker.com!

মঙ্গলবার, ১২ জুলাই, ২০১১

আমার লেখালেখির অন্তরালে ...(পর্ব - ২)



আমার লেখালেখির অন্তরালে ...
( পর্ব - ২  )
মুহাম্মদ জাকারিয়া শাহনগরী
-------------------------------- 



অপেশাদার লেখকরা নিরন্তর লেখার সাধনা করেন । কিন্তু তাঁরা নিজেদের লেখার পরিচয় তুলে ধরতে পারেনা মানব সমাজে । তাই , তাঁরা পরিচিতি পান না - কবি - সাহিত্যিক রূপে । যাঁরা পরিচয় তুলে ধরতে ভয় পান বা লজ্জা পান , তাঁদের লেখাগুলো পড়ে থাকে তাঁদের ঘরের টেবিলে । নিজেদের লেখা তাঁরা নিজেরাই পড়ে পড়ে আনন্দ পান । অথচ , তাঁদের কিছু কিছু লেখা এমন ও হয় , যেগুলো পেশাদার কবি - সাহিত্যিক - লেখকদের ও হার মানাতো । যদি স্বীকৃতি পেতো সাহিত্যজগতে তাঁদের লেখা , হয়তো পেতেন তাঁরা কবি - সাহিত্যিক - লেখকদের স্বীকৃতি ।
এভাবেই অপেশাদার লেখকরা তাঁদের মূল্যবান লেখাগুলো পরিচয় করাতে না পেরে তাঁরা কোনটাসা হয়ে বসে থাকেন ঘরে । মানব সমাজের উপকারী কিছুটা লেখা পর্দার অন্তরালে লুকিয়ে থাকে । মানব সমাজ বিবিধ উপকার প্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত হয় ।
আর কবি - সাহিত্যিক - লেখকগণ তাঁদের মনের ভাবনাগুলো লিখেন নির্ভয়ে । সেগুলোর পরিচিতি প্রদানে এগিয়ে যান । পেশাদার লেখক হিসাবে দাঁড় করান নিজেদের সাহিত্যজগতে । সাহিত্যজগতে মূল্যায়নের জন্য তাঁদের লেখাগুলো প্রকাশ করেন । স্বীকৃতি মেলে তাঁদের লেখার । মূল্যায়ন হয় তাঁদের ভাবনাগুলোর । স্বীকৃতি পান কবি - সাহিত্যিক - গল্পকার - ছড়াকার - প্রবন্ধকার ইত্যাদি রূপে । মানব সমাজ উপকৃত হয় তাঁদের লেখায় ।
এই যে আমি , অপেশাদার লেখক হিসাবেই লিখে যাই মনের ভাবনাগুলো । নিতান্তই মনোৎসাহে লিখে চলি অনবরত । কাগজ অপচয় করি , আঙ্গুলের ডগা ক্ষয় করি , কলমের কালি নষ্ট করি , সময়ের অবমূল্যায়ন করি , ব্রেইনকে করি অহেতুক জ্বালাতন - এভাবেই , লেখনী জগতে করি আমি বিচরণ ।
নাহ্ , আমি কবি নই , নই কোন গল্পকার , নই উপন্যাসিক , নই কোন ছড়াকার । না আমি প্রবন্ধকার , না আমি লেখক । কোনই পরিচিতি নেই সাহিত্যজগতে আমার । তাতে নেই কোন আক্ষেপ , নেই কষ্ট । না আছে তাতে কিছু প্রাপ্তির আশা , না আসে লেখায় কখনো হতাশা । তবুও লিখি । সেই ছোট বেলা থেকেই আমার লেখার অভ্যাস । সবাই বলতো - আার হাতের লেখা সুন্দর । তাই সোৎসাহে লিখতাম । লিখে চলতাম অবিরত । সেই লেখনীর পথ ধরে চলেছি আজও আমার জীবন চলার পথে ।
মনে পড়ে , চতুর্থ শ্রেণীতে থাকাকলীন সেই পাগলামীর কথা । জন্মস্থান উত্তর চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি থানার তেরো নম্বর লেলাং ইউনিয়নের অন্তর্গত নিভৃত পল্লীর এক অজপাড়া গাঁ , নাম তার শাহনগর । গ্রামের উত্তর - পূর্ব সীমান্তের সন্যাসীর হাট নামক স্থানে টিনের ছাউনি ঘেরা , নীচ থেকে উপর দিকে অর্ধেক পরিমাণ উঁচু ইট গাঁথা ওয়াল চতুর্দিক , তার উপর ছাদ পর্যন্ত বাঁশের বেড়া । ফ্লোর কিছু মাটি কিছু ব্রিক সলিনে আবৃত - এ ধরণের একটা প্রাইমারী স্কুলে পড়তাম । আমাদের ক্লাসে ছাত্র - ছাত্রী ছিল পঁচিশ থেকে ত্রিশজন । ছেলে মেয়ে একই সাথে ক্লাস করতাম সেই স্কুলেই তখন আমি ( শিক্ষকদের দৃষ্টিতে ) চতুর্থ শ্রেণীর মেধাবী ছাত্র ছিলাম । আমার একটা সবুজ সাথী ছিলো , প্রথম শ্রেণীতে পড়ানো হতো তখন । চতুর্থ শ্রেণীতে উঠেও সেই সবুজ সাথী আমি হাতছাড়া করিনি । প্রথম শ্রেণীতে থাকাকালীন সেই সবুজসাথীর একটা মাত্র কবিতা আমার বড় বোন আমাকে পড়াতো । সেই কবিতাটি হলো -
“ এমন দেশটি কোথাও খুঁজে পাবে নাকো তুমি
সকল দেশের রাণী সে যে আমার জন্মভূমি ... “
আমার খুব ভালো লাগতো কবিতাটি । চতুর্থ শ্রেণীতে উঠেও সে কবিতার উক্ত দু’টি চরণ আমি সব সময় চর্চা করতাম । আ ন ম বজলুর রশীদ এমন একটা কবিতা আমার জীবনে উপহার দিয়েছিলেন , যার দু’টি লাইন আজও ভুলতে পারিনি ।
চতুর্থ শ্রেণীতে পড়াকালীন স্কুলের পশ্চিম পার্শের বাড়িটার একই ক্লাসের একটা মেয়ে আমাকে বিভিন্ন অজুহতে প্রায়ই বিরক্ত করতো । মেয়েটির নাম ছিলো শামসুন্নাহার খানম । সবাই তাকে শামসুনি বলেই ডাকতো । মেয়েটির গায়ের রং ছিলো কালো । শরীরের গঠণ ছিলো মাঝারী । আর উচ্চতায় ছিল বেগুন গাছের সমপরিমান । দাঁত গুলো ছিলো তার চিকন , মাছ ধরার ফাঁদ চাই ( চিটাগাং এর আঞ্চলিক ভাষায় ) এর মতো ফলা ফলা সারি বাঁধা। কথা বলতো চিকন গলায় ক্যাঁচ ক্যাঁচ করে । তাই তাকে সমপাঠিরা কেচকেচ বলেই ডাকতো ।
দিনের পর দিন দুষ্টামী করতে করতে মেয়েটিকে ভাল চোখে দেখতে শুরু করি । শেষ পর্যন্ত দু’জন দু’জনকে একদিন ন দেখে থাকতে পারতামনা । একদিন দুষ্টুমীর ছলে তাকে একটা ঘুষি দিলে তার নাকে লেগে রক্ত বের হতে থাকে । এরপর দিন থেকে সে আমার সাথে কথা বলা বন্ধ করে দেয় । এমনকি আমার দিকে দৃষ্টিও দেয়না । মনে কেমন যেন কষ্ট অনুভব হতে লাগল । তার সাথে কথা বলার জন্য ব্যাকুল হয়ে গেলাম । কিন্তু মেয়েটি দৃঢ় প্রতিজ্ঞ । সম্ভবতঃ আমার সাথে আর কথা বলবেনা বলে সে সেদিন প্রতিজ্ঞা করেছিলো । উপায় না দেখে আমি নিজেই কথা বলার সিদ্ধান্ত নিলাম । কিন্তু , সেদিন নয় , দু’দিন পর । সারারাত চিন্তা করলাম কিভাবে তার সাথে কথা বলা যায় ? সরাসরি তার সাথে কথা বলা অনুচিত মনে করলাম ।
তাই , লিখার মাধ্যমে কথা বলর সিদ্ধান্ত নিলাম । প্রথম চিঠির আঁকারে লিখবো বলে মনে করলাম । আবার তা না করে আমার সবুজ সাথীর প্রিয় দু’টি লাইনের মতো করে দু’টি লাইন লিখে আমার মনের কথা তাকে জানানোর সিদ্ধান্তে আসলাম । রাত চারটার দিকে ঘুম থেকে উঠে শুরু করলাম সবুজ সাথীর মতো দু’টি লাইন লিখতে । অনেক কাটাকাটি , ঘষামাঝায় একটা খাতা বরবাদ করে কাঠপেন্সিল দিয়ে একটা মাত্র লাইন লিখলাম স্কুলের আগে । পরের লাইন লিখলাম স্কুল থেকে আসার পর ।
আমার প্রিয় কবিতার উপরোক্ত দু’টি লাইনের প্যারোডী এভাবেই নিম্নোক্তরূপে মেয়েটিকে লক্ষ্য করে লিখতে হলো -
এমন মনটি কোথাও খুঁজে পাবে নাকো তুমি ,
সকল মনের সেরা সে যে আমার মনোভূমি ।
নতুন একটা কাগজ খাতা থেকে ছিড়ে তখনকার জনপ্রিয় কলম রেডলিপ বলপেন দিয়ে ঐ দু’লাইন লেখা তাতে সুন্দর করে লিখলাম । সকালে স্কুলে গিয়ে ক্লাস শেষ করে বিকেলে আর পথে জোর করে তাড়াতাড়ি ঐ কাগজটা মেয়েটার কামিজের ভিতরে ডুকিয়ে দিয়ে দৌড়ে চলে এলাম বাড়িতে ।
---------------------------------------------------------------
চলমান > আমার লেখালেখির অন্তরালে ... (পর্ব - ৩)
মুহাম্মদ জাকারিয়া শাহনগরী
==========================================

সোমবার, ১১ জুলাই, ২০১১

আমার লেখালেখির অন্তরালে ...( পর্ব - ১ )



আমার লেখালেখির অন্তরালে ...
( পর্ব - ১  ) 
মুহাম্মদ জাকারিয়া শাহনগরী
---------------------------------


কবি , কাব্য , কাব্যিকতা - এগুলোর সংজ্ঞা কি , আমি জানিনা । ছন্দরীতি , কাব্যনীতি , কবিনীতি - এগুলোর সুত্র কি , আমি বুঝিনা । কবি কে , কাব্য কি , কাব্যিকতা কোন জিনিস , সে বিষয়েও আমি কিছু জানিনা । সাহিত্য সৃষ্টির উপাদান সম্পর্কেও আমি অনভিজ্ঞ । এমনকি , ছোটকাল থেকে শোনা “ সাহিত্য ’’ শব্দটির “ সা ’’ সম্পর্কেও আমি অজ্ঞ ।
তবে , আমি শুনেছি , মানুষের উপকারী কবিতা , ছড়া , গল্প , উপন্যাস ইত্যাদিকেই বলা হয় সাহিত্য । আমি বুঝেছি , সাহিত্য নির্ভর করে - কবি , উপন্যাসিক , গল্পকার , ছড়াকার তথা লেখকদের লেখনী বা সৃষ্ঠির উপর । আমি জেনেছি , সাহিত্য সৃষ্ঠি হয় - ছন্দরীতি , কাব্যরীতি , গল্পরীতি , উপন্যাসরীতি , ছড়ারীতি , কবিনীতি , উপন্যাসিকনীতি , ছড়াকারনীতি তথা লেখকনীতির আলোকে । সাহিত্য সৃষ্ঠির উক্ত রীতিনীতি সমূহের আলোকেই সৃষ্ঠি হয় তাবৎ কবিতা , গল্প , ছড়া , উপন্যাস , প্রবন্ধ ইত্যাদি । এমনকি সৃষ্ঠি হয় মানবোপকারী এক একটা বিরল দূর্লভ কীর্তি ।
আমি কবি নই যে , কাব্যের রূপসাগরে ঝাঁপ দিয়ে শব্দকে মুক্তো বানাবো । আমি উপন্যাসিক - গল্পকার নই যে , উপন্যাস - গল্পের ফুলঝুড়িতে নিজেকে ভরবো । আমি ছড়াকার নই যে , সূর ও ছন্দে ছড়ার মালা গাঁথবো ।
তবে , আমি লিখি । লেখা দিয়ে সাধনা করি । জীবনের মনোভাব পরিস্ফুটনে লিখে চলি অবিরত । হোক না তা , ডাস্টবিনের ফেলনা আবর্জনা । তাতে কি আসে যায় ? আমার জীবন তাতে ক্ষণিকের জন্য হলেও তো আনন্দ পায় ।
সাহিত্য স্রষ্টাদের সৃষ্টিকর্মের উপর তীক্ষ্ন দৃষ্টি দিয়ে আহরিত জ্ঞানের উপর ভিত্তি করে সেটি দিয়ে কিছু কিছু কলমধারী ব্যক্তিবিশেষ মনের অজান্তে কিছু না কিছু লিখে চলেন ।
কবি - সাহিত্যিকগণ যেমন , ভাবনার জগত থেকে সৃষ্টি করেন - কবিতা , গল্প , উপন্যাস ইত্যাদি । তেমনি , কিছু লোক আপন ভাবনায় লিখে চলেন তাঁদের মনের সাজানো কথা । লিখে যান জীবনের আনন্দ - খুশি - উচ্ছলতা - আশা - ভালোবাসার বিবিধ কথন , যেগুলোকে তাঁরা বলতে পারেন না - কবিতা , গল্প , উপনাস , ছড়া ইত্যাদি ।
অনেকেই লিখেন ; অপেশাদার লেখক যাঁরা , তাঁরা মনের ভাবনাগুলো লিখে রাখেন কাগজের পীঠে । প্রকাশ করেন না । কারন , তাঁরা নিজেদের লেখাগুলো নিজেরা মূল্যায়ন করতে পারেন না । কিংবা তাঁরা নিজেদর লেখাকে পরিচিতি দিতে পারেন না । তাঁরা ভাবেন - কবিতা হিসাবে পরিচয় দিলে যদি তাঁদের লেখা মানমত না হয় । উপন্যাস হিসাবে পরিচয় দিলে যদি উপন্যাসের মানমত না হয় । গল্প হিাবে দাঁড় করালে যদি গল্পের হিসাব মত না হয় । ছড়া হিসাবে পরিচয় দিলে যদি ছড়ার মানে না হয় - এ ভয়েই তাঁরা তাঁদের লেখাগুলোকে জনসম্মুখে প্রকাশ করেন না । তবে , তাঁরা লিখে যান নিরন্তর । মনের ভাবনাগুলো প্রকাশ করেন কলমের ডগা দিয়ে কাগজের পীঠে ।
--------------------------------------------------------------- 


চলমান >আমার লেখালেখির অন্তরালে...( পর্ব - ২  )
মুহাম্মদ জাকারিয়া শাহনগরী
========================================== 

শনিবার, ৯ জুলাই, ২০১১

দাও একটা গোলাপ আর এক টুকরো বরাফ


দাও একটা গোলাপ আর এক টুকরো বরাফ
মুহাম্মদ জাকারিয়া শাহনগরী
--------------------

একটা গোলাপ দাও টেবলের উপরে রাখি,
মনে করবো সেটা তোমার প্রতীমা যেন তুমিই অবিকল।
এক টুকরো বরাফ দাও বুকের উপরে রাখি,
তোমার বিয়োগ বেদনায় অশান্ত মন যেন হয় শান্ত শীতল।

একটা গোলাপ আর এক টুকরো বরাফ হোকনা মোর সাথী -
গোলাপটা যদি শুকিয়ে যায়,
বরাফটা যদি গলে যায়,
জানি নিবে যাবে মোর এই জীবন বাতি।

তোমাকে আর ডাকবোনা কখনো
যদি যায় প্রাণ,
তোমাকে আর করবোনা স্মরণ
যদি হয় মোর জীবনাবসান।
============

সোমবার, ৪ জুলাই, ২০১১

বর্ণমালার রুবাঈ ( পর্ব - ৮ )




বর্ণমালার রুবাঈ ( পর্ব - ৮ ) 

[ ছোটদের জন্য লিখিত চার লাইনের কবিতা বিশেষ ;
  ৪৯ টি বর্ণমালা ভিত্তিক এবং ৩ টি কাল ভিত্তিক সহ
  সর্বমোট ৫২ টি কবিতার একটা বই ]
  
মুহাম্মদ জাকারিয়া শাহনগরী

------------------------------------------------------


ড = ডলফিন
--------------

ডলফিন বাস করে সমুদ্র মাঝে - 
ক্ষণে ক্ষণে ডুব দেয় আর ক্ষণে ক্ষণে ভেসে উঠে !
সাগরে তারা খেলা দেখায় বিচিত্র সাজে ;
সেই খেলা দেখে দেখে নাবিকরা শুধুই মজা লুঠে ।
==========================================

ঢ = ঢাকা
-----------

ঢাকা হলো রাজধানী স্বাধীন বাংলাদেশের
রাষ্ট্রের পরিচালক থাকেন যেখানে -  
দেশ পরিচালনার কেন্দ্রীয় অফিস
সংসদ ভবন নির্মিত হলো সেখানে ।
==================================

ণ = গণিত
------------

“ ণ ’’ এর কি মান
যদি গণিত শিক্ষা না করি ?
“ ণ ’’ বর্ণটা আছে বুঝতে পারি
মোরা যখন গণিত বইটা ধরি !
                 ============================ 

খন্ড কাব্য ( পর্ব - ২০ )




খন্ড কাব্য ( পর্ব - ২০ ) 
মুহাম্মদ জাকারিয়া শাহনগরী
=======================

আটান্ন . 

এক পলকের একটু দেখায়
এনেছে মনে মোর প্রেমের জোয়ার ,
তোমার হাতের একটু ছোঁয়ায়
জেগেছে আশা মনে তোমায় পাওয়ার !
==============================

ঊনষাট . 

আমার প্রেম আকাশের তারা তুমি
জ্বলছো ধিকিধিকি ,
আমার আঁধার পথের প্রদীপ তুমি
আলোর ঝিকিমিকি !
==============================

ষাট . 

মনের মাঝে গড়েছি মোর
প্রেমের তাজমহল ,
তোমায় নিয়ে জাগছে মনে
সদায়ই কৌতুহল  !
==============================  

খন্ড কাব্য ( পর্ব - ১৯ )




খন্ড কাব্য ( পর্ব - ১৯ )                                মুহাম্মদ জাকারিয়া শাহনগরী 
=======================


পঞ্চান্ন . 

যদি নিদ্রা মাঝে দেখো আমায়
ভেবে নিও -  তোমার স্বপ্ন-পুরুষ আমি ,
আমার জন্য তোমার আর তোমার জন্য আমার
জন্ম জেনো - নির্ধারণ করেছেন আমাদের অন্তর্যামী !  ======================================= 

ছাপ্পান্ন . 

যদি পথে প্রান্তরে কোথাও আমায়
দেখো হেঁটে চলেছি মলিন বদনে ,
মনে করো তোমারই চিন্তায় মশগুল আমি
হেঁটে চলেছো তুমি আমার মনের গগনে !
===============================  

সাতান্ন . 

যদি প্রেমের নামে করো তুমি
আমার সাথে ছলনা ,
তবে এমন সাজা পাবে তুমি
থাকবেনা যার তুলনা !
                    ======================  

খন্ড কাব্য ( পর্ব - ১৮ )



   খন্ড কাব্য ( পর্ব - ১৮ )                                                             মুহাম্মদ জাকারিয়া শাহনগরী
=======================


বায়ান্ন . 

যদি কোন দিন কারো মনে পড়ে আমায়
স্মরণ করিও - আমার কর্ম সকল দেখে ,
যদি কখনো আমায় ভুলে যেতে মন চায়
ভুলে যেও - তবে দিওনা আমার গায়ে কালিমা মেখে
========================================= 

তেপ্পান্ন .

যদি হঠাৎ নিদ্রা ভেঙ্গে দেখ 
আমি তোমারই কাছে ,
ভেবে নিও আমার এ দেহ এ প্রাণ
সর্বদা রয়েছে তোমারই পাছে !
========================== 

চুয়ান্ন .

যদি মন মাঝে তোমার এসে যায় কভু  
আমার প্রতি কোন খারাপ কিছু ; 
সহসা বলে দিও আমায় দ্বিধাহীন চিত্তে  
অন্যের সাথে আলাপ করে মান আমার করোনা নীচু
         ======================================== 

খন্ড কাব্য ( পর্ব - ১৭ )




খন্ড কাব্য ( পর্ব - ১৭ )  
মুহাম্মদ জাকারিয়া শাহনগরী 
======================= 


ঊনপঞ্চাশ .

পীছন থেকে ডেকোনা তো
সাহস থাকলে সামনে এসো ,
দেখি বুকের পাটা কতটুকু
আর কতটুকুই বা ভালোবাসো
======================== 


পঞ্চাশ .

সাহস কি আছে তোমার বলতে -
আমি তোমায় ভালোবাসি
পাবেনা তো ভয় কখনো  তুমি
যদি পরতে হয় প্রেমের জন্য ফাঁসি ?
===========================  


একপঞ্চাশ

এই কি তোমার সাহস ?
বিড়াল দেখলে ভয়ে পা দুখানি সামনে  চালাও !
আমার জন্য মরতে নাকি পারো ?
তবে কেন গুন্ডা দেখে আমায় রেখে পালাও ?
==================================== 

শনিবার, ২ জুলাই, ২০১১

আমার জীবনের দিনপঞ্জী ( পর্ব - ০০০৩ )





আমার জীবনের দিনপঞ্জী

( পর্ব - ০০০৩ )
মুহাম্মদ জাকারিয়া শাহনগরী
---------------------

বলছিলাম - সভ্য লোকদের উচিত অসভ্য যারা তাদের সভ্য রূপে গড়ে তুলে সমাজর বাসিন্দা হিসাবে পরিচিতি দান করা । আর শিক্ষিত লোকদের উচিত অশিক্ষিত লোকদের শিক্ষিত করে গড়ে তোলে অন্ধকারকে আলোকিত করা । এ কথাগুলো উঠে এসেছিলো - যাঁরা জীবনের ডাইরী লিখেন তাঁদের উদ্দেশ্যকে প্রকাশ করতে গিয়ে ।

আসলে যাঁরা ডাইরী বা দিনপঞ্জী লিখেন তাঁরা এসব কাজ মাথায় রেখেই লিখে যান । তাঁদের মূল উদ্দেশ্য অসভ্য সমাজের বাসিন্দাদের সভ্য সমাজের বাসিন্দা হতে সহযোগীতা করা , অশিক্ষিত লোকদের হিসাবে গড়ে উঠতে উদ্বুদ্ধ করা এবং সমাজের অনুন্নত লোকদের উন্নত রূপে প্রতিষ্ঠা পেতে সাহায্য করা । সমাজের দুষ্ট ক্ষতগুলোকে জনসম্মুখে পরিচয় করিয়ে দিয়ে সুষ্ট সমাজ বিনির্মাণে সহযোগীতা করা ।
আমার এই দিনপঞ্জী লেখার উদ্দেশ্যও তেমনি । আমার জীবনে ঘটে যাওয়া মুহূর্তগুলো সকলকে জানিয়ে আমার সকল চিন্তা - ভুল ও সঠিক সিদ্ধান্তগুলো সকলের সম্মুখে তুলে ধরে তাদের উৎকৃষ্টতম জীবন পথ অন্বেষণে সহযোগীতা করন ।
দিনপঞ্জীতে কি লিখতে পারব আমি জানিনা । তবে জানি , মানুষ দৈনিক যে চিন্তাগুলো করে , যে চিন্তাগুলো দৈনিক মানব মনে ঘুরপাক খায় , সে সব চিন্তা আর দৈনিক ঘটে যাওয়া জীবনের সাথে সম্পৃক্ত ঘটনা বা চোখে দেখা বিষয়াবলী দৈনিক লিপিবদ্ধ করনের নাম ডাইরী বা দিনপঞ্জী লেখা । তাই , আমিও চেষ্ঠা করবো আমার জীবনের দৃশ্যপটে সংঘটিত ঘটনাবলী , মনের মাঝে ভেসে উঠা চিন্তা এবং পারিপার্শিক অবস্থা নিয়ে আমার জীবনের দিনপঞ্জী সাজাতে ।
----------------------------

আমি মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান । আমাদের পরিবার ছিলো একটা রক্ষণশীল পরিবার । মা , বাবা আর ছয় ভাই-বোন নিয়ে ছিলো আমাদের একটা পরিবার । আর এখন ছয় ভাই-বোনের পৃথকভাবে ছয়টা পরিবার । মা-বাবা তো নেই-ই , তাঁরা গত হয়েছেন কিছুকাল পূর্বেই ।
আমার জন্মপূর্বের কিছু ঘটনা মফজল দা’র কাহিনীতে বলেছি । আমার জন্মপূর্বের আরও কিছু ঘটনা পরবর্তীতে ক্ষেত্রবিশেষ এসে যেতে পারে । তাই , এখানে আর বলছিনা । আমার জন্মের পরবর্তী ঘটনাগুলো নিয়ে এখন আমার আলোচনা শুরু করছি ।
আলোচনার শুরুতে আমার বাবাকে নিয়ে কিছু বলতে চাই । যদিও বাবার জীবনের কিছু ঘটনা মফজল দা’র কাহিনীর সাথে বর্ণনা করেছি । আমার বাবা ছিলেন একজন শান্ত-শিষ্ঠ , ভদ্র , নম্র , পরোপকারী , ধার্মীক , পরের দুঃখে কাতর , আত্মীয়তার বন্ধন রক্ষাকারী , সৎ ও সদালাপী , বন্ধুত্ববৎসল , দাতা , উন্নয়নকর্মী ও সংঘটক ।
বাবার জীবনটা শুরু হয়েছিল শূণ্য দিয়ে । বিভিন্ন ঘাত-প্রতিঘাতের মধ্য দিয়ে গড়ে তুলেছিলেন তার সফল জীবন ।

> চলবে ( পর্ব - ০০০৪ ) ... 
===================

শুক্রবার, ১ জুলাই, ২০১১




সুশোভিত দৃশ্য 
মুহাম্মদ জাকারিয়া শাহনগরী   
----------------------------   
  
[ পটভূমিকা : ১৯৮৮ খৃষ্টাব্দ
  ঢাকার শ- ৭২/এ,উত্তরবাড্ডা ছিলো আমাদের বাড়ী ।
  তার পূর্ব পাশেই ছিলো ঝিল লাগোয়া একতলা একটা বাড়ী ।
  ঐ বাড়ীর ক্লাস নাইনের ছাত্রী শারমীন । একদিন আছরের পর
  আমি আমাদের অফিস রুমে কাজ করছিলাম । হঠাৎই
  জানালার ফাঁক দিয়ে চোখ পড়ে তার দিকে !
  অবলোকন করতে থাকি তার কাণ্ডকীর্তি । মনে পড়ে
  সেই অপূর্ব দৃশ্যটি আজও ক্ষণে ক্ষনে ! তাই –
  সেই শারমীন নামের তরুনীটির স্মরণে এই রচনা ] 

=========================================  


সুন্দর সুশোভিত দৃশ্যটি দেখে ,
মনে হলো কেউ জেনো দিলো ছবি এঁকে !
বাতায়নের ফাঁক দিয়ে যবে ফিরে দেখি ,
কছুড়িফানার উপর দিয়ে দেখা গেলো একি !
সমীরণ দেয় হানা বাতায়নে আসি ,
হিমেল পরশে আমি নিদ্রাজগতে ভাসি ।
অকস্মাৎ মোর নীদমহলে উঁকি দিলো এক তরুনীর মুখ ,
তার ঐ রূপের ছটায় আমার কাঁপন ধরে বুক !
ঝিকমিকে রোদ পড়ে বৃক্ষ ছায়ায় ,
তরুনীটি লুকায় মুখ কলার পাতায় !
তরুনীটি হাঁটে তার গোলাপ বাগে ,
গলায় তার গুন্ গুন্  সুমধুর সুর জাগে !

লম্বা চুলের বেনী তার পরিপাটি করে সাজানো ,
একটা গোলাপ তাতে মনোহর রূপ দিয়ে লাগানো !
তরুনীটির বিপরীতে লাউগাছ সারি সারি ,
লাউফুল দেখে সে লাউ নাড়ি নাড়ি !
একতলা দালান তাদের রেলিং এ ঘেরা ছাদ ,
ছাদের উপরে তার ফুলের টব রাখা স্বাদ !
টব থেকে ফুল ছিড়ে সে দৃষ্টি রাখে দূরে ,
আনমনা উদাসীন চোখ তার ঘুরে !
তার আঁখি দু’টি দৈবাৎ সমীরনে হয় নত ,
বিচলিত মুখ তার যেমন লাজবতী গাছের মতো !
গোলাকার চেহারা তার টোল পড়া গাল ,
হাঁটা তাঁর ধীরলয়ে পায়ে ছন্দের তাল !
মুক্তোর ঝলক যেন তার ঈষৎ হাসি ,
সুগঠন দেহ তার রূপ সর্বনাশী !
============================================

বুধবার, ২৯ জুন, ২০১১

ও রূপসী ললনা !




ও রূপসী ললনা ! 
মুহাম্মদ জাকারিয়া শাহনগরী
---------------------------- 


ও রূপসী ! আসলে তুমি কোথা থেকে বলো ?
তোমায় দেখে মনটা আমার পাগলপারা হলো !
মন জুড়ালো তোমায় দেখে মন যে ফিরে না !
রূপে তোমার মুগ্ধ হলাম ও রূপসী ললনা ! !

ওই দিকে কি দেখো তুমি আমার দিকে দেখোনা ,
নবযৌবন অঙ্গে আমার ওদিক ফিরে থেকোনা ।
রসে ভরা টুইটুম্বর আমার দেহঘর ,
আমার দিকে দেখলে তুমি আসবে প্রেমের জ্বর !
আমার দিকে দৃষ্টি দিয়ে কেমন আমি বলোনা ?
তোমার রূপসাগরে ডুব দিয়েছি ও রূপসী ললনা ! !

ও রূপসী  দেখো একবার চোখ ফিরাতে পারবেনা !
একবার যদি দেখো আমায় সঙ্গ আমার ছাড়বেনা !
অঙ্গে তোমার ভাসবে হাসি আমায় যদি দেখো !
তোমারই ঐ রূপের সুধা আমার অঙ্গেই মেখো !
তোমার রূপ সাগরে ডুবে মরছি একটু তুলে নাওনা ,
কাছে এসে একটু দেখো ও রূপসী ললনা !!
========================================= 

রবিবার, ২৬ জুন, ২০১১

গোলাপ দিয়ে




গোলাপ দিয়ে  
মুহাম্মদ জাকারিয়া শাহনগরী 
------------------------------

গোলাপের সুন্দরে সুন্দর হতে চাই , 
আমার সকল বন্ধু কি আমাকে একটা করে গোলাপ দিয়ে 
আমাকে সুন্দর করতে পারেন ? 
গোলাপের রঙ্গে রঙ্গীন হতে চাই , 
আমার সকল বন্ধু কি আমাকে একটা করে রঙ্গীন গোলাপ দিয়ে 
আমায় রাঙ্গাতে পারেন ? 
গোলাপের সুরভী সুবাসিত হতে চাই , 
আমার সকল বন্ধু কি আমাকে গোলাপের সুরভী দিয়ে 
আমাকে সুবাসিত করতে পারেন ? 
গোলাপ দিয়ে ভালোবাসা কিনতে চাই , 
আমার সকল বন্ধু কি আমার একটা করে গোলাপ নিয়ে 
আমার কাছে ভালোবাসা বিক্রি করতে পারেন ? 
গোলাপের বিনিময়ে মন বিনিময় করতে চাই , 
আমার সকল বন্ধু কি গোলাপের বিনিময়ে 
আমার কাছে মন বিনিময় করতে পারেন ? 
গোলাপ দিয়ে শান্তির পৃথিবী সাজাতে চাই , 
আমার সকল বন্ধু কি গোলাপ নিয়ে 
শান্তির পৃথিবী সাজাতে আমার সঙ্গী হতে পারেন ? 
গোলাপ দিয়ে বন্ধুত্বের বন্ধন রচনা করতে চাই , 
কেউ কি আমার গোলাপ নিয়ে 
আমার বন্ধু হতে পারেন ? 
================================================