আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের শুভেচ্ছা
বাংলা ভাষার জন্য আত্মত্যাগকারী
সকল মহান ভাষা শহীদগণের প্রতি,
এবং ভাষা আন্দোলনের সাথে সম্পৃক্ত
সকল ভাষা সৈনিক
ও বীর বাঙ্গালীদের জানাই অশেষ শ্রদ্ধাঞ্জলী,
সেইসাথে সকলকে জানাই
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের শুভেচ্ছা।
বিষয় সূচী
APNAKE SHAGOTOM
সকলকে বাংলা নতুন বছরের শুভেচ্ছা
অথচ একদিন আমরা বাঙ্গালী জাতি একতাবদ্ধ হয়ে রাষ্ট্রীয় ভাষা উর্দুকে ত্যাগ করে নিজেদের মাতৃভাষা বাংলাকে রাষ্ট্রীয় ভাষা তথা বাংলা ভাষাকে সর্বত্র প্রচলন করতে প্রাণ দিতে বাধ্য হয়েছিলাম ! ফলে বিজাতীয় ভাষা উর্দূকে অপসারন করে নিজেদের মাতৃভাষায় কথা বলার স্বাধীনতা অর্জন করে বাংলা ভাষাকে ধারন করেছিলাম । যখন আমরা বাংলার সর্বত্র বাংলা ভাষায় কথা বলা শুরু করেছিলাম ,তখন কিন্তু বিশ্বায়নের যুগটা অনুপস্থিত ছিল তা নয় , বিশ্বায়নের যুগটা তখনও ছিল বিধায় আমরা ইংরেজী শিক্ষায় তখনও বাধ্য ছিলাম । অর্থাৎ যে জন্যে আজ আমরা ইংরেজী শিখছি সেইজন্যে তখনও ইংরেজী শিক্ষার প্রচলন ছিল । ছিল ইংরেজী শিক্ষার প্রয়োজনীয়তাও । তাই বলে সে সময় বর্তমান সময়ের মত মাতৃভাষা বাংলাকে অবমাননা করা হয়নি । মানুষ সে সময় বাংলায়ই কথা বলেছিল । শুধুমাত্র প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রেই সে সময় ইংরেজী ব্যাবহার করেছিল বাঙ্গালী জাতি ।
conduit-banners
Powered by Conduit |
শুক্রবার, ৬ মার্চ, ২০১৫
আসছে ফাগুনে দেখা হবে...
প্রেমকাব্যে অনীহা
মিথ্যার মাঝে মানুষ সারা জীবন বসবাস করতে পারেনা
যেদিন জীবন প্রদীপ নিভে যাবে
রবিবার, ১ মার্চ, ২০১৫
অদ্ভুত সব স্বপ্নের মাঝে আমার নিদ্রাবাস
অনেকবার চেষ্ঠা করেছি আমার জীবনের দৈনন্দিন ঘটনাগুলো নিয়ে ডাইরী লিখে যাবো। কিন্তু দু’একদিন লিখেই আবার তা বন্ধ করে দিতে হয়েছে। আলস্যতা বলেন আর বিরক্তিতাই বলেন এক অজানা প্রতিবন্ধকতায় যেন আমার ডাইরী লেখা প্রতিবারই বন্ধ হয়ে যেতো। তাই এ পর্যন্ত আর আমার ডাইরী লেখা হয়ে উঠেনি।
কিন্তু উচিত ছিল দৈনিক লিখতে না পারলেও অন্ততঃ দু’একদিন পর পর হলেও যদি জীবনের ঘটনাগুলো লিপিবদ্ধ করা হতো হয়তো বেশ কিছু লেখা এতোদিনে ডাইরী হিসেবে জমা হয়ে যেতো। এমন হয়ে যেতো কয়েকটা বই ও। বেশী না যদি দু’তিন দিন পর পর এক পৃষ্ঠায় একটা করে স্বপ্নের বিবরণ লেখা হতো তবে এতোদিনে পাঁচশো’ এর অধিক স্বপ্নের বই প্রকাশ হয়ে যেতো।