আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের শুভেচ্ছা

বাংলা ভাষার জন্য আত্মত্যাগকারী

সকল মহান ভাষা শহীদগণের প্রতি,
এবং ভাষা আন্দোলনের সাথে সম্পৃক্ত

সকল ভাষা সৈনিক
ও বীর বাঙ্গালীদের জানাই অশেষ শ্রদ্ধাঞ্জলী,
সেইসাথে সকলকে জানাই

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের শুভেচ্ছা।

বিষয় সূচী

সাহিত্য (60) অন্যান্য কবিতা (53) ভালোবাসার পদবিন্যাস ( প্রেম সম্পর্কিত রচনা বিশেষ ) (53) আমার লেখা প্রবন্ধ-নিবন্ধ (37) কবিতা (35) দেশ নিয়ে ভাবনা (33) ফিচার (33) বাংলাদেশ (29) সমসাময়িক (28) খন্ড কাব্য (26) হারানো প্রেম (22) সংবাদ (18) কাল্পনিক প্রেম (16) ইতিহাস (15) প্রতিবাদ (15) সুপ্রভাত প্রবাসী বাংলাদেশ (15) Online Money Making Links (14) দেশাত্মবোধক কবিতা (13) আমার জীবনের দিনপঞ্জী (12) ধর্ম (12) প্রেমের কবিতা (11) ব্যক্তিত্ব (11) রাজনীতি (11) ধর্মীয় আন্দোলন (10) প্রবাসের কবিতা (10) খন্ড গল্প (9) জীবন গঠন (9) বর্ণমালার রুবাঈ (9) ইসলাম (8) প্রগতি (8) মানুষ ও মানবতা (8) হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ (8) VIDEOS (7) আমার লেখালেখির অন্তরালে (7) ইসলামী জাগরণ (7) মানব মন (7) ট্র্যাজেডি (6) শোক সংবাদ (6) সম্প্রীতি (6) নারী স্বাধীনতা (5) প্রেমের গল্প (5) বিজয় দিবসের ভাবনা (5) মৃত্যুপথ যাত্রী (5) সংবাদ মাধ্যম (5) স্মৃতিকথা (5) ঈদ শুভেচ্ছা (4) প্রবাস তথ্য (4) রমজান (4) শুভেচ্ছা (4) Computer Programer (3) আমার ছবিগুলো (3) আমার রাইটিং নেটওয়ার্ক লিংক (3) পর্দা (3) ফটিকছড়ি (3) বাংলাদেশের সংবিধান (3) বিশ্ব ভালবসা দিবস (3) শিক্ষা (3) শিক্ষার্থী (3) স্লাইড শো (3) News (2) VERIETIES POEMS OF VERIOUS POETS (2) আষাঢ় মাসের কবিতা (2) আষাঢ়ের কবিতা (2) ইসলামী রেনেসাঁ (2) ছাত্র-ছাত্রী (2) থার্টি ফাস্ট নাইট (2) নারী কল্যান (2) নারী প্রগতি (2) নির্বাচন (2) বর্ষার কবিতা (2) মহাসমাবেশ (2) শবেবরাত (2) শরৎকাল (2) শাহনগর (2) শ্রদ্ধাঞ্জলী (2) সত্য ঘটনা (2) সত্য-মিথ্যার দ্বন্ধ (2) সফলতার পথে বাংলাদেশ (2) Bannersআমার ছবিগুলো (1) DXN (1) For Life Time Income (1) For Make Money (1) Knowledge (1) Student (1) অদ্ভুত সব স্বপ্নের মাঝে আমার নিদ্রাবাস (1) আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস (1) আহলে সুন্নাহ ওয়াল জামা'আত(সুন্নী) (1) উপন্যাস (1) কবি কাজী নজরুল ইসলাম (1) কোরআন - হাদিসের কাহিনী (1) গল্প (1) চট্টগ্রাম (1) চিকিৎসা ও চিকিৎসক (1) জমজম (1) জাকাত (1) তরুন ও তারুণ্য (1) নারী জাগরণ (1) পরকিয়ার বিষফল (1) ফটিকছড়ি পৌরসভা (1) বন্ধুদিবস (1) বাংলাদেশের প্রখ্যাত আলেম (1) বিবেক ও বিবেকবান (1) বিশ্ব বাবা দিবস (1) বিশ্ব মা দিবস (1) ভ্রমণ (1) মন্তব্য (1) মাহফুজ খানের লেখালেখি (1) রবি এ্যাড (1) রমজানুল মোবারক (1) রেজাল্ট (1) রোগ-পথ্য (1) লংমার্চ (1) শহীদ দিবস (1) শুভ বাংলা নববর্ষ (1) শৈশবের দিনগুলো (1) সমবায় (1) সস্তার তিন অবস্থা (1) সাভার ট্র্যাজেডি (1) সিটি নির্বাচন (1) স্বপ্ন পথের পথিক (1) স্বাধীনতা (1) হ্যালো প্রধানমন্ত্রী (1) ২১ ফেব্রোয়ারী (1)

APNAKE SHAGOTOM

ZAKARIA SHAHNAGARIS WRITING

সকলকে বাংলা নতুন বছরের শুভেচ্ছা

বর্তমান বিশ্বায়নের যুগে আমরা আর বাংলা ভাষায় কথা বলতে চাইনা । নিজের মাতৃভাষাকে যখন-তখন যেখানে সেখানে অবমাননা করে তৎপরিবর্তে ইংরেজী ভাষা ব্যবহার করতে অভ্যাস্থ হয়ে যাচ্ছি বা হয়ে গেছি ।
আরও একটু এগিয়ে গেলে বলতে হয় - আমরা আজ বাঙ্গালী হয়ে বাঙ্গালী জাতিসত্বা ভুলে গিয়ে ইংরেজী জাতিসত্বায় রক্তের ন্যায় মিশে গেছি !

অথচ একদিন আমরা বাঙ্গালী জাতি একতাবদ্ধ হয়ে রাষ্ট্রীয় ভাষা উর্দুকে ত্যাগ করে নিজেদের মাতৃভাষা বাংলাকে রাষ্ট্রীয় ভাষা তথা বাংলা ভাষাকে সর্বত্র প্রচলন করতে প্রাণ দিতে বাধ্য হয়েছিলাম ! ফলে বিজাতীয় ভাষা উর্দূকে অপসারন করে নিজেদের মাতৃভাষায় কথা বলার স্বাধীনতা অর্জন করে বাংলা ভাষাকে ধারন করেছিলাম । যখন আমরা বাংলার সর্বত্র বাংলা ভাষায় কথা বলা শুরু করেছিলাম ,তখন কিন্তু বিশ্বায়নের যুগটা অনুপস্থিত ছিল তা নয় , বিশ্বায়নের যুগটা তখনও ছিল বিধায় আমরা ইংরেজী শিক্ষায় তখনও বাধ্য ছিলাম । অর্থাৎ যে জন্যে আজ আমরা ইংরেজী শিখছি সেইজন্যে তখনও ইংরেজী শিক্ষার প্রচলন ছিল । ছিল ইংরেজী শিক্ষার প্রয়োজনীয়তাও । তাই বলে সে সময় বর্তমান সময়ের মত মাতৃভাষা বাংলাকে অবমাননা করা হয়নি । মানুষ সে সময় বাংলায়ই কথা বলেছিল । শুধুমাত্র প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রেই সে সময় ইংরেজী ব্যাবহার করেছিল বাঙ্গালী জাতি ।

conduit-banners

Powered by Conduit

ফ্লাগ কাউন্টার

free counters

MZS.ONLINE MONEY MAKING WAY

PLEASE CLICK ON MY BANNERS. VISIT MY AFFILIATE SITE "MZS.ONLINE MONEY MAKING WAY ( অনলাইনে অর্থোপার্জনের একটা মাধ্যম )" I HOPE IT WILL BE HELPFUL FOR YOU. Create your own banner at mybannermaker.com!

বৃহস্পতিবার, ২৩ মে, ২০১৩

হাসিনার ফাঁসির রায় ঘোষনার আনন্দে এক থাপ্পড়ে বন্ধুর নাক ফাটিয়ে দেয়া হল !! - মুহাম্মদ জাকারিয়া শাহনগরী

হাসিনার ফাঁসির রায় ঘোষনার আনন্দে
এক থাপ্পড়ে বন্ধুর নাক ফাটিয়ে দেয়া হল !!
- মুহাম্মদ জাকারিয়া শাহনগরী
------------------------


এক লোক গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন। তার পাশেই বসা ছিল তার এক বন্ধু। বসে থাকাটা বন্ধুটি দেখে তার ঘুমন্ত বন্ধুটি ঘুমের ভিতরেই দুহাত তুলে মুনাজাত করছে ! বসে থাকা বন্ধুটি তা দেখে অবাক ! সে আরও দেখতে পেল ঘুমন্ত বন্ধুটি বিড় বিড় করে কি যেন বলছে। হঠাৎ করেই ঘুমন্ত বন্ধুটি উত্তেজিত হয়ে উঠে তার মুখে একটা থাপ্পর মেরে দিল সর্বস্ব শক্তি দিয়ে ! সেই সাথে সে চোখ খুলে বসা বন্ধুটির দিকে তাকিয়ে দেখতে পেল,তার নাক দিয়ে রক্ত ঝরছে। সে তড়িগড়ি করে উঠে বন্ধুকে কি হয়েছে জিজ্ঞেস করলে বন্ধুটি বলল

- থাপ্পর দিয়ে নাক ফাটিয়ে দিয়ে আবার জিজ্ঞেস করছস আমার কি হয়েছে ?
= কি ! আমি তোকে থাপ্পর দিয়েছি ? আরে আমি তো স্বপ্নের মাঝে খুশিতে টেবিলে থাপ্পড় দিয়েছি !
- তুই টেবিলে থাপ্পড় দিছস না ! দেখ এখন কি অবস্থা ? শালা ! এত খুশি কিল্লাই কস ত ?
= সরি দোস্ত ! আরে আমি কি স্বপ্ন দেখেছি তুই ত জানস না। জানলে তুই শুধু টেবিলে থাপ্পড় না, পুরা টেবিলটাই ভাইঙ্গে ফেলতি।
- তাই ! শুনি কি সেই স্বপ্ন ?
= দাঁড়া আগে তোর রক্ত পড়া বন্ধ করার ব্যবস্থা করি ([চট্টগ্রামের ভাষায়] "তুআইন্যা পাতা" পিষে রস বের করে তা নাকে লাগিয়ে দিল সে, মিনিটের মধ্যেই রক্ত বন্ধ হয়ে গেল বন্ধুর )।
- রক্ত বন্ধ হইছে এবার বল কি স্বপ্ন দেখছস, যার জন্য আমার নাকটাই ফাটাইয়্যা দিতে হল।
= আরে স্বপ্ন দেখি দেশে তত্ববধায়ক সরকার গঠন হইছে। আর হাসিনা সদলবলে গেফতার হইয়া রিম্যান্ডে গেছে। তত্ববধায়ক সরকারের প্রধান হইছে হেফাজতে ইসলামের আল্লামা আহমদ শফি সাহেব। তিনি নির্দেশ দিছেন মাওলানা হাফেজ জোনায়েদ সাহেবরে যেভাবে হাসিনা রিম্যান্ডে নিয়ে কথা আদায়ের চেষ্ঠা করেছে ঠিক সেভাবেই যেন হাসিনার মুখ থেকে কথা আদায় করা হয় যে , হাসিনার বাপকে কে মেরেছিল তা যেন সে বলে। রিম্যান্ডে হাসিনার কাছ থেকে কথা আদায়ের দায়িত্ব পড়ে নতুন সরকারের সেনা প্রধান মাওলানা হাফেজ জোনায়েদ সাহেবের উপর। এখন বুঝতে পারছস কি ঘটেছে হাসিনার উপর? শেষমেষ হাসিনা স্বীকার করতে বাধ্য হল, তার বাবাকে হত্যা করা হয়েছে তার অর্ডারেই। হাসিনা নিজে ক্ষমতা দখলের জন্য তার বাবাকে হত্যা করতে মেজর ডালিমরে নির্দেশ দিয়েছিল। রিম্যান্ড শেষ হল। আদালতে পিতৃ হত্যার আদেশ দাতা হিসাবে হাসিনার ফাঁসির রায় ঘোষনা করা হল। এই ঘোষনা শুনেই তো টেবিলে থাপ্পড় দিয়েছিলাম আনন্দের ঠেলায়।

বুধবার, ২২ মে, ২০১৩

এতটুকুই ভুল - মুহাম্মদ জাকারিয়া শাহনগরী


গতকাল একজনে একটা প্রেমের কবিতা লিখতে বলেছিল। কিন্তু প্রেমের কবিতা লিখতে এখন আর তেমন মন চায়না। যখন সে প্লীজ প্লীজ শুরু করল আমি আর তাকে ফিরাতে পারলামনা। বললাম ঠিক আছে লিখব। তবে প্রেম ট্রেম বুঝিনা। চিন্তায় যা আসে তাই লিখব। আবার বলতে পারবেনা আমি প্রেমের কবিতা লিখিনি। সে বলল ঠিক আছে, যা পার তাই লিখ। তাই লিখলাম এ লেখাটি -
**************
এতটুকুই ভুল
মুহাম্মদ জাকারিয়া শাহনগরী
----------------------
এতটুকুই ছিল মোর ভুল,
যে ভুলে হারিয়েছি তোমায়
হয়ে গেছে সব ভন্ডুল।।
তুমি একদিন যেতে বলেছিলে
সেদিন আমি যেতে পারিনি,
পত্র লিখেই তা জানাতে চেয়েছি
সে পত্র লিখেও ভুলে আর ছাড়িনি।
এই-ই ছিল মোর ভুল,
আমার উপরে রাগ করেছ তুমি
গ্রহণ করনি আমার পাঠানো ফুল।।
কতবার কতভাবে ডেকেছি তোমায়,
মনে হল চলে গেছ সেই তুমি কোমায়।
জাগাতে চেয়েছি জাগনি তুমি,
বুঝাতে চেয়েছি বুঝনিও তুমি।
কোন লাভ হয়নি সেদিন তোমার কাছে গিয়ে -
তারপর আর হয়নি যাওয়া,
হয়নি আর তোমারই খোঁজ নেওয়া,
রইছি পড়ে আজও তোমার স্মৃতি নিয়ে।
জানতে চাইনি আর তোমার মনোভাব,
যদিও ছিল মোর জীবনে তোমার অভাব।
এই-ই ছিল মোর ভুল,
মুখ ফিরিয়ে নিয়েছ তুমি
ভেঙ্গে দিয়েছ মনের দুইকুল।।
=============

শুক্রবার, ১০ মে, ২০১৩

১৫ বৎসর বয়সী কিশোর মনোয়ারের সাহসিকতার জন্যই ১৭দিন পর উদ্ধার পেল সাভার ট্রাজেডির ধ্বংসস্তুপের সর্বশেষ জীবিত নারী "রেশমা"

১৫ বৎসর বয়সী কিশোর মনোয়ারের সাহসিকতার জন্যই
১৭দিন পর উদ্ধার পেল
সাভার ট্রাজেডির ধ্বংসস্তুপের সর্বশেষ জীবিত নারী "রেশমা"
------------------------------------

এই সেই ১৫ বৎসর বয়সী কিশোর মনোয়ার । পেশায় ছাত্র। এই মনোয়ারের কারণেই প্রথম সন্ধান মিলে সাভার ট্রাজেডির ধ্বংসস্তুপে সর্বশেষ জীবিত নারী "রেশমার"। মনোয়ারের পর একে একে মৃত্যু গহ্বরের ভিতরে ডুকে তার টিমের আরও দুই কিশোর। তারপর ডুকে ফায়ার বিগ্রেড ও সেনাবাহিনীর উদ্ধার কারী দলের সদস্যরা। কিন্তু ফায়ার বিগ্রেড ও সেনাবাহিনীর উদ্ধার কারী দলের সদস্যদের মুখে এই মনোয়ারের সাহসিকতা প্রকাশ হচ্ছেনা। 
মনে হচ্ছে এই উদ্ধারকর্মের একমাত্র ক্রেডিট তাদেরই। 
১৫ বৎসরের দুঃসাহসী কিশোরের একটি সাহসী কর্মের জন্য কোন পক্ষ থেকে একটু ধন্যবাদ দেয়া দুরে থাক, তার এই সাহসী কর্মকেই যেন ধামাচাপা দিতে তৎপর সরকারী উদ্ধারকর্মীরা !

বৃহস্পতিবার, ৯ মে, ২০১৩

ফটিকছড়ির শাহনগরবাসীরা নীচের সংবাদটি লক্ষ্য করুন - মুহাম্মদ জাকারিয়া শাহনগরী

ফটিকছড়ির শাহনগরবাসীরা
নীচের সংবাদটি লক্ষ্য করুন।
মুহাম্মদ জাকারিয়া শাহনগরী
----------------------

আজ এস এস সির রেজাল্ট দেয়া হয়েছে। মনে হচ্ছে "শাহনগর বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়" এর শিক্ষকরা ছাত্রদের ঠেলে ঠুলে পাস করে দিয়ে অনেক গৌরান্বিত। আনন্দে আত্মবিহ্বল সবাই। কিন্তু আমি আনন্দিত নই। কারণ, আমি ফটিকছড়ির ২৫টি স্কুলের মধ্যে "শাহনগর বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়" খুঁজে পেলাম না। বড়ই লজ্জা। কি করছে এ স্কুলের অভিভাবক ও শিক্ষকরা ? আর কবে হবে এ স্কুলের মানোন্নয়ন ? যারা এ স্কুলে পড়ে বড় বড় শিক্ষিত হয়ে নিজেদের পরিচয় দিচ্ছেন, তাঁদের কি এ স্কুলের লেখাপড়ার মান দেখে একটুও লজ্জা লাগেনা ? যদি আপনদের লজ্জাই না লাগে তবে বড় বড় শিক্ষিত হবার গৌরব দাবী করেন কিভাবে ? আপনাদের কি নিজেদের স্কুলের জন্য এতটুকুও দায়িত্ব নেই ? এতটুকুও দরদ নেই নিজ স্কুলের প্রতি ? কিছুই করার নেই আপনাদের নিজেদের স্কুলের জন্য ? আর কত মেতে থাকবেন ভিলেজ পলিটিক্স নিয়ে ? ভিলেজ পলিটিক্সের মাধ্যমে অন্যের জান-মান ধ্বংস করা বাদ দিয়ে একটু স্কুলটি নিয়ে ভাবুন। কিভাবে স্কুলটির লেখাপড়ার মান উন্নত করা যায়, তার দিকে একটু দৃষ্টি দিন। অন্যের পীছনে না পড়ে গ্রাম উন্নয়নের পীছনে নিজেদের নিয়োজিত করুন। শুধু নিজেদের কল্যান নিয়ে পড়ে না থেকে অপরের কল্যানের দিকেও দৃষ্টি দিয়ে নিজেদের মানুষ রূপে গড়ে তুলুন।
স্কুলটিতে যান , কি সমস্যা পর্যবেক্ষন করুন। নাকি শিক্ষকদের ব্যবসার জন্য স্কুলে ছাত্রদের কোন পাঠদান হয়না ? শুনেছি , স্কুল শিক্ষরা প্রাইভেট পড়াতে ক্লাসে তেমন উত্তম পাঠ দিতে চান না। আমি এই স্কুলের কথা বলছিনা। কিছুদিন আগে দেখেছি, ক্লাসের বাইরে যে সব শিক্ষক প্রাইভেট পড়াচ্ছে তাদের ধরপাকড় চালানো হচ্ছে। কেন ? নিশ্চয় কারণ আছে। আর সেই কারণটি তলিয়ে দেখতে হবে। আমরা মানি , শিক্ষকরা উপযুক্ত পারিশ্রমিক পান না বলে প্রাইভেট পড়িয়ে থাকেন। তাই শিক্ষকদের আর্থিক দিকেও স্কুলের গভর্ণিংবডিকে নজর দিতে হবে। শিক্ষকদের বেতন বাড়িয়ে তাদের প্রাইভেট পড়ানো বন্ধ করতে হবে। তবেই শিক্ষকরা ক্লাসে পাঠদানে মনোযোগী হবেন। ক্লাসে শিক্ষকদের পাঠদান উন্নত হলে স্কুলের শিক্ষামানও উন্নীত হবে। তাই স্কুল কমিটি ও স্কুলের প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রীদের স্কুলের মানোন্নয়নে এগিয়ে আসতে হবে। নিতে হবে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ।
পুরো শাহনগর গ্রামটিতে মাত্র একটি মাত্রই স্কুল। এই স্কুলটিই যদি মানসম্মত না হয়, তবে সে লজ্জা কার ? পুরো গ্রামের মানুষদেরই। সবচেয়ে বেশী লজ্জা হবে সেইসব মানুষদের, যারা উক্ত গ্রামের বড় বড় শিক্ষিত ব্যক্তি। কারণ, অন্ধজনে দেহ আলো। অন্ধদের আলোর মুখ দেখানোর দায়িত্ব আলোকিত মানুষদেরই। যে সব বড় বড় শিক্ষিত আলোকিত মানুষ গ্রামের অধিবাসী তাদের দায়িত্ব হচ্ছে অন্ধকার গ্রামকে তাদের সেই আলো দিয়ে আলোকিত করা। আশাকরছি সব আলোকিতরাই গ্রামের অন্ধকার ঘুছাতে আত্মনিয়োজিত হবেন।
************************

ফটিকছড়িতে পাশের হার বৃদ্ধি পেয়েছে,
কমেছে জি.পি.এ-৫
মীর মাহফুজ আনাম
----------------
ফটিকছড়ি উপজেলাতে এবারের এস.এস.সি পরীক্ষায় পাশের হার ৮৬.৫৯। যা গতবার ছিল ৭৮.১৯।

পাশের হার বৃদ্ধি পেলেও জি.পি.এ ৫ গতবারের চেয়ে এবার অনেকাংশে কমেছে।
এবারে মোট জি.পি.এ -৫ পেয়েছে ৮৩ জন শিক্ষার্থী।২০১২সালে জি.পি.এ ৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর পরিমান ছিল ১০৭ জন।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জনা যায়, ফটিকছড়িতে চলতি বছরে এস.এস.সি পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৩হাজার ৩ শত ৪৯জন ।

যেখানে পাশ করেছে ২ হাজার ৯ শত শিক্ষার্থী । উপজেলায় এক মাত্র খিরাম উচ্চ বিদ্যালয় শতভাগ পাশ করেছে।

এছাড়া উপজেলার সর্বোচ্চ জি.পি.এ ৫ পাওয়া বিদ্যালয় হচ্ছে -

01.ফটিকছড়ি করোনেশন আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় । যেখানে মোট ১৪ শিক্ষার্থী জি.পি.এ ৫ পেয়েছে।
02.নানুপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়(১১জন),
03.নানুপুর আবু ছোবহান উচ্চ বিদ্যালয়(৬ জন),
04.ধুরুং খুলশী লায়ন্স উচ্চ বিদ্যালয় (৫জন),
05.শান্তিরহাট উচ্চ বিদ্যালয়(৫ জন),
06.ধর্মপুর উচ্চ বিদ্যালয়(৪জন),
07.মাইজভান্ডার আহমদিয়া রহমানীয়া উচ্চ বিদ্যালয়(৪জন),
08.রোসাংগিরী উচ্চ বিদ্যালয়(৪ জন),
09.হেঁযাকো বনানী উচ্চ বিদ্যালয়(৩জন),
10.উত্তর ধর্মপুর উচ্চ বিদ্যালয়,
11.সমিতিরহাট উচ্চ বিদ্যালয়(২জন),
12.ফটিকছড়ি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়(২জন),
13.হারুয়ালছি উচ্চ বিদ্যালয়(২জন),
14.ভূজপুর ন্যাশনাল আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়(২জন),
15.হইদচকিয়া বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়(২জন),
16.আজিমপুর উচ্চ বিদ্যালয়(২জন),
17.জাহানপুর লতিফা খাতুন উচ্চ বিদ্যালয়(২ জন),
18.গজারিয়া জেবুন্নসা পাড়া উচ্চ বিদ্যালয়(১জন),
19.সুয়াবিল উচ্চ বিদ্যালয়(১ জন),
20.দৌলতপুর এ বি সি উচ্চ বিদ্যালয়(১ জন),
21.গুলতাজ মেমেরিয়াল স্কুল এন্ড কলেজ (১ জন),
22.নাজিরহাট আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়(১ জন),
23.নাজিরহাট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়(১ জন),
24.জাহানপুর আমজাদ আলী আব্দুল হাই ইনিষ্টিটিউট(১ জন)
25....................................................
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বাবুল চন্দ্র নাথ বলেন - সার্বিক দিক থেকে জি.পি.এ-৫ গত বছরের চেয়ে কম পেলেও পাশের হার বৃদ্ধি পাওয়ায় আমরা সন্তুষ্ট।
তবে আগামীতে জি.পি.এ বৃদ্ধি পেতে আমাদের প্রচেষ্ঠা অব্যহত রাখতে হবে।

সোমবার, ৬ মে, ২০১৩

গর্জে উঠো বাংলাদেশ ! রাস্তায় নেমে পড় সমগ্র বাংলাদেশের তৌহীদী জনতা। যার যা কিছু আছে তাই নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ো নব্য ফেরাউন ও তার দোষরদের ধ্বংস সাধনে।

আমরা শোকাহত


গর্জে উঠো বাংলাদেশ !
রাস্তায় নেমে পড় সমগ্র বাংলাদেশের তৌহীদী জনতা।
যার যা কিছু আছে তাই নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ো
নব্য ফেরাউন ও তার দোষরদের ধ্বংস সাধনে।
----------------------------------
গর্জে উঠো বাংলাদেশ !
নিতে হবে রক্তশপথ ,
নামতে হবে ঈমান নিয়ে।
এক হতে হবে দলমত,
চলবে এবার বাংলাদেশ
আল্লাহর সব আইন দিয়ে।
***************

সরকার 
৬ইমে,২০১৩ এর 
রাতে (৫ইমে,২০১৩ ইং দিবাগত রাত) মতিঝিলের ইসলামী (শাপলা) চত্বরে
ঘুমন্ত মানুষদের উপর চালিয়েছে নারকীয় হত্যাযজ্ঞ।
হেফাজতে ইসলামের প্রায় তিন হাজার কর্মী-সমর্থকদের জান নিয়েছে কেড়ে।
সরকারের লেলিয়ে দেয়া সন্ত্রাসী বাহিনীর নির্বিচারে চালানো গুলির আঘাতে আহত
হাজার হাজার মুসলীম তৌহীদী জনতা হাসপাতালের বেডে গুনছে মৃত্যুর প্রহর।
বর্তমান নাস্তিক্যবাদী , লুঠেরা , সন্ত্রাসী ও ক্ষমতালোভী আওয়ামী সরকারের
এই নারকীয় হত্যাযজ্ঞ চলছে এখন সমগ্র দেশব্যাপী
নির্বিচারে চালানো গুলিতে রাজপথে লুটিয়ে পড়ছে অসহায় সব নীরীহ জনতা।
বর্তমান নাস্তিক্যবাদী , লুঠেরা , সন্ত্রাসী ও ক্ষমতালোভী
আওয়ামী সরকারের এই নারকীয় হত্যাযজ্ঞের বিরুদ্ধে
হেফাজতে ইসলামের পক্ষ থেকে দেয়া হয়েছে জেহাদের ডাক।
দেশের সকল মুসলমানদের এই জেহাদের ডাকে সাড়া দিয়ে
উপনিত হতে হবে জেহাদের ময়দানে। গর্জে উঠো বাংলাদেশ।
---------------------------------------------

দেশের ইলেক্ট্রিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার জনগণের কিছু মুখপত্র বন্ধ করে দেয়া হয়েছে,
সরকারের সন্ত্রাসী বাহিনী দখল করে নিয়েছে সেসব মুখপত্রের প্রতিষ্টান ,
লুন্ঠন করে নিয়ে গেছে সে সব প্রতিষ্ঠানের বেশ কিছু মূল্যবান সম্পদ সরকারী লুঠেরা বাহিনীরা।
অগুণিত সংবাদকর্মীদের রুটি-রোজগারের পথ বন্ধ করে দিয়েছে ফ্যাসিস্ট এই আওয়ামী সরকার।
পুলিশের গুলিতে রক্তাক্ত দেশের মিডিয়া জগত ও রুদ্ধ সেই সত্যের ধারক মিডিয়ার দ্বার।
**************************

COLLECTED FROM "TIMES WORLD 24.COM

সরকার সন্ত্রাসী বাহিনি ও পুলিশ দিয়ে আমাদের তৌহীদী ভাইদের নির্বিচারে হত্যা করছে।
সিমারের দোষরেরা হায়েনার মত ঝাঁপিয়ে পড়ছে মুসলমানদের উপর।চলছে লাইট নিবিয়ে দিয়ে রাতের আঁধারে সরকারের হত্যাযজ্ঞ।
"আজ সরকার লাইট নিভিয়ে দিয়ে রাতের আঁধারে নিরস্ত্র শান্তিকামী হেফাজতে ইসলামের উপর যেভাবে গুলি চালিয়েছে , তাতে মনে হলো আজকের রাতটি ১৯৭১ এর ২৫শে মার্চের সেই কালোরাত। যে রাতে পাকিস্তানের ক্ষমতাসীন সরকার বাঙ্গালী জাতির নিধনযজ্ঞে একটা জাতির বিনাশ সাধনে নিরস্ত্র ঘুমন্ত মানুষদের উপর অস্ত্র নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। চালিয়েছিল বাংলার জনপদে মহা হত্যাযজ্ঞ। প্রাণ হারিয়েছিল অগুণিত বাঙ্গালী।
আজ রাতে সরকার লাইট নিভিয়ে দিয়ে রাতের আঁধারে নিরস্ত্র শান্তিকামী হেফাজতে ইসলামের উপর নির্বিচারে গুলি চালিয়ে সেই কালো রাতেরই পুণঃআয়োজন করে মুসলীম নিধনযজ্ঞে অবতীর্ণ হয়েছে। সরকার এদেশ থেকে মুসলীম জাতির বিনাশ সাধনের অভিপ্রায় নিয়েই এইভাবে হামলা চালিয়ে হত্যা করেছে অগুণিত হেফাজতের কর্মী-সমর্থকদের। চেয়েছে সরকার বাংলাদেশের মুসলমানদের বিনাশ করে এদেশকে একটা নাস্তিক্যবাদী বাংলাদেশ হিসাবে গড়ে তুলতে।
লাইট নিভিয়ে দিয়ে রাতের আঁধারে নিরস্ত্র শান্তিকামী হেফাজতে ইসলামের উপর নির্বিচারে গুলি বর্ষণ হলো - এই মুসলীম দেশকে নাস্তিক্যবাদী দেশে রূপান্তর করতে সরকারের একটা বৃহৎ পরিকল্পনা।
কিন্তু সরকারের এ অপ-পরিকল্পনা বাংলার এ মুসলীম দেশের জমিনে কখনো সফল হবেনা। নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে তারা। যে ভাবে নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে ফেরাউন - নমরূদ সহ সকল আল্লাহ বিদ্রোহী মানুষেরা। যেভাবে নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে ইসলাম বিরোধী আবু জাহেল - আবু লাহাবরা।"
যেন আজ রাতে পুনরায় সংগঠিত হলো সেই ইয়াহিয়া খানের দোষরদের ১৯৭১ এর ২৫শের সেই কালো রাতের ঘটনা, এভাবেই ১৯৭১ এ ২৫শে মার্চের কালোরাতে ইয়াহিয়া খানের দস্যুরা রাতের আঁধারে বাংলার নিরস্ত্র ঘুমন্ত মানুষদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়েছিল অস্ত্র নিয়ে। নির্বিচারে গুলি চালিয়ে হত্যা করেছিল হাজার হাজার ঘুমন্ত মানুষদের। আপন জন হত্যার এই প্রতিশোধের আগুনে উত্তপ্ত হয়ে বাংলার আবাল – বৃদ্ধ – বণিতা যোগ দিয়েছিল মুক্তির যুদ্ধে। সৃষ্টি হয়েছিল এই বাংলাদেশ।
আজ আবার ও সকলের কাছে উপণিত হয়েছে সেই সময়। হায়েনাদের দোষর বর্তমান সরকারের নির্বিচারে মানুষ হত্যার মধ্য দিয়ে রণক্ষেত্রে পরিণত সমগ্র বাংলাদেশ। দেশের সকল নাগরিকদের কাছে ধরা দিয়েছে বর্তমান সরকারের স্বৈরতন্ত্রের আচরণ। ১৯৭১ এ ২৫শে মার্চের কালোরাতে ইয়াহিয়া খানের দস্যুদের নির্বিচারে বাঙ্গালী হত্য হার মানিয়েছে বর্তমান সরকারের আজকের রাতের আঁধারে হেফাজতে ইসলামের উপর নির্বিচারে গুলি বর্ষণের মহড়া। সময় এসেছে সকলের এক হবার। সময় এসেছে দ্বিতীয় মুক্তিরযুদ্ধে অংশগ্রহণের। সময় এসেছে সরকারের নির্বিচারে মানুষ হত্যার দাঁতভাঙ্গা জবাব দানের। গর্জে উঠো বাংলাদেশ। ঝাঁপিয়ে পড় ইয়াহিয়া খানের দোষর এই আওয়ামী সরকারের ধ্বংস সাধনে।
****************************


চলছে এখনো হত্যাযজ্ঞ। সেই হত্যাযজ্ঞের শিকার লক্ষ লক্ষ তৌহীদী জনতা ও দেশের সাধারণ মানুষ। দেশের সব রাজপথ যেন ফোরাতের কুল।রণক্ষেত্রে পরিণত সমগ্র বাংলাদেশ। শুরু হয়েছে নব্য এজিদ বংশের সাথে মুসলমান ও জনসাধারণের যুদ্ধ।
চলছে সরকারের লাঠিয়াল বাহিনী, পুলিশ লীগ ও নাস্তিক আওয়ামী গোষ্টির সাথে তৌহীদী জনতা ও জনসাধারণের সংঘর্ষ। এ যেন ক্ষমতাসীন লুঠেরা ও স্বৈর সরকারের সাথে নিরস্ত্র সাধারণ জনতার এক অসম যুদ্ধ।নাস্তিক্যবাদী ধর্মদ্রোহী সরকারের লালিত কুকুরদের নির্বচারে দংশন, কাঁদানে গ্যাস, রাবারবুলেট , টিয়ারসেল, ককটেল, গুলিতে ঝাঁঝড়া হচ্ছে তৌহীদী জনতা ও জনসাধারণের বুক। তবু দমছেনা তৌহীদী জনতার শহীদী পথে যাত্রা,সাধারণ জনতার যুদ্ধযাত্রা। ককটেল ও গুলির মুহূর্মুহ শব্দে প্রকম্পিত সমগ্র দেশের আকাশ। ঢাকার রাজপথে শরীরের তাজা রক্ত ঢেলে দেশে ইসলামী হুকুমাত কায়েমের ভিত্তি স্থাপনে মত্ত ইসলামী তৌহীদী জনতা আর সকল মর্দে মুজাহিদ।
ধুমায়িত সমগ্র দেশ, জ্বলছে আগুন, যাচ্ছে প্রান, লুঠিয়ে পড়ছে তৌহিদী জনতা ও জনসাধারণ দেশের সকল রাজপথে। এ যেন ১৪শত বৎসর পূর্বের ফোরাতের কুলে সংঘটিত সেই এজিদ বংশের সাথে মুসলমানদের সাথে ধর্মরক্ষার যুদ্ধ। এ যেন খায়বারের ইহুদীদের সাথে মুসলমানদের যুদ্ধ। এ যেন সেই পাকিস্তানী শাসকগোষ্ঠির অত্যাচার থেকে রেহায় পেতে সেই একাত্তরের মুক্তির যুদ্ধ।
শহীদী মৃত্যু প্রাপ্ত হয়েছেন কমপক্ষে ৩০০০ জন তৌহীদী জনতা ও সাধারণ জনগণ। লক্ষ লক্ষ মুজাহিদ ও মুক্তিকামী জনতা পুলিশ ও সরকারের লাঠিয়াল বাহিনীর গুলিতে গুরুতর আহত। এ যেন সেই ১৪শত বৎসর পূর্বের সেই বদর প্রান্তর। এ যেন সেই ১৯৭১ এর মুক্তিযুদ্ধের ময়দান। বাংলাদেশের এ বদরপ্রান্তরে ধ্বণিত হচ্ছে বাংলাদেশে নাস্তিক্যবাদের জন্মদাতা ধর্মদ্রোহী আওয়ামী সরকারের বিরুদ্ধে জেহাদের ডাক। নারায়ে তাকবির , আল্লাহু আকবার ধ্বণিতে প্রকম্পিত দেশের সকল গলিপথ। বাংলাদেশের এই মুক্তিযুদ্ধের ময়দানে ধ্বণিত হচ্ছে - স্বৈরশাসক নিপাত যাবে, বাংলাদেশ স্বাধীন হবে।
গর্জে উঠো সমগ্র বাংলাদেশের তৌহীদী জনতা, গর্জে উঠো বাংলাদেশ।
ঝাঁপিয়ে পড়ো যার যা কিছু আছে তাই নিয়ে এই নব্য ফেরাউন ও এজিদ বংশের ধ্বংস সাধনে।
***********************




নব সেনার গান
মুহাম্মদ জাকারিয়া শাহনগরী
--------------------
(ধর্মরক্ষা ও দেশরক্ষার আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী 
হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কর্মী-সমর্থক ও 
সকল মুক্তিকামী জনতারর শক্তি হিসেবে পুনঃপ্রকাশ)
***************************
চল্ চল্ চল্ তাড়া করে চল্
আমাদের নব সেনাদল,
আহলে সুন্নাতের মশাল নিয়ে
'আল্লাহু আকবার' বজ্র কন্ঠে বল।
নবীজীর আদর্শের বিশাল এ কাফেলা,
সারি হয়ে জপ শুধু 'সাল্লি আ'লা' -
ঝড়-বাধা মানবনা হারদম-দুর্দম চল্।।
আল কোরআন ও সুন্নাহ্ -
জেনো,তার নীতি সঠিক,
ধ্বংস হতে দেবোনা, রাখবো জিন্দা,
মোরা বীর মুজাহিদ।
আমাদের আশা আর মুসলীমের স্বপ্ন
হবে গো সফল।।
সত্যের ঝান্ডাধারী মোদের এ কাফেলা,
আমাদের জান-ঈমান সেতো
রাসূল(সঃ) আর আল্লাহ তাআলা।
দ্বীপ্ত বুকে দৃঢ় হয়ে লড়বো
নিয়ে ঈমানী বল।
নাহিক বুলেট নাহিক খঞ্জর এ দলের সাথে,
শূণ্য হাতে লড়বো শুধু রাসূল(সঃ) এর পথে।
বাতিলের মোকাবেলায় লড়েছি, লড়ছি
থাকবো অবিচল।।
---------------------------

শনিবার, ৪ মে, ২০১৩

নব সেনার গান - মুহাম্মদ জাকারিয়া শাহনগরী

নব সেনার গান
মুহাম্মদ জাকারিয়া শাহনগরী
----------------------
(৫ই মে'র ঢাকা অবরোধে অংশগ্রহণকারী
হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কর্মী ও
সমর্থকদের শক্তি হিসেবে পুনঃপ্রকাশ)
********************

চল্ চল্ চল্ তাড়া করে চল্
আমাদের নব সেনাদল,
আহলে সুন্নাতের মশাল নিয়ে
'আল্লাহু আকবার' বজ্র কন্ঠে বল।
নবীজীর আদর্শের বিশাল এ কাফেলা,
সারি হয়ে জপ শুধু 'সাল্লি আ'লা' -
ঝড়-বাধা মানবনা হারদম-দুর্দম চল্।।
আল কোরআন ও সুন্নাহ্ -
জেনো,তার নীতি সঠিক,
ধ্বংস হতে দেবোনা, রাখবো জিন্দা,
মোরা বীর মুজাহিদ।
আমাদের আশা আর মুসলীমের স্বপ্ন
হবে গো সফল।।
সত্যের ঝান্ডাধারী মোদের এ কাফেলা,
আমাদের জান-ঈমান সেতো
রাসূল(সঃ) আর আল্লাহ তাআলা।
দ্বীপ্ত বুকে দৃঢ় হয়ে লড়বো
নিয়ে ঈমানী বল।
নাহিক বুলেট নাহিক খঞ্জর এ দলের সাথে,
শূণ্য হাতে লড়বো শুধু রাসূল(সঃ) এর পথে।
বাতিলের মোকাবেলায় লড়েছি, লড়ছি
থাকবো অবিচল।।
----------------------------
(এ লেখাটি সম্ভবত পটিয়া মাদ্রাসা থেকে প্রকাশিত
মাসিক আততাওহীদের ,মার্চ-১৯৯২ইং সংখ্যায় প্রকাশিত হয়েছিল )

শুক্রবার, ৩ মে, ২০১৩

নতুন নতুন সংগঠন সৃষ্টি করে নতুন নতুন কৌশল অবলম্বনের মাধ্যমে হেফাজতে ইসলামের - ৫ই মে’র ঢাকা অবরোধ এবং তাদের ইসলামী আন্দোলন বাঞ্চালের অপচেষ্ঠায় সরকার

নতুন নতুন সংগঠন সৃষ্টি করে
নতুন নতুন কৌশল অবলম্বনের মাধ্যমে
হেফাজতে ইসলামের -
৫ই মে’র ঢাকা অবরোধ এবং
তাদের ইসলামী আন্দোলন
বাঞ্চালের অপচেষ্ঠায় সরকার
----------------------

ঢাকা অবরোধে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির লক্ষ্য নিয়ে ‘ইমাম-ওলেমা সম্মেলন ঐক্য পরিষদ’ নামের একটা ভুঁইপোড় সংগঠনের মাধ্যমে আগামী ৪ঠা মে থেকে ১০ই মে পর্যন্ত দেশের সকল কওমী মাদ্রাসা বন্ধের আহ্বান জানানোর মধ্য দিয়ে একটা নতুন কৌশলের আশ্রয় নিয়ে হেফাজতে ইসলামের ৫ই মে’র ঢাকা অবরোধ বাঞ্চালের অপচেষ্ঠা চালিয়ে যাচ্ছে সরকার।
সরকার ‘ইমাম-ওলেমা সম্মেলন ঐক্য পরিষদ’ সৃষ্টির মত নিত্যদিন নতুন নতুন সংগটন সৃষ্টির মধ্য দিয়ে নতুন নতুন কৌশল অবলম্বন করে এভাবে হেফাজতে ইসলামের ইসলামী আন্দোলন বাঞ্চালের চেষ্ঠা করে যাচ্ছে অবিরত। অথচ সরকার বলছে হেফাজতকে তারা ভয় করেনা। তবে কেন তাদের দমাতে সরকারের এত অপচেষ্ঠা ?
আশা করছি সরকারের সকল অপচেষ্ঠা তৌহীদী জনতার ঈমানী শক্তির কাছে পরাজিত হয়ে ৫ই মে’র ঢাকা অবরোধ সফল হবেই।

মঙ্গলবার, ৩০ এপ্রিল, ২০১৩

চলো চলো ঢাকায় চলো...

চলো চলো ঢাকায় চলো...
মুহাম্মদ জাকারিয়া শাহনগরী
(দয়া করে ৫ই মে পর্যন্ত এ ছবিটি শেয়ার করুন)
-----------------------------------

চলো চলো ঢাকায় চলো ৫ই মে ঘনিয়ে এলো,
৬ই এপ্রিলের শক্তি নিয়ে যাত্রা পথে কদম ফেলো।

আল্লাহ দ্রোহী - রাসূল (সঃ) দ্রোহী
এক কাতারেই হয় যদি সব,
ভয় নেই ওরে ভয় নেই 
আল্লাহ শব্দে বন্ধ হবে বাতিল কলরব।

আল্লাহ আল্লাহ জিকির চলবে সবার মুখে যত,
আল্লাহ দ্রোহী উড়ে যাবে তুলা উড়ার মত।

লা শারীক আল্লাহ
আমরা যদি মানি,
নাস্তিক্যবাদ ধ্বংসে এবার
এসো সবে ঈমানী আঘাত হানি।

ধর্মদ্রোহী যত আছে হবেরে খতম,
নাস্তিকেরা আঘাত পেয়ে করবে রে মাতম।

শক্তি যতই দেখাক তারা সবই হবে বিকল,
চিরতরে বন্ধী হবে পরবে তারা নরকেরই শিকল।

ঢাকা অবরোধ সফল করতে
চলো চলো ঢাকায় চলো -
দ্বীন প্রতিষ্ঠার শপথ নিয়ে ঢাকায় যাবার পথটা ধরো,
নাস্তিক্যবাদ ধ্বংস হবে
সবার মুখে আওয়াজ তোলো ;
ধর্মদ্রোহী কর্মরোধে ঢাকা অবরোধ সফল করো।

ঐ দেখো ভাই কাঁপে নাস্তিক
হেফাজতের মিছিল দেখে !
গর্জে উঠো মুসলীমেরা
মদদ মাঙ্গো আল্লাহ থেকে।
দেখে নিও ধ্বংস হবে
নাস্তিকদের আস্তানা,
ইসলামেরই রাজপথ এই
নাস্তিকদের রাস্তা না।
=========

সরকারী ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হবার ভয়ে কুষ্টিয়ার সাহিনাকে খুন করা হয়েছে আগুন লাগার নাটকের মাধ্যমে ... !

সরকারী ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হবার ভয়ে
কুষ্টিয়ার সাহিনাকে খুন করা হয়েছে
আগুন লাগার নাটকের মাধ্যমে ... !
--- মুহাম্মদ জাকারিয়া শাহনগরী
----------------------------
সরকারী ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হবার ভয়ে
কুষ্টিয়ার সাহিনাকে খুন করা হয়েছে
আগুন লাগার নাটকের মাধ্যমে ... !
*********************
কান কথায় ভারী হয়ে আসছে কানের গহ্বর। কুষ্টিয়ার 'সাহিনা'কে পরিকল্পিতভাবে খুন করার মধ্য দিয়ে সরকার তড়িগড়ি করে সাভার ট্র্যাজেডির বিশ্বব্যাপী সম্প্রচারের কবর দিতে সাভারের রানা প্লাজার ধ্বংস স্তুপ সরিয়ে ফেলার পরিকল্পিত একটা নাটকের মঞ্চায়ন ছিল রানা প্লাজার মৃত্যুকুপে আগুন লাগার ঘটনা। এ ধরণের মন্তব্যই শুনা যাচ্ছে সর্বত্র।

মানুষদের এ মন্তব্য যেন সত্যি হয়েই ধরা দিচ্ছে চিন্তাশীলদের চিন্তার জগতে। কারণ, যখন সাভার ট্র্যাজেডির বিভৎস চিত্র গণমাধ্যমের মধ্য দিয়ে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ল, তখন আমাদের মন্ত্রী মহোদয়গণ গণমাধ্যমগুলোর প্রতি একটা মন্তব্য ছুঁড়ে দিয়েছিলেন যে, গণমাধ্যমগুলো সাভার ট্র্যাজেডির লাইভ অনুষ্ঠান দেখিয়ে বহির্বিশ্বে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করছে।
মন্ত্রীদের এ মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে সাধারণ জনতার মনে জেগে উঠল আর একটা ভিন্ন প্রশ্ন - সাভার ট্র্যাজেডির লাইভ সম্প্রচার সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করছে , নাকি দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করছে ? যা হোক, মন্ত্রীদের মন্তব্যে ধরা খেল সাভার ট্র্যাজেডির লাইভ সম্প্রচার সরকারের কাছে ভাল লাগেনি।
তাই মনে হচ্ছে - সরকার আসলেই চেয়েছে তড়িগড়ি করে সাভারের রানা প্লাজার ধ্বংস স্তুপ সরিয়ে ফেলার মধ্য দিয়ে সাভার ট্র্যাজেডির বিশ্বব্যাপী সম্প্রচারের কবর দিতে। যাতে তাদের রাজনৈতিক ইমেজ নষ্ট না হয়।
দ্বিতীয়তঃ সাভার ট্র্যাজেডির উদ্ধারকারী দলের সদস্য আবুল খায়ের নামের এক ব্যক্তির ভাষ্যের মধ্য দিয়ে ধরা খায় মন্ত্রীদের দেয়া উপরোক্ত মন্তব্যের সাথে এক প্রকার সম্পৃক্ততা।
যখন ঐ আবুল খায়েরদের উদ্ধারকারী দলের উদ্ধারকারীরা 'সাহিনা' নামের একটা নারীকে টানা ত্রিশ ঘন্টা ধরে চেষ্ঠা করে রানা প্লাজার মৃত্যুকুপ থেকে জীবন্ত উদ্ধারের চেষ্ঠা চালিয়ে যাচ্ছিল, তখন তাকে উদ্ধার করার কর্ম প্রায় শেষ করে এনে উদ্ধারকারীরা তাকে উপরে তুলে আনার পরামর্শ করছিল, ঠিক সেই মুহূর্তেই একজন অপরিচিত (উদ্ধারকারী দলসমুহের কোন সদস্য নয়) এক ব্যক্তি নিজেকে ইঞ্জিনিয়ার পরিচয় দিয়ে উদ্ধারকারীদের অসমাপ্ত সামান্য কাজ শেষ করার জন্য সকল বাধা উপেক্ষা করে লেগে গেল। আর সে ব্যক্তি কাজ শুরু করার সাথে সাথেই লেগে গেল আগুন। ছড়িয়ে পড়ল সেই আগুন মৃত্যুকুপের অভ্যান্তরে। উদ্ধারকারীরা আহত হয়ে প্রাণ বাঁচিয়ে উপরে উঠে যেতে পারলেও তুলে আনা সম্ভব হয়নি সেই 'সাহিনা'কে। টানা ত্রিশ ঘন্টার শাঁসরুদ্ধকর একটা উদ্ধার অভিযান ব্যর্থ হয়ে গেল। পরাজিত উদ্ধারকারীদল এই পরাজয়ের গ্লানীর ভার সইতে না পেরে নিজেদের শোকসন্তপ্ত মনের বহিপ্রকাশ ঘটাল অঝোর ধারায় চোখের জল ঝরিয়ে। তারা উপরে উঠে বর্ণনা করল তাদের পরাজয়ের সে অসফল কাহিনী। সেই সাথে তারা ধিক্কার জানাল সেই অপরিচিত ইঞ্জিনিয়ারকে (যদিও এই ব্যক্তির শরীরের এক বৃহদাংশ ঐ অগ্নিকান্ডে ঝলসে যায়)।
প্রশ্ন জাগল সবার মনে- ঐ ব্যক্তি কে ? কেন এ ব্যক্তির হঠাৎ উদয় ? কেন সকল বাধা উপেক্ষা করে তার মৃত্যুকুপে উদ্ধারকর্মে যোগদান ? কেন সে কাজ শুরু করার সাথে সাথেই অগ্নিকান্ডের সেই ঘটনার উৎপত্তি ? কেন উদ্ধারকর্মী আবুল খায়ের বললেন - "ঐ লোককে নাকি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে, তাকে হাসপাতালে ভর্তি না করে মেরে ফেলা উচিত" ? তবে কি হয়েছিল সেই মৃত্যুকুপে ? কেন উদ্ধারকারী দল একজন (সাহিনা) কে জীবিত উদ্ধার করতে নিজেদের জীবন উৎসর্গ করে দিতে চেয়েও আরেকজন (অজ্ঞাত ইঞ্জিনিয়ার) কে মেরে ফেলতে চায় ? তবে কে ছিল সেই ইঞ্জিনিয়ার,কার পক্ষ নিয়ে সে কাজ করতে নেমেছিল,কি উদ্দেশ ছিল তার ?
এভাবেই কি শুরু হয়েছে হাজারো প্রশ্নের জন্ম দিয়ে 'সাহিনা উদ্ধার' এর পরিসমাপ্তি টেনে কুষ্টিয়ার 'সাহিনা'কে পরিকল্পিতভাবে খুন করার মধ্য দিয়ে তড়িগড়ি করে সাভার ট্র্যাজেডির বিশ্বব্যাপী সম্প্রচারের কবর দিতে সাভারের রানা প্লাজার ধ্বংস স্তুপ সরিয়ে ফেলার সরকারের পরিকল্পিত সরকারের ইমেজ নষ্টের প্রতিরোধ কর্ম ?
=================

শনিবার, ২৭ এপ্রিল, ২০১৩

"বার বার ঘুঘু তুমি খেয়ে যাও ধান" এমনই চলছে শ্রমিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দের আন্দোলন

          "বার বার ঘুঘু তুমি খেয়ে যাও ধান"
এমনই চলছে শ্রমিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দের আন্দোলন
-------------------------



আপনি কি মালিক পক্ষীয় এসব নেতা ও শ্রমিক নেতাদের কথা এখনও বিশ্বাস করতে চাইছেন ? আপনি চাইলেও আমি বিশ্বাস করতে অপারগ।

কারণ ,যখনই কারখানাগুলোতে কোন দূর্ঘটনা ঘটে তখনই তারা সাংবাদিক সমাবেশ করে, বিভিন্ন টক শোর মাধ্যমে বিভিন্ন মন ভুলানো বাহারী কথায় শ্রমিকদের অসন্তোষকে সন্তোষজনক অবস্থায় নিয়ে আসে। দূর্ঘটনার কিছুদিনের মধ্যেই সব অসন্তোষ সন্তোষে রূপান্তর হয়ে যায় এসব নেতাদের নিস্ক্রীয়তায়।

শুনা যাচ্ছে রানা প্লাজা ট্র্যাজেডির মাধ্যমে শত শত শ্রমিক হত্যার মূলে ছিল সরকারের কালো ছায়া। সেদিন ছুটি থাকা সত্যেও শ্রমিকদের জোর করে সেই ভবনে ডুকানো হয়েছিল বিরোধী দলের হরতাল বিরোধী মিছিলে অংশগ্রহণ করানোর জন্য। এ তথ্যটি ফেলনার মত নয়। কারণ সব সময় ক্ষমতাসীনরা নীরিহ শ্রমিকদের দাবার গুঁটি হিসাবে ব্যবহার করে এসেছে। এর ফলে দূর্ঘটনায় যে সব শ্রমিক মৃত্যুবরণ করে তাদের পরিবার ও সকল প্রকার সমস্যা দূরীকরনে হাত করা হয় শ্রমিক সংগঠনের নেতাদের। কারণ মৃত্যুবরণকারী শ্রমিকদের পক্ষে মুখ খুলবে এ সব নেতারাই। তাই ক্ষমতাসীনরা সেসব নেতাদের চড়া দামে কিনে তাদের মুখে কলুপ এটে দেয়। ফলে তাদের মুখ বন্ধ হয়ে যায়।

আসলে এসব নেতারা বিক্রি হয়ে যায় সরকারের কাছে। ফলে শ্রমিকদের আর্তি ধামাচাপা পড়ে সবসময়। এবার ও তার ব্যতিক্রম হবেনা। কয়েকদিন তারা সরগরম থাকবে। তারপর সরকারের সাথে হাত মিলিয়ে তারা মুখ বন্ধ করে ফেলবে। এমনই দেখা যাচ্ছে অবস্থাদৃষ্টে। সরকারী কর্মকর্তা, এমপি ও মন্ত্রীদের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে শুরু করেছে সাংবাদিক সম্মেলন, টক শো মালিক পক্ষের সংগঠনের নেতারা। কয়দিন পর শ্রমিক নেতারা তাদের সাথে যোগ দিবে।
এভাবেই প্রতিবারের ন্যায় ধামাচাপা পড়বে রানা প্লাজা ট্র্যাজেডিতে মৃত্যুবরণকারী শত শত মানুষের আর্তি, পরাজিত হবে মানবতার কান্না অসৎ মানুষের লোভের কাছে।

















বৃহস্পতিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০১৩

যেসব সংগঠনের নারীদের নিয়ে সরকার আল্লাহর বিরুদ্ধে যুদ্ধে করতে মরিয়া হয়ে উঠেছিল সেইসব নারীরাই আজ সরকারের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে এ যেন ইসলাম ও আল্লাহ বিরোধীদের জন্য আল্লাহর গজবের বাস্তব প্রতিফলন

যেসব সংগঠনের নারীদের নিয়ে
সরকার আল্লাহর বিরুদ্ধে যুদ্ধে করতে মরিয়া হয়ে উঠেছিল
সেইসব নারীরাই আজ সরকারের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে
এ যেন ইসলাম ও আল্লাহ বিরোধীদের জন্য
আল্লাহর গজবের বাস্তব প্রতিফলন
--------------------------


ঢাকাস্থ সাভার বাসস্ট্যান্ডের নিকটস্থ 'রানা প্লাজা ট্র্যাজেডি'তে এ পর্যন্ত প্রায় দুই শতাধিক মৃত্যুবরণকারী শ্রমিক ও পনেরো শত আহত শ্রমিক পাওয়া গেছে। ভবনের ভীতরে চাপাবস্থায় আরও রয়ে গেছে অজানা সংখ্যক শ্রমিক যারা আহত না নিহত কিছুই বুঝা যাচ্ছেনা। উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা আপ্রাণ চেষ্ঠা চালিয়ে যাচ্ছে দূর্ঘটনার পর থেকেই। কবে নাগাদ যে এ উদ্ধার কর্ম শেষ হবে তাও অজানা।

বিভিন্ন খবরে প্রকাশ ঢাকার আরও কয়েকটি গার্মেন্টস ভবনে ফাটল দেখা দিয়েছে। সেসব ভবন থেকে শ্রমিকদের সরিয়ে নেয়া হচ্ছে ,'রানা প্লাজা ট্র্যাজেডি'র মত আর কোন ঘটনা যাতে না ঘটে সেসব ভবনের মালিক ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের যথাযোগ্য পদক্ষেপ নেয়া উচিত বলে মনে করছি।
'রানা প্লাজা ট্র্যাজেডি'তে শ্রমিক ভাই-বোনদের মৃত্যুতে আমরা শোকাহত, আমরা মর্মাহত, আমরা নির্বাক, আমরা হতবাক, আমরা নিস্তব্ধ, আমরা আতঙ্কিত, আমরা স্বজনহারা, আমরা দিকহারা, আমরা হতাশাগ্রস্থ, আমরা বেদনাগ্রস্থ, আমরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। শোকাহত, মর্মাহত সমগ্র বাংলাদেশ।
এই ট্র্যাজেডিতে নিহত,আহত,ক্ষতিগ্রস্থদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানানোর ভাষা আমরা হারিয়ে ফেলেছি। এই ট্র্যাজেডির লাশের মিছিলে আমরাও হয়ে গেছি জীবন্ত লাশ। আমরা এই ট্র্যাজেডিতে নিহতদের আত্মার শান্তি কামনা করছি। তাদের পরিবারের প্রতি জানাচ্ছি সমবেদনা। যারা আহত হয়ে চিকিৎসাধীন তাদের দ্রুত আরোগ্যতা কামনা করছি। যারা ক্ষতিগ্রস্থ তারা এই ক্ষতি থেকে যাতে শীঘ্রই বেরিয়ে আসতে পারে তার জন্য আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করছি।
প্রসঙ্গত উল্লেখ করতে চাই, সরকার হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ (আল্লাহর সন্তুষ্টির একমাত্র পথ ইসলামের হেফাজতকারী বাংলাদেশের নির্ভরযোগ্য সংগঠন) – এর ইসলাম প্রতিষ্ঠার আন্দোলনের বিরুদ্ধে গার্মেন্টস শ্রমিকদের নিয়ে অবস্থান করতে গিয়ে এখন সরকার নিজেই সেই গার্মেন্টস শ্রমিকদের তোপের মুখে পড়েছে।
গার্মেন্টস শ্রমিকরা রাস্তায় নেমে গেছে। সর্বত্র চলছে তাদের বিক্ষোভ, অবরোধ। 'রানা প্লাজা ট্র্যাজেডি'র ক্ষোভের আগুন ধাউ ধাউ করে জ্বলছে চারিদিকে। চলছে সরকারী নিরাপত্তারক্ষীদের সাথে তাদের সংঘর্ষ। এ সব সংঘর্ষে আহত হয়ে লুটিয়ে পড়ছে তারা রাজপথে। তবুও তাদের ক্ষোভের আগুন নির্বাপিত হচ্ছেনা। তারা চালাচ্ছে বিভিন্ন গার্মেন্টসে ভাংচুর। তাদের প্রতিবাদ জানাতে করছে তারা যানবাহনের উপর হামলা। রাজধানীর বৃহদাংশ গার্মেন্টস শ্রমিক এখন ঘীরে রেখেছে বিজিএমই ভবন সহ বিভিন্ন সাংগঠনিক দফতর। পুরা রাজধানী তথা সমগ্র দেশের গার্মেন্টস শ্রমিকরা হাজার হাজার গার্মেন্টস শ্রমিকদের হত্যার প্রতিশোধ নিতে হয়ে গেছে বেপরোয়া। যেন সমগ্র দেশ আজ জ্বলন্ত এক অগ্নিকুন্ড। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ভাবে হাজার হাজার গার্মেন্টস শ্রমিক হত্যা ও নির্যাতনকারী অপরাধী মালিক ও কর্তৃপক্ষের গ্রেফতার ও সর্বোচ্ছ শাস্তির দাবীতে সমগ্র রাজধানী সহ দেশের সর্বত্র চলছে প্রতিবাদের উত্থাল জোয়ার।
সরকার কয়েকদিন ধরে এসব শ্রমিকদের নিয়েই হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ (আল্লাহর সন্তুষ্টির একমাত্র পথ ইসলামের হেফাজতকারী বাংলাদেশের নির্ভরযোগ্য সংগঠন) – এর ইসলাম প্রতিষ্ঠার আন্দোলনের বিরুদ্ধে অবস্থানের মহাপরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছিল। কিন্তু, মনে হয় সরকারের স্রষ্টাবিরোধী সেই মহাপরিকল্পনায় প্রতিবন্ধকতা করতেই সংঘটিত হয়েছে 'রানা প্লাজা ট্র্যাজেডি'।
যেসব সংগঠনের নারীদের নিয়ে সরকার আল্লাহর বিরুদ্ধে যুদ্ধে করতে মরিয়া হয়ে উঠেছিল সেইসব নারীরাই আজ সরকারের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। এ যেন ইসলাম ও আল্লাহ বিরোধীদের জন্য একটা শিক্ষা স্বরূপ আল্লাহর গজবের একটা বাস্তব প্রতিফলন। আল্লাহ পাক আমাদের সকলকে হেফাজত করুন, আর সুমতি দান করুন আমাদের সকলকে। আমীন।

ঢাকাস্থ সাভার বাসস্ট্যান্ডের নিকটস্থ 'রানা প্লাজা ট্র্যাজেডি'

শোকবার্তা
মুহাম্মদ জাকারিয়া শাহনগরী
----------------------

ঢাকাস্থ সাভার বাসস্ট্যান্ডের নিকটস্থ 'রানা প্লাজা ট্র্যাজেডি'তে শ্রমিক ভাই-বোনদের মৃত্যুতে আমরা শোকাহত, আমরা মর্মাহত, আমরা নির্বাক, আমরা হতবাক, আমরা নিস্তব্ধ, আমরা আতঙ্কিত, আমরা স্বজনহারা, আমরা দিকহারা, আমরা হতাশাগ্রস্থ, আমরা বেদনাগ্রস্থ, আমরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। শোকাহত, মর্মাহত সমগ্র বাংলাদেশ।
এই ট্র্যাজেডিতে নিহত,আহত,ক্ষতিগ্রস্থদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানানোর ভাষা আমরা হারিয়ে ফেলেছি। এই ট্র্যাজেডির লাশের মিছিলে আমরাও হয়ে গেছি জীবন্ত লাশ। আমরা এই ট্র্যাজেডিতে নিহতদের আত্মার শান্তি কামনা করছি। তাদের পরিবারের প্রতি জানাচ্ছি সমবেদনা। যারা আহত হয়ে চিকিৎসাধীন তাদের দ্রুত আরোগ্যতা কামনা করছি। যারা ক্ষতিগ্রস্থ তারা এই ক্ষতি থেকে যাতে শীঘ্রই বেরিয়ে আসতে পারে তার জন্য প্রার্থনা করছি।
********************
সাভারের 'রানা প্লাজা ট্র্যাজেডি'তে শ্রমিক ভাই-বোনদের মর্মান্তিক ও বেদনাদায়ক ঘটনা যে ঘটেছে তাতে পুরো জাতি শোকাহত। অনেকেই নিহত হয়েছেন, আবার অনেকে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। পার্শবর্তী এনাম মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে সব আহত-নিহতদের আনা হচ্ছে, সেখানে আহতদের জন্য বিভিন্ন গ্রুপের প্রচুর রক্তের প্রয়োজন। প্লীজ তাদের রক্ত দিয়ে জীবন বাঁচাতে এগিয়ে আসুন।









































































































হেফাজতের রক্তদান

হেফাজতের রক্তদান