আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের শুভেচ্ছা
বাংলা ভাষার জন্য আত্মত্যাগকারী
সকল মহান ভাষা শহীদগণের প্রতি,
এবং ভাষা আন্দোলনের সাথে সম্পৃক্ত
সকল ভাষা সৈনিক
ও বীর বাঙ্গালীদের জানাই অশেষ শ্রদ্ধাঞ্জলী,
সেইসাথে সকলকে জানাই
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের শুভেচ্ছা।
বিষয় সূচী
APNAKE SHAGOTOM
সকলকে বাংলা নতুন বছরের শুভেচ্ছা
অথচ একদিন আমরা বাঙ্গালী জাতি একতাবদ্ধ হয়ে রাষ্ট্রীয় ভাষা উর্দুকে ত্যাগ করে নিজেদের মাতৃভাষা বাংলাকে রাষ্ট্রীয় ভাষা তথা বাংলা ভাষাকে সর্বত্র প্রচলন করতে প্রাণ দিতে বাধ্য হয়েছিলাম ! ফলে বিজাতীয় ভাষা উর্দূকে অপসারন করে নিজেদের মাতৃভাষায় কথা বলার স্বাধীনতা অর্জন করে বাংলা ভাষাকে ধারন করেছিলাম । যখন আমরা বাংলার সর্বত্র বাংলা ভাষায় কথা বলা শুরু করেছিলাম ,তখন কিন্তু বিশ্বায়নের যুগটা অনুপস্থিত ছিল তা নয় , বিশ্বায়নের যুগটা তখনও ছিল বিধায় আমরা ইংরেজী শিক্ষায় তখনও বাধ্য ছিলাম । অর্থাৎ যে জন্যে আজ আমরা ইংরেজী শিখছি সেইজন্যে তখনও ইংরেজী শিক্ষার প্রচলন ছিল । ছিল ইংরেজী শিক্ষার প্রয়োজনীয়তাও । তাই বলে সে সময় বর্তমান সময়ের মত মাতৃভাষা বাংলাকে অবমাননা করা হয়নি । মানুষ সে সময় বাংলায়ই কথা বলেছিল । শুধুমাত্র প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রেই সে সময় ইংরেজী ব্যাবহার করেছিল বাঙ্গালী জাতি ।
conduit-banners
Powered by Conduit |
মঙ্গলবার, ১২ জুলাই, ২০১১
আমার লেখালেখির অন্তরালে ...(পর্ব - ২)
সোমবার, ১১ জুলাই, ২০১১
আমার লেখালেখির অন্তরালে ...( পর্ব - ১ )
শনিবার, ৯ জুলাই, ২০১১
দাও একটা গোলাপ আর এক টুকরো বরাফ
সোমবার, ৪ জুলাই, ২০১১
বর্ণমালার রুবাঈ ( পর্ব - ৮ )
খন্ড কাব্য ( পর্ব - ২০ )
খন্ড কাব্য ( পর্ব - ১৯ )
খন্ড কাব্য ( পর্ব - ১৮ )
খন্ড কাব্য ( পর্ব - ১৭ )
মুহাম্মদ জাকারিয়া শাহনগরী
শনিবার, ২ জুলাই, ২০১১
আমার জীবনের দিনপঞ্জী ( পর্ব - ০০০৩ )
বলছিলাম - সভ্য লোকদের উচিত অসভ্য যারা তাদের সভ্য রূপে গড়ে তুলে সমাজর বাসিন্দা হিসাবে পরিচিতি দান করা । আর শিক্ষিত লোকদের উচিত অশিক্ষিত লোকদের শিক্ষিত করে গড়ে তোলে অন্ধকারকে আলোকিত করা । এ কথাগুলো উঠে এসেছিলো - যাঁরা জীবনের ডাইরী লিখেন তাঁদের উদ্দেশ্যকে প্রকাশ করতে গিয়ে ।
আসলে যাঁরা ডাইরী বা দিনপঞ্জী লিখেন তাঁরা এসব কাজ মাথায় রেখেই লিখে যান । তাঁদের মূল উদ্দেশ্য অসভ্য সমাজের বাসিন্দাদের সভ্য সমাজের বাসিন্দা হতে সহযোগীতা করা , অশিক্ষিত লোকদের হিসাবে গড়ে উঠতে উদ্বুদ্ধ করা এবং সমাজের অনুন্নত লোকদের উন্নত রূপে প্রতিষ্ঠা পেতে সাহায্য করা । সমাজের দুষ্ট ক্ষতগুলোকে জনসম্মুখে পরিচয় করিয়ে দিয়ে সুষ্ট সমাজ বিনির্মাণে সহযোগীতা করা ।
আমার এই দিনপঞ্জী লেখার উদ্দেশ্যও তেমনি । আমার জীবনে ঘটে যাওয়া মুহূর্তগুলো সকলকে জানিয়ে আমার সকল চিন্তা - ভুল ও সঠিক সিদ্ধান্তগুলো সকলের সম্মুখে তুলে ধরে তাদের উৎকৃষ্টতম জীবন পথ অন্বেষণে সহযোগীতা করন ।
দিনপঞ্জীতে কি লিখতে পারব আমি জানিনা । তবে জানি , মানুষ দৈনিক যে চিন্তাগুলো করে , যে চিন্তাগুলো দৈনিক মানব মনে ঘুরপাক খায় , সে সব চিন্তা আর দৈনিক ঘটে যাওয়া জীবনের সাথে সম্পৃক্ত ঘটনা বা চোখে দেখা বিষয়াবলী দৈনিক লিপিবদ্ধ করনের নাম ডাইরী বা দিনপঞ্জী লেখা । তাই , আমিও চেষ্ঠা করবো আমার জীবনের দৃশ্যপটে সংঘটিত ঘটনাবলী , মনের মাঝে ভেসে উঠা চিন্তা এবং পারিপার্শিক অবস্থা নিয়ে আমার জীবনের দিনপঞ্জী সাজাতে ।
আমি মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান । আমাদের পরিবার ছিলো একটা রক্ষণশীল পরিবার । মা , বাবা আর ছয় ভাই-বোন নিয়ে ছিলো আমাদের একটা পরিবার । আর এখন ছয় ভাই-বোনের পৃথকভাবে ছয়টা পরিবার । মা-বাবা তো নেই-ই , তাঁরা গত হয়েছেন কিছুকাল পূর্বেই ।
আমার জন্মপূর্বের কিছু ঘটনা মফজল দা’র কাহিনীতে বলেছি । আমার জন্মপূর্বের আরও কিছু ঘটনা পরবর্তীতে ক্ষেত্রবিশেষ এসে যেতে পারে । তাই , এখানে আর বলছিনা । আমার জন্মের পরবর্তী ঘটনাগুলো নিয়ে এখন আমার আলোচনা শুরু করছি ।
আলোচনার শুরুতে আমার বাবাকে নিয়ে কিছু বলতে চাই । যদিও বাবার জীবনের কিছু ঘটনা মফজল দা’র কাহিনীর সাথে বর্ণনা করেছি । আমার বাবা ছিলেন একজন শান্ত-শিষ্ঠ , ভদ্র , নম্র , পরোপকারী , ধার্মীক , পরের দুঃখে কাতর , আত্মীয়তার বন্ধন রক্ষাকারী , সৎ ও সদালাপী , বন্ধুত্ববৎসল , দাতা , উন্নয়নকর্মী ও সংঘটক ।
বাবার জীবনটা শুরু হয়েছিল শূণ্য দিয়ে । বিভিন্ন ঘাত-প্রতিঘাতের মধ্য দিয়ে গড়ে তুলেছিলেন তার সফল জীবন ।










