আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের শুভেচ্ছা
বাংলা ভাষার জন্য আত্মত্যাগকারী
সকল মহান ভাষা শহীদগণের প্রতি,
এবং ভাষা আন্দোলনের সাথে সম্পৃক্ত
সকল ভাষা সৈনিক
ও বীর বাঙ্গালীদের জানাই অশেষ শ্রদ্ধাঞ্জলী,
সেইসাথে সকলকে জানাই
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের শুভেচ্ছা।
বিষয় সূচী
APNAKE SHAGOTOM
সকলকে বাংলা নতুন বছরের শুভেচ্ছা
অথচ একদিন আমরা বাঙ্গালী জাতি একতাবদ্ধ হয়ে রাষ্ট্রীয় ভাষা উর্দুকে ত্যাগ করে নিজেদের মাতৃভাষা বাংলাকে রাষ্ট্রীয় ভাষা তথা বাংলা ভাষাকে সর্বত্র প্রচলন করতে প্রাণ দিতে বাধ্য হয়েছিলাম ! ফলে বিজাতীয় ভাষা উর্দূকে অপসারন করে নিজেদের মাতৃভাষায় কথা বলার স্বাধীনতা অর্জন করে বাংলা ভাষাকে ধারন করেছিলাম । যখন আমরা বাংলার সর্বত্র বাংলা ভাষায় কথা বলা শুরু করেছিলাম ,তখন কিন্তু বিশ্বায়নের যুগটা অনুপস্থিত ছিল তা নয় , বিশ্বায়নের যুগটা তখনও ছিল বিধায় আমরা ইংরেজী শিক্ষায় তখনও বাধ্য ছিলাম । অর্থাৎ যে জন্যে আজ আমরা ইংরেজী শিখছি সেইজন্যে তখনও ইংরেজী শিক্ষার প্রচলন ছিল । ছিল ইংরেজী শিক্ষার প্রয়োজনীয়তাও । তাই বলে সে সময় বর্তমান সময়ের মত মাতৃভাষা বাংলাকে অবমাননা করা হয়নি । মানুষ সে সময় বাংলায়ই কথা বলেছিল । শুধুমাত্র প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রেই সে সময় ইংরেজী ব্যাবহার করেছিল বাঙ্গালী জাতি ।
conduit-banners
Powered by Conduit |
শনিবার, ২৫ মে, ২০১৩
কবির জন্মদিনে জানাই অশেষ শ্রদ্ধাঞ্জলী - মুহাম্মদ জাকারিয়া শাহনগরী
বৃহস্পতিবার, ২৩ মে, ২০১৩
হাসিনার ফাঁসির রায় ঘোষনার আনন্দে এক থাপ্পড়ে বন্ধুর নাক ফাটিয়ে দেয়া হল !! - মুহাম্মদ জাকারিয়া শাহনগরী
- থাপ্পর দিয়ে নাক ফাটিয়ে দিয়ে আবার জিজ্ঞেস করছস আমার কি হয়েছে ?
= কি ! আমি তোকে থাপ্পর দিয়েছি ? আরে আমি তো স্বপ্নের মাঝে খুশিতে টেবিলে থাপ্পড় দিয়েছি !
- তুই টেবিলে থাপ্পড় দিছস না ! দেখ এখন কি অবস্থা ? শালা ! এত খুশি কিল্লাই কস ত ?
= সরি দোস্ত ! আরে আমি কি স্বপ্ন দেখেছি তুই ত জানস না। জানলে তুই শুধু টেবিলে থাপ্পড় না, পুরা টেবিলটাই ভাইঙ্গে ফেলতি।
- তাই ! শুনি কি সেই স্বপ্ন ?
= দাঁড়া আগে তোর রক্ত পড়া বন্ধ করার ব্যবস্থা করি ([চট্টগ্রামের ভাষায়] "তুআইন্যা পাতা" পিষে রস বের করে তা নাকে লাগিয়ে দিল সে, মিনিটের মধ্যেই রক্ত বন্ধ হয়ে গেল বন্ধুর )।
- রক্ত বন্ধ হইছে এবার বল কি স্বপ্ন দেখছস, যার জন্য আমার নাকটাই ফাটাইয়্যা দিতে হল।
= আরে স্বপ্ন দেখি দেশে তত্ববধায়ক সরকার গঠন হইছে। আর হাসিনা সদলবলে গেফতার হইয়া রিম্যান্ডে গেছে। তত্ববধায়ক সরকারের প্রধান হইছে হেফাজতে ইসলামের আল্লামা আহমদ শফি সাহেব। তিনি নির্দেশ দিছেন মাওলানা হাফেজ জোনায়েদ সাহেবরে যেভাবে হাসিনা রিম্যান্ডে নিয়ে কথা আদায়ের চেষ্ঠা করেছে ঠিক সেভাবেই যেন হাসিনার মুখ থেকে কথা আদায় করা হয় যে , হাসিনার বাপকে কে মেরেছিল তা যেন সে বলে। রিম্যান্ডে হাসিনার কাছ থেকে কথা আদায়ের দায়িত্ব পড়ে নতুন সরকারের সেনা প্রধান মাওলানা হাফেজ জোনায়েদ সাহেবের উপর। এখন বুঝতে পারছস কি ঘটেছে হাসিনার উপর? শেষমেষ হাসিনা স্বীকার করতে বাধ্য হল, তার বাবাকে হত্যা করা হয়েছে তার অর্ডারেই। হাসিনা নিজে ক্ষমতা দখলের জন্য তার বাবাকে হত্যা করতে মেজর ডালিমরে নির্দেশ দিয়েছিল। রিম্যান্ড শেষ হল। আদালতে পিতৃ হত্যার আদেশ দাতা হিসাবে হাসিনার ফাঁসির রায় ঘোষনা করা হল। এই ঘোষনা শুনেই তো টেবিলে থাপ্পড় দিয়েছিলাম আনন্দের ঠেলায়।
বুধবার, ২২ মে, ২০১৩
এতটুকুই ভুল - মুহাম্মদ জাকারিয়া শাহনগরী
শুক্রবার, ১০ মে, ২০১৩
১৫ বৎসর বয়সী কিশোর মনোয়ারের সাহসিকতার জন্যই ১৭দিন পর উদ্ধার পেল সাভার ট্রাজেডির ধ্বংসস্তুপের সর্বশেষ জীবিত নারী "রেশমা"
বৃহস্পতিবার, ৯ মে, ২০১৩
ফটিকছড়ির শাহনগরবাসীরা নীচের সংবাদটি লক্ষ্য করুন - মুহাম্মদ জাকারিয়া শাহনগরী
স্কুলটিতে যান , কি সমস্যা পর্যবেক্ষন করুন। নাকি শিক্ষকদের ব্যবসার জন্য স্কুলে ছাত্রদের কোন পাঠদান হয়না ? শুনেছি , স্কুল শিক্ষরা প্রাইভেট পড়াতে ক্লাসে তেমন উত্তম পাঠ দিতে চান না। আমি এই স্কুলের কথা বলছিনা। কিছুদিন আগে দেখেছি, ক্লাসের বাইরে যে সব শিক্ষক প্রাইভেট পড়াচ্ছে তাদের ধরপাকড় চালানো হচ্ছে। কেন ? নিশ্চয় কারণ আছে। আর সেই কারণটি তলিয়ে দেখতে হবে। আমরা মানি , শিক্ষকরা উপযুক্ত পারিশ্রমিক পান না বলে প্রাইভেট পড়িয়ে থাকেন। তাই শিক্ষকদের আর্থিক দিকেও স্কুলের গভর্ণিংবডিকে নজর দিতে হবে। শিক্ষকদের বেতন বাড়িয়ে তাদের প্রাইভেট পড়ানো বন্ধ করতে হবে। তবেই শিক্ষকরা ক্লাসে পাঠদানে মনোযোগী হবেন। ক্লাসে শিক্ষকদের পাঠদান উন্নত হলে স্কুলের শিক্ষামানও উন্নীত হবে। তাই স্কুল কমিটি ও স্কুলের প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রীদের স্কুলের মানোন্নয়নে এগিয়ে আসতে হবে। নিতে হবে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ।
পুরো শাহনগর গ্রামটিতে মাত্র একটি মাত্রই স্কুল। এই স্কুলটিই যদি মানসম্মত না হয়, তবে সে লজ্জা কার ? পুরো গ্রামের মানুষদেরই। সবচেয়ে বেশী লজ্জা হবে সেইসব মানুষদের, যারা উক্ত গ্রামের বড় বড় শিক্ষিত ব্যক্তি। কারণ, অন্ধজনে দেহ আলো। অন্ধদের আলোর মুখ দেখানোর দায়িত্ব আলোকিত মানুষদেরই। যে সব বড় বড় শিক্ষিত আলোকিত মানুষ গ্রামের অধিবাসী তাদের দায়িত্ব হচ্ছে অন্ধকার গ্রামকে তাদের সেই আলো দিয়ে আলোকিত করা। আশাকরছি সব আলোকিতরাই গ্রামের অন্ধকার ঘুছাতে আত্মনিয়োজিত হবেন।
************************
পাশের হার বৃদ্ধি পেলেও জি.পি.এ ৫ গতবারের চেয়ে এবার অনেকাংশে কমেছে।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জনা যায়, ফটিকছড়িতে চলতি বছরে এস.এস.সি পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৩হাজার ৩ শত ৪৯জন ।
যেখানে পাশ করেছে ২ হাজার ৯ শত শিক্ষার্থী । উপজেলায় এক মাত্র খিরাম উচ্চ বিদ্যালয় শতভাগ পাশ করেছে।
এছাড়া উপজেলার সর্বোচ্চ জি.পি.এ ৫ পাওয়া বিদ্যালয় হচ্ছে -
01.ফটিকছড়ি করোনেশন আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় । যেখানে মোট ১৪ শিক্ষার্থী জি.পি.এ ৫ পেয়েছে।
02.নানুপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়(১১জন),
03.নানুপুর আবু ছোবহান উচ্চ বিদ্যালয়(৬ জন),
04.ধুরুং খুলশী লায়ন্স উচ্চ বিদ্যালয় (৫জন),
05.শান্তিরহাট উচ্চ বিদ্যালয়(৫ জন),
06.ধর্মপুর উচ্চ বিদ্যালয়(৪জন),
07.মাইজভান্ডার আহমদিয়া রহমানীয়া উচ্চ বিদ্যালয়(৪জন),
08.রোসাংগিরী উচ্চ বিদ্যালয়(৪ জন),
09.হেঁযাকো বনানী উচ্চ বিদ্যালয়(৩জন),
10.উত্তর ধর্মপুর উচ্চ বিদ্যালয়,
11.সমিতিরহাট উচ্চ বিদ্যালয়(২জন),
12.ফটিকছড়ি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়(২জন),
13.হারুয়ালছি উচ্চ বিদ্যালয়(২জন),
14.ভূজপুর ন্যাশনাল আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়(২জন),
15.হইদচকিয়া বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়(২জন),
16.আজিমপুর উচ্চ বিদ্যালয়(২জন),
17.জাহানপুর লতিফা খাতুন উচ্চ বিদ্যালয়(২ জন),
18.গজারিয়া জেবুন্নসা পাড়া উচ্চ বিদ্যালয়(১জন),
19.সুয়াবিল উচ্চ বিদ্যালয়(১ জন),
20.দৌলতপুর এ বি সি উচ্চ বিদ্যালয়(১ জন),
21.গুলতাজ মেমেরিয়াল স্কুল এন্ড কলেজ (১ জন),
22.নাজিরহাট আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়(১ জন),
23.নাজিরহাট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়(১ জন),
24.জাহানপুর আমজাদ আলী আব্দুল হাই ইনিষ্টিটিউট(১ জন)
25....................................................
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বাবুল চন্দ্র নাথ বলেন - সার্বিক দিক থেকে জি.পি.এ-৫ গত বছরের চেয়ে কম পেলেও পাশের হার বৃদ্ধি পাওয়ায় আমরা সন্তুষ্ট।
সোমবার, ৬ মে, ২০১৩
গর্জে উঠো বাংলাদেশ ! রাস্তায় নেমে পড় সমগ্র বাংলাদেশের তৌহীদী জনতা। যার যা কিছু আছে তাই নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ো নব্য ফেরাউন ও তার দোষরদের ধ্বংস সাধনে।
সরকারের সন্ত্রাসী বাহিনী দখল করে নিয়েছে সেসব মুখপত্রের প্রতিষ্টান ,
লুন্ঠন করে নিয়ে গেছে সে সব প্রতিষ্ঠানের বেশ কিছু মূল্যবান সম্পদ সরকারী লুঠেরা বাহিনীরা।
অগুণিত সংবাদকর্মীদের রুটি-রোজগারের পথ বন্ধ করে দিয়েছে ফ্যাসিস্ট এই আওয়ামী সরকার।
পুলিশের গুলিতে রক্তাক্ত দেশের মিডিয়া জগত ও রুদ্ধ সেই সত্যের ধারক মিডিয়ার দ্বার।
**************************
![]() |
| COLLECTED FROM "TIMES WORLD 24.COM |
"আজ সরকার লাইট নিভিয়ে দিয়ে রাতের আঁধারে নিরস্ত্র শান্তিকামী হেফাজতে ইসলামের উপর যেভাবে গুলি চালিয়েছে , তাতে মনে হলো আজকের রাতটি ১৯৭১ এর ২৫শে মার্চের সেই কালোরাত। যে রাতে পাকিস্তানের ক্ষমতাসীন সরকার বাঙ্গালী জাতির নিধনযজ্ঞে একটা জাতির বিনাশ সাধনে নিরস্ত্র ঘুমন্ত মানুষদের উপর অস্ত্র নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। চালিয়েছিল বাংলার জনপদে মহা হত্যাযজ্ঞ। প্রাণ হারিয়েছিল অগুণিত বাঙ্গালী।
আজ রাতে সরকার লাইট নিভিয়ে দিয়ে রাতের আঁধারে নিরস্ত্র শান্তিকামী হেফাজতে ইসলামের উপর নির্বিচারে গুলি চালিয়ে সেই কালো রাতেরই পুণঃআয়োজন করে মুসলীম নিধনযজ্ঞে অবতীর্ণ হয়েছে। সরকার এদেশ থেকে মুসলীম জাতির বিনাশ সাধনের অভিপ্রায় নিয়েই এইভাবে হামলা চালিয়ে হত্যা করেছে অগুণিত হেফাজতের কর্মী-সমর্থকদের। চেয়েছে সরকার বাংলাদেশের মুসলমানদের বিনাশ করে এদেশকে একটা নাস্তিক্যবাদী বাংলাদেশ হিসাবে গড়ে তুলতে।
লাইট নিভিয়ে দিয়ে রাতের আঁধারে নিরস্ত্র শান্তিকামী হেফাজতে ইসলামের উপর নির্বিচারে গুলি বর্ষণ হলো - এই মুসলীম দেশকে নাস্তিক্যবাদী দেশে রূপান্তর করতে সরকারের একটা বৃহৎ পরিকল্পনা।
কিন্তু সরকারের এ অপ-পরিকল্পনা বাংলার এ মুসলীম দেশের জমিনে কখনো সফল হবেনা। নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে তারা। যে ভাবে নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে ফেরাউন - নমরূদ সহ সকল আল্লাহ বিদ্রোহী মানুষেরা। যেভাবে নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে ইসলাম বিরোধী আবু জাহেল - আবু লাহাবরা।"
যেন আজ রাতে পুনরায় সংগঠিত হলো সেই ইয়াহিয়া খানের দোষরদের ১৯৭১ এর ২৫শের সেই কালো রাতের ঘটনা, এভাবেই ১৯৭১ এ ২৫শে মার্চের কালোরাতে ইয়াহিয়া খানের দস্যুরা রাতের আঁধারে বাংলার নিরস্ত্র ঘুমন্ত মানুষদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়েছিল অস্ত্র নিয়ে। নির্বিচারে গুলি চালিয়ে হত্যা করেছিল হাজার হাজার ঘুমন্ত মানুষদের। আপন জন হত্যার এই প্রতিশোধের আগুনে উত্তপ্ত হয়ে বাংলার আবাল – বৃদ্ধ – বণিতা যোগ দিয়েছিল মুক্তির যুদ্ধে। সৃষ্টি হয়েছিল এই বাংলাদেশ।
আজ আবার ও সকলের কাছে উপণিত হয়েছে সেই সময়। হায়েনাদের দোষর বর্তমান সরকারের নির্বিচারে মানুষ হত্যার মধ্য দিয়ে রণক্ষেত্রে পরিণত সমগ্র বাংলাদেশ। দেশের সকল নাগরিকদের কাছে ধরা দিয়েছে বর্তমান সরকারের স্বৈরতন্ত্রের আচরণ। ১৯৭১ এ ২৫শে মার্চের কালোরাতে ইয়াহিয়া খানের দস্যুদের নির্বিচারে বাঙ্গালী হত্য হার মানিয়েছে বর্তমান সরকারের আজকের রাতের আঁধারে হেফাজতে ইসলামের উপর নির্বিচারে গুলি বর্ষণের মহড়া। সময় এসেছে সকলের এক হবার। সময় এসেছে দ্বিতীয় মুক্তিরযুদ্ধে অংশগ্রহণের। সময় এসেছে সরকারের নির্বিচারে মানুষ হত্যার দাঁতভাঙ্গা জবাব দানের। গর্জে উঠো বাংলাদেশ। ঝাঁপিয়ে পড় ইয়াহিয়া খানের দোষর এই আওয়ামী সরকারের ধ্বংস সাধনে।****************************
ধুমায়িত সমগ্র দেশ, জ্বলছে আগুন, যাচ্ছে প্রান, লুঠিয়ে পড়ছে তৌহিদী জনতা ও জনসাধারণ দেশের সকল রাজপথে। এ যেন ১৪শত বৎসর পূর্বের ফোরাতের কুলে সংঘটিত সেই এজিদ বংশের সাথে মুসলমানদের সাথে ধর্মরক্ষার যুদ্ধ। এ যেন খায়বারের ইহুদীদের সাথে মুসলমানদের যুদ্ধ। এ যেন সেই পাকিস্তানী শাসকগোষ্ঠির অত্যাচার থেকে রেহায় পেতে সেই একাত্তরের মুক্তির যুদ্ধ।
শহীদী মৃত্যু প্রাপ্ত হয়েছেন কমপক্ষে ৩০০০ জন তৌহীদী জনতা ও সাধারণ জনগণ। লক্ষ লক্ষ মুজাহিদ ও মুক্তিকামী জনতা পুলিশ ও সরকারের লাঠিয়াল বাহিনীর গুলিতে গুরুতর আহত। এ যেন সেই ১৪শত বৎসর পূর্বের সেই বদর প্রান্তর। এ যেন সেই ১৯৭১ এর মুক্তিযুদ্ধের ময়দান। বাংলাদেশের এ বদরপ্রান্তরে ধ্বণিত হচ্ছে বাংলাদেশে নাস্তিক্যবাদের জন্মদাতা ধর্মদ্রোহী আওয়ামী সরকারের বিরুদ্ধে জেহাদের ডাক। নারায়ে তাকবির , আল্লাহু আকবার ধ্বণিতে প্রকম্পিত দেশের সকল গলিপথ। বাংলাদেশের এই মুক্তিযুদ্ধের ময়দানে ধ্বণিত হচ্ছে - স্বৈরশাসক নিপাত যাবে, বাংলাদেশ স্বাধীন হবে।
গর্জে উঠো সমগ্র বাংলাদেশের তৌহীদী জনতা, গর্জে উঠো বাংলাদেশ।
ঝাঁপিয়ে পড়ো যার যা কিছু আছে তাই নিয়ে এই নব্য ফেরাউন ও এজিদ বংশের ধ্বংস সাধনে।
***********************
শনিবার, ৪ মে, ২০১৩
নব সেনার গান - মুহাম্মদ জাকারিয়া শাহনগরী
শুক্রবার, ৩ মে, ২০১৩
নতুন নতুন সংগঠন সৃষ্টি করে নতুন নতুন কৌশল অবলম্বনের মাধ্যমে হেফাজতে ইসলামের - ৫ই মে’র ঢাকা অবরোধ এবং তাদের ইসলামী আন্দোলন বাঞ্চালের অপচেষ্ঠায় সরকার
সরকার ‘ইমাম-ওলেমা সম্মেলন ঐক্য পরিষদ’ সৃষ্টির মত নিত্যদিন নতুন নতুন সংগটন সৃষ্টির মধ্য দিয়ে নতুন নতুন কৌশল অবলম্বন করে এভাবে হেফাজতে ইসলামের ইসলামী আন্দোলন বাঞ্চালের চেষ্ঠা করে যাচ্ছে অবিরত। অথচ সরকার বলছে হেফাজতকে তারা ভয় করেনা। তবে কেন তাদের দমাতে সরকারের এত অপচেষ্ঠা ?
আশা করছি সরকারের সকল অপচেষ্ঠা তৌহীদী জনতার ঈমানী শক্তির কাছে পরাজিত হয়ে ৫ই মে’র ঢাকা অবরোধ সফল হবেই।
মঙ্গলবার, ৩০ এপ্রিল, ২০১৩
চলো চলো ঢাকায় চলো...
সরকারী ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হবার ভয়ে কুষ্টিয়ার সাহিনাকে খুন করা হয়েছে আগুন লাগার নাটকের মাধ্যমে ... !
![]() |
সরকারী ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হবার ভয়ে
কুষ্টিয়ার সাহিনাকে খুন করা হয়েছে
আগুন লাগার নাটকের মাধ্যমে ... !
|
মানুষদের এ মন্তব্য যেন সত্যি হয়েই ধরা দিচ্ছে চিন্তাশীলদের চিন্তার জগতে। কারণ, যখন সাভার ট্র্যাজেডির বিভৎস চিত্র গণমাধ্যমের মধ্য দিয়ে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ল, তখন আমাদের মন্ত্রী মহোদয়গণ গণমাধ্যমগুলোর প্রতি একটা মন্তব্য ছুঁড়ে দিয়েছিলেন যে, গণমাধ্যমগুলো সাভার ট্র্যাজেডির লাইভ অনুষ্ঠান দেখিয়ে বহির্বিশ্বে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করছে।
মন্ত্রীদের এ মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে সাধারণ জনতার মনে জেগে উঠল আর একটা ভিন্ন প্রশ্ন - সাভার ট্র্যাজেডির লাইভ সম্প্রচার সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করছে , নাকি দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করছে ? যা হোক, মন্ত্রীদের মন্তব্যে ধরা খেল সাভার ট্র্যাজেডির লাইভ সম্প্রচার সরকারের কাছে ভাল লাগেনি।
তাই মনে হচ্ছে - সরকার আসলেই চেয়েছে তড়িগড়ি করে সাভারের রানা প্লাজার ধ্বংস স্তুপ সরিয়ে ফেলার মধ্য দিয়ে সাভার ট্র্যাজেডির বিশ্বব্যাপী সম্প্রচারের কবর দিতে। যাতে তাদের রাজনৈতিক ইমেজ নষ্ট না হয়।
দ্বিতীয়তঃ সাভার ট্র্যাজেডির উদ্ধারকারী দলের সদস্য আবুল খায়ের নামের এক ব্যক্তির ভাষ্যের মধ্য দিয়ে ধরা খায় মন্ত্রীদের দেয়া উপরোক্ত মন্তব্যের সাথে এক প্রকার সম্পৃক্ততা।
যখন ঐ আবুল খায়েরদের উদ্ধারকারী দলের উদ্ধারকারীরা 'সাহিনা' নামের একটা নারীকে টানা ত্রিশ ঘন্টা ধরে চেষ্ঠা করে রানা প্লাজার মৃত্যুকুপ থেকে জীবন্ত উদ্ধারের চেষ্ঠা চালিয়ে যাচ্ছিল, তখন তাকে উদ্ধার করার কর্ম প্রায় শেষ করে এনে উদ্ধারকারীরা তাকে উপরে তুলে আনার পরামর্শ করছিল, ঠিক সেই মুহূর্তেই একজন অপরিচিত (উদ্ধারকারী দলসমুহের কোন সদস্য নয়) এক ব্যক্তি নিজেকে ইঞ্জিনিয়ার পরিচয় দিয়ে উদ্ধারকারীদের অসমাপ্ত সামান্য কাজ শেষ করার জন্য সকল বাধা উপেক্ষা করে লেগে গেল। আর সে ব্যক্তি কাজ শুরু করার সাথে সাথেই লেগে গেল আগুন। ছড়িয়ে পড়ল সেই আগুন মৃত্যুকুপের অভ্যান্তরে। উদ্ধারকারীরা আহত হয়ে প্রাণ বাঁচিয়ে উপরে উঠে যেতে পারলেও তুলে আনা সম্ভব হয়নি সেই 'সাহিনা'কে। টানা ত্রিশ ঘন্টার শাঁসরুদ্ধকর একটা উদ্ধার অভিযান ব্যর্থ হয়ে গেল। পরাজিত উদ্ধারকারীদল এই পরাজয়ের গ্লানীর ভার সইতে না পেরে নিজেদের শোকসন্তপ্ত মনের বহিপ্রকাশ ঘটাল অঝোর ধারায় চোখের জল ঝরিয়ে। তারা উপরে উঠে বর্ণনা করল তাদের পরাজয়ের সে অসফল কাহিনী। সেই সাথে তারা ধিক্কার জানাল সেই অপরিচিত ইঞ্জিনিয়ারকে (যদিও এই ব্যক্তির শরীরের এক বৃহদাংশ ঐ অগ্নিকান্ডে ঝলসে যায়)।
প্রশ্ন জাগল সবার মনে- ঐ ব্যক্তি কে ? কেন এ ব্যক্তির হঠাৎ উদয় ? কেন সকল বাধা উপেক্ষা করে তার মৃত্যুকুপে উদ্ধারকর্মে যোগদান ? কেন সে কাজ শুরু করার সাথে সাথেই অগ্নিকান্ডের সেই ঘটনার উৎপত্তি ? কেন উদ্ধারকর্মী আবুল খায়ের বললেন - "ঐ লোককে নাকি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে, তাকে হাসপাতালে ভর্তি না করে মেরে ফেলা উচিত" ? তবে কি হয়েছিল সেই মৃত্যুকুপে ? কেন উদ্ধারকারী দল একজন (সাহিনা) কে জীবিত উদ্ধার করতে নিজেদের জীবন উৎসর্গ করে দিতে চেয়েও আরেকজন (অজ্ঞাত ইঞ্জিনিয়ার) কে মেরে ফেলতে চায় ? তবে কে ছিল সেই ইঞ্জিনিয়ার,কার পক্ষ নিয়ে সে কাজ করতে নেমেছিল,কি উদ্দেশ ছিল তার ?
এভাবেই কি শুরু হয়েছে হাজারো প্রশ্নের জন্ম দিয়ে 'সাহিনা উদ্ধার' এর পরিসমাপ্তি টেনে কুষ্টিয়ার 'সাহিনা'কে পরিকল্পিতভাবে খুন করার মধ্য দিয়ে তড়িগড়ি করে সাভার ট্র্যাজেডির বিশ্বব্যাপী সম্প্রচারের কবর দিতে সাভারের রানা প্লাজার ধ্বংস স্তুপ সরিয়ে ফেলার সরকারের পরিকল্পিত সরকারের ইমেজ নষ্টের প্রতিরোধ কর্ম ?
শনিবার, ২৭ এপ্রিল, ২০১৩
"বার বার ঘুঘু তুমি খেয়ে যাও ধান" এমনই চলছে শ্রমিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দের আন্দোলন
কারণ ,যখনই কারখানাগুলোতে কোন দূর্ঘটনা ঘটে তখনই তারা সাংবাদিক সমাবেশ করে, বিভিন্ন টক শোর মাধ্যমে বিভিন্ন মন ভুলানো বাহারী কথায় শ্রমিকদের অসন্তোষকে সন্তোষজনক অবস্থায় নিয়ে আসে। দূর্ঘটনার কিছুদিনের মধ্যেই সব অসন্তোষ সন্তোষে রূপান্তর হয়ে যায় এসব নেতাদের নিস্ক্রীয়তায়।
শুনা যাচ্ছে রানা প্লাজা ট্র্যাজেডির মাধ্যমে শত শত শ্রমিক হত্যার মূলে ছিল সরকারের কালো ছায়া। সেদিন ছুটি থাকা সত্যেও শ্রমিকদের জোর করে সেই ভবনে ডুকানো হয়েছিল বিরোধী দলের হরতাল বিরোধী মিছিলে অংশগ্রহণ করানোর জন্য। এ তথ্যটি ফেলনার মত নয়। কারণ সব সময় ক্ষমতাসীনরা নীরিহ শ্রমিকদের দাবার গুঁটি হিসাবে ব্যবহার করে এসেছে। এর ফলে দূর্ঘটনায় যে সব শ্রমিক মৃত্যুবরণ করে তাদের পরিবার ও সকল প্রকার সমস্যা দূরীকরনে হাত করা হয় শ্রমিক সংগঠনের নেতাদের। কারণ মৃত্যুবরণকারী শ্রমিকদের পক্ষে মুখ খুলবে এ সব নেতারাই। তাই ক্ষমতাসীনরা সেসব নেতাদের চড়া দামে কিনে তাদের মুখে কলুপ এটে দেয়। ফলে তাদের মুখ বন্ধ হয়ে যায়।
আসলে এসব নেতারা বিক্রি হয়ে যায় সরকারের কাছে। ফলে শ্রমিকদের আর্তি ধামাচাপা পড়ে সবসময়। এবার ও তার ব্যতিক্রম হবেনা। কয়েকদিন তারা সরগরম থাকবে। তারপর সরকারের সাথে হাত মিলিয়ে তারা মুখ বন্ধ করে ফেলবে। এমনই দেখা যাচ্ছে অবস্থাদৃষ্টে। সরকারী কর্মকর্তা, এমপি ও মন্ত্রীদের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে শুরু করেছে সাংবাদিক সম্মেলন, টক শো মালিক পক্ষের সংগঠনের নেতারা। কয়দিন পর শ্রমিক নেতারা তাদের সাথে যোগ দিবে।







.jpg)


.jpg)
.jpg)













